জাপোরিঝিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রে জাতিসংঘের পরমাণু পরিদর্শকরা

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত


আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউক্রেনের রাশিয়ান-নিয়ন্ত্রিত জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে গেছেন জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পরিদর্শকরা।

বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) তারা সেখানে পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মিশনের প্রধান রাফায়েল গ্রসি বলেন, গোলাগুলির কারণে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এদিকে, রাশিয়া ও ইউক্রেন একে অপরকে নাশকতার চেষ্টার অভিযোগ করেছে।

ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত জাপোরিঝিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র ইউরোপের বৃহত্তম পারমাণবিক কেন্দ্র। ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন আক্রমণ করার পরপরই এটি রাশিয়ার দখলে।

ইউক্রেনের কর্মীরা যারা কারখানাটি পরিচালনা করছেন তারা বলেছেন, রাশিয়ান সৈন্যরা এটিকে একটি সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করেছে এবং শ্রমিকদের বন্দুকের মুখে বন্দী করে রাখা হয়েছে।

জাপোরিঝিয়া শহরটির নিয়ন্ত্রণ এখনও ইউক্রেনের হাতে। তবে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির অবস্থান ৩৪ কিলোমিটার দূরের নিপার নদীর অপর তীরে। এই কেন্দ্রটির নিয়ন্ত্রণ রুশ সামরিক বাহিনীর হাতে।

জাপোরিঝিয়ায় পৌঁছানোর আগে টুইটারে দেওয়া পোস্টে রাফায়েল গ্রোসি বলেন, আমাদের অবশ্যই ইউক্রেন ও ইউরোপের সবচেয়ে বড় এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

   

হুথিদের লক্ষ্য করে হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে মার্কিন ও ব্রিটিশ বাহিনী



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইয়েমেনে হুথিদের লক্ষ্য হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে মার্কিন ও ব্রিটিশ বাহিনী। এ গোষ্ঠীর ভূগর্ভস্থ অস্ত্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র স্টোরেজ সুবিধা, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার এবং একটি হেলিকপ্টারে হামলা চালানো হয়েছে। কর্মকর্তারা বলেছেন, ইরান-সমর্থিত এ গোষ্ঠী বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ফলে তাদের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এ হামলা চালানো হয় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

হামলায় অংশ নেওয়া বা সমর্থন দেওয়া দেশগুলোর একটি যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সামরিক পদক্ষেপটি ইয়েমেনের আটটি স্থানে ১৮টি হুথি লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে ছিল। যার মধ্যে ভূগর্ভস্থ অস্ত্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র স্টোরেজ সুবিধা, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার এবং একটি হেলিকপ্টার রয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন বলেছেন, এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল "ইরান-সমর্থিত হুথি মিলিশিয়াদের সক্ষমতা আরও ব্যাহত এবং অবনমিত করা।"

তিনি বলেন, "আমরা হুথিদের কাছে স্পষ্ট করে বলব যে তারা যদি তাদের অবৈধ আক্রমণ বন্ধ না করে, যা মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতির ক্ষতি করে, পরিবেশের ক্ষতি করে এবং ইয়েমেন এবং অন্যান্য দেশে মানবিক সহায়তা সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটায় তাহলে তারা পরিণতি ভোগ করবে।"

এই সপ্তাহের শুরুর দিকে হুথিরা যুক্তরাজ্যের মালিকানাধীন পণ্যবাহী জাহাজে হামলা এবং আমেরিকান ডেস্ট্রয়ারে ড্রোন হামলার দায় স্বীকার করেছে এবং তারা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন দিয়ে ইসরায়েলের বন্দর এবং রিসর্ট শহর ইলাতকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

হুথরা ইয়েমেনের সর্বাধিক জনবহুল অংশ নিয়ন্ত্রণ করে। তারা বলছে, ইসরায়েল গাজায় হামলা চালানোর সাথে সাথে ফিলিস্তিনিদের সাথে সংহতি প্রকাশ করতেই জাহাজে আক্রমণ চালানো হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হুথিদের বিরুদ্ধে প্রায় প্রতিদিনই হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে হুথিদের আক্রমণ কয়েক মাস অব্যাহত রয়েছে এবং বিশ্ব বাণিজ্যকে বিপর্যস্ত করেছে।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;

কলকাতায় ভাষা শহীদদের স্মরণ



মায়াবতী মৃন্ময়ী, কন্ট্রিবিউটিং করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
কলকাতায় ভাষা শহীদদের স্মরণ। বার্তা২৪.কম

কলকাতায় ভাষা শহীদদের স্মরণ। বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ভাষা ও চেতনা সমিতির উদ্যোগে ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলনের ৮ জন শহীদের স্মরণে বাংলা ভাষা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) কলকাতার রবীন্দ্রসদনের উত্তর দিকে একাডেমি অফ ফাইন আর্টসের সামনে রাণুচ্ছায়া মঞ্চে বিকেল পাঁচটায় শুরু হয়ে অনুষ্ঠানটি ২১ ফেব্রুয়ারি ভোর পাঁচটায় শেষ হয়।

ছবি আঁকা, পথের আলপনা, নাচ- গান - কবিতা - নাটক, গণজাদু, শ্রুতি নাটক, মশাল মিছিল এবং প্রভাতফেরি দিয়ে অনুষ্ঠান সাজানো হয়। বিকেল চারটা থেকে পথে আলপনা দেওয়া শুরু হয়, বিকেল পাঁচটায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। সোমঋতা মল্লিকের পরিচালনায় ছায়ানট (কলকাতা) - এর ৭২ জন শিল্পীর কণ্ঠে 'কারার ঐ লৌহকপাট' গানটির মধ্য দিয়ে ১৯৫২ - এর ভাষা অন্দোলনের ৭২ বছরে ভাষা ও চেতনা সমিতির উদ্যোগে ২৬তম সারারাত বাংলা ভাষা উৎসবের উদ্বোধন হয়।

ছবি আঁকা ও পথের আলপনায় অংশগ্রহণ করেন দেবাশিস মল্লিক চৌধুরী, তৌফিক রিয়াজ, নাফিসা ইয়াসমিন, ড. আকিকুল ইসলাম, অধ্যাপক শান্তনু বেজ, যুগল, রেবিনা ও সরকারি চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। সমবেত সঙ্গীতে অংশগ্রহণ করেন কৃষ্ণনগর বিশ্বমৈত্রী সংস্কৃতি পরিষদ নদিয়া জেলা উত্তর শাখা, রক্তকরবী, যাদবপুর প্রাক্তনী - এর শিল্পীবৃন্দ। সমবেত নৃত্যে অংশগ্রহণ করেন মৃত্তিকা ( সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের দল), তাথৈ (ব্যান্ডেল), স্পন্দন (বর্ধমান), রিদম ( হাওড়া), বিশ্বমৈত্রী সংস্কৃতি পরিষদ, নদিয়া উত্তর জেলা (কৃষ্ণনগর) - এর শিল্পীবৃন্দ।

সমবেত আবৃত্তিতে অংশ নেয় আনন্দমেলা, বাচিকশৈলী, কাব্যপথিক, রবীন্দ্রনাথ বাচিক শিল্পী সংস্থা, স্বপ্না দে ও সহশিল্পীরা, আবৃত্তি শিল্পী সংস্থা, স্বর ও শ্রুতি বিষ্ণুপুর, কবিতাকে ভালোবেসে সহ বেশ কিছু সংস্থা। রাত বারোটায় মশাল মিছিল। রাত একটা থেকে নাটক: ইছাপুর সন্ধিক্ষণের চিরকুট, প্রতিকৃতির হারানের নাতজামাই, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ড্রামা ক্লাবের জেল ডায়েরি, আলিপুর প্রাচ্যের গোলাপের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও সারা রাত বহু সংস্থা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে দর্শকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বাংলা ভাষাকে ভালোবেসে সবাই একত্রিত হন।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;

মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হলো নাভালনির মৃতদেহ



ziaulziaa
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাশিয়ার প্রয়াত বিরোধী নেতা আলেক্সি নাভালনির মৃতদেহ তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

নাভালনির মুখপাত্র শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জানিয়েছেন, আর্কটিক কারাগারে মারা যাওয়ার এক সপ্তাহেরও বেশি পরে তার লাশ হস্তান্তর করা হলো।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সবচেয়ে সোচ্চার সমালোচক নাভালনি গত ১৬ ফেব্রুয়ারি উত্তর সাইবেরিয়ার রাশিয়ার সবচেয়ে কঠিন কারাগারে মারা যান, যেখানে তিনি ১৯ বছরের সাজা ভোগ করছিলেন।

নাভালনির মুখপাত্র কিরা ইয়ারমিশ এক্স-এ বলেছেন, ‘নাভালনির মরদেহ তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। যারা আমাদের সঙ্গে এই হস্তান্তর দাবি করেছেন তাদের সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।’

গত সপ্তাহে, নাভালনির মা লিউডমিলা নাভালনায়ার কাছে তার ছেলের লাশ হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল রাশিয়া কর্তৃপক্ষ।

ইয়ারমিশ আরও বলেন, ‘নাভালনির শেষকৃত্যের পরিকল্পনা এখনও ঠিক করা হয়নি। কারণ, লিউডমিলা ইভানোভনা এখনও সালেখার্ডে রয়েছেন। তাই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া এখনও মুলতুবি রয়েছে। আমরা জানি না পরিবার যেভাবে চাইবে আলেক্সির প্রাপ্য হিসাবে এটি পরিচালনা করতে মস্কো কর্তৃপক্ষ হস্তক্ষেপ করবে কিনা।’

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;

‘হৃদপিণ্ড বরাবর এক ঘুষি মেরে নাভালনিকে হত্যা করা হয়’



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাশিয়ার বিরোধী নেতা আলেক্সি নাভালনিকে হৃৎপিণ্ড বরাবর এক ঘুষি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন একজন মানবাধিকার কর্মী।

হত্যার ক্ষেত্রে এটি রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবির একটি পুরানো পদ্ধতি বলে জানিয়েছেন তিনি।

এনডিটিভি জানিয়েছে মানবাধিকার গ্রুপ গুলাগু ডট নেটের প্রতিষ্ঠাতা ভ্লাদিমির ওসেচকিন নাভালনির কারাগারের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অফ লন্ডনকে বলেছেন, ‘এভাবে মানুষ হত্যা কেজিবির বিশেষ বাহিনীর একটি পুরানো পদ্ধতি। তারা তাদের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিয়েছিল একজন মানুষকে হার্টে একটি ঘুষি মেরে কীভাবে মেরে ফেলা যায়। এটি কেজিবির একটি বৈশিষ্ট্য ছিল।’

সোভিয়েত যুগের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিষেবা কেজিবি ছিল অনেক ভয়ঙ্কর। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯১ সালের ৩ ডিসেম্বর সংস্থাটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। পরে এটি রাশিয়ায় ফরেন ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (এসভিআর) নামধারণ করা হয় এবং এটি পরে ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (এফএসবি) নাম ধারণ করে।

ওসেচকিন দাবি করেছেন যে, প্রাণঘাতী হামলার আগে ৪৭ বছর বয়সি নাভালনিকে তার শরীরকে দুর্বল করার জন্য কঠোর, সাবজিরো তাপমাত্রায় ঘন্টার জন্য বাইরে রাখা হয়েছিল।

কারাগারে কর্মরত একটি অজ্ঞাত সূত্রের বরাত দিয়ে ওসেচকিন বলেন, ‘আমি মনে করি যে, তারা প্রথমে তাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য ঠান্ডায় বাইরে রেখে এবং রক্ত ​​সঞ্চালনকে ন্যূনতমভাবে কমিয়ে দিয়ে তার শরীরকে অবসাদগ্রস্ত করেছিল। এতে করে কাউকে হত্যা করা খুব সহজ হয়ে যায়।’

একটি প্রতিবেদন অনুসারে একজন প্যারামেডিক বলেছেন, যারা কারাগারে মারা যায় তাদের মৃতদেহ সাধারণত সরাসরি ফরেন মেডিসিন ব্যুরোতে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু, নাভালনির লাশ কোনো কারণে একটি ক্লিনিকাল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।’

এদিকে, নাভালনির পরিবার এবং সমর্থকরা তাকে হত্যা করার জন্য পুতিনকে অভিযুক্ত করেছেন। যদিও এই অভিযোগ ক্রুদ্ধভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ক্রেমলিন।

  রুশ-ইউক্রেন সংঘাত

;