পদ্মাকন্যাকে স্বাগত জানাতে পদ্মায় ভাসল রঙিন নৌকা

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পদ্মাকন্যাকে স্বাগত জানাতে পদ্মায় ভাসল রঙিন নৌকা

পদ্মাকন্যাকে স্বাগত জানাতে পদ্মায় ভাসল রঙিন নৌকা

  • Font increase
  • Font Decrease

উৎসবের জন্য প্রস্তুত পদ্মার পাড়। পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে সাজ সাজ রব পড়েছে। সেজেছে বর্ণিল রূপে। অল্প কিছুক্ষণ পরই পদ্মা বহুমুখী সেতু উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পদ্মকন্যা উপাধি পাওয়া প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নিতে প্রমত্তা পদ্মায় লাল-সবুজের ৫০টি নৌকা প্রস্তুত রয়েছে।

রংবেরঙের বেলুন আর জাতীয় পতাকা দিয়ে সাজানো হয়েছে নৌকাগুলো। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শনিবার (২৫ জুন) সকাল থেকেই নৌকাগুলো পদ্মা সেতুর নিচে ভাসতে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে পদ্মাপাড়ের জেলেদের নিয়ে এমন আয়োজন করেছে শিবচর পৌরসভা।

শিবচর পৌরসভার মেয়র আওলাদ হোসেন খান বলেন, ‘পদ্মার পাড়ে থাকা জেলে ভাইদের চিরচেনা রূপ ধরে রাখতে আমাদের এই আয়োজন। বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে এবং পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে পদ্মার বুকে সুসজ্জিত ৫০টি নৌকা সারা দিন ভাসতে থাকবে।’

এদিকে মহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষী হতে মাওয়া প্রান্তের সমাবেশস্থলে হাজির হচ্ছেন মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক ব্যক্তি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ সরকারের আমন্ত্রিত অতিথিসহ সাধারণ মানুষ।

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা; এর পদ্মা বুকে গৌরবের প্রতীক পদ্মা সেতুর দুয়ার খুলে যাবে। এই স্বপ্নের দুয়ার খোলার সঙ্গে সঙ্গে গোটা দেশ মেতে উঠতে উৎসবে। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের মহেন্দ্রক্ষণকে রাঙাতে ঝাঁকে ঝাঁকে মানুষ আসছে পদ্মার পাড়ে। সেতুর দ্বার উন্মোচনের পর সেতুর দক্ষিণ প্রান্তে কাঁঠালবাড়ি ঘাটে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভার মঞ্চ তৈরি হয়েছে সেতুর আদলেই। প্রায় ১০ লক্ষাধিক মানুষের সমাবেশ হবে সেখানে। ভোর থেকেই সেখানে জড়ো হচ্ছেন মানুষ।

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার

বাংলাদেশে জাপানিদের বৃহত্তর বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বৃহত্তর বিনিয়োগের জন্য জাপানি বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের (জেবিআইসি) গভর্নর নবুমিতশু হায়াশি বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ আহ্বান জানান।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এম নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ জাপানের বিশ্বস্ত অংশীদার এবং জাপানের জনগণ ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় থেকে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘জাপান এখনও আমাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে আমি বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে জাপানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

এ প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, জাপানি সহায়তায় বাংলাদেশ বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে রয়েছে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল, যমুনা নদীতে বঙ্গবন্ধু রেল সেতু এবং মেট্রো রেল প্রকল্প।

সরকারপ্রধান আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে।’

জেবিআইসি গভর্নর বলেন, জাপান বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীদার এবং এ দেশের উন্নয়নের পথে আরও অবদান রাখার অঙ্গীকার করেন।

এছাড়া তিনি বাংলাদেশের চিনি, প্রিপেইড গ্যাস মিটার উৎপাদনকারী শিল্প এবং বায়োমাস বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিনিয়োগে জাপানের আগ্রহের কথা তুলে ধরেন।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব প্রস্তাবের প্রশংসা করে বলেন, প্রিপেইড গ্যাস মিটার উৎপাদনকারী শিল্প যৌথ উদ্যোগে স্থাপন করা যেতে পারে।

সরকারপ্রধান ১৫টির মধ্যে রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত একটি কিংবা দুটি চিনিকল জাপানি বিনিয়োগকারীদের কাছে হস্তান্তরেরও প্রস্তাব করেন।

পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন এবং বাংলাদেশে জাপানী রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন।

 

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার

;

শুধু আকাশ না, আমরা পাতালেও যাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

তিন প্রকল্পের আওতায় নতুন রেলপথ উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘শুধু আকাশ না, আমরা এখন পাতালেও যাচ্ছি।’

আজ বৃহস্পতিবার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালামাল পরিবহনের জন্য নির্মিত রেলপথসহ রেলওয়ের তিন প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ হওয়া ৬৯ দশমিক ২০ কিলোমিটার রেলপথ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রেলকে নিয়ে অনেক খেলা হয়েছে; এখনো হচ্ছে। সুযোগ পেলেই রেলেও উপর আক্রমণ করা হয়েছে। তবুও সব বাধা পেরিয়ে আমরা রেলকে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করেছি। বিএনপি-জামায়াত জোট লাভজনক খাত রেলকে ধ্বংস করেছে। তাদের সময়ে বহু রেলপথ ব্ন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ যতবার ক্ষমতায় এসেছে প্রতিবারই রেলের উন্নতি হয়েছে।’

রেলের বিভিন্ন বড় বড় প্রকল্পের তথ্য জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘উত্তরবঙ্গে রেল নিতে যমুনা সেতুতে রেল সংযোগ করে দেওয়া হয়েছিল। এখন সেখানে আলাদা সেতু হচ্ছে। এতে সড়ক ও রেল উভয়ই ভালোভাবে চলতে পারবে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এখন সেখানে রেলপথ সংযোগের কাজ চলছে।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘পর্যটন নগরী কক্সবাজারে রেললাইনের কাজ প্রায় শেষ। সেখানে আন্তর্জাতিক মানের রেলস্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে। খুব দ্রুতই সেটি উদ্বোধন করা হবে। খুলনা-মোংলা রেললাইন খালেদা জিয়ার আমলে বন্ধ করে দেওয়া হয়। আমরা সেটি চালু করছি। এখন প্রায় সব জায়গায় ডাবল রেল লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘মেট্রোরেলের কথা একটা সময় মানুষ চিন্তাও করতে পারতো না, এখন মানুষ প্রতিদিনই উঠছে। মাত্র ১০ মিনিটে আগারগাঁও থেকে উত্তরা যেতে পারছে। এই মাসের মধ্যে আরও কিছু স্টেশন চালু করা হবে। তখন মানুষ এই সেবা পাবে।’

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার

;

নোয়াখালীতে ব্যাংক কর্মকর্তার ১৫ বছরের কারাদণ্ড



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
নোয়াখালীতে ব্যাংক কর্মকর্তার ১৫ বছরের কারাদণ্ড

নোয়াখালীতে ব্যাংক কর্মকর্তার ১৫ বছরের কারাদণ্ড

  • Font increase
  • Font Decrease

অর্থ আত্মসাতের মামলায় এক সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তাকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন নোয়াখালী বিশেষ জজ আদালত। একই সঙ্গে আসামিকে ৩৪ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত আবদুল লতিফ ভূঁইয়া কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলার ধামতি এলাকার আব্দুল গফুর মিয়ার ছেলে। তিনি রূপালী ব্যাংক লিমিটেড লক্ষ্মীপুর জেলার পোদ্দার বাজার শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে নোয়াখালী বিশেষ জজ আদালতের বিচারক এ এন এম মোরশেদ খান এ রায় প্রদান করেন। আসামি পলাতক থাকায় রায়ের সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত আবদুল লতিফ ভূইয়া ১৯৯৫ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত রূপালী ব্যাংক পোদ্দার বাজার শাখায় সেকেন্ড কর্মকর্তা (প্রিন্সিপাল অফিসার) হিসাবে কর্মরত ছিলেন। ওই ব্যাংকে কর্মরত অবস্থায় তিনি দুর্নীতির মাধ্যমে চার কোটি বাহাত্তর লাখ আটান্ন হাজার চুয়াত্তর টাকা আত্মসাৎ করেন। যার মধ্যে ২০০৪ সালে ৬২টি ভুয়া এন্ট্রির মাধ্যমে ত্রিশ লাখ বিশ হাজার আটশত ঊনপঞ্চাশ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ২০১১ সালের ডিসেম্বরে তার বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য দুদকে স্থানান্তর করা হয়। মামলাটি তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা নুরুল হুদা আব্দুল লতিফকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

নোয়াখালী দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. আবুল কাশেম বলেন, আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে দণ্ডবিধি ৪০৯ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছর কারাদণ্ড, দুটি ধারায় ৩৪ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করেন।

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার

;

ভ্যান চালিয়ে পরীক্ষা দিয়ে রমজান পেলেন জিপিএ-৫



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঠাকুরগাঁও
ভ্যান চালিয়ে পরীক্ষা দিয়ে রমজান পেলেন জিপিএ-৫

ভ্যান চালিয়ে পরীক্ষা দিয়ে রমজান পেলেন জিপিএ-৫

  • Font increase
  • Font Decrease

মাত্র তিন বছর বয়সে বাবাকে হারায় রমজান৷ তারপর থেকে মায়ের আদরে বেড়ে ওঠা তার৷ স্বামীকে হারিয়ে চার সন্তান নিয়ে দিশেহারা হয়ে পরে রমজানের মা৷ সন্তানদের ভরণ পোষণ জোগাতে হাড়ভাংগা খাটুনি করতো তার মা৷ পারিবারিক অস্বচ্ছলতা আর তীব্র অভাবের ভিড়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া ছিল বেশ দুষ্কর৷ পরিবারের কষ্ট লাঘবে মাকে সাহায্য করেন তিনি। 

অন্যের বাড়িতে কাজ করে যা আয় হত তা থেকে কিছু টাকা দিয়ে পড়াশোনার খরচ চালাতো রমজান৷ এসএসসির আগের পড়াশোনার খরচ চালাতে খুব বেশি কষ্ট না হলেও পরে হিমশিম খেতে হয়েছে তাকে। কোন কিছুর লাজলজ্জা না করে শুরু করেন ভ্যান চালানো৷ মনে যে স্বপ্ন স্থির, পড়াশোনায় ভালো ফলাফল করে করতে হবে ভাল চাকুরি৷ তবে সফলতার হাতছানি ছুঁয়েছে রমজানের৷ প্রকাশিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে সে৷

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের মীরডাঙ্গী গ্রামের মৃত আবু তাহেরের ছেলে রমজান আলী। চার ভাই বোনের মধ্যে সবার ছোট সে। বাড়ির পাশে মীরডাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে জিপিএ-৪.১১ ও প্রকাশিত এইচএসসি ফলাফলে রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে সে৷ অতি কষ্টের মাঝে এমন ফলাফলে নতুন স্বপ্নের ছোঁয়া পেয়েছে সে ও তার পরিবার। তার ফলাফলে খুশি পরিবার ও স্থানীয়রা।

স্থানীয় স্কুল শিক্ষক শরিফুল ইসলাম বলেন, তার জীবনটা একটা সংগ্রাম। অনেক কষ্ট করে সে অন্যের বাড়িতে কাজ করে, ভ্যান চালিয়ে ভাল ফলাফল করেছে। তার ফলাফলে আমরা অনেক খুশি। আমরা তার পাশে ছিলাম। আগামীতেও তার পাশে দাঁড়াব৷ সেই সাথে সকলকে তার পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ করছি।

কষ্টার্জিত কাঙ্ক্ষিত ফলাফল শুনে রমজান আলী বলেন, পরীক্ষা শেষ করার পর আমি ঢাকায় চলে আসি। এখানে এসে গার্মেন্টসে কাজ শুরু করি। এখনো গার্মেন্টস কর্মী হিসেবে কর্মরত আছি৷ ছোটবেলা থেকেই বাবার আদর পাইনি৷ মা অনেক কষ্ট করে আমাকে লালন পালন করেছেন৷ মায়ের সাথে কাজ করে নিজের খরচ ও পড়াশোনার খরচ চালিয়েছি। তবুও পিছপা হয়নি। স্বপ্ন ছিল একদিন ভালো ফলাফল করে একটি মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করব৷ আজকে একটা মনের আশা পূরণ হল। আমি পরীক্ষা দেওয়ার সময় যে দিনগুলোতে ফাঁকা ছিল ভ্যান চালিয়ে আয় করেছি। আমার মা বলতো আমি ভালো ফলাফল করব আজকে সে আশা পূরণ হয়েছে। গতকালকে গার্মেন্টসে বলেছি আজকে আমার ছুটি লাগবে৷ ছুটি নিয়ে আজকে বাসায় ছিলাম। জিপিএ -৫ পেয়ে আমি আজ অনেক খুশি। রেজাল্ট শোনে সব কষ্ট ভুলে গেছি। আমার মা অনেক খুশি হয়েছেন।

ভবিষ্যতের পরিকল্পনা কি ও পড়াশোনা নিয়ে জানতে চাইলে রমজান আরো বলেন, আর্থিক সমস্যার কারণে কোচিং করতে পারিনি৷ সে কারণে ভাবছি এক বছর পর ভর্তি হব। তারপরেও চেষ্টা করব ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার। ভবিষ্যতে ভালো একটি চাকুরি করে পরিবারের কষ্ট লাঘব ও দেশ সেবা করব৷

এ বিষয়ে রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুলকারনাইন বলেন, বিষয়টি যেমনিভাবে কষ্টের তেমনি অনুপ্রেরণার। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে সহযোগিতা করা হবে।

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার

;