Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

রোদ কিংবা বৃষ্টি, ছাতা হোক সঙ্গী

রোদ কিংবা বৃষ্টি, ছাতা হোক সঙ্গী
বাইরে বেরুনোর সময় সাথে রাখুন ছাতা, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

আবহাওয়ার যেন কোন দিশা নেই।

সকালে ঝুম বৃষ্টি তো দুপুর গড়াতেই কাঠফাটা রোদের আনাগোনা। রোদ কিংবা বৃষ্টি যাই থাকুক না কেন, বাইরে বের হওয়ার আগে ছাতাটা অবশ্যই মনে করে সাথে নিয়ে নিতে হবে।

প্রয়োজনীয় এই অনুষঙ্গটি শুধুই নিত্যদিনের ব্যবহার্য জিনিস হিসেবে নয়, সঙ্গী হিসেবে রাখতে হবে নিজের কাছে। বৃষ্টিতে নিজের মাথা বাঁচাতে অথবা ত্বককে রোদের প্রখরতা থেকে সরিয়ে রাখতে ছাতার বিকল্প একেবারেই নেই।

তবে ছাতা অনেকেই যেভাবে ঝামেলাযুক্ত অনুষঙ্গ হিসেবে ভেবে থাকেন, আদতে ছাতা কিন্তু ততোটাই জরুরি একটি পণ্য। শুধু জরুরি নয়, এখনকার সময়ে ফ্যাশন সচেতন মানুষদের কাছে চলতি সময়ের ফ্যাশনের অনুষঙ্গও হয়ে উঠছে ছাতা।

কেমন ছাতা পছন্দ?

ছাতার রকমভেদে এখনকার সময়ের তরুণীদের মাঝে এক রঙা ছাতার চাইতে প্রিন্টেড ছাতার চলটাই বেশি দেখা যায়। সাথে রয়েছে লেইস বসানো ছাতাও। ছাতায় ভিন্নতা ও ছাতার মাঝে সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলার মাঝে বিরাজ করে ছাতা পছন্দের ধরণ। তবে তরুণ ও বয়স্কদের মাঝে এক রঙা ছাতার প্রচলনটাই বেশি থাকে।

এদিকে ছাতা মূলত দুইটি ভিন্ন ঘরানায় পাওয়া যাবে বাজারে। ম্যানুয়াল ও অটোমেটিক। বলাই বাহুল্য, এখনকার সময়ে অটোমেটিক ছাতার ক্রেতাই বেশি রয়েছে বাজারে। সুইচের একটি বাটনেই ছাতা খোলা ও বন্ধ হওয়ার বিষয়টি বেশ চমৎকার।

তবে সকল শ্রেণির ক্রেতাদের মাঝেই ফোল্ডেবল ছাতার চাহিদা দেখা যায় সবচেয়ে বেশি। ভাঁজ করে রাখার ফলে বিশাল বড় ছাতা একদম ছোট হয়ে যায়। যা খুব সহজেই মাঝারি আকৃতির ব্যাগেও বহন করা যায়। এমন ধরণের ছাতার মেয়াদ এক বছর থেকে দুই বছরের মতো হয়ে থাকে। তবে ব্যবহার ও বহনে সুবিধা থাকায় বর্তমান সময়ে প্রায় সকল ক্রেতার কাছেই প্রাধান্য পাচ্ছে ফোল্ডেবল বা ভাঁজ করা ছাতা।

কোথায় ও কেমন দাম?

নিউমার্কেটে, গাউছিয়ার মতো বড় মার্কেট থেকে শুরু করে এলাকার ছোট মার্কেটগুলোতেও পাওয়া যাবে বিভিন্ন ঘরানার ছাতা। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মাঝে শরিফ, মুন, শংকর, ব্রাদার্স, রেলি ব্রাদার্স, রহমান, গোল্ডফিশ তুলনামূলক পরিচিত ব্র্যান্ড। এছাড়া চায়না থেকে আমদানিকৃত ছাতার চাহিদাও রয়েছে অনেক।

ছাতা মূলত আট শিক ও দশ শিকের হয়ে থাকে। আট শিক ও ১০ শিকের ছাতা গুলোর দাম পড়বে ২৫০-৬৫০ টাকার মাঝে। লেইসযুক্ত ছাতাগুলোর দাম পড়বে ৪৫০-৭০০ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া মাথায় রাখতে হবে ছাতার ধরণে, ডিজাইন, মান ও মার্কেটের স্থানভেদে এই দামে তারতম্য দেখা দিতে পারে।

আরও পড়ুন: আভিজাত্যে মনোহর মুক্তার গহনা

আরও পড়ুন: বহু উপকারিতার টি ট্রি অয়েল

আপনার মতামত লিখুন :

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম
নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম, ছবি: সংগৃহীত

আইসক্রিমের মাঝে ভ্যানিলা ফ্লেভারটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও প্রচলিত। একদম সাদামাটা ভ্যানিলা ফ্লেভারের মাঝে টুইস্ট আনতে চাইলে এভারে যোগ করতে পারেন নারিকেলের ফ্লেভার। ভ্যানিলার সাথে নারিকেলের ফ্লেভারের সংমিশ্রণে ঘরে তৈরি আইসক্রিম খুব সহজেই এই গরমে রিফ্রেশিং ভাব তৈরি করবে।

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম তৈরিতে যা লাগবে

১. দুই কাপ নারিকেল দুধ।

২. দুই কাপ পনির।

৩. আধা কাপ চিনি।

৪. ১/৪ কাপ নারিকেল কুঁচি।

৫. দুই টেবিল চামচ নারিকেল কুঁচি ভাজা।

৬. দুই চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563804441997.JPG

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম যেভাবে তৈরি করতে হবে

১. একটি পাত্রে নারিকেল দুধ, চিনি, ও পনির কুঁচি একসাথে ভালোভাবে হুইস্ক তথা ফেটাতে হবে। সকল উপাদান মিশে ঘন ক্রিমি মিশ্রণ তৈরি হবে।

২. ক্রিমি মিশ্রণে ভ্যানিলাক এসেন্স যোগ করে পুনরায় মিনিট পাঁচেকের জন্য মিশ্রণটি হুইস্ক করতে হবে। এতে করে পুরো মিশ্রণে ভ্যানিলা এসেন্স মিশে যাবে।

৩. মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে তিন ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। তিন ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করে এতে নারিকেলের কুঁচি মিশিয়ে পুনরায় ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে সারারাতের জন্য।

পরদিন ফ্রিজ থেকে জমাটবাধা নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম বের করে উপরে নারিকেল কুঁচি ভাজা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম

আরও পড়ুন: এই গরমে আমের লাচ্ছি

দুই মিনিটে চোখের সাজ!

দুই মিনিটে চোখের সাজ!
সহজ নিয়মে অল্প সময়েই সাজিয়ে নেওয়া যাবে চোখকে, ছবি: সংগৃহীত

মুখের মাধুর্যের মাঝে চোখ জোড়া সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়।

আর তাইতো সাজের মাঝে চোখের সাজটাই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। বড় ধরনের কোন অনুষ্ঠান হোক কিংবা সাধারণ ক্লাস, শপিং কিংবা অফিসের জন্য বের হওয়া হোক, চোখে কাজল বা আইলাইনারের প্রলেপ থাকা চাই-ই চাই। আইলাইনের চাইতেও কাজলের চাহিদা ও ব্যবহার অনেক বেশি। কাজল ব্যবহারেই চোখের সাজের পরিপূর্ণতা প্রকাশ পায়।

কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্যাটস আই স্টাইলটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। ড্রামাটিক ঘরানার এই স্টাইলে যেন চোখের সৌন্দর্যটি আরও ভালোভাবে ফুটে ওঠে। কিন্তু সমস্যা হলো সময়ে!

ক্যাটস আই স্টাইলে কাজল দেওয়ার জন্য হাতে বেশ অনেকখানি সময় রাখা প্রয়োজন হয়। ফলে নিত্যদিন বাইরে বের হওয়ার আগে সময় করে কাজল দেওয়া হয়ে ওঠে না। কিন্তু চোখ একেবারেই কাজলবিহীন রাখতে না চাইলে সহজ সমাধানও রয়েছে। যার জন্য ব্যয় হবে মাত্র দুই মিনিট।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563797724291.jpg

দুই মিনিটের ভেতর চোখে কাজল দিতে চাইলে চোখের পাতার উপরে নয়, দিতে হবে চোখের পাতার নিচের অংশে, যেখানে চোখের পাপড়িগুলোর মূল থাকে। চোখের পাতা আঙ্গুলের সাহায্যে কিছুটা টেনে ধরে কাজলের তীক্ষ্ণ অংশটি পাতার নিচের অংশে টেনে দিতে হবে। একইভাবে চোখের নিচের পাতাতেও পাতার ভেতরের অংশতে কাজল দিতে হবে।

এতে করে চোখ আগের চাইতে অনেক বেশি ওয়েল ডিফাইন্ডড বা আঁকানো মনে হবে। এবারে কাজলের সাহায্যে চোখের উপরের পাপড়ির একদম শেষ অংশে কিছুটা টেনে নিতে হবে। এতে করে চোখ বড় ও টানটান মনে হবে।

এভাবে কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই যত্নশীল ও সতর্ক হতে হবে। চোখে যেন আজলের খোঁচা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া ভালোমানের কাজল ব্যতীত সস্তা কাজল ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: পারফেক্ট সাজে আকর্ষণীয় আপনি!

আরও পড়ুন: গুছিয়ে রাখুন মেকআপ সামগ্রী

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র