ফাইনালের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত ‘গ্রেটেস্ট’ মেসি

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
লিওলেন মেসি

লিওলেন মেসি

  • Font increase
  • Font Decrease

১৮ বছরের বর্ণিল ক্যারিয়ারে ৩৭টি ক্লাব শিরোপা, সাতবার ব্যালন ডি’অঁর খেতাব এবং ছয়বার ইউরোপীয় গোল্ডেন বুট জয় ছাড়াও একবার কোপা আমেরিকা শিরোপা এবং অলিম্পিকের স্বর্ণ পদকসহ আর্জেন্টাইন সুপার স্টার লিওনেল মেসির যে গোলের পরিসংখ্যান, সে  রেকর্ড কখনো ভাঙ্গার নয়।

আগামী রোববার আর্জেন্টাইন ৩৫ বছর বয়সি অধিনায়কের সুযোগ আছে বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের মাধ্যমে ক্যারিয়ারের সর্বশেষ সফলতার পলকটি যুক্ত করার। মেসির অন্ধ  ভক্তরা মনে করেন দোহার লুসাইল স্টেডিয়ামে ফ্রান্সের বিপক্ষে জয়ের মাধ্যমে তার সর্বশেষ অবস্থান কোথায় হবে সেই বিতর্কের অবসান ঘটবে। ইতোমধ্যে নিজের ক্যারিয়ারে অসাধারণ অর্জন মেসিকে পৌঁছে দিয়েছে পেলে, দিয়াগো ম্যারাডোনা, আলফ্রেডো ডি স্টেফানো ও জোহান ক্রুইফদের কাতারে।

রোববার বিশ্বকাপ জয় করতে পারলে মেসি কি পৌঁছে যাবেন সেখান থেকে আরো উপরে? কেউ কেউ বলছে, সেটি হতে পারে। আবার কেউ কেউ মনে করেন ইতোমধ্যে সেখানে পৌঁছে গেছেন মেসি।

মেসির নজরকাড়া দক্ষতায় ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে সেমি-ফাইনালে ৩-০ গোলে জয়লাভের পর আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেছিলেন,‘ এটা বলতে আমার কোন দ্বিধা নেই: সে ইতিহাসের সেরা।’ 

ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক অ্যালান শিয়ারার বলেছেন, মেক্সিকোতে ১৯৮৬ সালে বিশ্বকাপ শিরোপা জয় করায়  মেসির স্বদেশী প্রয়াত কিংবদন্তী ম্যারাডনোকে সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় মনে করছেন। তিনি বিবিসিকে বলেন,‘ মেসি যদি এখানে জয়লাভ করতে পারেন, তাহলে তার সেই দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যাবে।’        

১৯৮৬ সালে বিশ্বকাপের ফাইনালে ম্যারাডোনার বানিয়ে দেয়া বল দিয়ে গোল করে তৎকালীন পশ্চিম  জার্মানির বিপক্ষে আর্জেন্টিনাকে জয় এনে দেয়া সাবেক স্ট্রাইকার হোর্হে বুরুচাগা বলেন,‘ মেসি এমন এক যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়, যেখানে শুধু মাত্র ক্রিষ্টিয়ানো রোনালদো তার কৃতিত্বের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। ৬০ বছর বয়সি এই এই তারকা বলেন এখানে পুর্ববর্তী প্রজন্মের সঙ্গে তুলনা করা বৃথা।

তিনি এএফপিকে বলেন,‘ জয় বা পরাজয় যাই হোক না কেন মেসি ম্যারাডোনাকে ছাড়িয়েও যেতে পারবেন না, আবার তার চেয়ে পিছিয়েও থাকবেন না। যাই ঘটুক না কেন ইতিহাসে প্রবেশ করতে যাচ্ছেন মেসি। বিগত ৭০ বছরের ইতিহাসে পাঁচ জন খেলোয়াড়কে বিশ্বসেরা হিসেবে বিবেচনা করা হয়, এরা হলেন ডি স্টেফানো, জোহান ক্রুইফ, পেলে , ম্যারাডোনা ও মেসি। বিশ্বকাপ জয় করুক বা না করুক, মেসি ওই তালিকায় ইতোমধ্যে ঢুকে গেছেন। তবে আমি আশা করি তিনি (বিশ্বকাপ জয় করতে) পারবেন।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

সিরিজ নিশ্চিতের লক্ষ্যে দুপুরে নামছে টাইগাররা



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রথম ওয়ানডেতে বড় ব্যবধানে জিতে সিরিজে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে আগে-ভাগেই সিরিজ নিশ্চিত করতে চায় টাইগাররা। সেই লক্ষ্যে সোমবার মাঠে নামছে তামিম-সাকিব বাহিনী।

সোমবার (১৯ মার্চ) দুপুর ২টায় সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে ম্যাচটি । টি-স্পোর্টসে ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

প্রথম ওয়ানডেতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে হেসেখেলেই জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ৩৩৮ রান তুলে বাংলাদেশ। নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ দলীয় রান টাইগারদের। জবাবে ৩০ দশমিক ৫ ওভারে মাত্র ১৫৫ রানে অলআউট হয় আয়ারল্যান্ড। এতে ১৮৩ রানের বিশাল ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নেয় তামিম-সাকিবরা। ওয়ানডে ফরম্যাটে রান বিবেচনায় এটিই সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় বাংলাদেশের।

পুরো ম্যাচের মধ্যে শুধুমাত্র প্রথম ১০ ওভারে পেসারদের সুইংকে কাজে লাগিয়ে ভালো অবস্থায় ছিলো আয়ারল্যান্ড। পরবর্তীতে ম্যাচের লাগাম নিয়ে নেয় গত আট বছর ধরে ঘরের মাঠে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করা বাংলাদেশ। এই সময় মাত্র দু’টি সিরিজে হারে তারা। দু’টি সিরিজ হারই ছিলো ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।

তৃতীয়বারের মত দ্বিপাক্ষিক সিরিজে এবার মুখোমুখি বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ড। ২০০৮ সালে তিন ম্যাচের সিরিজে আইরিশদের হোয়াইওয়াশ করেছিলো বাংলাদেশ। ২০১০ সালে আয়ারল্যান্ডের মাটিতে তিন ম্যাচের সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করেছিলো টাইগাররা। ওই সিরিজের একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছিলো।

সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১১টি ম্যাচে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ড। এরমধ্যে বাংলাদেশের জয় ৮টিতে, আয়ারল্যান্ডের জয় ২টিতে।সাম্প্রতিক ফর্ম এবং শক্তি বিচারে এক ম্যাচ বাকি রেখে সিরিজ জয় নিশ্চিতের পথেই আছে বাংলাদেশ।

তবে আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপকে মাথায় রেখে পর্যাপ্ত বিকল্প তৈরি করতে এই সিরিজে খেলোয়াড়দের ঘুড়িয়ে-ফিরিয়ে খেলানোই মূল লক্ষ্য বাংলাদেশের। প্রথম ওয়ানডেতে অভিষেক ম্যাচে ৯২ রানের ইনিংস খেলে দলের আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন তাওহিদ হৃদয়। অভিষেক ওয়ানডেতে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসের মালিক বনে যান হৃদয়।

নিজেকে প্রমাণ করার সময় এসেছে আরেক ব্যাটার ইয়াসির আলির। সবচেয়ে প্রতিভাবান খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রমাণের অপেক্ষায় থাকা ইয়াসির এখনও প্রতিভার ঝলক দেখাতে পারেননি।

অন্য দিকে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে লজ্জাজনক হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুড়ে দাঁড়ানোর লক্ষ্য আয়ারল্যান্ডের। দ্বিতীয় ওয়ানডেটি আইরিশদের জন্য ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে রূপ নিয়েছে।

প্রথম ম্যাচের পর আয়ারল্যান্ডের অধিনায়ক অ্যান্ড্রু বলবির্নি বলেছিলেন, ম্যাচের অর্ধেক সময়েও আমরা খুব বেশি হতাশ ছিলাম না। যখন আমরা ব্যাটিং করতে নামি তখনও উইকেট ভালো ছিলো। তারপর আমরা ৪-৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যাই। অভিজ্ঞতার অভাব ছিলো-এটি অজুহাত হিসাবে দাঁড় করাতে চাই না আমরা। তবে তারা ছন্দে ছিলো এবং খুব ভাল খেলেছে।

তিনি আরও বলেন, তবে ভালো বিষয় হলো, আমরা সোমবার আরও একটি সুযোগ পাবো। আমরা প্রতিন্দ্বন্দিতা করতে চাই। প্রথম ম্যাচের চেয়ে আরও ভালো খেলতে চাই, বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে।

বাংলাদেশ দল

তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, আফিফ হোসেন, ইয়াসির আলী চৌধুরী, তৌহিদ হৃদয়, মেহেদি হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন চৌধুরী, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ, শরিফুল ইসলাম ও রনি তালুকদার।

আয়ারল্যান্ড দল

অ্যান্ড্রু বলবির্নি (অধিনায়ক), পল স্টার্লিং, স্টেফেন ডোহেনি, হ্যারি টেক্টর, জর্জ ডকরেল, কার্টিস ক্যাম্পার, লরকান টাকার, গ্যারেথ ডেলানি, অ্যান্ডি ম্যাকব্রিন, মার্ক অ্যাডায়ার, ম্যাথিউ হামফ্রেস, বেঞ্জামিন হোয়াইট, জোশুয়া লিটল ও গ্রাহাম হুম।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

সোমবারই সিরিজ নিশ্চিত করতে চায় টাইগাররা



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরিজ নিশ্চিত করতে সোমবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডে জিততে বদ্ধপরিকর স্বাগতিক বাংলাদেশ। দুপুর ২টায় শুরু হওয়া ম্যাচটি টি স্পোর্টস চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

প্রথম ওয়ানডেতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে হেসেখেলেই জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ৩৩৮ রান তুলে বাংলাদেশ। নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ দলীয় রান টাইগারদের। জবাবে ৩০ দশমিক ৫ ওভারে মাত্র ১৫৫ রানে অলআউট হয় আয়ারল্যান্ড। এতে ১৮৩ রানের বিশাল ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নেয় তামিম-সাকিবরা। ওয়ানডে ফরম্যাটে রান বিবেচনায় এটিই সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় বাংলাদেশের।

পুরো ম্যাচের মধ্যে শুধুমাত্র প্রথম ১০ ওভারে পেসারদের সুইংকে কাজে লাগিয়ে ভালো অবস্থায় ছিলো আয়ারল্যান্ড। পরবর্তীতে ম্যাচের লাগাম নিয়ে নেয় গত আট বছর ধরে ঘরের মাঠে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করা বাংলাদেশ। এই সময় মাত্র দু’টি সিরিজে হারে তারা। দু’টি সিরিজ হারই ছিলো ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।

তৃতীয়বারের মত দ্বিপাক্ষিক সিরিজে এবার মুখোমুখি বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ড। ২০০৮ সালে তিন ম্যাচের সিরিজে আইরিশদের হোয়াইওয়াশ করেছিলো বাংলাদেশ। ২০১০ সালে আয়ারল্যান্ডের মাটিতে তিন ম্যাচের সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করেছিলো টাইগাররা। ওই সিরিজের একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছিলো।

সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১১টি ম্যাচে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ড। এরমধ্যে বাংলাদেশের জয় ৮টিতে, আয়ারল্যান্ডের জয় ২টিতে।সাম্প্রতিক ফর্ম এবং শক্তি বিচারে এক ম্যাচ বাকি রেখে সিরিজ জয় নিশ্চিতের পথেই আছে বাংলাদেশ।

তবে আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপকে মাথায় রেখে পর্যাপ্ত বিকল্প তৈরি করতে এই সিরিজে খেলোয়াড়দের ঘুড়িয়ে-ফিরিয়ে খেলানোই মূল লক্ষ্য বাংলাদেশের। প্রথম ওয়ানডেতে অভিষেক ম্যাচে ৯২ রানের ইনিংস খেলে দলের আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন তাওহিদ হৃদয়। অভিষেক ওয়ানডেতে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসের মালিক বনে যান হৃদয়।

নিজেকে প্রমাণ করার সময় এসেছে আরেক ব্যাটার ইয়াসির আলির। সবচেয়ে প্রতিভাবান খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রমাণের অপেক্ষায় থাকা ইয়াসির এখনও প্রতিভার ঝলক দেখাতে পারেননি।

অন্য দিকে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে লজ্জাজনক হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুড়ে দাঁড়ানোর লক্ষ্য আয়ারল্যান্ডের। দ্বিতীয় ওয়ানডেটি আইরিশদের জন্য ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে রূপ নিয়েছে।

প্রথম ম্যাচের পর আয়ারল্যান্ডের অধিনায়ক অ্যান্ড্রু বলবির্নি বলেছিলেন, ম্যাচের অর্ধেক সময়েও আমরা খুব বেশি হতাশ ছিলাম না। যখন আমরা ব্যাটিং করতে নামি তখনও উইকেট ভালো ছিলো। তারপর আমরা ৪-৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যাই। অভিজ্ঞতার অভাব ছিলো-এটি অজুহাত হিসাবে দাঁড় করাতে চাই না আমরা। তবে তারা ছন্দে ছিলো এবং খুব ভাল খেলেছে।

তিনি আরও বলেন, তবে ভালো বিষয় হলো, আমরা সোমবার আরও একটি সুযোগ পাবো। আমরা প্রতিন্দ্বন্দিতা করতে চাই। প্রথম ম্যাচের চেয়ে আরও ভালো খেলতে চাই, বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে।

বাংলাদেশ দল

তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, আফিফ হোসেন, ইয়াসির আলী চৌধুরী, তৌহিদ হৃদয়, মেহেদি হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন চৌধুরী, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ, শরিফুল ইসলাম ও রনি তালুকদার।

আয়ারল্যান্ড দল

অ্যান্ড্রু বলবির্নি (অধিনায়ক), পল স্টার্লিং, স্টেফেন ডোহেনি, হ্যারি টেক্টর, জর্জ ডকরেল, কার্টিস ক্যাম্পার, লরকান টাকার, গ্যারেথ ডেলানি, অ্যান্ডি ম্যাকব্রিন, মার্ক অ্যাডায়ার, ম্যাথিউ হামফ্রেস, বেঞ্জামিন হোয়াইট, জোশুয়া লিটল ও গ্রাহাম হুম।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

বাংলাদেশের বড় জয়ের নতুন রেকর্ড



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের ক্রিকেটে ইতিহাসে রানের ব্যবধানে জয়ের নতুন রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ।

টাইগারদের দেয়া ৩৩৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৫৫ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। ফলে, ১৮৩ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। যা নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে রানের ব্যবধানে সবচেয়ে বড় জয়।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে সাকিব আল হাসান আর তৌহিদ হৃদয়ের জোড়া হাফ সেঞ্চুরিতে ৩৩৮ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।

জবাবে আয়ারল্যান্ড ৩০.৫ ওভারে গুটিয়ে যায় ১৫৫ রানে। রানের দিক থেকে ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের এটি সবচেয়ে বড় জয়। আগেরটি ছিল ১৬৯ রানে, জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে এই সিলেটের মাটিতেই, ২০২০ সালে। আবার ওয়ানডেতে ৩৩৮ রানের স্কোরও বাংলাদেশের সর্বোচ্চ, আগেরটি ছিল ৩৩৩ রানের।

বড় লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা ভালোই ছিল আয়ার‌ল্যান্ডের। উদ্বোধনী জুটিতে ৬০ রান তোলে দলটি। স্টেফান ডোনিকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন সাকিব আল হাসান। এরপর আর বলতে গেলে দাড়াতে পারেনি সফরকারীরা। উইকেট হারাতে থাকে ধারাবাহিক বিরতিতে।

মিডল অর্ডারে জর্জ ডকরেল লড়েছেন কিছুটা। তার ব্যাটেই আসে সর্বোচ্চ ৪৫ রানের ইনিংস। ওপেনার স্টেফান করেন ৩৪ রান। এছাড়া পল স্টার্লিং ২২, কার্টিস ক্যাম্ফার ১৬, মার্ক অ্যাডায়ার ১৩ রান করেন। বাকিরা ছুতে পারেননি দুই অঙ্কের রান।

বল হাতে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ চার উইকেট নেন পেসার ইবাদত হোসেন। নাসুম আহমেদ তিনটি, তাসকিন দুটি, সাকিব নেন একটি করে উইকেট।

এই ম্যাচে সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েছিলেন সাকিব ও তৌহিদ হৃদয়। কিন্তু পারেননি কেউ। দুজনই নার্ভাস নাইনটিজের শিকার। ৯ চারে ৮৯ বলে ৯৩ রানের ইনিংস খেলে গ্রাহামের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাকিব। হৃদয়ের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে সাকিব গড়েন ১২৫ বলে ১৩৫ রানের জুটি।

হৃদয় গড়েছেন অভিষেকে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। কিন্তু ৮ রানের জন্য তিনিও সেঞ্চুরি করতে পারেননি। ৮৫ বলে ৮ চার ও দুই ছক্কায় ৯২ রান করে তিনি বোল্ড হন গ্রাহামের বলে। ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে অভিষেক ওয়ানডেতে নব্বইয়ের ঘরে আউট হওয়ার অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডে নাম উঠেছে তৌহিদ হৃদয়ের।

শেষের দিকে ২৬ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেলেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম।

তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। আগামী সোমবার একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় ওয়ানডে। ২৩ মার্চ তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে।

এদিকে তামিম ইকবালের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে ওয়ানডেতে ৭ হাজার রান করেন সাকিব। ৭ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করতে তামিম খেলেছেন ২০৪ ইনিংস। সাকিব এই রান করলেন ২১৬  ইনিংস খেলে।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

বাংলাদেশের দেয়া ৩৩৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করছে আয়ারল্যান্ড



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সাকিব আল হাসান ও অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা তৌহিদ হৃদয়ের জোড়া হাফ সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড় গড়েছে বাংলাদেশ। ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেটে ৩৩৮ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় টাইগার ব্যাটাররা।

সাকিব ৯৩ ও হৃদয় ৯২ রান করে আউট হন।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামে স্বাগতিক বাংলাদেশ। তৃতীয় ওভারেই ৩ রানে সাজঘরে ফিরেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। পেসার মার্ক অ্যাডায়ারের অফ স্টাম্পের বাইরের বল ড্রাইভ করতে গিয়ে স্লিপে পল স্টার্লিংকে ক্যাচ দেন তামিম।

দলীয় ১৫ রানে তামিমকে হারানোর পর জুটি গড়ার চেষ্টা করেন আরেক ওপেনার লিটন দাস ও ইনফর্ম নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু প্রথম পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে পেসার কার্টিস ক্যাম্পারের বলে শর্ট কভারে পল স্টার্লিংয়ের ক্যাচে বিদায় নেন ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ৩১ বলে ২৬ রানের ইনিংস খেলা লিটন।
ভালো শুরু করেও ১৭তম ওভারে স্পিনার অ্যান্ডি ম্যাকব্রিনের বলে বোল্ড হন ৩৪ বলে ২৫ রান করা শান্ত।

৮১ রানে ৩ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে লড়াইয়ে ফেরান সাকিব ও হৃদয়। ২১তম ওভারে ১শ, ৩০তম ওভারে দলের রান দেড়শতে নেন তারা। ৬৫ বল খেলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৫৩তম ও টানা তিন ইনিংসে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন সাকিব। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ দুই ওয়ানডেতেও অর্ধশতক করেছিলেন সাকিব।

৫৫ বল খেলে হাফ-সেঞ্চুরি পূরন করেন হৃদয়। বাংলাদেশের তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে অভিষেক ওয়ানডেতে অর্ধশতক করলেন হৃদয়। তার আগের ওভারে স্পিনার হ্যারি টেক্টরের বলে ৫টি চারে ২২ রান তুলে ৮৯ রানে পৌঁছেন ২০১৯ সালের জুনের পর ওয়ানডেতে সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখছিলেন সাকিব।

কিন্তু ৩৮তম ওভারে পেসার গ্রাহাম হুমের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ৯৩ রানে আউট হন সাকিব। ৮৯ বল খেলে ৯টি চারে এই ইনিংস খেলার পথে দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে ৭ হাজার রান করেন সাকিব। চতুর্থ উইকেটে ১২৫ বলে ১৩৫ রান যোগ করে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে যেকোন উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি গড়েন সাকিব-হৃদয়।

দলীয় ২১৬ রানে সাকিবের বিদায়ে উইকেটে এসেই মারমুখী হয়ে উঠেন মুশফিকুর রহিম। একবার জীবন পেয়ে ৩টি করে চার-ছক্কায় হুমের দ্বিতীয় শিকার হওয়ার আগে ২৬ বলে ৪৪ রান করেন মুশি। পঞ্চম উইকেটে হৃদয়ের সাথে ৪৯ বলে ৮০ রান যোগ করে বাংলাদেশকে ৩শ রান করার পথ মসৃণ করেন মুশফিক।

মুশফিক ফেরার ওভারেই নাভার্স-নাইন্টিতে আউট হন হৃদয়। হুমের বলে বোল্ড হবার আগে ৮টি চার ও ২টি ছয়ে ৮৫ বলে ৯২ রান করেন তিনি। অভিষেকে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়ে আউট হন হৃদয়।

শেষ দিকে ইয়াসির আলি ১০ বলে ১৭, তাসকিন আহমেদ ও নাসুম আহমেদ ৭ বলে ১১ রানে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ৩৩৮ রানের বড় সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। ওয়ানডেতে এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দলীয় রান। আয়ারল্যান্ডের হুম ৬০ রানে ৪ উইকেট নেন।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;