Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

রোদ কিংবা বৃষ্টি, ছাতা হোক সঙ্গী

রোদ কিংবা বৃষ্টি, ছাতা হোক সঙ্গী
বাইরে বেরুনোর সময় সাথে রাখুন ছাতা, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

আবহাওয়ার যেন কোন দিশা নেই।

সকালে ঝুম বৃষ্টি তো দুপুর গড়াতেই কাঠফাটা রোদের আনাগোনা। রোদ কিংবা বৃষ্টি যাই থাকুক না কেন, বাইরে বের হওয়ার আগে ছাতাটা অবশ্যই মনে করে সাথে নিয়ে নিতে হবে।

প্রয়োজনীয় এই অনুষঙ্গটি শুধুই নিত্যদিনের ব্যবহার্য জিনিস হিসেবে নয়, সঙ্গী হিসেবে রাখতে হবে নিজের কাছে। বৃষ্টিতে নিজের মাথা বাঁচাতে অথবা ত্বককে রোদের প্রখরতা থেকে সরিয়ে রাখতে ছাতার বিকল্প একেবারেই নেই।

তবে ছাতা অনেকেই যেভাবে ঝামেলাযুক্ত অনুষঙ্গ হিসেবে ভেবে থাকেন, আদতে ছাতা কিন্তু ততোটাই জরুরি একটি পণ্য। শুধু জরুরি নয়, এখনকার সময়ে ফ্যাশন সচেতন মানুষদের কাছে চলতি সময়ের ফ্যাশনের অনুষঙ্গও হয়ে উঠছে ছাতা।

কেমন ছাতা পছন্দ?

ছাতার রকমভেদে এখনকার সময়ের তরুণীদের মাঝে এক রঙা ছাতার চাইতে প্রিন্টেড ছাতার চলটাই বেশি দেখা যায়। সাথে রয়েছে লেইস বসানো ছাতাও। ছাতায় ভিন্নতা ও ছাতার মাঝে সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলার মাঝে বিরাজ করে ছাতা পছন্দের ধরণ। তবে তরুণ ও বয়স্কদের মাঝে এক রঙা ছাতার প্রচলনটাই বেশি থাকে।

এদিকে ছাতা মূলত দুইটি ভিন্ন ঘরানায় পাওয়া যাবে বাজারে। ম্যানুয়াল ও অটোমেটিক। বলাই বাহুল্য, এখনকার সময়ে অটোমেটিক ছাতার ক্রেতাই বেশি রয়েছে বাজারে। সুইচের একটি বাটনেই ছাতা খোলা ও বন্ধ হওয়ার বিষয়টি বেশ চমৎকার।

তবে সকল শ্রেণির ক্রেতাদের মাঝেই ফোল্ডেবল ছাতার চাহিদা দেখা যায় সবচেয়ে বেশি। ভাঁজ করে রাখার ফলে বিশাল বড় ছাতা একদম ছোট হয়ে যায়। যা খুব সহজেই মাঝারি আকৃতির ব্যাগেও বহন করা যায়। এমন ধরণের ছাতার মেয়াদ এক বছর থেকে দুই বছরের মতো হয়ে থাকে। তবে ব্যবহার ও বহনে সুবিধা থাকায় বর্তমান সময়ে প্রায় সকল ক্রেতার কাছেই প্রাধান্য পাচ্ছে ফোল্ডেবল বা ভাঁজ করা ছাতা।

কোথায় ও কেমন দাম?

নিউমার্কেটে, গাউছিয়ার মতো বড় মার্কেট থেকে শুরু করে এলাকার ছোট মার্কেটগুলোতেও পাওয়া যাবে বিভিন্ন ঘরানার ছাতা। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মাঝে শরিফ, মুন, শংকর, ব্রাদার্স, রেলি ব্রাদার্স, রহমান, গোল্ডফিশ তুলনামূলক পরিচিত ব্র্যান্ড। এছাড়া চায়না থেকে আমদানিকৃত ছাতার চাহিদাও রয়েছে অনেক।

ছাতা মূলত আট শিক ও দশ শিকের হয়ে থাকে। আট শিক ও ১০ শিকের ছাতা গুলোর দাম পড়বে ২৫০-৬৫০ টাকার মাঝে। লেইসযুক্ত ছাতাগুলোর দাম পড়বে ৪৫০-৭০০ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া মাথায় রাখতে হবে ছাতার ধরণে, ডিজাইন, মান ও মার্কেটের স্থানভেদে এই দামে তারতম্য দেখা দিতে পারে।

আরও পড়ুন: আভিজাত্যে মনোহর মুক্তার গহনা

আরও পড়ুন: বহু উপকারিতার টি ট্রি অয়েল

আপনার মতামত লিখুন :

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল
ফালাফেল

মধ্যপ্রাচ্যের সকাল ও বিকালের নাশতার অন্যতম একটি প্রচলিত খাবারের নাম হলো ফালাফেল।

নাম শুনে অনেকেই ভাববেন, এই খাবারটি সম্ভবত ফল দিয়ে তৈরি করা হয়। আদতে খাবারটি তৈরি হয় ছোলা কিংবা মটরশুঁটিতে। তেলে ভাজা বিভিন্ন মসলার সংমিশ্রণে তৈরি ফালাফেল ডুবো তেলে কড়া করে ভেজে দইয়ের রায়তার সাথে খেতে চমৎকার ভালো লাগে।

পরিচিত বড়া বা পেঁয়াজুর বাইরে নতুন ও হালকা কোন নাশতার খাবার খেতে চাইলে দেখে নিন ফালাফেল তৈরির রেসিপি।

ফালাফেল তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566653988942.JPG

১. এক কাপ শুকনো ছোলা।

২. একটি ছোট পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. এক চা চামচ রসুন কুঁচি।

৪. তিন টেবিল চামচ ধনিয়া পাতা কুঁচি।

৫. আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়া।

৬. এক চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া।

৭. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

৮. ১/৪ চা চামচ কালো গোলমরিচ গুঁড়া।

৯. এক টেবিল চামচ ময়দা।

১০. স্বাদমতো লবণ।

১১. ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল।

ফালাফেল যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566654005300.JPG

১. ছোলা ধুয়ে পরিষ্কার পানিতে সারারাতের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং সময় হলে পানি থেকে তুলে শুকিয়ে নিতে হবে এবং ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

২. এতে পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, ধনিয়া পাতা কুঁচি, জিরা গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া, কালো গোলমরিচ গুঁড়া ও ময়দা মেশাতে হবে। সাথে পরিমাণমতো লবণ ও লেবুর রস যোগ করতে হবে এবং ব্লেন্ড করতে হবে।

৩. ব্লেন্ড শেষে সকল উপাদান মিশে অমসৃণ ও অসূক্ষ্ম মিশ্রণ তৈরি হবে। এতে পানি যোগ করা যাবে না, তবে যদি ব্লেন্ড করতে সমস্যা হয় ১-৩ টেবিল চামচ পানি আলাদাভাবে যোগ করতে হবে।

৪. ফালাফেল মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে প্রয়োজন ও স্বাদ অনুযায়ী মসলা ও লবণ যোগ করতে হবে এবং হাতের সাহায্যে মাখিয়ে ছোট ছোট গোল ফালাফেল তৈরি করে নিতে হবে।

৫. এবারে কড়াইতে তেল গরম করে ফালাফেল দিয়ে দেখতে হবে তা ভেঙে যায় কিনা। যদি ভেঙে যায় তবে মিশ্রণের সাথে ময়দা যোগ করে এরপর ভাজতে হবে।

৬. ফালাফেল বাদামী-সোনালি হয় আসলে নামিয়ে নিয়ে দইয়ের রায়তা কিংবা ঘরে তৈরি পাতার চাটনির সাথে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?
কেএফসির ফ্রাইড চিকেন

গরম মুচমুচে কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের মতো মজাদার খাবার যেন আর হয় না।

অন্যান্য রেস্টুরেন্টের ফ্রাইড চিকেন যতই মজাদার হোক না কেন, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনে সবসময়ই ভিন্নতা বজায় থাকে। কিন্তু কেন কেএফসির চিকেন অন্যান্য রেস্টুরেন্টের চিকেনের চাইতে আলাদা ও ভিন্ন? এর প্রধান কারণ, মুরগির মাংস প্রস্তুতে মসলার ব্যবহার। ব্যতিক্রমী ও অন্য ধাঁচের মসলার নিয়ন্ত্রিত ও সঠিক ব্যবহারের ফলে, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের স্বাদ সহজেই আলাদা হয়ে ওঠে।

১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637051338.jpg

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী স্বাদ ঘরে বসে পেতে চাইলে, বিষয়টি খুব একটা সহজ হবে না। তবে কাছাকাছি স্বাদ তৈরি করা যেতে পারে ১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহারে। মসলাগুলো হলো-

১. ২/৩ টেবিল চামচ লবণ।

২. ৩ টেবিল চামচ সাদা গোলমরিচের গুঁড়া।

৩. ১ টেবিল চামচ কালো গোলমরিচের গুঁড়া।

৪. ১/২ টেবিল চামচ বাসিল।

৫. ১ টেবিল চামচ সেলেরি সল্ট।

৬. ১ টেবিল চামচ শুকনো সরিষা।

৭. ২ টেবিল চামচ গার্লিক সল্ট।

৮. ১ টেবিল চামচ আদা গুঁড়া।

৯. ১/৩ টেবিল চামচ অরিগানো।

১০. ৪ টেবিল চামচ প্যাপরিকা।

১১. ১/২ টেবিল চামচ থাইম।

চিকেন ফ্রাই করার কৌশল আছে কী?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637102106.jpg

ব্যাটার তৈরি করে মুরগির মাংসে মিশিয়ে তেলে গড়িয়ে নিলেই যদি কেএফসির চিকেন ফ্রাই হয়ে যেতো, তাহলে তো কথাই ছিল না। ফ্রাইড চিকেন তৈরির মসলা নয়, চিকেন ফ্রাই করার কৌশলেও থাকে ভিন্নতা। ফলে অন্যান্য ফ্রাইড চিকেনের তুলনায় কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ও চিকেন ক্রাস্ট হয় আলাদা। কয়েকটি কৌশল জেনে রাখুন।

দ্রুত ভেজে ফেলা

অনেকেই চিকেন ব্যাটার ও ময়দায় মাখিয়ে বেশ অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর তেলে ভাজেন। কিন্তু কেএফসির ক্ষেত্রে নিয়ম একেবারে উল্টো। ‘ফ্রম ফ্লাওয়ার টু ফ্রায়ার’ এই নীতিতে কাজ করে কেএফসি। অর্থাৎ ময়দায় মুরগির মাংস গড়িয়ে সরাসরি ফ্রায়ারে ছেড়ে দেওয়া। এতে করে বাইরের আবরণ অতিরিক্ত শক্তও হবে না আবার মুচমুচে থাকবে এবং ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার সময় সহজেই চিকেন থেকে খুলে আসবে।

ফ্রায়ারে ভিন্নতা

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের এক্সট্রা ক্রিস্পিভাব তৈরি করা হয় বিশেষ ইনডাস্ট্রিয়াল-স্ট্রেনথ প্রেশার ফ্রায়ার ব্যবহারে। কেএফসির মতো ফ্রায়ার ঘরে পাওয়া সম্ভব না হলেও, গভীর কোন পাত্রে ৩৫০-৩৬০ ডিগ্রীতে তেল গরম করে প্রতিটি মুরগির পিস ঘড়ি ধরে ১২ মিনিট ভাজলে কেএফসির কাছাকাছি ফ্রাইড চিকেন তৈরি করা সম্ভব হবে।

সাথে সাথেই না খাওয়া

কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ভাজার পর অন্তত বিশ মিনিট ১৭৫ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ওভেন সেটে রেখে দেওয়া হয়। এরপর এই ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। তেল থেকে ওঠানোর সাথে সাথে কেএফসির ফ্রাইড চিকেন পরিবেশন করা হয় না। ২০ মিনিট ওভেন সেটে রাখার ফলে মাংসের ভেতরের অংশ গরম থাকে এবং বাইরের অংশ থাকে মুচমুচে। এছাড়া মাংসে বাড়তি তেল থাকলে সেটাও ঝরে যায় সহজেই।

আরও পড়ুন: মাংসের ঝোলের ঘ্রানে কেএফসি’র সেন্টেড ক্যান্ডেল

আরও পড়ুন: কেএফসি যে কারণে নাম পরিবর্তন করেছিল!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র