পদ্মা সেতুর প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী, দিলেন টোল

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
মাওয়া পয়েন্টে সেতুর নির্ধারিত টোল পরিশোধ প্রধানমন্ত্রীর

মাওয়া পয়েন্টে সেতুর নির্ধারিত টোল পরিশোধ প্রধানমন্ত্রীর

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের গর্ব ও অহংকার স্বপ্নের পদ্মা সেতুর প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি মাওয়া পয়েন্টে নির্ধারিত টোল নিজ হাতে পরিশোধ করে পদ্মা সেতুতে উঠেন।

শনিবার (২৫ ‍জুন) বেলা ১১টা ৪৭ মিনিটে পদ্মা সেতুর মুন্সিগঞ্জের মাওয়া পয়েন্টে টোল দেন তিনি।

এর আগে সুধী সমাবেশে যোগ দিয়ে বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে মাওয়া পয়েন্টে স্মারক ডাকটিকিট, স্যুভেনির শিট, উদ্বোধনী খাম এবং বিশেষ সিলমোহর উন্মোচন করেন শেখ হাসিনা।

এদিকে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর মাওয়া পয়েন্ট থেকে শরীয়তপুরের জাজিরা পয়েন্টের উদ্দেশে যাত্রা শুরুর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

   

বাংলাকে জাতিসংঘের দাফতরিক ভাষা করা এখন লক্ষ্য: পররাষ্ট্রমন্ত্রী



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘের দাফতরিক ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা বাংলাদেশের এখন লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলা পৃথিবীর অন্যতম ভাষা। ব্যাপক সংখ্যক মানুষ এ ভাষায় কথা বলে, সারা পৃথিবীতে ৩৫ কোটির বেশি বাংলা ভাষাভাষী মানুষ আছেন। সম্ভবত ৬ কিংবা ৭ নম্বর অবস্থানে আছে বাংলা ভাষা। আমাদের এখন লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাকে জাতিসংঘের দাফতরিক ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জেলখানায় বসে সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন ২১ ফেব্রুয়ারি প্রতিবাদ দিবসটি পালিত হবে। এরপর কানাডা প্রবাসী দুজন বাঙালির উদ্যোগ এবং বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তে জাতিসংঘে প্রস্তাব পাঠানোর পর এটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার

;

লেটুস চাষে সফলতা পেয়েছেন মিরপুরের সাইফুল



এসএম জামাল, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল বারুইপাড়া ইউনিয়নের বলিদাপাড়া গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে লেটুস। এ সবজি চাষে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন সাইফুল ইসলাম নামের এক চাষি। ৮ হাজার টাকা খরচ করে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা বিক্রি করার আশা করছেন এই তরুণ।

অত্যধিক পুষ্টি গুণাগুণ সমৃদ্ধ সবজি সম্পর্কে বলিদাপাড়া গ্রামের লেটুস চাষি সাইফুল ইসলাম জানান, যশোর অঞ্চলের টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় এবং উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সহায়তায় ২০ শতাংশ জমিতে লেটুস চাষ করছেন কৃষক সাইফুল ইসলাম। লেটুস চাষে বাড়তি কোন ঝামেলা নেই। অন্যান্য ফসলের মতোই চাষ পদ্ধতি। গ্র্যান্ড র‍‍্যাপিডস জাতের লেটুসের বীজ রোপণ করা হয় গত ডিসেম্বর মাসে। ৬০ দিনের ফসল হিসেবে বর্তমানে এগুলো তোলার উপযুক্ত সময় চলছে।

কৃষক সাইফুল ইসলাম জানান, অনেকেই জমি থেকে নিয়ে যাচ্ছেন আবার বাজারেও গিয়ে বিক্রি করে থাকেন। জেলা শহরের সবজি বাজারের নিরাপদ সবজি কর্নারেও এ লেটুস পাওয়া যাচ্ছে।

লেটুস চাষ

চাইনিজ রেস্টুরেন্টগুলোতে ব্যাপক চাহিদা থাকায় লেটুস বিক্রিতে কোন সমস্যা হচ্ছে না এবং প্রতিটি লেটুস বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা বলে জানান কৃষক সাইফুল।

মিরপুর উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি অফিসার মো. মতিয়র রহমান জানান, অত্যাধিক পুষ্টি গুণাগুণ সমৃদ্ধ লেটুস পাতায় রয়েছে বহুবিধ উপকারিতা। এ জন্য পুষ্টিবিদরা প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় লেটুস পাতা রাখার পরামর্শ প্রদান করেছেন। যার ফলে আমরাও উপজেলায় এই লেটুস আবাদের ওপর গুরুত্ব দিয়েছি।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুল ইসলাম বলেন, লেটুস চাষে সার, বীজ প্রদানসহ কারিগরি সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, অত্যাধিক পুষ্টিগুণাগুণ সমৃদ্ধ সবজি লেটুস চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করাসহ আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

মিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, মিরপুর উপজেলার বলিদাপাড়া গ্রামের কৃষক সাইফুল ইসলাম এবার ২০ শতাংশ জমিতে অত্যাধিক পুষ্টি গুণাগুণ সমৃদ্ধ সবজি লেটুস বাণিজ্যিকভাবে চাষ করে সফলতা অর্জন করেছে। লেটুস চাষে সফলতায় আশপাশের কৃষকরাও লেটুস চাষে এগিয়ে আসছেন বলে জানান তিনি।

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার

;

ফেব্রুয়ারি এলেই বাতি জ্বলে ‘সালামনগরে’



মোস্তাফিজ মুরাদ, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ফেনী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ আবদুস সালাম। শহীদ আবদুস সালামের গ্রামের বাড়ি ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার লক্ষ্মণপুর (বর্তমানে সালামনগর) গ্রামে। গ্রামটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে হওয়ায় সারা বছর কেউ এখানে আসেন না। শুধুমাত্র ফেব্রুয়ারি মাস এলেই মানুষের আনাগোনা বাড়ে, বছরের অন্যান্য সময় থাকে নিষ্প্রাণ। ফেব্রুয়ারি মাসে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনও অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ভাষা শহীদ সালামের স্মরণে সালামনগরে তৈরি করা হয়েছে সালাম স্মৃতি জাদুঘর। ২১ ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে নানা কর্মযজ্ঞে প্রাণ ফিরে আসে ‘ভাষা শহীদ আবদুস সালাম গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরে’। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু হয় গ্রন্থাগার ও জাদুঘর পরিষ্কার ও সাজসজ্জার কাজ।

জাদুঘরে ভিতরে রয়েছে পাঠাগার। পাঠাগার থাকলেও প্রত্যন্ত অঞ্চলে হওয়ায় পাঠকের তেমন আনাগোনা নেই বললেই চলে। পাঠাগারটিতে ১১টি আলমারি, ৩ হাজার বই, আর ছয়টি টেবিল সঙ্গে কিছু চেয়ার রয়েছে। এছাড়াও জাদুঘরে শহীদ সালামের একটি ছবি ছাড়া আর কোনো স্মৃতিচিহ্ন নেই যার কারণে জাদুঘরে তেমন দর্শনার্থী নেই। গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরে একজন গ্রন্থাগারিক ও একজন তত্ত্বাবধায়ক আছেন।

অন্যদিকে, লক্ষ্মণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় করা হয়েছে এবং ভাষা শহীদ সালামনগর গ্রামে বেসরকারিভাবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ভাষা শহীদ সালাম মেমোরিয়াল কলেজ । তবে ভাষা শহীদ সালামের বাড়ি ফেনী জেলা সকলে জানলেও ঠিকভাবে জানে না ফেনীর কোথায় তার ঠিকানা। যার কারণে সালামের স্মরণে তৈরি জাদুঘর, পাঠাগার জনশূন্য।

এলাকার বাসিন্দারা জানায়, ফেব্রুয়ারি মাসে সালামনগরে গুরুত্ব বেড়ে যায়। বছরের অন্য দিনগুলোতে মানুষের তেমন আনাগোনা থাকে না। এছাড়াও পাঠাগারে পাঠকের দেখা নেই বললেই চলে।

ভাষা শহিদ আবদুস সালামের বাড়ির পাশের প্রতিবেশী রেদওয়ান কবির বলেন, স্থানীয়দের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কয়েক বছর আগে এলাকার রাস্তাঘাটসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে। উন্নয়ন হলেও স্মৃতি জাদুঘরে শহিদ সালামের একটি ছবি ছাড়া আর কিছুই নেই। ফলে, দর্শনার্থীরা হতাশ হয়ে ফিরে যান। গ্রন্থাগারে কিছু বই রয়েছে, তবে সেগুলো অনেক পুরাতন।

ফেনী শহরে ভাষা শহীদ সালাম স্টেডিয়ামের নামে একটি স্টেডিয়াম ও একটি কমিউনিটি সেন্টারের নামকরণ করা হয়। স্টেডিয়াম ও কমিউনিটি সেন্টার থাকলেও সালামের নামে ফেনীতে নেই কোনো গ্রন্থাগার, নেই গবেষণাগার ও বিনোদন কেন্দ্র। ফেনীতে সালামের নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গ্রন্থাগার, গবেষণাগার ও বিনোদন কেন্দ্র থাকলে মানুষ ভাষা শহীদ সালামকে স্মরণে রাখতে পারবে এবং শহীদ সালাম সর্ম্পকে জানতে পারবে বলে জানিয়েছে ফেনীর সুশীল সমাজ।

দাগনভূঞা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন বলেন, বছরের ১১ মাস ‘ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম গ্রন্থাগার ও জাদুঘর’ নিষ্প্রাণ থাকে। এই গ্রন্থাগারটিতে যাতে সপ্তাহে বা মাসে একবার হলেও উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের আনা যায় সে বিষয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

তিনি বলেন, গ্রন্থাগারের পাশে ফেনী ছোট নদীর পাড়ে কিছু জায়গা রয়েছে। সেই জায়গা অধিগ্রহণ করে বিনোদন স্পট হিসেবে একটি শিশুপার্ক করা যায় কি না, সে বিষয়ে পৌরসভার সঙ্গে আলোচনার কথা জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, ভাষা শহিদ আবদুস সালামের জন্ম ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর ফেনীর দাগনভূঁঞা উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের লক্ষণপুর গ্রামে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের রাস্তায় ১৪৪ ধারা অগ্রাহ্য করে ছাত্র-জনতা বাংলা ভাষার দাবিতে মিছিল করেন। আবদুস সালাম সেই মিছিলে অংশ নেন। মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে আবদুস সালাম আহত হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রায় দেড় মাস পর ১৯৫২ সালের ৭ এপ্রিল মারা যান তিনি। পরে তার নামানুসারে লক্ষণপুর গ্রামের নাম রাখা হয় ‘সালামনগর’।

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার

;

ময়মনসিংহে ‘সন্ত্রাসী’ পিচ্চি রাজুকে কুপিয়ে হত্যা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহে ‘সন্ত্রাসী’ পিচ্চি রাজুকে কুপিয়ে হত্যা

ময়মনসিংহে ‘সন্ত্রাসী’ পিচ্চি রাজুকে কুপিয়ে হত্যা

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহ নগরীতে চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব‍্যবসায়ী রাজিব আহমেদ রাজ ওরফে পিচ্চি রাজুকে (৩৩) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

নিহত রাজিব আহমেদ রাজ ওরফে পিচ্চি রাজু নগরীর লিচু বাগান এলাকার বাসিন্দা মো. আব্দুস সালামের ছেলে।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নগরীর সানকিপাড়া বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে নগরীর সানকিপাড়া বাজার এলাকায় দুর্বৃত্তরা পিচ্চি রাজিবকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ইনচার্জ ওসি মো. মাইন উদ্দিন বলেন, রাজীব আহমেদ রাজু ওরফে পিচ্চি রাজুকে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে হত্যা করেছে। তবে কেন বা কী কারণে কারা তাকে হত্যা করেছে তা এখনো জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে।

ওসি আরও জানান, পিচ্চি রাজুর বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। সে এলাকায় সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার

;