সাভারে করোনায় ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সাভারে করোনায় ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু

সাভারে করোনায় ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

সাভারে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুর রহমান (৫২) নামের এক ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক জাহিদুর রহমান।

এর আগে শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

মৃত আব্দুর রহমান অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান শাখায় ঋণ এবং অগ্রিম বিভাগে অফিসার পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি সাভারের ফুলবাড়িয়ায় এলাকার মৃত তোতা মিয়ার ছেলে।

এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক জাহিদুর রহমান জানান, করোনার উপসর্গ নিয়ে হাসপাতাল আসেন ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুর রহমান। নমুনা পরীক্ষায় করোনাভাইরাস শনাক্তের পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে ১৪ জুন তাকে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে‌ ভর্তি করা হয়।

অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে পরবর্তীতে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি সকালে মারা যান।

   

ঘূর্ণিঝড় রিমাল: আতঙ্কে দিন কাটছে হাতিয়াবাসীর

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশজুড়ে চলছে ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডব। ইতিমধ্যে উপকূলীয় অঞ্চল গুলোতে আঘাত হানতে শুরু করেছে এটি। এর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলের নদনদীগুলো উত্তাল হয়ে উঠেছে। আবহাওয়া অফিস থেকে দেশের উপকূলীয় অঞ্চল গুলোতে ১০ নাম্বার সতর্ক সংকেত দেখানো হয়েছে।

হাতিয়া উপকূলীয় অঞ্চল হওয়ায় ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে উদ্বেগ উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে এখানকার বসবাসরত সাধারণ মানুষ। ইতিমধ্যে ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে হাতিয়ার বিভিন্ন জায়গায় পানি ওঠে খুবই নাজেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। প্রবল জোয়ারে হাতিয়ার অনেক এলাকা ৩-৪ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে হাতিয়ায় প্রবল বেগে বাতাস বইছে। নদীর তীরবর্তী এলাকার লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। হাতিয়ায় শনিবার (২৫ মে) রাত থেকেই শুরু হয়েছে প্রবল বাতাস। রোববার (২৬ মে) সকাল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। 

হাতিয়ার ৯নং বুড়িরচর ইউনিয়নের পশ্চিম বড়দেইল গ্রামের বাসিন্দা জিয়াউল হক ইমাম বার্তা২৪.কমের প্রতিবেদককে বলেন, রেডক্রিসেন্টের সদস্য এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে সাধারণ মানুষকে মাইকিং করে সাবধানে এবং নিরাপদ স্থানে থাকার জন্য বলা হয়েছে। বেড়িবাঁধ সংলগ্ন বসবাসরত মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে কিছু মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করেছে।


হাতিয়ার ১নং হরণী ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা উমানা বেগম বার্তা২৪.কমকে বলেন, বাতাসের সঙ্গে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। তবে বেড়িবাঁধে বসবাসরত মানুষের ঘরবাড়িতে পানি উঠে গেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেনের দেওয়া আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তি-১৩ -এ বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’ উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় (২০.৭ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.৩ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে। এটি রোববার (২৬ মে) বিকেলে ৩টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৩২৫ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৩১০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২০০ কি.মি. দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৮০ কি.মি. দক্ষিণে অবস্থান করছিল। বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগের প্রভাবে বৃষ্টিসহ দমকা/ঝড়ো হাওয়া অব্যাহত রয়েছে। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৩-৪ ঘণ্টার মধ্যে মোংলার নিকট দিয়ে সাগর আইল্যান্ড (পশ্চিবঙ্গ) খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম করতে পারে। প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র অতিক্রমের পর এর নিম্নভাগ অতিক্রম করতে পারে।

এতে আরও বলা হয়, প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কি.মি., যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১২০ কি.মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ০৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর ও তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;

ঘূর্ণিঝড় রিমাল-এর পর আসছে ‘আসনা’, ‘ডানা’, ‘ফেঙ্গাল’

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে স্থলভাগের কাছে আঘাত হেনতে শুরু করেছে ঘূ্র্ণিঝড় ‘রিমাল’। শেষ ছ’ঘণ্টায় তার গতিবেগ রয়েছে ১৩ কিলোমিটার। আঘাত হানার সময় এতে বাতাসের শক্তি থাকতে পারে ঘণ্টায় ১শ ২০ কিলোমিটারের মতো বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’-এর পর পরবর্তীতে অনেকগুলো ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানবে। ইতোমধ্যে, ঘূর্ণিঝড়গুলোর নাম প্রকাশ করেছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা আঞ্চলিক কমিটি।

এবারের ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’-এর নামকরণ করেছে ওমান। পরবর্তীতে যেসব ঘূর্ণিঝড় আঘাতের সম্ভাবনা রয়েছে, সেগুলোর নাম যথাক্রমে- ‘আসনা’ (পাকিস্তান), ‘ডানা’ (কাতার), ‘ফেঙ্গাল’ (সৌদি আরব), ‘শক্তি’ (শ্রীলঙ্কা), ‘মন্থ’ (থাইল্যান্ড), ‘সেনিয়ার’ (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ও ‘দিত্ত্ব’ (ইয়েমেন)।

সাধারণত সাগরে নিম্নচাপের সময় বাতাসের প্রচণ্ড গতির ফলে সংঘটিত বায়ুমণ্ডলীয় উত্তাল অবস্থাকে সংক্ষেপে ঘূর্ণিঝড় বলা হয়। বাতাসের এই গতি যখন একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় পৌঁছায়, তখনই ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয়।

রিমালের আগেও বাংলাদেশে ‘সিডর’, ‘আইলা’, ‘আম্ফান’ ও ‘মোখার’ মতো বিভিন্ন নামের ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে।

২০০৪ সালে ভারত মহাসাগর অঞ্চলের জন্য ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে একটি কমিটি করা হয়। ৮টি দেশ নিয়ে তখন একটি কমিটি গঠন করা হয়। এগুলি হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভারত, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ড। পরে ২০১৯ সালে ইরান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন নামকরণ কমিটিতে যুক্ত হয়।

ঘূর্ণিঝড় নামকরণে ১৩ দেশের সমন্বয়ে যে কমিটি রয়েছে, তারা ঘূর্ণিঝড়ের নাম নির্ধারণ করে। বর্তমান ‘রিমাল’-এর নাম নির্ধারণ করেছে ওমান। এর পরে যে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানবে, তার নাম নির্ধারণ করেছে ‘আসনা’- পাকিস্তান।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;

ঘূর্ণিঝড় রিমাল: ১০ হাজার আনসার-ভিডিপি সদস্য মোতায়েন

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে থাকা গভীর নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় রেমালে রূপ নিয়েছে যা বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানতে প্রবল বেগে ধেয়ে আসছে।

ইতোমধ্যে উপকূলীয় বিভিন্ন স্থানে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করা হয়েছে। এর ফলে ঘূর্ণিঝড় পূর্ব ও পরবর্তী সময়ে স্থানীয় জনসাধারনের জানমালের যে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হবে তা মোকাবেলায় উপকূলীয় ১২ জেলায় ১০ হাজার আনসার-ভিডিপি সদস্যকে চার দিনের জন্য মোতায়েন করেছে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

একই সাথে সংশ্লিষ্ট উপকূলীয় রেঞ্জ কমান্ডার, জেলা কমান্ড্যান্ট ও আনসার ব্যাটালিয়ন অধিনায়কগণকে যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকার আদেশ দেয়া হয়েছে।

শনিবার (২৫ মে) বাহিনীর সদর দপ্তর থেকে এক ফ্যাক্স বার্তার মাধ্যমে এসকল কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশাবলী জারি করা হয়। রবিবার (২৬ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

ফ্যাক্সের মাধ্যমে ঘূর্ণিঝড় রিমাল মোকাবেলায় সকল কর্মকর্তা- কর্মচারীদের ছুটি বাতিলপূর্বক স্টেশনে অবধারিতভাবে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য সদর দপ্তরে অপস কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

এরই প্রেক্ষিতে ঘূর্ণিঝড় রিমাল মোকাবেলায় সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ কমান্ডার ও জেলা কমান্ড্যান্টগণ স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে এবং ক্ষেত্রবিশেষে নিজ উদ্যোগে দুর্গত মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা ও মাইকিং করে প্রচারণার মাধ্যমে সচেতনতা তৈরি করে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার কাজ করছেন।

এছাড়াও আনসার-ভিডিপি সদস্যগণ স্থানীয়দের গৃহপালিত প্রাণী যেমন- হাস, মুরগি, গরু, ছাগল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পত্তি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনতে সহায়তা করছেন। সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ, ব্যাটালিয়ন ও জেলা কমান্ড্যান্টের কার্যালয়ে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড দলনেতা-দলনেত্রী, উপজেলা ও ইউনিয়ন আনসার কমান্ডার ও সহকারী আনসার কমান্ডারদের ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় কবলিত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার ব্যাাটালিয়ন সদস্য, আনসার ও ভিডিপি সদস্য/সদস্যাদের নিয়োজিত করার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়াধীন দপ্তর ও সরকারী কোনো সংস্থা ও এজেন্সি এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক প্রদেয় স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রমে আনসার-ভিডিপি সদস্যগণ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করছেন আনসার-ভিডিপি সদস্যরা।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;

উপকূলে আঘাত হেনেছে রিমালের মূল অংশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

উপকূলে আঘাত হেনেছে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমালের মূল অংশ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। আগামী ৫ থেকে ৭ ঘণ্টার মধ্যে উপকূল অতিক্রম করবে ঘূর্ণিঝড়টি। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো বাতাসসহ বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

রোববার (২৬ মে) রাত ৮টায় রাজধানীর আগারগাঁও বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানানো হয়।

ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রধান ড. মো. শামীম হাসান ভূঁইয়া জানান, সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ ঝড়টি বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম শুরু করে। এটি পর্যায়ক্রমে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করছে। পুরো ঘূর্ণিঝড়টি আগামী ৫ থেকে ৭ ঘণ্টার মধ্যে পুরো উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানান তিনি। এ সময় পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিধসের সম্ভবনা রয়েছে বলেও জানান।

উপকূলীয় অঞ্চলে ৪ দিনের জন্য ১০ হাজার আনসার-ভিডিপি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;