এটা আমাদের নয়, সরকারের পরাজয়: তৈমুর

  নাসিক নির্বাচন


ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নারায়ণগঞ্জ
স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার

স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার

  • Font increase
  • Font Decrease

এটা আমাদের নয়, সরকারের পরাজয় বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার। তিনি বলেন, জনগণের ভালোবাসায় আমরা জয়ী, তাদের প্রতি, মিডিয়ার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।

রোববার (১৬ জানুয়ারি) নাসিক নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলে পরাজয় হবার খবরে নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।

তৈমুর বলেন, আপনারা দেখবেন আমি ঘটনাগুলো আপনাকে জানিয়েছি। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আমার সমন্বয়ককে কাগজ সহ গ্রেফতার করা হয়। তার মাধ্যমেই শুরু হয় এবং আমার লোকজন প্রতিদিনই গ্রেফতার হতে থাকে।

তিনি বলেন, আপনারা দেখবেন হেফাজতের মামলা দেয়া হয়েছে সকলকে। এদের মধ্যে হিন্দু লোকও আছে। এখন দেখা যায় মুসলমান তো করেই হিন্দুরাও হেফাজত করে। আজ সকাল থেকে আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বন্দরের সমন্বয়ককে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমার চিফ এজেন্টের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। এ অবস্থায় একটা মানুষ স্বতন্ত্র দাড়িয়ে কীভাবে ঠিক থাকতে পারে। তার পরেও জনগন আমাকে সমর্থন দিয়েছে। আমি সকলকে ধন্যবাদ জানাই।

তিনি বলেন, ঢাকার মেহমানদের অতিরঞ্জিত কথার পরে গ্রেফতার শুরু হয়েছে। জাহাঙ্গীর কবির নানককে যখন জিজ্ঞেস করা হয় তখন তিনি বলেছিলেন ১২ ও ১৩ নং ওয়ার্ড তাদের জন্য ঝুকিপূর্ণ। ১৩ নং ওয়ার্ডে আমি থাকি, আমার ভাই তিনবারের কাউন্সিলর। আর ১২ নং ওয়ার্ড সরকারি এমপির ওয়ার্ড। আমি বললাম সরকারই যদি তার এমপির কেন্দ্র ঝুকিপূর্ণ মনে করে তাহলে আমার কিছু করার নেই। আমার কোন ঝুকিপূর্ণ কেন্দ্র নেই।

তৈমুর বলেন, বেশ কিছু কেন্দ্রে ইভিএম ত্রুটিপূর্ণ ও স্লো ছিল। অনেক লোক ভোট দিতে পারেনি। ইভিএমের কারচুপির জন্য আমাদের পরাজয় বরণ করতে হয়েছে। আমি সকলকে ধন্যবাদ জানাই সকলকে যারা নির্বাচনে আমার পাশে থেকে সহযোগীতা করেছেন। আমার লোকজন বাড়িতে থাকতে পারেনি। এটিএম কামালের মত লোককে ঘেরাও করা হয়েছে গ্রেফতার করার জন্য।

তিনি বলেন, ‘তার বিষয়ে আগেও মন্তব্য করিনি এখনও করবো না। এটা খেলা হয়েছে সরকার বনাম জনগণ, সরকার বনাম তৈমুর আলম খন্দকার। আমি সিটি করপোরেশনের জন্য কী করেছি তা তাকে জিজ্ঞেস করেন। নারায়ণগঞ্জবাসী এগুলো জানে। বিএনপি আমার রক্তের সাথে মিশে গেছে।’

   

কবি সুফিয়া কামালের ১১৩তম জন্মবার্ষিকী বৃহস্পতিবার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে ‘নারী জাগরণের অগ্রদূত’ মহীয়সী নারী কবি সুফিয়া কামালের ১১৩তম জন্মবার্ষিকী বৃহস্পতিবার (২০ জুন)।

‘জননী সাহসিকা’ হিসেবে খ্যাত এই কবি ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদে জন্মগ্রহণ করেন।

সুফিয়া কামাল আজীবন মুক্তবুদ্ধির চর্চার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িকতা ও মৌলবাদের বিপক্ষে সংগ্রাম করে গেছেন। সাহিত্য চর্চার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর মহিয়সী এই কবি ঢাকায় মারা যান।

কবির জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তাঁরা নারী জাগরণের অন্যতম পথিকৃৎ কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় সংগঠনের সুফিয়া কামাল ভবনে (১০, বি/১, সেগুনবাগিচা, ঢাকা) কবির প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।

অনুষ্ঠানে মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ, সম্পাদকমণ্ডলি এবং কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

রাষ্ট্রপতির বাণী

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এ উপলক্ষে এক বাণীতে বলেন, কবি সুফিয়া কামাল রচিত সাহিত্যকর্ম নতুন ও ভবিষ্যত প্রজন্মকে গভীর দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করবে।

তিনি বলেন, কবির জীবন ও আদর্শ এবং তাঁর কালোত্তীর্ণ সাহিত্যকর্ম নতুন প্রজন্মের প্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে।

সুফিয়া কামাল ছিলেন বাংলাদেশের নারী সমাজের এক অনুকরণীয় উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি নারী সমাজকে কুসংস্কার আর অবরোধের বেড়াজাল থেকে মুক্ত করতে আমৃত্যু সংগ্রাম করে গেছেন।

তিনি ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। দেশের সব প্রগতিশীল আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। নারীদের সংগঠিত করে মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা, দেশাত্মবোধ এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে সুফিয়া কামাল ছিলেন অগ্রদূত।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নারী-পুরুষের সমতাপূর্ণ একটি মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই ছিল সুফিয়া কামালের জীবনব্যাপী সংগ্রামের প্রধান লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রীর বাণী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক বাণীতে বলেন, কালজয়ী কবি বেগম সুফিয়া কামালের জীবন ও দর্শন এবং সাহিত্যকর্ম প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে পাঠকের হৃদয় আলোকিত করবে।

তিনি বলেন, নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার চিন্তাধারা ও প্রতিজ্ঞা কবি সুফিয়া কামালের জীবনে সঞ্চারিত হয় ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে। তাঁর দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম ছাত্রীনিবাসের নাম ‘রোকেয়া হল’ রাখা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তাঁর প্রত্যক্ষ উপস্থিতি তাঁকে জনগণের ‘জননী সাহসিকা’ উপাধিতে অভিষিক্ত করেছে। তাঁর স্মরণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য ‘বেগম সুফিয়া কামাল হল’ নির্মাণ করে।

বাংলার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সুফিয়া কামালের ছিল আপসহীন এবং দৃপ্ত পদচারণা।

১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর সুফিয়া কামাল পরিবারসহ কলকাতা থেকে ঢাকায় চলে আসেন। ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং এই আন্দোলনে নারীদের উদ্বুদ্ধ করেন। তিনি ১৯৫৬ সালে শিশু সংগঠন কচিকাঁচার মেলা প্রতিষ্ঠা করেন।

পাকিস্তান সরকার ১৯৬১ সালে রবীন্দ্র সংগীত নিষিদ্ধ করলে তার প্রতিবাদে সংগঠিত আন্দোলনে তিনি জড়িত ছিলেন এবং তিনি ছায়ানটের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর ধানমণ্ডির বাসভবন থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেন। স্বাধীন বাংলাদেশে নারী জাগরণ ও নারীদের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামেও তিনি উজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেন।

‘সাঁঝের মায়া’, ‘মন ও জীবন’, ‘শান্তি ও প্রার্থনা’, ‘উদাত্ত পৃথিবী’ ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। এছাড়া ‘সোভিয়েতের দিনগুলো’ এবং ‘একাত্তরের ডায়েরি’ তাঁর অন্যতম ভ্রমণ ও স্মৃতিগ্রন্থ। সুফিয়া কামাল দেশ-বিদেশের ৫০টিরও বেশি পুরস্কার লাভ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদক, স্বাধীনতা দিবস পদক, বেগম রোকেয়া পদক, সোভিয়েত লেনিন পদক ও জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার।

  নাসিক নির্বাচন

;

জমির আইল কাটা নিয়ে দু’ভাইয়ের দ্বন্দ্ব, প্রাণ গেল ভাতিজার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের নান্দাইলে জমির আইল কাটা নিয়ে চাচাতো ভাইয়ের ছুরির আঘাতে প্রাণ গেল লাল মিয়া (২৫) নামে এক যুবকের। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন চাচা।

বুধবার (১৯ জুন) সকালে উপজেলার খারুয়া ইউনিয়নের মাটিকাটা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত লাল মিয়া ওই এলাকার সিরাজ উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘটনার দিন সকালে সিরাজ উদ্দিন তার ছেলে লাল মিয়াকে নিয়ে বাড়ির পাশেই নিজ জমিতে আমন ধানের বীজতলা তৈরি করার কাজ করছিল। এসময় সিরাজ উদ্দিনের ভাই গিয়াস উদ্দিন ও তার ছেলে হাফেজ মিজান আইল বেশি করে কাটার অভিযোগ করেন এবং আইল কাটতে বাধা দেন। এই নিয়ে দুই ভাইয়ের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গিয়াস উদ্দিনের ছেলে হাফেজ মিজান ধারালো ছুরি দিয়ে তার চাচাতো ভাই লাল মিয়া ও চাচা সিরাজ উদ্দিনকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। এতে লাল মিয়া ও তার পিতা সিরাজ উদ্দিন গুরুতর আহত হয়।

পরে স্থানীয়রা টের পেয়ে লাল মিয়া ও পিতা সিরাজ উদ্দিনকে গফরগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক লাল মিয়াকে মৃত ঘোষণা করে। তার পিতা সিরাজ উদ্দিনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

নান্দাইল মডেল থানার ইনচার্জ (ওসি) আ. মজিদ বলেন, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক নারীকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে বলেও জানান তিনি।

  নাসিক নির্বাচন

;

ঈদের ছুটি শেষে রাজধানী ফিরছেন কর্মজীবীরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবীরা। বুধবার (১৯ জুন) থেকে খুলেছে অফিস। তবে রাজধানীর কোথাও আজ দেখা যায়নি যানজট। সড়কে গণপরিবহন ছিল সংকট।

অনেকে ছুটির সঙ্গে বাড়তি ছুটি নিলেও বেশিরভাগ মানুষই ঈদের তৃতীয় দিনেই রাজধানীতে ফিরছেন। এছাড়া কর্মস্থলে যোগ দিতে ও ভিড় এড়াতে অনেকে আগেভাগেই চলে আসছেন। কোলাহলপূর্ণ ব্যস্ত নগরী এখনও চিরচেনা রূপে ফেরেনি। 

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাস টার্মিনাল গুলোতে দেখা যায়, ঢাকামুখী ও ঢাকা ছেড়ে যাওয়া মানুষের ভিড়। অনেকে ঈদের পরে যাচ্ছেন ছুটি কাটাতে।

এদিকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ঢাকায় ফেরা মানুষের ভিড়। তবে রাজধানীতে ফেরার ভিড় এখনও শুরু হয়নি বলে জানিয়েছে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) থেকে ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ বাড়তে পারে বলে জানান পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।


এদিকে ঈদযাত্রা শেষে ফিরতি পথে ভোগান্তি তুলনামূলক কম ছিল বলে জানান যাত্রীরা। পাঁচ দিনের ছুটি শেষে পরিবারসহ সাতক্ষীরা থেকে রাজারবাগ বাস টার্মিনালে এসে নেমেছেন চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. জিয়াউল হক।

তিনি বার্তা২৪.কমকে জানান, ‘রাস্তায় কোনো ভোগান্তি ছিল না নির্বিঘ্নে চলে এসেছি। পদ্মাসেতু হয়ে মাত্র ৫ ঘণ্টায় ঢাকা পৌঁছেছি।’

গ্রীনলাইন পরিবহনের জসিম বলেন, ঈদে ঢাকা ফেরত যাত্রীদের চাপ এখনও শুরু হয়নি। তবে, আগামী বৃহস্পতিবার থেকে ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ বাড়তে পারে।

অন্যদিকে মানুষ ফিরতে শুরু করলেও চিরচেনা রূপে এখনও ফেরেনি ঢাকা। গত কয়েকদিনের মতো নগরীর প্রধান সড়কগুলো আজ অনেকটাই যানজটমুক্ত। সড়কে ব্যক্তিগত গাড়িসহ গণপরিবহনের সংখ্যাও কম দেখা গেছে। কিছু স্টেশনগুলোতে যাত্রীদের ভিড় থাকলেও ঢাকা এখন অনেকটাই ফাঁকা।

  নাসিক নির্বাচন

;

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে রংপুরের কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করছে। এতে কাউনিয়া, গঙ্গাচড়া ও পীরগাছা উপজেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। বেশ কিছু এলাকায় দেখা দিয়েছে ভাঙন।

এদিকে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রংপুরের নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

পাউবোর নিয়ন্ত্রণকক্ষ জানায়, মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর অঞ্চলে ২২১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার সকাল নয়টায় তিস্তার কাউনিয়া পয়েন্টে শূন্য দশমিক ২০ সেন্টিমিটার পানি প্রবাহ বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এর আগে ভোর ছয়টায় ওই পয়েন্টে পানি প্রবাহ বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল। কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমা ২৮ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার ধরা হয়।


অপরদিকে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে বুধবার সকাল নয়টায় পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫১ দশমিক ৯২ সেন্টিমিটার, যা বিপৎসীমার শূন্য দশমিক ২৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। সকাল ৬টায় যা রেকর্ড করা হয় ৫১ দশমিক ৯৫ সেন্টিমিটার। এ পয়েন্টে ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হলে বিপৎসীমা অতিক্রম করে।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, উজানের ঢল আর গত কয়েকদিন ধরে বৃষ্টিপাতের কারণে ডালিয়া ও কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তায় পানি বাড়তে শুরু করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ডালিয়া ব্যারেজের সবকটি গেই খুলে রাখা হয়েছে। কাউনিয়া পয়েন্টে কিছুটা বাড়ছে পানি প্রবাহ। এছাড়া ভাটির অঞ্চলে সার্বক্ষণিক নদীপাড়ের পরিস্থিতির খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।

  নাসিক নির্বাচন

;