জাবিতে চারুকলা ভবন নির্মাণে শিক্ষার্থীদের বাধা



জাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের আগেই চারুকলা ভবন নির্মাণে ফের বাধা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

গাছ কেটে ভবন নির্মাণ কাজ শুরুর লক্ষ্যে নির্ধারিত জায়গার চারপাশে টিন দিয়ে বেষ্টনী দেয় চারুকলা বিভাগ। এর কিছুক্ষণ পর প্রতিবাদ জানিয়ে বেষ্টনীর টিন খুলে বাধা দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী।

শনিবার (১৮ মে) দুপুরের দিকে ভবন নির্মাণের নির্ধারিত স্থানে বেষ্টনী দেওয়ার জন্য লাগানো টিনগুলো খুলে ফেলে কাজ বন্ধ করে দেন শিক্ষার্থীরা।

এসময় তারা অভিযোগ করেন, অনেকদিন ধরেই মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃর্পক্ষ যখন উদ্যোগ নিয়েছে, ঠিক সেই সময়ে ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হলে তা মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে।

কতটুকু জায়গা জুড়ে ভবন নির্মাণ করা হবে, তার কোনো হিসাব দিতে পারেননি প্রকল্প পরিচালক। প্রথমদিকে বাস্কেটবল কোর্টের একটু অংশ ভবনের মধ্যে পড়বে বললেও লেকের ধার পর্যন্ত ভবন নির্মাণের জন্য ঘিরে ফেলা হচ্ছে। ফলে, নির্ধারিত জায়গার বাইরে থাকা ঘন জঙ্গল ও গাছপালাগুলো কাটা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পূর্ব পাশের টিন ও খুঁটি স্থাপনের জন্য যে স্থানটি পরিষ্কার করা হয়েছে, তা একেবারেই লেক ঘেঁষে, ছবি- বার্তা২৪.কম

শিক্ষার্থীরা আরো জানান, এছাড়া নির্ধারিত স্থানের পাশেই রয়েছে, একটি লেক। প্রতিবছর শীতের সময়ে দেশ-বিদেশ থেকে অন্যান্য লেকের মতো এখানেও পরিযায়ী পাখিরা আসে। ওইস্থানে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হলে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে পরিযায়ী পাখির নিরাপদ আবাসস্থল।

সরেজমিন দেখা যায়, ভবন নির্মাণ কাজের বেষ্টনী দেওয়ার জন্য বাস্কেটবল গ্রাউন্ডসংলগ্ন স্থানের উত্তর পাশের পুরো খালি জায়গাটিতে লোহার খুঁটি স্থাপন করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। পূর্ব পাশ থেকে একটি অংশে টিন দিয়ে বেষ্টনী দেওয়া হয়েছে। তবে শনিবার দুপুর নাগাদ শিক্ষার্থীরা টিনের বেষ্টনীগুলো খুলে ফেলেন আর খুলে ফেলা টিনগুলো খুঁটির পাশেই পড়ে থাকতে দেখা যায়।

আরো দেখা যায়, পূর্ব পাশের টিন ও খুঁটি স্থাপনের জন্য যে স্থানটি পরিষ্কার করা হয়েছে, তা একেবারেই লেক ঘেঁষে। এছাড়া এই স্থানটির ভেতরে ঘন গাছপালা সমৃদ্ধ একটি জঙ্গলও রয়েছে।

কাজে বাধা দেওয়ার সময় উপস্থিত নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী সোহাগী সামিয়া বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই মাস্টারপ্ল্যানের দাবিতে আন্দোলন করে আসছি। প্রকল্পের পরিচালককে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলেছি। কিন্তু তিনি তা করেননি। তাই, আমরাও কাজে বাধা দিয়েছি। মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত কোনো কাজ করতে দেওয়া হবে না।’

বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সভাপতি আলিফ মাহমুদ বলেন, ‘আল বেরুনী এক্সটেনশনে এর আগেও প্রশাসন হল করার পাঁয়তারা করেছিল। আমরা তা রুখে দিয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে যেখানে-সেখানে অপরিকল্পিত ভবন নির্মিত হওয়ায় গত তিন দশকে ২৮ শতাংশ জলাশয় এবং স্থলভূমি নাই হয়ে গেছে। এই জায়গাটিতে প্রায় পাঁচ শতাধিক গাছ আছে। পাশের যে লেক আছে, বড় ভবন নির্মাণ করা হলে তা পরিযায়ী পাখির জন্য অনিরাপদ হবে। নতুন কলার এক্সটেনশন হলে এবং লেকচার থিয়েটার হলের কাজ শেষ হলে শ্রেণিকক্ষ সংকটের সুযোগ নেই। তাই, মাস্টারপ্ল্যান ছাড়া আমরা ভবন হতে দেবো না’।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক ও চারুকলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ময়েজউদ্দীন বলেন, আমি শুনেছি, শিক্ষার্থীরা কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। আমি তাদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করবো। সেখানে যাচ্ছি। আমাদের কাজ চলমান থাকবে। তাদের সঙ্গে কথা বলে দেখি।

   

ইউজিসির সাথে খুবির বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরিত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, খুলনা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এর সাথে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের জন্য বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

রোববার (২৩ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ইউজিসি ভবনের অডিটরিয়ামে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি। ইউজিসির চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীরের সভাপতিত্বে ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর অমিত রায় চৌধুরীর উপস্থিতিতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ইউজিসির পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন সচিব ড. ফেরদৌস জামান এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন এপিএ টিম লিডার রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস।

এ সময় ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, প্রফেসর ড. বিশ্বজিৎ চন্দ, প্রফেসর ড. হাসিনা খান, প্রফেসর ড. মো. জাকির হোসেন, অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রার এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিএ’র ফোকালপয়েন্ট উপ-রেজিস্ট্রার এস এম আবু নাসের ফারুক উপস্থিত ছিলেন।

এই কর্মসম্পাদন চুক্তির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয় বার্ষিক কর্মসম্পাদন বাস্তবায়নে প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রগতির অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অনুরূপভাবে অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ইউজিসির সাথে পৃথকভাবে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর করে।

;

ইবির হল খুলবে আগামীকাল, ক্লাস শুরু ২৯ জুন



ইবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গ্রীষ্মকালীন ও ঈদ-উল-আযহা'র দীর্ঘ ১৪ দিনের ছুটি শেষে আগামী সোমবার (২৪ জুন) সকাল ১০ টায় শিক্ষার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আবাসিক হলসমূহ। এছাড়াও পরদিন (মঙ্গলবার) থেকে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালু হবে বলে জানা গেছে। তবে ক্লাস শুরু হবে ২৯ জুন থেকে।

রোববার (২৩ জুন) প্রভোস্ট কাউন্সিল সভাপতি ও সাদ্দাম হোসেন হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এছাড়াও টানা বন্ধে হল সমূহের ভেতরে-বাইরে গজানো জঙ্গল যথাযথ পরিষ্কারে নির্দেশনাও দেওয়া আছে বলে জানান তিনি।

এদিকে গ্রীষ্মকালীন ও ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে ১০ জুন সকাল দশটা থেকে ২৪ জুন সকাল দশটার আগ পর্যন্ত হলসমূহ বন্ধ রাখা হয়। 

হল খুলে দেওয়ার আগমুহূর্ত পর্যন্ত হল এরিয়া পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন শাহ্ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আকতার হোসেন বলেন, বন্ধের ভেতরেই হলের বাহিরের যে পরিষ্কার করা পাশাপাশি হলের বিশেষ করে পেছনের যে জঙ্গল পরিষ্কার সেটা করা হয়েছে। আশা করি কোন সমস্যা হবে না।

সার্বিক বিষয়ে প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান বলেন, প্রতিটি হলে যথাযথ পরিষ্কার যেন করা হয় সে নির্দেশনা আগে থেকেই দেওয়া আছে। এছাড়াও সাপের উপদ্রব ঠেকাতে হলের আশেপাশের বাগানে কার্বনিক এসিড ছিটিয়ে রাখার ব্যবস্থা করবো।

প্রসঙ্গত, গ্রীষ্মকালীন ও পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ৬ জুন থেকে ছুটিতে যায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। ক্যাম্পাসের ক্লাস বন্ধের ৪ দিন পর বন্ধ হয় আবাসিক হলগুলো এবং ক্যাম্পাস খোলার একদিন আগে শিক্ষার্থীদের জন্য হলে প্রবেশ উন্মুক্ত করে দেয়া হবে বলে জানায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এছাড়াও হল বন্ধ হওয়ার আগে দীর্ঘ ছুটিতে হলগুলো খোলা রাখার দাবিতে আন্দোলন করেছিলো বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীরা।

;

দীর্ঘ দুই মাস পর শ্রেনি কার্যক্রমে ফিরছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়



কুবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উপাচার্য-শিক্ষক দ্বন্দ্বে প্রায় ২ মাস (৫৪ দিন) বন্ধ থাকার পর আগামীকাল থেকে শ্রেণি কার্যক্রমে ফিরছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। সশরীরে একাডেমিক কার্যক্রমে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. আমিরুল হক চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামীকাল (২৩ জুন) থেকে বিশ্ববিদ্যালয় খুলছে এবং যথারীতি ক্লাস হবে।' এর আগে গত ৯ জুন থেকে চালু হয়েছে প্রশাসনিক কার্যক্রম।

জানা যায়, গত ৩০ এপ্রিল ৯৩তম সিন্ডিকেট সভায় উপাচার্য-শিক্ষক সমিতির দ্বন্দ্বের জেরে অনির্দিষ্টকালের জন্য কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তীতে গত ৫ জুন অনুষ্ঠিত ৯৫তম জরুরি সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, ৯ জুন থেকে প্রশাসনিক কার্যক্রম এবং ঈদুল আজহা এর ছুটি শেষে ২৩ জুন থেকে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হবে।

এর মধ্যেই ঈদুল আজহা উপলক্ষে ৬ জুন থেকে ২২ জুন অবধি একাডেমিক কার্যক্রম এবং ১৩-২২ জুন অবধি প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

এদিকে বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার ভিত্তিতে দীর্ঘদিন যাবৎ সকল ধরনের শ্রেণি কার্যক্রম বর্জন করে আসছিল শিক্ষক সমিতি। সর্বশেষ গত ২১ জুন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মাহমুদুল হাছান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ক্লাসে ফিরবেন শিক্ষকরা। পাশাপাশি অব্যাহত থাকবে তাদের আন্দোলন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সকল দাবি আদায়ের আগে পর্যন্ত শিক্ষকরা বেলা ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টার কর্মবিরতিও পালন করবে।

এছাড়াও শিক্ষক সমিতির দাবিসমূহ আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন না হলে প্রশাসনকে আবারও পূর্বের ন্যায় আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে শিক্ষক সমিতি।

এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু তাহের বলেন, 'আমরা সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত মেনে আগামীকাল (২৩ জুন) থেকে সশরীরে ক্লাস নেব। প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে অনলাইনে অতিরিক্ত ক্লাস নিয়ে হলেও তাদের ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব।'

;

জানালার গ্রিল নিয়ে পালাতে গিয়ে আটক চবি ছাত্রলীগ নেতা



চবি করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পুরাতন শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের জানালার দুটি গ্রিল নিয়ে পালাতে গিয়ে মূল ফটকে আটক হন মোহাম্মদ জুয়েল নামের এক ছাত্রলীগ নেতা। তিনি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সম্পাদক ও সিক্সটি নাইন পক্ষের অনুসারী।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বিকাল ৫ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটোকে দায়িত্বরত গার্ড তাকে আটক করেন। এ সময় তাকে একটি রিক্সাযোগে জানালার দুইটি গ্রিল সহ আটক করা হয়।

আটককৃত শিক্ষার্থী ব্যাংকিং ও বিমা বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী। পরবর্তীতে তার কাছে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

তিনি প্রশাসনের কাছে অঙ্গীকারনামায় বলেন, আমি এই মর্মে অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমি মোহাম্মদ জুয়েল, সেশন ১৭-১৮, ডিপার্টমেন্ট ব্যাংকিং ও বিমা, শাহজালাল হল, রুম নং ৩৩৬ এ থাকি। ভুলবশত কারণে পরিত্যক্ত জানালার দুটি গ্রিল অটোরিকশা যোগে বিক্রয় করার উদ্দেশ্যে শাহজালাল হল হইতে বাইরে নেওয়ার পথে জিরোপয়েন্ট গেটে আটক করে এবং প্রক্টর মহোদয় উপস্থিত হইলে ভবিষ্যতে এই ধরনের কাজ করিব না মর্মে অঙ্গীকার করলাম। যদি ভবিষ্যতে করি পুলিশ প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে ব্যবস্থা নেবে তা আমি স্বাচ্ছন্দ্যে মানিয়া নিব।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোহাম্মদ অহিদুল আলম বলেন, বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিকিউরিটি গার্ড আমাদের কে ব্যাপারটি জানায়। পরে ওই শিক্ষার্থীকে আটক করে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। ওই শিক্ষার্থী দাবি করেছে রডগুলো নষ্ট হয়ে পড়ে আছে ভেবে সে বিক্রি করতে চেয়েছে। কিন্তু এভাবে চাইলেই তো কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তির যা ইচ্ছা তা করতে পারে না। আসলে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম বোধ থাকা উচিত কি করা যাবে আর যাবে না।

মোহাম্মদ জুয়েলের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি জানান, গ্রিল দুটো অনেক পুরনো, এগুলো কোন কাজে আসবেনা ভেবে না বুঝেই নিয়ে যাচ্ছিলাম। কিন্তু পরবর্তীতে বিষয়টি অনেক বড় হয়ে যায়।

;