ওডেসা বন্দর ছেড়েছে ইউক্রেনের প্রথম শস্যবাহী জাহাজ

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত


আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মস্কো ও কিয়েভের মধ্য খাদ্যশস্য রফতানি নিয়ে চুক্তির পর ইউক্রেনের প্রথম শস্যবোঝাই জাহাজ ওডেসা বন্দর ছেড়েছে।

সোমবার (১ আগস্ট) তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে।

তুরস্ক জানিয়েছে, সিয়েরা লিওনের পতাকাবাহী রেজোনি জাহাজটি লেবাননের উদ্দেশ্যে ওডেসা বন্দর ছেড়েছে।

জাতিসংঘের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রেজোনি ২৬ হাজার টন ভুট্টা বহন করছে। জাহাজটি মঙ্গলবার (০২ আগস্ট ইস্তাম্বুলে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে, গত শুক্রবার তুরস্কের ইস্তানবুলে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে খাদ্যশস্য চুক্তি হয়। এর মাধ্যমে ইউক্রেনের বন্দরগুলোতে আটকে থাকা শস্য বিশ্ববাজারে পাঠানোর পথ খুলে।

কিন্তু চুক্তির পরের দিনই শনিবার ওডেসা বন্দরে মিসাইল হামলা করে রাশিয়া। যদিও রাশিয়ার পক্ষ থেকে দাবি করা হয় ওডেসা বন্দরে মজুদ করা অস্ত্রের চালানের ওপর হামলা চালিয়েছে তারা। তাছাড়া একটি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করে দিতেও হামলা করার দাবি জানায় তারা।

বর্তমানে ইউক্রেনে ২০ মিলিয়ন টন শস্য আটকে আছে। যার মধ্যে রয়েছে— গম, সূর্যমুখী তেল, বার্লি। ইউক্রেনে এসব শস্য আটকে থাকার কারণে বিশ্বে খাদ্য সংকট দেখা দেওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়।

দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, চলতি বছর ফসলের মৌসুম শেষে আটকে থাকা শস্যের পরিমাণ সাত কোটি ৫০ লাখ টনে দাঁড়াবে।

ইউক্রেন বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম শস্য রফতানিকারক দেশ। বিশ্বে মোট উৎপাদিত সূর্যমুখী তেলের ৪২ শতাংশ এখানে উৎপাদন হয়। এ ছাড়া ইউক্রেনে ১৬ শতাংশ ভুট্টা ও ৯ শতাংশ গম উৎপাদন হয়।

   

যুক্তরাজ্যে সাধারণ নির্বাচন ৪ জুলাই



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৪ জুলাই সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার দল কনজারভেটিভ পার্টি বর্তমানে ক্ষমতায় আছে।

নির্বাচনের তারিখ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশটির বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা কেইর স্টারমার।

সুনাক এমন এক সময় এ সাধারণ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করলেন যখন জনমত জরিপে ২০২২ সালের অক্টোবরের পর তার দলের জনপ্রিয়তা সর্বনিম্নে।

দশ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে দাড়িয়ে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেছেন তার সরকার শিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে যা অর্জন করেছে তাতে তিনি গর্বিত। সুনাক আরও বলেছেন ‘প্রতিটি ভোটের জন্য লড়াই’ করবেন।

বহু নাটকীয়তার পর কনজারভেটিভ পার্টির এমপিদের সমর্থনে দলের নেতা নির্বাচিত হয়ে ২০২২ সালের অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছিলেন ঋষি সুনাক। এর আগে দলের নেতৃত্বের লড়াইয়ে এ সুনাককে হারিয়েই যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন লিজ ট্রাস। কিন্তু মাত্র দেড় মাস ক্ষমতায় তাকার পর পদত্যাগ করতে বাধ্য হন তিনি। তারও আগে মিথ্যা বলার কেলেঙ্কারিতে পড়ে প্রধানমন্ত্রীত্ব ছাড়েন বরিস জনসন।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;

চীনের সামরিক মহড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

তাইওয়ানের বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকান্ডের কঠোর শাস্তি হিসেবে দ্বীপ দেশটির চারপাশে বৃহস্পতিবার (২৩ মে) থেকে দুই দিনের সামরিক মহড়া শুরু করেছে চীন ।

রয়টার্স জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে নতুন প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম লাই চিং-তে বেইজিংকে ভীতি প্রদর্শন বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। এরপরই মধ্যে সামরিক মহড়া শুরু করেছে চীন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ‘চীনের এই ধরনের উদ্যোগ খুবই উদ্বেগজনক।’

কিন্তু, চীনা কমিউনিস্ট পার্টি বরাবরই দাবি করে আসছে, তাইওয়ান তাদেরই অঞ্চল এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে হলেও দ্বীপ দেশটিকে তাদের শাসনে নেবে বেইজিং।

চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি ঘোষণা দিয়েছে, তাইওয়ানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ মোকাবিলায় সক্ষমতা পরীক্ষা করে দেখার জন্য বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সামরিক যুদ্ধবিমান এবং নৌবাহিনীর জাহাজ তাইওয়ানের চারপাশে মহড়া দেবে।

চীনের সামরিক মহড়ার ঘোষণা দেওয়ার পরপরই তাইওয়ান খুব দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, তারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সমুদ্র, আকাশ ও স্থলপথে তাদের বাহিনী মেতায়েন করেছে।

তাইওয়ানের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই ধরনের অযৌক্তিক উস্কানিমূলক কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এসব কার্যকলাপ কেবলমাত্র আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকেই নষ্ট করবে।

মার্কিন ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ডের উপ-কমান্ডার সেক্লঙ্কা ক্যানবেরায় সাংবাদিক ও উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সত্য বলতে, এ রকম কিছু হবে তা আমরা প্রত্যাশা করছিলাম।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা চীনের কাছ থেকে এমন ব্যবহার প্রত্যাশা করেছি। কিন্তু এর অর্থ এটা নয় যে, আমরা এতে নিন্দা জানাবো না। আমাদেরকে প্রকাশ্যেই চীনের এই উদ্যোগের প্রতি নিন্দা জানাতে হবে।’

যুক্তরাষ্ট্র এক চীনা নীতিতে বিশ্বাসী এবং তাইওয়ানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করলেও ওয়াশিংটন ও তাইপে’র মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;

স্ট্যালিনের ডাকে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র বৈঠক ৩ জুন



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হবে আগামী ৪ জুন। তার ২৪ ঘণ্টা আগে বিরোধীদের জোট ‘ইন্ডিয়া’র নেতানেত্রীরা বৈঠকে বসতে চলেছেন। ভোটের ফলাফল অনুকূলে হবে ধরে নিয়েই এই বৈঠকের ডাক দিয়েছেন ডিএমকে নেতা তথা তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন।

এনডিটিভি জানিয়েছে, আগামী ৩ জুন ডিএমকে’র প্রাণপুরুষ এম করুনানিধির ১০০তম জন্মদিন। ওই দিন সকালে স্ট্যালিন, বিরোধী মঞ্চের প্রত্যেক দলনেতাকে নয়াদিল্লিতে তাদের দলীয় দপ্তরে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

অন্য দলগুলোর পাশাপাশি সেখানে আমন্ত্রিত রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেখানে সব নেতা-নেত্রী নিজেদের মধ্যে কথা বলার পরিসর পাবেন।

তৃণমূল সূত্রে বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বলা হয়েছে, ওই অনুষ্ঠানে তারা অবশ্যই যোগ দেবেন। তবে মমতার যাওয়ার সম্ভাবনা কম, তিনি প্রতিনিধি পাঠাবেন।

কংগ্রেস সূত্র জানিয়েছে, জোট রাজনীতিতে এই আগাম আলোচনার রেওয়াজ নতুন কিছু নয়। কোনও এক নেতা প্রাথমিকভাবে দায়িত্ব নেন সকলকে একজোট করার।

ইউপিএ সরকার গঠনের সময় সিপিএম নেতা হরকিষেণ সিং সুরজিতের বাড়িতে ফলাফল ঘোষণার আগেও মিলিত হতেন কংগ্রেস, এনসিপি, আরজেডি’র শীর্ষ নেতারা।

তার আগেও চন্দ্রশেখর সরকার গঠনের ক্ষেত্রেও এই রেওয়াজ দেখা গেছে। স্ট্যালিন নিজে প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে নেই, কংগ্রেসের জোট শরিক হলেও তার সঙ্গে অন্যান্য বিরোধী দলনেতাদের সম্পর্কও ভাল। তাই আপাতত প্রাথমিক আলোচনা শুরুর জন্য তিনিই আদর্শ ব্যক্তি, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

চলতি লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে জোট হয়নি কংগ্রেস এবং তৃণমূলের। কিন্তু আগামী ৩ জুন লোকসভার সমস্ত ভোটগ্রহন পর্বই শেষ হয়ে যাবে। ফলে কংগ্রেসের সঙ্গে এক মঞ্চে থাকতে কোনও অসুবিধা হওয়ার কথা নয় মমতার দলের।

রাজ্যসভার তৃণমূল নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন বৃহস্পতিবার উত্তর প্রদেশের ভাদোহিতে তৃণমূলের সঙ্গে এসপি’র সফল জোটের কথা তুলে ধরেছেন। ওই লোকসভা কেন্দ্রের সব বিধায়ক এবং তৃণমূল প্রার্থী ললিতেশ ত্রিপাঠীকে নিয়ে বুধবার জনসভা করেছেন এসপি নেতা অখিলেশ যাদব।

সেই মঞ্চে ছিল তৃণমূলের প্রতীক এবং পতাকা। তাৎপর্যপূর্ণভাবে ওই কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থী দেয়নি, তাদের পতাকাও দেখা গেছে তৃণমূল প্রার্থীর মঞ্চে। ‘ইন্ডিয়া’র এই ঐক্যের ছবি নিজের এক্স-এ পোস্ট করেছেন অখিলেশ।

তৃণমূলের পক্ষ থেকে পাল্টা পোস্ট করে ওই ছবি দিয়ে বলা হয়েছে, ‘একজোট থাকলেই আমরা স্থিরভাবে দাঁড়িয়ে থাকব।’

সম্প্রতি তৃণমূলনেত্রী বলেছিলেন, ‘ইন্ডিয়া’ সরকার গড়লে তারা বাইরে থেকে সমর্থন করবেন। এটা নিয়ে পরে গুঞ্জন তৈরি হয়।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভাদোহিতে জনসভায় মমতাকে অখিলেশের ‘নতুন বুয়া’ হিসেবে উল্লেখ করে তার বাইরে থেকে সমর্থন তত্ত্বের উল্লেখ করেছিলেন। তিনি মানুষকে বোঝাতে চেয়েছেন, ‘ইন্ডিয়া’র মধ্যেও বিভাজন তৈরি হচ্ছে।

পরে মুম্বইতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে অবশ্য অস্বস্তি সামলাতে এই সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, তৃণমূলনেত্রী পরে নতুন করে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন যে, তিনি জোটের ভেতরেই রয়েছেন। ফলে চিন্তার কোনও কারণ নেই। যদিও রাজনৈতিক শিবির বলছে, এখনও পর্যন্ত মমতা এই বিষয়টিকে স্পষ্ট করতে চেয়ে কোনও কথা বলেননি।

এই পরিস্থিতিতে লোকসভা ফলাফলের ঠিক আগের দিন নয়াদিল্লিতে ‘ইন্ডিয়া’র নেতাদের জমায়েত হওয়া এবং তৃণমূলের সেখানে প্রতিনিধিত্ব করা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে চান ইসরায়েলের বিরোধী নেতা



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসরায়েলের বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিড ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি তুলেছেন। নির্দিষ্ট কিছু শর্তের অধীনে এই পদক্ষেপ নিতে নেতানিয়াহুকে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইয়েশ আতিদ পার্টির নেতা ইয়ার লাপিড। বুধবার ইউরোপের তিন দেশ নরওয়ে, আয়ারল্যান্ড, স্পেন ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় তিনি ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়ার আহ্বান জানান।

বুধবার তিনি বলেন, নেতানিয়াহুর ঘোষণা করা উচিত যে, কিছু শর্ত এবং নির্দিষ্ট গ্যারান্টির অধীনে তিনি ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে গ্রহণ করতে ইচ্ছুক। (শর্তের একটি হচ্ছে) নতুন সেই রাষ্ট্র সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যোগদান করবে। তবে এই শর্তাবলী এবং গ্যারান্টি বা প্রস্তাবিত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার প্রকৃতি সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিতভাবে কিছু বলেননি লাপিদ।

এ সময় তিনি আরও জানান, ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে নেতানিয়াহুকে বাধা দিচ্ছেন জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী বেন গভির। উগ্রপন্থি এ মন্ত্রী সরকারকে তা করতে দিচ্ছেন না।

এদিকে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এক বিবৃতিতে বলেন, আয়ারল্যান্ড ও নরওয়ে আজ ফিলিস্তিনিদের এবং সমগ্র বিশ্বের কাছে একটি বার্তা পাঠাতে চায়, তারা সন্ত্রাসবাদকে মূল্যায়ন করে।

লাপিড পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ ধরনের বিবৃতির প্রতিকৃয়ায় বলেছেন, এই সরকারকে দিয়ে সমস্যা সমাধান হবে না। আমাদের নেতানিয়াহু সরকারকে বাড়িতে পাঠাতে হবে এবং একটি কার্যকরী সরকার গঠন করতে হবে।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;