হয়রানি মুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে আইন প্রণয়নের আহবান



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
হয়রানি মুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে আইন প্রণয়নের আহবান

হয়রানি মুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে আইন প্রণয়নের আহবান

  • Font increase
  • Font Decrease

কর্মজগতে সকল ধরনের সহিংসতা ও হয়রানি নিরসনে “যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন” প্রণয়ণের আহ্বান জানিয়েছেন শ্রম অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনের জোট জেন্ডার প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ২০২২ উপলক্ষে আজ ৬ ডিসেম্বর ২০২২ (মঙ্গলবার) জেন্ডার প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ আয়োজিত ‘কর্মজগতে সহিংসতা ও হয়রানি নিরসনঃ প্রত্যাশা ও করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এ আহ্বান জানান।

জেন্ডার প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ এর সদস্য সংগঠন বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সালমা আলী’র সভাপতিত্বে এবং বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক এ কে এম আশরাফ উদ্দিন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি এর সদস্য শামসুন নাহার ভূইয়া, এমপি। কর্মজগতে সহিংসতা ও হয়রানি নিরসন বিষয়ে জেন্ডার প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রম তুলে ধরেন বিল্স পরিচালক নাজমা ইয়াসমীন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামসুন নাহার ভূইয়া, এমপি বলেন, কর্মক্ষেত্রে যে কোন ধরণের যৌন হয়রানি প্রতিকূল অবস্থার সৃষ্টি করে যা মানবাধিকারের সুষ্পষ্ট লঙ্ঘন ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি অন্যতম প্রতিবন্ধকতা। তিনি বলেন, নারীরা ঘরে বাহিরে অনেক পরিশ্রম করে কিন্তু নারীদের গৃহকর্মে কাজের কোন স্বীকৃতি নেই। তারা বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়। কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা ও হয়রানি নিরসন করতে “যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন” প্রণয়ন করা খুবই জরুরি।

দেশের অর্থনীতিক উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় নারী ও পুরুষ প্রায় সমান অবদান রাখছে উল্লেখ করে আইন মন্ত্রণালয়ের ল এন্ড জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের উপ-সচিব নুসরাত জাহান বলেন, দেশে অনেক ভাল আইন রয়েছে এগুলো বাস্তবায়নের জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আইনের সঠিক বাস্তবায়ন হলে নারীর প্রতি সহিংসতা ও হয়রানি আরো কমে আসবে। এক্ষেত্রে আইন মানার বিষয়ে সকলের মানসিক পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরী।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন উপপরিচালক সুসমিতা পাইক বলেন, যৌন হয়রানি প্রতিরোধে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনার সংজ্ঞাতেই বলা আছে কোন আচরনগুলো যৌন হয়রানি, তারপরেও কর্মক্ষেত্রে এই আচরনগুলো দ্বারা নারীরা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এই বিষয়ে সকলের মানসিক পরিবর্তন অনেক জরুরী। তিনি বলেন পরিবার থেকে একজন শিশুকে গড়ে তুলতে হবে ভাল মানুষ হিসেবে। সে যেন বুঝতে পারে কোন কাজটা ভাল আর কোনটা খারাপ।

আইএলও কনভেনশন ১৯০ বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনরে (বিইএফ) অতিরিক্ত মহাসচিব সাইদুল ইসলাম বলেন, যৌন হয়রানি প্রতিরোধে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা সমূহ আইন হিসেবে মেনে নেওয়ার সুযোগ আছে। এক্ষেত্রে সকলের অঙ্গীকার একান্তভাবে আবশ্যক।

সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট সালমা আলী বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা ও হয়রানি প্রতিরোধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের পাশাপাশি সকলের দায়বদ্ধতা বাড়াতে হবে।

শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ) এর যুগ্ম সমন্বয়কারী আহসান হাবীব বুলবুল বলেন প্রতিটি মানুষের মানবিক বিকাশের জন্য মানুষের অধিকার রয়েছে। নারীরা কর্মক্ষেত্রে, যাতায়াত ও বিভিন্ন স্থানে যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন যা তার মানসিক বিকাশে বাধাগ্রস্ত করছে। তিনি বলেন শ্রমিকদের জন্য কর্মপরিবেশ নিরাপদ করতে না পারলে তাদের উৎপাদনশীলতা কম হবে যার প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতিতেও ।

সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, আমাদের নিষ্ক্রিয়তাই সহিংসতার ক্ষেত্রটা বাড়িয়েছে। সকলের ইতিবাচক মনোভাবই পারে এই সমস্যার সমাধান করতে। তিনি বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি যেমন দরকার সেই সাথে ভিক্টিমকে সহযোগিতা করাও একান্তভাবে প্রয়োজন। সামাজিকভাবে এমন একটা পরিবেশ তৈরী করতে হবে যেখানে নারীরা সুরক্ষিত থাকবে এবং সকল অধিকারগুলো ভোগ করবে। যেখানে থাকবে না কোন বৈষম্য, সহিংসতা ও হয়রানি।

বৈঠকে অন্যান্য বক্তারা বলেন, নারীরা দেশে এবং দেশের বাইরে পুরুষের সাথে সমানভাবে শ্রম দিচ্ছে। নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতি প্রশংসাজনক। কিন্তু নারীরা এখনো সকল ক্ষেত্রে নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। বক্তারা বলেন, কর্মক্ষেত্র এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্যাতন ও হয়রানি প্রতিরোধে সংবাদিক’সহ সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। এক্ষেত্রে কর্মক্ষেত্রের সংজ্ঞাগত পরিধিকে বিস্তৃত করে সরকার আরো জোরালো ভূমিকা রাখতে পারে বলে তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেশন কমিটি ফর ওয়ার্কার্স এডুকেশন-এনসিসিডব্লিউই চেয়ারম্যান শামীম আরা, সলিডারিটি সেন্টার বাংলাদেশ এর কান্ট্রি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর এ কে এম নাসিম, বিকেএমইএ এর সহকারী সচিব মোঃ জাকারিয়া খালেদ, আওয়াজ ফাউন্ডেশনের কোষাধ্যক্ষ খাদিজা আক্তার, মনডিয়াল এফএনভি’র বাংলাদেশ পরামর্শক মোঃ শাহীনুর রহমান, কর্মজীবী নারী’র কাজী গুলশান আরা, ফেয়ারওয়্যার ফাউন্ডেশন এর কান্ট্রি ম্যানেজার বাবলুর রহমান প্রমুখ।

রাষ্ট্রপতির কাছে ৭ দেশের রাষ্ট্রদূত-হাইকমিশনারের পরিচয়পত্র পেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছে নিজ নিজ পরিচয়পত্র পেশ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চার দেশের রাষ্ট্রদূত এবং তিন দেশের মনোনীত হাইকমিশনাররা।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয় পত্র পেশ করতে বঙ্গভবনে যান তারা।

তাদের মধ্যে চার অনাবাসী রাষ্ট্রদূত হলেন- কিউবার আলেজান্দ্রো সিমানকাস মারিন, সার্বিয়ার সিনিসা প্যাভিক, মেক্সিকোর ফেদেরিকো সালাস লোটফি এবং বেলজিয়ামের দিদিয়ের ভ্যান্ডারহাসেল্ট। আর, অপর তিন অনাবাসিক হাইকমিশনাররা হলেন- ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর ড. রজার গোপাউল, ঘানার কোয়াকু আসোমাহ-চেরেমেহ ও কিংডম অফ ইসওয়াাতিনির মেনজি সিফো ডালমিনি।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূতরা তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা।

এ সময় বাংলাদেশকে বিপুল সম্ভাবনাময় দেশ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বাংলাদেশ এবং সংশ্লিষ্ট দেশের মধ্যে ব্যবসা ও বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে সব ধরনের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে রাষ্ট্রদূতদের প্রতি আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূতদের স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেন, ঢাকার পররাষ্ট্রনীতি সবার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ওপর গুরুত্ব দেয়।বাংলাদেশ সবসময় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার দেয়- উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, ঢাকায় তাদের দায়িত্ব পালনকালে এসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে মেক্সিকোর রাষ্ট্রদূত জানান, তারা খুব শিগগিরই বাংলাদেশে দূতাবাস চালু করবেন। এর মাধ্যমে দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে, বঙ্গভবনে রাষ্ট্রদূতদের আগমনের সময়, অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি চৌকস অশ্বারোহী দল রাষ্ট্রদূতদের গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরে রাষ্ট্রদূতগণ সংস্কারকৃত বঙ্গভবনের তোষাখানা পরিদর্শন করেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া ,সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এবং সচিব সংযুক্ত মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

;

বাংলাদেশকে ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ দিল আইএমএফ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্বাহী বোর্ড সভায় বাংলাদেশের ৪৫০ কোটি ডলারের ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ঋণদাতা সংস্থাটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

২ দশমিক ২ শতাংশ সুদে ৪৫০ কোটি ডলারের ঋণ আসবে সাত কিস্তিতে। ফেব্রুয়ারিতেই প্রথম কিস্তির ৩৫২ দশমিক ৩৫ মিলিয়ন ডলার ছাড় হওয়ার আশা করছে সরকার। শেষ কিস্তি আসবে ২০২৬ সালে।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আমরা অবশ্যই আইএমএফের প্রতি এই ঋণের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বিশেষ করে আইএমএফের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) অ্যান্তইনেত মনসিও সায়েহ, মিশনপ্রধান রাহুল আনন্দসহ যে দলটি এই ঋণের বিষয়ে বাংলাদেশ সফর করেছিল, তাদের প্রতি জানাই ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব ফাতিমা ইয়াসমিনসহ অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা যারা এই ঋণ নিয়ে কাজ করেছেন, তাদের প্রতিও রইল আমার কৃতজ্ঞতা।

৪২ মাসের চুক্তিতে সরকারের নেওয়া ‘অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচিতে’ সহায়তা হিসেবে আইএমএফের এক্সটেন্ডেড ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি (ইসিএফ) এবং এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি থেকে ৩২০ কোটি ডলার ঋণ পাবে বাংলাদেশ। আর রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ফ্যাসিলিটির (আরএসএফ) আওতায় পাবে বাকি ১৩০ কোটি ডলার।

আইএমএফের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যান্তইনেত মনসিও সায়েহ তার ঢাকা সফরের সময় ১৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সেদিন তাদের মধ্যে ঋণের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশকে সাড়ে চার বিলিয়ন ডলার ঋণ দিতে গত নভেম্বরে ঢাকায় কর্মকর্তা পর্যায়ের বৈঠকে প্রাথমিক সমঝোতায় পৌঁছে আইএমএফ। সেই ঋণচুক্তির শর্তসহ খুঁটিনাটি চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ার মধ্যেই বাংলাদেশ সফর করেন আইএমএফের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক। সে সময় এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ঢাকার আলোচনায় এই ঋণ কর্মসূচির মূল বিষয়গুলোতে মনোযোগ দিয়েছেন তারা।

তিনি বলেন, রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, আরও দক্ষ একটি আর্থিক খাত গড়ে তোলার মতো দীর্ঘদিনের চালেঞ্জগুলো আলোচনায় এসেছে। এসব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংস্কারের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগ ও রফতানি বহুমুখীকরণে উৎসাহ দিলে তা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও সহনশীল করে তুলতে এবং দীর্ঘমেয়াদি, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই পবৃদ্ধির জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে সহায়তা করবে।

;

বাণিজ্য মেলার পর্দা নামছে আজ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা শেষ হতে যাচ্ছে আজ। রাজধানীর পূর্বাচলে মেলার স্থয়ী ভেন্যু বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শন কেন্দ্রে এদিন সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজেন করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সচিব ও বাণিজ্য মেলার পরিচালক ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী বলেন, ব্যবসায়ীরা বাণিজ্য মেলার সময় বাড়ানোর দাবি জানালেও বাড়ানো হচ্ছে না। ৩১ জানুয়ারি বিকাল ৪টায় সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হবে এবারের বাণিজ্য মেলা।

গত ২৪ জানুয়ারি ব্যবসায়ীরা বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির কাছে সময়সীমা বাড়ানোর জন্য লিখিত আবেদন জানায়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন কারণে মেলায় বরাদ্দ নেয়া স্টল তৈরি করতে সাত দিনের বেশি সময় লেগেছে। কারণ শৈত্যপ্রবাহের জন্য রাজমিস্ত্রি, কাঠমিস্ত্রি ও বৈদ্যুতিক মিস্ত্রির সংকট ছিল। সুতরাং স্টল সাজিয়ে ব্যবসা শুরু করতে সাত দিন সময় পেরিয়ে গেছে। ফলে মেলার সময় না বাড়ানো হলে তারা লোকসানে পড়বেন বলে উল্লেখ করেছেন ব্যবসায়ীরা।

চলতি মাসে টঙ্গীতে দুই দফায় ইজতেমা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে তারা বলেন, এতে দুইবার তিন দিন করে মোট ছয় দিন রাস্তায় প্রচণ্ড যানজট ছিল। যার কারণে মেলায় ক্রেতা দর্শনার্থীর উপস্থিতি কম ছিল।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, পূর্বাচল ৩০০ ফুট মহাসড়কে এক দিন ম্যারাথন অনুষ্ঠিত হয়। সেদিনও ক্রেতা-দর্শনার্থীদের মেলায় উপস্থিতি কম ছিল।

ব্যবসায়ীদের দাবি, বাণিজ্য মেলার সময় না বাড়ানো হলে তাদের অনেক পণ্য অবিক্রিত থেকে যাবে। তাই লোকসান এড়াতে বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে ৩১ জানুয়ারির পর আরও সাত দিন বিনা ভাড়ায় মেলায় বেচাকেনা করার আবেদন করেন ব্যবসায়ীরা।

মেলায় দেশি-বিদেশি ৩৩১ প্রতিষ্ঠানের স্টল রয়েছে। এরমধ্যে কয়েকটি প্যাভিলিয়ন ও মিনি প্যাভিলিয়ন রয়েছে। গত বছরের চেয়ে এবার ১০৬টি স্টল বেড়েছে। বিদেশি ১০ দেশের ১৭টি স্টল রয়েছে।

;

পাঠ্যবইয়ে কেউ ইচ্ছাকৃত ভুল করে থাকলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ সরকার কখনো ইসলামের বিরুদ্ধে কিছু করেনি, করবেও না বলে মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, নতুন পাঠ্যবইয়ে যা নেই, তা নিয়ে অপপ্রচার চলছে। তবে কোনো ভুলভ্রান্তি থাকলে তা সংশোধন করা হবে।

অপপ্রচারে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চিলে কান নিয়েছে শুনে চিলের পেছনে না দৌড়ে নিজের কানে হাত দিয়ে দেখুন। কান নিজের কাছে আছে কিনা। তবে পাঠ্যবইয়ে কেউ ইচ্ছাকৃত ভুল করে থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃতী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, যা ভুল হয়েছে তা সংশোধন করা হয়েছে। আরও করা হচ্ছে। এজন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি কাজ করছে। ওয়েবসাইটে গিয়েও কেউ মতামত দিতে পারেন। ভাষা বা তথ্যগত কোনো ভুল থাকলে অবশ্যই সংশোধন করা হবে। এছাড়া পাঠ্যবই প্রণয়নের সময় কেউ ইচ্ছাকৃত কোনো ভুল করে থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

পরে কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯টি অনুষদের ৫টি শিক্ষাবর্ষের স্মাতক ও ৬টি শিক্ষাবর্ষের স্মাতকোত্তর ১০৩ কৃতী শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদক ও সনদপত্র দেন শিক্ষামন্ত্রী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার।

 

;