Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আড়ংয়ের শার্ট পুড়িয়ে রাবি শিক্ষার্থীর প্রতিবাদ

আড়ংয়ের শার্ট পুড়িয়ে রাবি শিক্ষার্থীর প্রতিবাদ
আড়ংয়ের শার্ট পুড়িয়ে রাবি শিক্ষার্থীর প্রতিবাদ / ছবি: ফেসবুক
রাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারকে বদলি করার প্রতিবাদে শার্টে আগুন দিয়ে আড়ং বর্জনের ডাক দিয়েছেন সজীব ওয়াফি নামের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী। তবে মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারের বদলির আদেশ স্থগিত করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার দুপুরে শার্ট পোড়ানোর ছবিটি ফেসবুকে প্রকাশ করে রাবি শিক্ষার্থ তার ফেসবুক ওয়ালে লিখেন, ‘আড়ংয়ের নিয়মিত গ্রাহক ছিলাম বলতে গেলে। লুটপাট যখন জায়েজ করা হবে, গণমানুষের উপর খবরদারি চলবে, শোষণ চলবে, তখন ঈদের নতুন জামা পুড়িয়ে হলেও আড়ং বর্জনের ডাক দিলাম....!!’

এর আগে গত সোমবার (৩ জুন) আড়ংয়ের উত্তরা শাখায় একই পোশাক এক সপ্তাহেরও কম সময়ের ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ দাম বাড়ানোর অভিযোগে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে আউটলেটটি ২৪ ঘণ্টার জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়।

 https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/04/1559646694426.jpg

এরপর আউটলেটটি বন্ধ ঘোষণা করার কয়েক ঘণ্টা পরই ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারকে বদলির আদেশ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে আগামী ১৩ জুনের মধ্যে তাকে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরে এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে তীব্র সমালোচনা শুরু হলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের উপপরিচালকের বদলির আদেশ প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব ফরহাদ হোসেন দোদুল।

আপনার মতামত লিখুন :

বৃক্ষে কাফন পরানো জাবি অধ্যাপক এবার বৃক্ষ কর্তন কমিটির প্রধান! 

বৃক্ষে কাফন পরানো জাবি অধ্যাপক এবার বৃক্ষ কর্তন কমিটির প্রধান! 
মানববন্ধনে অধ্যাপক এ টি এম আতিকুর রহমান (বৃত্তাকার অংশ)

গাছ কর্তন করার প্রতিবাদে গাছকে কাফনের কাপড় পরানো, জানাযা নামাজ, ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ ও মানববন্ধন করা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অধ্যাপক এবার হলেন গাছ কাটা কমিটির প্রধান! 

সময়ের পরিবর্তনে গাছ রক্ষার আন্দোলনে নয় বরং স্বয়ং গাছ কাটা কমিটির প্রধানের দায়িত্ব পেয়েছেন এ অধ্যাপক। ফলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি। বৃক্ষ কর্তন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালনা কমিটির প্রধান সেই আলোচিত শিক্ষক হলেন ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক এ টি এম আতিকুর রহমান।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১২ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের জন্য নির্ধারিত যায়গা পরিষ্কার করে ফলের বাগান করার উদ্যোগ নেন তৎকালীন হল প্রাধ্যক্ষ ও বাংলা বিভাগের অধ্যাপক এ এস এম আবু দায়েন। এ সময় সেখান থেকে একটি ডুমুর গাছ কাটা হয়। পরবর্তীতে ডুমুর গাছ কাটার প্রতিবাদে সেই বছর ৩ জুলাই তৎকালীন হল প্রশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামেন অধ্যাপক আতিকুর রহমান। এ সময় অধ্যাপক আতিকুর রহমান কর্তনকৃত ডুমুর গাছ নিয়ে কাফনের কাপড় পরান। পরে সেই গাছ নিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ ও মানববন্ধন করেন তিনি। 

তৎকালীন হল প্রাধ্যক্ষ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্বরত ব্যক্তিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, হলের যে যায়গায় ডুমুর গাছটি ছিলো সেটি লিজ দেওয়া ছিল। ফলে হল প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেন যায়গাটি লিজ মুক্ত করে শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য ফলগাছ রোপণ করা হবে। পরবর্তীতে জায়গাটি পরিষ্কার করার সময়ে হলের কর্মচারীরা একটি মৃতপ্রায় ডুমুর গাছ কেটে ফেলেন। এ নিয়ে আন্দোলনে নামেন অধ্যাপক আতিকুর রহমান।

এ বিষয়ে ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম অনিক বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের এমন দ্বিমুখী আচরণ আমাদের খুব বিব্রত করে। সামনে অপরিকল্পিত ভাবে বৃক্ষ কর্তন করার যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে আমরা তার প্রতিবাদ জানাই। আমরা আশা করি অধ্যাপক আতিকুর রহমান সহ অন্যরা আবারো অপ্রয়োজনীয় বৃক্ষ কর্তন রোধে এগিয়ে আসবেন।’

এ বিষয়ে অধ্যাপক আতিকুর রহমান বলেন, ‘ডুমুর গাছটি সম্পূর্ণ নিষ্পাপ ছিল। এছাড়া সেটি ছিল একটি বিলুপ্তপ্রায় গাছ। সমগ্র ক্যাম্পাসে হয়তো তিনটা চারটা ডুমুর গাছ আছে।’

সেসময় গাছ কাটার প্রতিবাদে আন্দোলন করলেও এখন গাছ কাটা কমিটির প্রধান কেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে অধ্যাপক আতিকুর রহমান বলেন, ‘সে সময়ে অকারণে গাছটি কাটা হয়েছিলো। কিন্তু এখন গাছ কাটার পেছনে কারণ আছে। এছাড়া অপ্রয়োজনে আমি একটা গাছের গায়ে হাত দিতে দিবো না।’

আগামীতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাবে শাবিপ্রবি

আগামীতে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাবে শাবিপ্রবি
শাবিপ্রবি ক্যাম্পাস

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আগামী বছরে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫৭তম একাডেমিক কাউন্সিলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জানান।

উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তী কমানো জন্য আমাদের একাডেমিক কাউন্সিল এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ জন্য কাউন্সিলের সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে আমাদের এই মুহূর্তে যাওয়া সম্ভব নয়। আগামী ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় যাওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষার নেওয়ার বিষয়ে কথা হয়েছে। তাছাড়া অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আলাপ আলোচনা করে নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) উপাচার্যদের মিটিং-এ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রস্তাবগুলো উত্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র