দেশে করোনা আক্রান্ত ৮৪৩৭৯, মৃত্যু ১১৩৯

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস


স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রতীকী

প্রতীকী

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৮৫৬ জন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৪ হাজার ৩৭৯ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪৪ জন। এ নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে এক হাজার ১৩৯ জনের প্রাণহানি হলো।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে মহাখালী থেকে নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৭৮ জন কোভিড-১৯ রোগী সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে মোট ১৭ হাজার ৮২৭ জন সুস্থ হয়েছেন বলে বুলেটিনে জানানো হয়।

   

একজন চিকিৎসক দিয়েই চলছে রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স



আমিনুল ইসলাম খন্দকার, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বান্দরবান
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ম্যালেরিয়া, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি সেই সাথে যুক্ত হয়েছে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর অভিযান। যেকোনো সময় যেকোনো স্থানে হতাহত হওয়ার সম্ভাবনা আছে, তাই প্রয়োজন অতিরিক্ত চিকিৎসকের। ৭ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও হাসপাতালে কর্মরত আছেন মাত্র একজন। প্রতিদিন প্রায় ৬০-৬৫ জন বহির্বিভাগে সেবা নিচ্ছে, এই সপ্তাহে প্রায় সবসময় ১৫ জনের মত ভর্তি রোগী ছিলো হাসপাতালটিতে।

ডাক্টার মোহাম্মদ মোস্তফা রুবেল নামের ওই কর্মকর্তাকে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। একা সেবা দিতে গিয়ে নিজেও শারীরিক এবং মানসিক ভাবে ক্লান্ত। এই চিত্র বান্দরবানের রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের।

জানা যায়, উপজেলায় প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ বাস করে। প্রত্যন্ত এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আরো অধিকতর চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে ১০ শয্যাবিশিষ্ট রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ করে সরকার। নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকট, হাসপাতালের প্যাথলজি, এক্সরে, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, ওষুধসহ কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দুর্গম পাহাড়ের বাসিন্দারা। এতে করে এই এলাকার মানুষজন সেবা পেতে অনেক সমস্যা হচ্ছে।

এই উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র মিলিয়ে ৭ জন চিকিৎসকের পদ রয়েছে। যার মধ্যে শূণ্য পদ রয়েছে ২ টি। কিন্তু বাকী ৫টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন শুধুমাত্র ১ জন। বাকী ৪ জন বিভিন্ন সুবিধাজনক জায়গায় প্রেষণে কাজ করছেন।

সর্বশেষ প্রেষণে যাওয়া রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাক্টার গুনিজন চৌধুরির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বার্তা২৪.কম-কে বলেন, আমি ৪ বছর যাবৎ পার্বত্য এলাকায় কাজ করেছি, যার মধ্যে ২ বছর রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ছিলাম। দূর্গম এলাকা হওয়ায় এই কর্মস্থল ও এলাকায় প্রতি আমার অনেক টান আছে আরো ১ মাস আগেই আমার ট্রেনিং পোস্টের কারনে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে যোগাদান করার কথা। উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুরোধে ও পরিস্থিতি বিবেচনায় যাওয়া হয়নি। আমি রিলিজ নিয়ে আসার সময় উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বলে এসেছি দূর্গম এলাকা হিসেবে এই হাসপাতালে অন্তত ৩ জন চিকিৎসক নিয়মিত রাখার ব্যবস্থা করতে।

বর্তমানে কর্মরত উপজেলার মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মোস্তফা রুবেল বার্তা২৪.কম-কে বলেন, তিনি নিজে চিকিৎসা সেবা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রায় ২ সপ্তাহ ধরে। উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি দেখবেন। তাছাড়া এই বিষয়ে আর বিস্তারিত কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি তিনি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুল্লাহ আল হাসান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ৪ জন ডাক্তার প্রেষণে আছেন। আরও একজন চলে যাচ্ছেন। সর্বশেষ একজন থাকছেন ডাক্তার। আমি সিভিল সার্জনকে বলেছি বিষয়টি। তবে আরেকজন ডাক্তার বান্দরবান সদর হাসপাতালে সংযুক্ত ছিলেন, দুই তিনদিনের মধ্যেই তাকে সেখানে থেকে সংযুক্তি বাদ দিয়ে রুমা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফেরত আনা হবে। তাহলে রুমায় দু'জনই থাকবেন ডাক্তার। তবে ৫ জন ডাক্তার সবসময় থাকলে সঠিকভাবে সেবা প্রদান করা যাবে।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;

কুমিল্লায় জমি নিয়ে দু'গ্রুপের সংঘর্ষ, গুরুতর আহত ৩



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুমিল্লা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দু'গ্রুপের সংঘর্ষে নারীসহ ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছে। রবিবার (২৬ মে) সকালে আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

জানা যায়, বুধবার উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের ছাতিয়ানী এলাকায় জমি নিয়ে দু'গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে নারীসহ ৪-৫ জন আহত হয়। স্থানীয়রা তাদের আহত অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। শনিবার রাতে আহত ৩ জনের অবস্থার অবনতি ঘটলে সকালে চিকিৎসক তাদের ঢাকায় প্রেরণ করেন।

আহতরা হলো- একই গ্রামের মো: ইউছুফ মোল্লা (৫০), তাঁর ছেলে প্রবাসী মো: ইসমাইল মোল্লা (২৮) ও তাঁর স্ত্রী মোসা: রোকেয়া বেগম (৪৫)।

বিষয়টি নিয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ত্রিনাথ সাহা বলেন, মারামারির সংবাদ পেয়েই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এবিষয়ে অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;

ঘূর্ণিঝড় রিমাল: আতঙ্কে দিন কাটছে হাতিয়াবাসীর

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশজুড়ে চলছে ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডব। ইতিমধ্যে উপকূলীয় অঞ্চল গুলোতে আঘাত হানতে শুরু করেছে এটি। এর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলের নদনদীগুলো উত্তাল হয়ে উঠেছে। আবহাওয়া অফিস থেকে দেশের উপকূলীয় অঞ্চল গুলোতে ১০ নাম্বার সতর্ক সংকেত দেখানো হয়েছে।

হাতিয়া উপকূলীয় অঞ্চল হওয়ায় ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে উদ্বেগ উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে এখানকার বসবাসরত সাধারণ মানুষ। ইতিমধ্যে ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে হাতিয়ার বিভিন্ন জায়গায় পানি ওঠে খুবই নাজেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। প্রবল জোয়ারে হাতিয়ার অনেক এলাকা ৩-৪ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে হাতিয়ায় প্রবল বেগে বাতাস বইছে। নদীর তীরবর্তী এলাকার লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। হাতিয়ায় শনিবার (২৫ মে) রাত থেকেই শুরু হয়েছে প্রবল বাতাস। রোববার (২৬ মে) সকাল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। 

হাতিয়ার ৯নং বুড়িরচর ইউনিয়নের পশ্চিম বড়দেইল গ্রামের বাসিন্দা জিয়াউল হক ইমাম বার্তা২৪.কমের প্রতিবেদককে বলেন, রেডক্রিসেন্টের সদস্য এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে সাধারণ মানুষকে মাইকিং করে সাবধানে এবং নিরাপদ স্থানে থাকার জন্য বলা হয়েছে। বেড়িবাঁধ সংলগ্ন বসবাসরত মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে কিছু মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করেছে।


হাতিয়ার ১নং হরণী ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা উমানা বেগম বার্তা২৪.কমকে বলেন, বাতাসের সঙ্গে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। তবে বেড়িবাঁধে বসবাসরত মানুষের ঘরবাড়িতে পানি উঠে গেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেনের দেওয়া আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তি-১৩ -এ বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’ উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় (২০.৭ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.৩ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে। এটি রোববার (২৬ মে) বিকেলে ৩টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৩২৫ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৩১০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২০০ কি.মি. দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৮০ কি.মি. দক্ষিণে অবস্থান করছিল। বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগের প্রভাবে বৃষ্টিসহ দমকা/ঝড়ো হাওয়া অব্যাহত রয়েছে। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৩-৪ ঘণ্টার মধ্যে মোংলার নিকট দিয়ে সাগর আইল্যান্ড (পশ্চিবঙ্গ) খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম করতে পারে। প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র অতিক্রমের পর এর নিম্নভাগ অতিক্রম করতে পারে।

এতে আরও বলা হয়, প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কি.মি., যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১২০ কি.মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ০৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর ও তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;

ঘূর্ণিঝড় রিমাল-এর পর আসছে ‘আসনা’, ‘ডানা’, ‘ফেঙ্গাল’

  ঘূর্ণিঝড় রিমাল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে স্থলভাগের কাছে আঘাত হেনতে শুরু করেছে ঘূ্র্ণিঝড় ‘রিমাল’। শেষ ছ’ঘণ্টায় তার গতিবেগ রয়েছে ১৩ কিলোমিটার। আঘাত হানার সময় এতে বাতাসের শক্তি থাকতে পারে ঘণ্টায় ১শ ২০ কিলোমিটারের মতো বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’-এর পর পরবর্তীতে অনেকগুলো ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানবে। ইতোমধ্যে, ঘূর্ণিঝড়গুলোর নাম প্রকাশ করেছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা আঞ্চলিক কমিটি।

এবারের ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’-এর নামকরণ করেছে ওমান। পরবর্তীতে যেসব ঘূর্ণিঝড় আঘাতের সম্ভাবনা রয়েছে, সেগুলোর নাম যথাক্রমে- ‘আসনা’ (পাকিস্তান), ‘ডানা’ (কাতার), ‘ফেঙ্গাল’ (সৌদি আরব), ‘শক্তি’ (শ্রীলঙ্কা), ‘মন্থ’ (থাইল্যান্ড), ‘সেনিয়ার’ (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ও ‘দিত্ত্ব’ (ইয়েমেন)।

সাধারণত সাগরে নিম্নচাপের সময় বাতাসের প্রচণ্ড গতির ফলে সংঘটিত বায়ুমণ্ডলীয় উত্তাল অবস্থাকে সংক্ষেপে ঘূর্ণিঝড় বলা হয়। বাতাসের এই গতি যখন একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় পৌঁছায়, তখনই ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হয়।

রিমালের আগেও বাংলাদেশে ‘সিডর’, ‘আইলা’, ‘আম্ফান’ ও ‘মোখার’ মতো বিভিন্ন নামের ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে।

২০০৪ সালে ভারত মহাসাগর অঞ্চলের জন্য ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে একটি কমিটি করা হয়। ৮টি দেশ নিয়ে তখন একটি কমিটি গঠন করা হয়। এগুলি হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভারত, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ড। পরে ২০১৯ সালে ইরান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেন নামকরণ কমিটিতে যুক্ত হয়।

ঘূর্ণিঝড় নামকরণে ১৩ দেশের সমন্বয়ে যে কমিটি রয়েছে, তারা ঘূর্ণিঝড়ের নাম নির্ধারণ করে। বর্তমান ‘রিমাল’-এর নাম নির্ধারণ করেছে ওমান। এর পরে যে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানবে, তার নাম নির্ধারণ করেছে ‘আসনা’- পাকিস্তান।

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস

;