Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

২০১৯’র ঈদের বাজার

আভিজাত্যে মনোহর মুক্তার গহনা

আভিজাত্যে মনোহর মুক্তার গহনা
মুক্তার গহনা, ছবি: মুক্তোকাহন
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের সময় যত ঘনিয়ে আসে, তোড়জোড় দেখা দেয় শেষ সময়ের কেনাকাটায়।

ইদানিং অনেকেই রমজানের আগে থেকে কেনাকাটা শুরু করেন বলে মাঝ রমজানেই ঈদের পোশাক কেনা হয়ে যায়। তবে পোশাকের সাথে মিলিয়ে পছন্দসই গহনা কেনা না হলে অপূর্ণ থেকে যাবে সাজ-পোশাক।

এছাড়া গহনার ওপরেও নির্ভর করে পোশাকের সৌন্দর্যের অনেকটা। স্বাভাবিকভাবেই উৎসবের পোশাক সাদামাটা হবে না। একটু ভারি কাজের, জাঁকজমক পোশাকের সাথে প্রয়োজন হয় মানানসই গহনা। এই গহনাও বাছাই করা চাই পোশাকের ধরণ, রঙ ও কাটিংয়ের উপর নির্ভর করে। এছাড়া প্রতি বছরেই গহনার ধাঁচে পরিবর্তন আসে। বদলাতে থাকে গহনার চাহিদা, গহনা তৈরির উপকরণ।

গত বছরে গহনার বাজারে আধিপত্য ছিল নতুন ধাঁচের মেটাল, মাটি, পমপম, পালক ও সুতার গহনার। সাথে ছোট-বড় রঙিন বিডসের তৈরি লম্বা গহনাতেও ছিল ক্রেতাদের আগ্রহ। এ বছরেও এমন ধরনের গহনার প্রতি ক্রেতাদের আকর্ষণ রয়েছে। তবে অনন্য ও গর্জিয়াস ভাব প্রকাশে বেরিয়ে আসতে হবে এই সকল গহনার প্রচলন থেকে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/28/1559039563155.jpg

একটা সময়ে আভিজাত্য প্রকাশ পেত মুক্তা গহনাতে। সাধারণ চিকন একটি মুক্তার মালা ও একটি মুক্তার দুলেই যেন দ্যুতি ছড়াত সৌন্দর্য। কালের পরিক্রমায় মুক্তার প্রচলন কমে আসে। সেই স্থানে ঠায় পায় জিরকন পাথর সহ মেটালের তৈরি গহনা।

সময় ঘুরে এখন আবারো মুক্তার গহনার প্রচলন দেখা দিয়েছে। ফিরে আসছে মুক্তার তৈরি গহনার ট্রেন্ড। গর্জিয়াস লুকের সাথে মুক্তার তৈরি গহনার খোঁজ করছেন ক্রেতারা। ক্রেতাদের চাহিদা ও আকর্ষণের কেন্দ্রে চলে এসেছে মুক্তার তৈরি মনোহর গহনা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/28/1559039586830.jpg

ঈদে ঘরে বসে মুক্তার গহনা কিনতে চাইলে ঢুঁ মারতে হবে ডা. সিরাজুম মুনিরা’র অনলাইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মুক্তোকাহনে। কালচারড ফ্রেশ ওয়াটার পার্ল সহ বিভিন্ন ধরনের বিডসের সমন্বয়ে তৈরি এই প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি গহনাই প্রশংসার দাবিদার।

মুক্তার সাথে টরমালাইন স্টোন, মেটাল বিডস, টারকোয়াজ স্টোন, ন্যাচারাল স্টোন, সেমি-প্রেশাস ন্যাচারাল স্টোন, শেল, ক্রাফটেড শেল, স্ল্যাব অ্যাগাট স্টোন, অনিক্স স্টোন, ক্রিস্টাল স্টোনের মিশ্রণে তৈরি প্রতিটি ভিন্ন ডিজাইনের গহনা খুব সহজেই মানিয়ে যাবে যেকোন ধরনের পোশাকের সাথেই।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/28/1559039636513.jpg

বার্তা২৪ থেকে প্রতিষ্ঠানটির চিফ অ্যাডমিন মাহবুবুল ইসলামের সাথে কথা বলে জানা গেলো, মুক্তার তৈরি গহনায় ক্রেতাদের আকর্ষণ বাড়ছে প্রতিনিয়ত। ক্রেতাদের চাহিদা ও আগ্রহের বিষয়তি বিবেচনায় রেখে প্রতিনিয়ত নতুন ডিজাইনের পণ্য তৈরি নিয়ে কাজ করছে মুক্তোকাহন। জানালেন গলা-কানের সেটের চাইলে সিঙ্গেল দুল ও আংটির চাহিদা তুলনামূলক বেশি।

মাহবুবুল আরও জানালেন, মুক্তোকাহনে গহনা তৈরি করা হয় একদম ফ্রেশ ও র পার্ল কিনে এনে নিজস্ব ডিজাইনে। যে কারণে স্টকে সকল ডিজাইনের গহনা সবসময় সহজলভ্য থাকে না। তবে ক্রেতারা চাইলে ডিজাইন অনুযায়ি গহনা তৈরি করে দেওয়া হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/28/1559039654865.jpg

মুক্তোকাহনে সর্বনিম্ন ৩০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৪০০০ টাকার মাঝে পাওয়া যাবে মুক্তা সহ অন্যান্য স্টোনে তৈরি গলা-কানের সেট, কানের দুল, আংটি ও ব্রেসলেট। সকল ধরনের ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার বিষয়টি মাথায় রেখেই মূল্য নির্ধারণ করা হয় বলে, সকলেই কিনতে পারবেন মুক্তার গহনা।

ঈদের কেনাকাটায় গহনা যদি এখনও বাকি থাকে তবে মুক্তার গহনাকে রাখতে পারেন এ বছরে কেনাকাটার তালিকায়। নিজের জন্য তো বটেই, প্রিয় মানুষকে উপহার দেওয়ার জন্যেও মুক্তার গহনা হতে পারে সবচেয়ে ভালো অনুষঙ্গ।

আরও পড়ুন: ঈদ ট্রেন্ডে থাকবে ‘ন্যুড মেকআপ লুক’

আরও পড়ুন: শাড়ির ক্যানভাসে উঠে আসুক গল্প!

আপনার মতামত লিখুন :

কোন জিনিস কতদিন পর পরিষ্কার করতে হবে?

কোন জিনিস কতদিন পর পরিষ্কার করতে হবে?
ছবি: সংগৃহীত

নিজের আশেপাশের সবকিছু তথা ঘর ও ঘরের জিনিসপত্র যতবেশি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হবে, নিজেকে ও পরিবারের সবাইকে ততবেশি সুস্থ রাখা সম্ভব হবে। শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক প্রফুল্লতার সাথে সাথে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার সংযোগটা বহু পুরনো। এ কারণে পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে ছাড় দেওয়ার উপায় নেই।

পরিধেয় পোশাক কিংবা অপরিষ্কার থালাবাসন যে প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হয়, সেটা নতুন করে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু ঘরে থাকা আয়না কতদিন পর পরিষ্কার করা প্রয়োজন সেটা অনেকেই বুঝতে পারেন না। তবে বাসার অবস্থান ও এলাকাভেদে জিনিসপত্রে ধুলাময়লা জমার ক্ষেত্রে রকমফের দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে কোন আসবাবে ধুলা জমে থাকতে দেখলে দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।

প্রতি সপ্তাহে, প্রতি মাসে কিংবা ৩-৫ মাস অন্তর কোন জিনিসগুলো পরিষ্কার করা প্রয়োজন সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকলে জিনিসপত্র পরিষ্কার রাখা বেশ অনেকটা সহজ হয়। যে কারণে আজকের ফিচারে খুব গুছিয়ে তালিকা তৈরি করা হয়েছে, যা থেকে জানা যাবে কতদিন পর কোন জিনিসটি পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

প্রতিদিন যা পরিষ্কার করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566123957938.jpg

১. বিছানা গুছিয়ে ঝাড়তে হবে।

২. নোংরা ও এঁটো থালাবাসন জমিয়ে রাখা যাবে না। প্রতিদিনেরটা প্রতিদিন ধুয়ে ফেলতে হবে।

৩. খাবার টেবিল গুছিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

৪. বাথরুমের মেঝে ঝাঁট দিতে হবে।

৫. রান্নাঘরের থাক ও মেঝে মুছতে হবে।

৬. রান্নাঘরের সিংক পরিষ্কার করতে হবে।

৭ নোংরা পোশাক ধুতে হবে।

৮. ঘর ও বারান্দার মেঝে ঝাড়ু দিতে হবে। মুছতে পারলে সবচেয়ে ভালো।

প্রতি সপ্তাহে যা পরিষ্কার করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566123762608.jpg

১. বিছানা ও বালিশের কভার বদলাতে হবে।

২. রান্নাঘর ও রেফ্রিজারেটরে থাকা পুরনো ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার ফেলে দিতে হবে।

৩. ঘরের সকল আসবাবের আয়না মুছতে হবে।

৪. বুকশেফলে থাকা বইপত্র থেকে ধুলা ঝাড়তে হবে।

৫. শোকেসের জিনিসপত্র পরিষ্কার করতে হবে।

৬. আসবাবপত্র থেকে ধুলাবালি সরাতে হালকা ভেজা কাপড়ের সাহায্যে মুছতে হবে।

৭. মাইক্রোওয়েভ ওভেনের ভেতরের ও বাইরের অংশ পরিষ্কার করতে হবে।

৮. গোসল করার লোফাহ বা স্পন্স পরিষ্কার করতে হবে।

প্রতি মাসে যা পরিষ্কার করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566123841141.jpg

১. ঘরের কোন ও ছাদের অংশের ধুলাময়লা ঝাড়তে হবে।

২. লাইট ও বাল্বে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করতে হবে।

৩ সোফার কভার ও দরজা, জানালার পর্দা পরিষ্কার করতে হবে।

৪. ডিশওয়াশার ও ওয়াশিং মেশিন পরিষ্কার করতে হবে।

৫. ফ্রিজের ভেতর ও বাইরের অংশ ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।

৬. টিভি থেকে ধুলাবালি সরাতে পরিষ্কার করতে হবে।

৭. দেয়াল ঘড়ি, ওয়ালম্যাট, বড় ছবির ফ্রেম নামিয়ে মুছে নিতে হবে।

৮. নিত্য ব্যবহারের ব্যাকপ্যাক ধুয়ে নিতে হবে।

৩-৫ মাস পরপর যা পরিষ্কার করতে হবে

১. আসবাবপত্রের নিচের অংশ থেকে ধুলাময়লা বের করতে হবে।

২. কার্পেট পরিষ্কার করতে হবে।

আরও পড়ুন: রোদ কিংবা বৃষ্টি, ছাতা হোক সঙ্গী

আরও পড়ুন: প্রয়োজন কিংবা ফ্যাশনে চাই রোদচশমা!

টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে সুরক্ষিত ত্বক

টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে সুরক্ষিত ত্বক
টি ট্রি অয়েল

বিভিন্ন ধরনের এসেনশিয়াল অয়েলের মাঝে টি ট্রি অয়েল সবচেয়ে পরিচিত ও প্রচলিত একটি।

এই এসেনশিয়াল অয়েলের অসংখ্য উপকারিতার মাঝে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। শুধু ত্বক নয়, চুলের যত্নেও সমানভাবে ব্যবহৃত হয় টি ট্রি অয়েল। এছাড়াও ডিওডরেন্ট, পোকামাকড় দূর করতে ও মাউথওয়াশ হিসেবেও কার্যকর এই এসেনশিয়াল অয়েল।

টি ট্রি অয়েল ব্যবহার বিধি

টি ট্রি অয়েল ব্যবহারের ক্ষেত্রে খুব কঠিন কোন বিধিনিষেধ নেই। তবে মনে রাখতে হবে, ত্বকে বা চুলে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরাসরি এই তেল ব্যবহার করা যাবে না। ক্যারিয়ার তেল তথা নারিকেল তেল অথবা অলিভ অয়েলের সাথে মিশিয়ে তবেই ব্যবহার করতে হবে এই এসেনশিয়াল অয়েল।

অনেকেই টি ট্রি অয়েল পরিমাণে অনেক বেশি নিয়ে ফেলে। এক্ষেত্রে ১-৩ ফোঁটা ব্যবহার করাই যথেষ্ট। অল্প পরিমাণ এসেনশিয়াল অয়েল থেকেও সম্পূর্ণ উপকারিতা পাওয়া যাবে।

তবে টি ট্রি অয়েল ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে অবশ্য। এই তেল চোখের আশেপাশের অংশ ব্যবহার না করাই শ্রেয়। এতে চোখের আশেপাশের অংশের ত্বকে জ্বালাপোড়া দেখা দেয়। কারণ মুখমণ্ডলের এ অংশের ত্বক তুলনামূলক বেশি পাতলা হয়ে থাকে।

এছাড়া টি ট্রি অয়েল ব্যবহার পূর্বে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া ভালো, এই তেল ব্যবহারে ত্বকে কোন সমস্যা দেখা দেয় কিনা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566115011865.jpg

টি ট্রি অয়েলের উপকারিতা

এই এসেনশিয়াল অয়েলের বিবিধ উপকারিতার মাঝে মূল ও প্রধান কয়েকটি উপকারিতা তুলে ধরা হলো।

শুষ্ক ত্বকের সমস্যা কমায়

যাদের ত্বক খুব শুষ্ক, তাদের জন্য টি ট্রি অয়েল খুব ভালো কাজ করবে। এই তেলটি শুষ্ক ত্বকের জ্বালাপোড়াভাব ও চুলকানির প্রাদুর্ভাব কমায়। বিশেষত এতে থাকা জিংক অক্সাইড শুষ্ক ত্বক ও একজিমার সমস্যা কমাতে কাজ করে।

তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন

টি ট্রি অয়েলের অ্যান্টিসেপটিক উপাদান তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপকারী। একটি গবেষণা জানাচ্ছে,  সানস্ক্রিনের সাথে টি ট্রি অয়েল মিশ্রিত থাকলে ত্বকের তৈলাক্ততা কমে যায় অনেকখানি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566115031078.jpg

ত্বকের প্রদাহ

উপকারী এই এসেনশিয়াল অয়েলের অ্যান্ট-ইনফ্ল্যামেটরি প্রভাব ত্বকের প্রদাহ, ব্যথা ও জ্বালাপোড়ার সমস্যাকে কমিয়ে এনে আরাম প্রদান করে। এমনকি ত্বকের কোন অংশ ফুলে গেলে বা ত্বকে লালচে ভাব দেখা দিলে সেটা কমাতেও কাজ করে টি ট্রি অয়েল।

ক্ষত সারাতে টি ট্রি অয়েল

টি ট্রি অয়েলের অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ধর্ম ত্বকের কাটাছেঁড়া ও ক্ষত সারাতে খুব চমৎকার কাজ করে। ২০১৩ সালের একটি গবেষণা থেকে দেখা গেছে প্রতি ১০ জনের মাঝে ৯ জনের টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে ক্ষত দ্রুত ও অল্প সময়ের মাঝে ভালো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ব্রণের প্রাদুর্ভাব কমবে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহারে

আরও পড়ুন: ত্বকের ফাটা দাগ কমাতে ক্যাস্টর অয়েল

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র