স্পেন-জাপানের ম্যাচে কি আরেক ‘অঘটন’?

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’


স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
স্পেন-জাপানের ম্যাচে কি আরেক ‘অঘটন’?

স্পেন-জাপানের ম্যাচে কি আরেক ‘অঘটন’?

  • Font increase
  • Font Decrease

জাপানের সঙ্গে গ্রুপ পর্যায়ের শেষ রাউন্ডের ম্যাচ খেলার আগেই সংবাদ সম্মেলনে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রসঙ্গ এসেছিল স্পেনের কোচ লুইস এনরিকের সামনে। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ষোলোতে জয়ের পর কোয়ার্টার ফাইনালে গেলে মুখোমুখি হতে পারে ব্রাজিল ও স্পেন। এই যখন হিসাব তখন স্পেনের কোচ বলছেন, ব্রাজিলকে কোয়ার্টার ফাইনালে এড়াতে জাপানকে ছাড় দেবে না তার দল।

ব্রাজিল-স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার প্রসঙ্গ আসছে তখন যখন পর্যন্ত শেষ ষোলোই নিশ্চিত হয়নি স্পেনের। তবে প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ড্র; এই চার পয়েন্টে ধরা হচ্ছে স্পেনই যাচ্ছে নকআউট পর্বে।

‘ই’ গ্রুপ থেকে নকআউটের দৌড়ে আছে চার দলই। দুই ম্যাচ খেলে ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে স্পেন, এরপর ৩ পয়েন্ট নিয়ে পরের দুটি স্থানে আছে জাপান ও কোস্টারিকা, এবং ১ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার তলানিতে জার্মানি।

পয়েন্ট তালিকার হিসাব ও বিশ্বকাপের এবারের পারফরম্যান্সে এগিয়ে স্পেন। সম্ভাবনা আছে জাপান ও জার্মানির। জার্মানিকে হারিয়ে ‘অঘটন’ ঘটাতে পারলে কোস্টারিকা চলে যাবে নকআউট পর্বে। আবার জাপানও স্পেনকে হারিয়ে আরেক ‘অঘটনের’ জন্ম দেবে?

শেষ ষোলোতে উন্নীত হওয়ার দৌড়ে চার দলের মধ্যে যখন নানা হিসাব তখন স্পেনকে ড্র করলেও চলবে। জাপান ড্র করলে এবং জার্মানি জিতলে গোল ব্যবধানের হিসাব চলে আসবে সামনে। তবে সহজ সমীকরণ হলো জাপানের বিপক্ষে স্পেন জিতলে এবং কোস্টারিকার বিপক্ষে জার্মানি প্রত্যাশিত জয় পেলে দুই দলই শেষ ষোলো খেলবে।

প্রথম ম্যাচে কোস্টারিকাকে ৭ গোলে বিধ্বস্ত করে এগিয়ে আছে স্প্যানিশরা। পরের ম্যাচে তারা জার্মানির সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে। অন্যদিকে, জাপান তাদের প্রথম ম্যাচে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে ২-১ গোলে পরাজিত করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে কোস্টারিকার কাছে একমাত্র গোলে হেরে যায়।

ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে স্পেন কোচ লুইস এনরিকে বলেছেন, তারা জাপানের বিপক্ষে ড্র করার জন্য খেলবেন না। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলে এবং সব ঠিক থাকলে কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাতেও ভীত নন এনরিকে। ব্রাজিলকে কোয়ার্টারে এড়ানোর পরিকল্পনা আছে কিনা এমন প্রশ্নে এনরিকে বলেছেন, ‘আপনারা কী ভাবছেন, ম্যাচে কী ঘটবে তা ধারণা করে নিয়ে গ্রুপে দ্বিতীয় হওয়ার জন্য খেলব!’

বিশ্বফুটবলের সর্বোচ্চ আসরে জাপান-স্পেন এই প্রথম মুখোমুখি হচ্ছে। তার আগে ২০০১ সালে এক প্রীতি ম্যাচে জাপানকে ১-০ গোলে হারায় স্পেন।

১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপে অভিষেক হয় জাপানের। পরের ছয়টি আসরেই বাছাই পর্ব পেরিয়ে বিশ্বকাপ খেলছে তারা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় তিনবার খেলেছে এশিয়ার দেশটি। গত বিশ্বকাপেও শেষ ষোলোতে খেলেছিল জাপান।

   

সুপার এইটে দ. আফ্রিকার জন্য কি চমক রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র?

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ক্রিকেট বিশ্বকাপে খেলতে পারাটাই একটা সময় পর্যন্ত স্বপ্ন ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। সেই দলটিই এখন প্রথমবারের মতো আয়োজক হিসেবে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে একের পর এক চমক দেখাচ্ছে। গ্রুপপর্বে পাকিস্তানের মতো দলকে হারিয়ে এখন সুপার এইটে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার অপেক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হবে দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮ টায়। ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য কি চমক নিয়ে অপেক্ষা করছে যুক্তরাষ্ট্র সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

যুক্তরাষ্ট্র চমক দেখাতে পারে; এমনটা ভাবার কারণ, এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ২০টি দলের মধ্যে ১২টি দল বাদ পড়লেও বেশ শক্তভাবেই টিকে আছে যুক্তরাষ্ট্র। বাদ পড়াদের মধ্যে নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মতো শক্তিশালী দলও রয়েছে। অথচ, টিকে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। আর সেটা তারা সম্ভব করেছে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে কানাডার বিপক্ষে রেকর্ড রান তাড়া করে ও দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানকে নাটকীয়ভাবে হারিয়ে দিয়ে। এরপর ভারতের বিপক্ষে হারলেও তাদের লড়াই প্রশংসা কুড়িয়েছে সবার। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপের শেষ ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে বাতিল হলে সুপার এইট নিশ্চিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের।

শুধু যে গ্রুপপর্বে চমক দেখিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র তা নয়। বিশ্বকাপের মূল মিশনে নামার আগে এই দলটি বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছিল ২-১ ব্যবধানে। এমন দলকে তাই ছোট বলার সুযোগ নেই খুব একটা। দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এইডেন মার্করামও তেমন সাহস দেখালেন না। স্পষ্ট করে জানালেন, যুক্তরাষ্ট্র মোটেও ছোট দল নয়। তাদের বিপক্ষে জিততে হলে নিজেদের শতভাগই দিতে হবে তার দলকে।

ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে মার্করাম বলেন, ‘তারা বেশ ভালো ক্রিকেট খেলছে। অনেকে হয়তো তাদের ছোট দল বলবে। কিন্তু তারা মোটেও ছোট দল নয়। কাজেই আমাদের শতভাগ দিয়েই তাদের বিপক্ষে ম্যাচ জিততে হবে। আমি তাদের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য রোমাঞ্চিত।’

যদিও যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে শক্তিমত্তা বা যেকোনো বিচারেই ঢের এগিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। গ্রুপপর্বের চার ম্যাচের চারটিতেই জয় পেয়েছে তারা। তাছাড়া দলটির সামর্থ্য আছে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলারও। তবে প্রোটিয়াদের ভয় বড় ম্যাচে ছোট দলের বিপক্ষে হেরে যাওয়ার পূর্বের তিক্ত অভিজ্ঞতা। যা যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচের আগেও সাবধানী করছে তাদের।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

হাফিজের চাওয়া সেমিতে খেলুক বাংলাদেশ

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্তর দলকে এখন লড়তে হবে সেমির জন্য। সেই লড়াইয়ে নামার আগে বাংলাদেশ দলকে শুভকামনা জানিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও কোচ মোহাম্মদ হাফিজ। এশিয়ান দল হিসেবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মতো দল ছিটকে যাওয়ায় হাফিজের চাওয়া অন্তত সেমিতে খেলুক বাংলাদেশ।

গ্রুপপর্বে তিন জয়ে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। অথচ, বিশ্বকাপের মূল লড়াইয়ে নামার আগে বাংলাদেশ দলের অবস্থা ছিল সূচনীয়। হারতে হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সিরিজ। হঠাৎ দলের এমন পারফরম্যান্সের রহস্য নিয়ে পিটিভি স্পোর্টসের অনুষ্ঠান ‘গেম অন হ্যাঁয়’ তে হাফিজ জানান বিশ্বকাপের আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সিরিজ হারই বাংলাদেশের বদলে যাওয়ার কারণ।

বাংলাদেশ দলকে নিয়ে হাফিজ বলেন, ‘আমরা জানতাম তারা সেটা করতে পারবে। যদি আপনি তাদের যাত্রাটা লক্ষ্য করেন, তাহলে দেখবেন, তারা প্রত্যাশা মেটাতে পারেনি। কিন্তু এবার যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সিরিজ হারের পর তারা শক্তিশালী হয়ে ফিরে এসেছে। তারা খেলাটার প্রতি সঠিক দেহভাষ্য আর চারিত্রিক দৃঢ়তা দেখিয়েছে।’

গ্রুপপর্বে কেবল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় পায়নি বাংলাদেশ। তবে ওই ম্যাচেও শেষ বল পর্যন্ত লড়াই করেছে বাংলাদেশ। ম্যাচ হেরেছে ৪ রানের ব্যবধানে। তবে ম্যাচ হারলেও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হারের পরও আত্মবিশ্বাস পেয়েছিল বাংলাদেশ বলে মনে করেন হাফিজ।

বলেন, ‘সে ম্যাচটা প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশকে দারুণ আত্মবিশ্বাস এনে দিয়েছে।’ বাংলাদেশ দলের সেমিতে খেলা নিয়ে হাফিজ বলেন, ‘আমি আশা করছি বাংলাদেশ ভালো করবে। এশিয়ান জায়ান্ট পাকিস্তান আর শ্রীলঙ্কা বাদ পড়ে গেছে প্রতিযোগিতা থেকে। ব্যক্তিগতভাবে আমি চাই তারা ভালো করুক। সেমিফাইনালে পৌঁছে যাক।’

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক থাকছেন না উইলিয়ামসন

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিস্মরণযোগ্য এক বিশ্বকাপ ক্যাম্পেইন শেষে নিউজিল্যান্ডের অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিলেন কেন উইলিয়ামসন। এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট। সঙ্গে তিনি আগামী মৌসুমে ব্ল্যাকক্যাপদের কেন্দ্রীয় চুক্তিতেও থাকছেন না, জানিয়েছেন উইলিয়ামসন। 

উইলিয়ামসন নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের ইতিহাসের সফলতম অধিনায়ক। তার হাত ধরে প্রথম আইসিসির ট্রফি জিতেছে দলটা। ২০২১ সালে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছিল কিউইরা। তবে তার আগে পরে ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে না হারলে বিশ্ব ক্রিকেটেরই অনন্য এক চরিত্র বনে যেতে পারতেন তিনি। বনে যেতে পারতেন আইসিসির তিনটি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপই জেতা প্রথম অধিনায়ক।

সেটা হওয়ার সুযোগটা আর রাখছেন না তিনি। অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিচ্ছেন এবার। লাল বলের অধিনায়কত্বটা আগেই ছেড়েছিলেন। এবার সাদা বলের নেতৃত্বও ছেড়ে দিলেন। মূলত ক্যারিয়ারকে আরও লম্বা করতেই এই সিদ্ধান্তটা নিয়েছেন তিনি। 

সঙ্গে কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকেও সরে দাঁড়িয়েছেন উইলিয়ামসন। ৩৩ বছর বয়সী এই তারকা নিউজিল্যান্ডের গ্রীষ্মে বাইরের লিগগুলোয় খেলে বেড়াতে চাইছেন, মূলত সে কারণেই নিলেন এই সিদ্ধান্ত। সেই গ্রীষ্মের বাইরের সময়টা ফাঁকা আছে তার। সে সময় নিউজিল্যান্ডের হয়ে খেলবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। 

তিনি বলেন, ‘তিন ফরম্যাটে দলকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে মুখিয়ে আছি। তবে বাইরের দেশে সুযোগগুলো নিয়ে দেখতে চাই আমি। আর সেটা হবে নিউজিল্যান্ডের গ্রীষ্মে। যার ফলে আমি কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।’

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট সাধারণত কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা খেলোয়াড়দেরই দলে টানতে পছন্দ করে। কিন্তু উইলিয়ামসন চুক্তিতে না থাকায় তার দলে খেলা নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকবে না। বিষয়টা নিয়ে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন ব্ল্যাকক্যাপদের সিইও স্কট উইনিঙ্ক। 

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

জয়ে শুরু রোনালদোর পর্তুগালের



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউরো বাছাইপর্বের সব ম্যাচ জিতে মূল টুর্নামেন্টে এসেছে পর্তুগাল। সে কারণে এবার ইউরোর অন্যতম ফেভারিট হিসেবেও ধরা হচ্ছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দলকে। সেই দলটা এবার ইউরোটা শুরু করেছে জয় দিয়ে। চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়েছে ২-১ গোলে।

তবে ম্যাচে হারের শঙ্কাও একটা সময় ভর করেছিল ২০১৬ ইউরোর চ্যাম্পিয়নদের শিবিরে। ৬২ মিনিটে লুকাস প্রোভডের আগুনে শটে গোল পেয়ে যায় চেক প্রজাতন্ত্র। পর্তুগাল পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে। 

তবে পর্তুগিজরা এরপর হাঁফ ছেড়ে বাঁচে আত্মঘাতী গোলে। নুনো মেন্ডেসের হেড ঠেকান গিয়ে চেক গোলরক্ষক জিন্দ্রিচ স্টানেক, তবে তার হাত থেকে বলটা চলে যায় সামনে থাকা ডিফেন্ডার রবিন হ্রানাচের কাছে। তার গায়ে লেগে বল জড়ায় জালে। 

এরপর পর্তুগাল ইনজুরি সময়ে একবার বল জড়ায় চেকদের জালে। কিন্তু রোনালদো অফসাইডে থাকায় ডিয়োগো জোটার গোলটা বাতিল হয়ে যায়। এরপর যোগ করা সময়ে ফ্রান্সিসকো কনসেইসাওয়ের গোল দলের তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে। 

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;