Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সোহেল তাজের ভাগ্নে সৌরভ উদ্ধার

সোহেল তাজের ভাগ্নে সৌরভ উদ্ধার
সৈয়দ ইফতেখার আলম সৌরভ, ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

অপহৃত সৈয়দ ইফতেখার আলম সৌরভকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তিনি এখন পুলিশ হেফাজতে নিরাপদে আছেন বলে জানিয়েছেন সৌরভের মামা সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) ভোরে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘সকাল ৫টা ২৭ মিনিটে সৌরভের মা আমাকে (সোহেল তাজ) ফোন করেন। সৌরভের মা বলেন, তাকে ফোন করে বলা হয়, একটা ছেলেকে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছে। সে ছেলেটা একেবারে ছন্নছাড়া অবস্থায়।’

সোহেল তাজ ফেসবুক লাইভে বলেন, ‘আমি খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজমের উপকমিশনানের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করি। তিনি তাৎক্ষণিক সেই এলাকার এসপি সাহেবের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এসপি সাহেব নিজে গিয়ে সেই লোকেশন থেকে সৌরভকে পুলিশ কাস্টডিতে নেয়। সৌরভ এখন পুলিশ কাস্টডিতে সেফ আছে। ওকে এখন পুলিশি পাহারায় আমাদের কাছে ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।’

এদিকে সৌরভকে ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

খুলনায় হত্যা মামলায় ৪ আসামির যাবজ্জীবন

খুলনায় হত্যা মামলায় ৪ আসামির যাবজ্জীবন
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

খুলনায় হত্যা মামলায় চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার হাফেজ ফরহাদুজ্জামানকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২২ জুলাই) দুপুরে খুলনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. ইয়ারব হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় মামলার অপর পাঁচ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

নিহত হাফেজ ফরহাদুজ্জামান ডুমুরিয়ার শোভনা ইউনিয়নের মৌলভীপাড়ার মৃত বাবর আলীর ছেলে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-একই গ্রামের পীর আলী তফাদারের ছেলে শহীদ তফাদার, আমিন সরদার ও তার ভাই আজিজুল সরদার এবং সাত্তার সরদারের ছেলে সোলায়মান সরদার।

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন-মোমিন সরদার, সবুর সরদার, নুর ইসলাম সরদার, জুলফিকার সরদার ও নিছার সরদার।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এম ইলিয়াস খান জানান, মসজিদের বালু চুরির প্রতিবাদ করায় ২০১৫ সালের ৫ জুন শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে হাফেজ ফরহাদুজ্জামানকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফারুক হোসেন বাদী নয়জনের বিরুদ্ধে ডুমুরিয়া থানায় মামলা করেন। ওই বছরের ৯ অক্টোবর ডুমুরিয়া থানার সেই সময়ের উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর হোসেন নয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ৩০ জন সাক্ষীর মধ্যে ২২ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে সোমবার এ রায় দেন আদালত।

চট্টগ্রাম ফ্লাইওভারে জলাবদ্ধতায় কমিশনারের ক্ষোভ

চট্টগ্রাম ফ্লাইওভারে জলাবদ্ধতায় কমিশনারের ক্ষোভ
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে সিডিএর নেওয়া মেগা প্রকল্পের পরও নাগরিকদের ভোগান্তির কারণে সংস্থাটির কার্যক্রমে ক্ষোভ ও  অসন্তোষ  প্রকাশ করেছেন বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান।

তিনি বলেন, 'অনেক প্রশাসনিক ধাপ অতিক্রম করে বিভাগীয় কমিশনার হতে হয়। এমন কাজ করেন যেন দায়িত্ব শেষে মরে গেলেও মানুষ ৪০ বছর পর বলবে মেয়র আমাদের জন্য এটি তৈরি করে গিয়েছিলেন।'

সোমবার (২২জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় সভাপতিত্বকালে বিভাগীয় কমিশনার এমন ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

প্রায় দু'মাস পরে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক সেবা সংস্থা, বন্দর, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণপূর্ত, স্থানীয় সরকার, সড়ক ও জনপথ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, বিদ্যুৎ উন্নয়নের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিভাগীয় কমিশনার। 

সভার শুরুতে আলোচ্যসূচি মোতাবেক বন্দরের কোনো প্রতিনিধি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবের বরাবর চিঠি দেওয়ার কথা জানান তিনি। এরপর চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিকে টানা বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার কারণ জানতে চান।

'কয়েকদিন আগে বৃষ্টির সময় গণমাধ্যম থেকে শুরু করে ফেসবুকে প্রহসন শুরু হয়েছে। ফ্লাইওভারে পানি জমে এমন ইতিহাস পৃথিবীর কোথায় নাই।'- নলে তিনি কোথাও রডের পরিবর্তে বাঁশ দিয়ে না দিয়ে, আর অহেতুক বায়বীয় খরচ দেখিয়ে অর্থ ছাড়ের জন্য আবেদন না করার কথা উল্লেখ করেন।'  

সম্প্রতি টানা বর্ষণের মুখে গত ১৩ জুলাই শহর রক্ষায় নির্মিতব্য উপকূলীয় বাঁধ পতেঙ্গা আউটার রিং ওয়াকওয়ে মেগা প্রকল্প ধসে পড়ে। উদ্বোধনের আগে ধসে পড়ায় এ নিয়ে সিডিএর সাবেক চেয়ারম্যান আবদুছ ছালামের দুর্নীতি করে প্রকৃত তদন্ত দাবি করেন।     

সভার শেষে বিভাগীয় কমিশনার প্রতিটি জেলায় সরকারের নেওয়া প্রকল্পের কাজ অগ্রগতির জন্য জেলা প্রশাসকদের স্ব শরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। 

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র