Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

কোমল পানীয়ের পরিবর্তে পান করুন বোরহানি

কোমল পানীয়ের পরিবর্তে পান করুন বোরহানি
বোরহানি
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদ মানেই গুরুপাক খাবার খাওয়া।

ইচ্ছা থাকলে বা চেষ্টা করেও মুখরোচক খাবারের আয়োজন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয় না। কোরবানির ঈদে যার মাত্রা বেড়ে যায় আরও বেশ অনেকখানি। অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি মাংস খাওয়া হয় অবধারিতভাবেই।

এ সময়ের ভারি ও ফ্যাটযুক্ত খাবারের সাথে পানীয় হিসেবে সকলে কোমল পানীয় রাখতেই পছন্দ করেন। এটা নিশ্চয় অজানা নয়, কোমল পানীয় স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। সেক্ষেত্রে কোমল পানীয়ের পরিবর্তে রাখা চাই টক দইয়ে তৈরি বোরহানি।

আজগর আলী হাসপাতালের সিনিয়র ডায়েটেশিয়ান শায়লা সাবরিন বার্তাটোয়েন্টিফোরকে জানান, তেল-মসলা, চিনি ও চর্বিযুক্ত খাবারের ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে, খাদ্য দ্রুত হজমে ও পেটের সমস্যাকে দূরে রাখতে বোরহানি সবচেয়ে উপাদেয় একটি পানীয়। এ কারণে মুখরোচক খাবারের সাথে কোমল পানীয়ের পরিবর্তে বোরহানি রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

দেখে নিন বোরহানি তৈরি দারুণ সহজ রেসিপি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/14/1565767965875.jpg

বোরহানি তৈরিতে যা লাগবে

১. আধা কেজি টক দই।

২. এক কাপ পানি।

৩. এক চা চামচ সাদা সরিষা।

৪. এক ইঞ্চি পরিমাণ আদা।

৫. ছোট এক কোয়া রসুন।

৬. আধা চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া।

৭. আধা চা চামচ জিরা গুঁড়া।

৮. ৫-৬টি কালো গোলমরিচ।

৯. ৩-৪টি কাঁচামরিচ।

১০. এক মুঠো ধনিয়া পাতা।

১১. এক মুঠো পুদিনা পাতা।

১২. এক চা চামচ বিট লবণ।

১৩. স্বাদমতো লবণ।

যেভাবে তৈরি করতে হবে বোরহানি

ব্লেন্ডারে সকল উপাদান একসাথে নিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। কয়েকবার ব্লেন্ড করার পর চেখে দেখতে হবে লবণ ঠিক আছে কিনা। ভালোমতো ব্লেন্ড করার পর ছেঁকে নিয়ে বরফ ও পুদিনা পাতা কুঁচি ছিটিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

অনেকেই বোরহানি মিষ্টি স্বাদের পছন্দ করেন। সেক্ষেত্রে অল্প চিনি যোগ করে নেওয়া যাবে। তবে যেহেতু চিনি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, বোরহানিতে চিনি ব্যবহার এড়িয়ে যাওয়াই শ্রেয়।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: দশ মিনিটে দইয়ে তৈরি মাঠা

আপনার মতামত লিখুন :

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?
কেএফসির ফ্রাইড চিকেন

গরম মুচমুচে কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের মতো মজাদার খাবার যেন আর হয় না।

অন্যান্য রেস্টুরেন্টের ফ্রাইড চিকেন যতই মজাদার হোক না কেন, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনে সবসময়ই ভিন্নতা বজায় থাকে। কিন্তু কেন কেএফসির চিকেন অন্যান্য রেস্টুরেন্টের চিকেনের চাইতে আলাদা ও ভিন্ন? এর প্রধান কারণ, মুরগির মাংস প্রস্তুতে মসলার ব্যবহার। ব্যতিক্রমী ও অন্য ধাঁচের মসলার নিয়ন্ত্রিত ও সঠিক ব্যবহারের ফলে, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের স্বাদ সহজেই আলাদা হয়ে ওঠে।

১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637051338.jpg

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী স্বাদ ঘরে বসে পেতে চাইলে, বিষয়টি খুব একটা সহজ হবে না। তবে কাছাকাছি স্বাদ তৈরি করা যেতে পারে ১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহারে। মসলাগুলো হলো-

১. ২/৩ টেবিল চামচ লবণ।

২. ৩ টেবিল চামচ সাদা গোলমরিচের গুঁড়া।

৩. ১ টেবিল চামচ কালো গোলমরিচের গুঁড়া।

৪. ১/২ টেবিল চামচ বাসিল।

৫. ১ টেবিল চামচ সেলেরি সল্ট।

৬. ১ টেবিল চামচ শুকনো সরিষা।

৭. ২ টেবিল চামচ গার্লিক সল্ট।

৮. ১ টেবিল চামচ আদা গুঁড়া।

৯. ১/৩ টেবিল চামচ অরিগানো।

১০. ৪ টেবিল চামচ প্যাপরিকা।

১১. ১/২ টেবিল চামচ থাইম।

চিকেন ফ্রাই করার কৌশল আছে কী?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637102106.jpg

ব্যাটার তৈরি করে মুরগির মাংসে মিশিয়ে তেলে গড়িয়ে নিলেই যদি কেএফসির চিকেন ফ্রাই হয়ে যেতো, তাহলে তো কথাই ছিল না। ফ্রাইড চিকেন তৈরির মসলা নয়, চিকেন ফ্রাই করার কৌশলেও থাকে ভিন্নতা। ফলে অন্যান্য ফ্রাইড চিকেনের তুলনায় কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ও চিকেন ক্রাস্ট হয় আলাদা। কয়েকটি কৌশল জেনে রাখুন।

দ্রুত ভেজে ফেলা

অনেকেই চিকেন ব্যাটার ও ময়দায় মাখিয়ে বেশ অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর তেলে ভাজেন। কিন্তু কেএফসির ক্ষেত্রে নিয়ম একেবারে উল্টো। ‘ফ্রম ফ্লাওয়ার টু ফ্রায়ার’ এই নীতিতে কাজ করে কেএফসি। অর্থাৎ ময়দায় মুরগির মাংস গড়িয়ে সরাসরি ফ্রায়ারে ছেড়ে দেওয়া। এতে করে বাইরের আবরণ অতিরিক্ত শক্তও হবে না আবার মুচমুচে থাকবে এবং ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার সময় সহজেই চিকেন থেকে খুলে আসবে।

ফ্রায়ারে ভিন্নতা

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের এক্সট্রা ক্রিস্পিভাব তৈরি করা হয় বিশেষ ইনডাস্ট্রিয়াল-স্ট্রেনথ প্রেশার ফ্রায়ার ব্যবহারে। কেএফসির মতো ফ্রায়ার ঘরে পাওয়া সম্ভব না হলেও, গভীর কোন পাত্রে ৩৫০-৩৬০ ডিগ্রীতে তেল গরম করে প্রতিটি মুরগির পিস ঘড়ি ধরে ১২ মিনিট ভাজলে কেএফসির কাছাকাছি ফ্রাইড চিকেন তৈরি করা সম্ভব হবে।

সাথে সাথেই না খাওয়া

কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ভাজার পর অন্তত বিশ মিনিট ১৭৫ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ওভেন সেটে রেখে দেওয়া হয়। এরপর এই ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। তেল থেকে ওঠানোর সাথে সাথে কেএফসির ফ্রাইড চিকেন পরিবেশন করা হয় না। ২০ মিনিট ওভেন সেটে রাখার ফলে মাংসের ভেতরের অংশ গরম থাকে এবং বাইরের অংশ থাকে মুচমুচে। এছাড়া মাংসে বাড়তি তেল থাকলে সেটাও ঝরে যায় সহজেই।

আরও পড়ুন: মাংসের ঝোলের ঘ্রানে কেএফসি’র সেন্টেড ক্যান্ডেল

আরও পড়ুন: কেএফসি যে কারণে নাম পরিবর্তন করেছিল!

অলসতাকে বিদায় জানান ছয় নিয়মে

অলসতাকে বিদায় জানান ছয় নিয়মে
বড় কাজের চিন্তা অনেক সময় অলসতার কারণ

সাপ্তাহিক ছুটির দিন মানেই আলস্যে দিনাতিপাত।

তবে শুধু যদি আলস্যেই পুরো দিন কাটিয়ে দিতে ইচ্ছা করে, তাহলে বেশ সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে। বিশ্রাম তো থাকবেই, সাথে প্রয়োজনীয় ও জরুরি কাজগুলোও সেরে নিতে হবে। কিন্তু আলস্য যেন পিছুই ছাড়তে চায় না। ফলে কর্মব্যস্ততা ফিরে আসলে হিমশিম খেতে হয় কাজের চাপে। আজকের ফিচারে তাই তুলে ধরা হয়েছে, কীভাবে ছয় উপায়ে আলস্যকে বিদায় জানানো যাবে।

কাজকে ভাগ করে নেওয়া

প্রায়শ বেশ বড় ধরনের কাজের দায়িত্ব কাঁধে এসে পড়ে। বড় কাজ কীভাবে করা যাবে- এই চিন্তাতেই অনেকের মাঝে অলসতা চলে আসে। সেক্ষেত্রে কাজটিকে কয়েক ভাগে ভাগ করে নিতে হবে। ফলে কয়েকটি ছোট ছোট কাজের সমষ্টিতে সেই বড় কাজটি সম্পন্ন হবে। এমনভাবে ছোট কাজগুলো সহজেই করে ফেলা যাবে এবং খুব একটা কষ্টও হবে না।

অনুপ্রেরণা

কাজ করার ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা পাওয়া যায় না বিধায় বেশ কিছু ক্ষেত্রে মানুষের মাঝে অলসতা চলে আসে। এমন সময়ে নিজেকে কাজটি করার প্রতি ও অলসতা ঝেড়ে ফেলার জন্য অনুপ্রাণিত করতে কাজটি সম্পন্ন করার পরবর্তী সময়টি ভাবার চেষ্টা করতে হবে। যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অলসতা দূর করতে চমৎকার কাজ করে।

সুবিধা সম্পর্কে চিন্তা করা

অলসতার জন্য আজ যে কাজটি ফেলে রাখা হচ্ছে, তার জন্য নিজেকেই ভুগতে হবে আগামীকাল। ঠিক এর বিপরীত চিত্রটি ভাবার চেষ্টা করতে হবে। কাজটি যদি অলসতা ঝেড়ে আজই করে ফেলা যায় তবে আগামীকাল কতটা স্বাচ্ছন্দ্যে কাটানো যাবে সেটা ভাবলে সহজেই অলসতার মতো নেতিবাচকতাকে দূরে সরিয়ে রাখা সম্ভব হবে।

একবারে একাধিক কাজ নয়

অনেকের মাঝেই একবারে একাধিক কাজ করার প্রবণতা রয়েছে। এতে করে খুব সহজেই মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ফলাফল স্বরূপ কাজে আগ্রহ হারিয়ে যায় এবং অলসতা এসে ভিড় জমায়। তাই একবারে একের অধিক কাজ না করে, একটি কাজ শেষ করে এরপর আরেকটি কাজ শুরু করতে হবে।

নিজেকে বোঝানো

নিজের সাথে নিজের কথা বলা, নিজেকে বোঝানো ক্ষেত্র বিশেষে খুব ভালো কাজ করে। অলসতার জন্য যে কাজগুলো পড়ে রয়েছে, সেগুলো করার জন্য নিজেকে নিজের বোঝাতে হবে। নিজের সাথে নিজের কথা বলতে হবে।

সমস্যা সম্পর্কে চিন্তা করা

শুধুমাত্র অলসতার জন্য যে কাজগুলো করা হচ্ছে না, প্রয়োজনের সময়ে সেটাই সমস্যা হিসেবে সামনে এসে দাঁড়াবে। এই বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে নিজের মাঝে। পাঁচ পাতার একটি এসাইনমেন্ট যদি আজকেই শেষ না করা হয়, তবে আগামীকাল এর সাথে যুক্ত হবে আরও দশ পাতার এসাইনমেন্ট। যা একসাথে শেষ করতে গিয়ে ভীষণ বিপত্তির মুখে পড়তে হবে। এই বিপত্তির বিষয়টি আগে থেকেই চিন্তা করলে, অলসতা ঝেড়ে কাজটি করে ফেলা সহজ হবে।

আরও পড়ুন: পেটের মেদ কমানোর কার্যকর উপায়

আরও পড়ুন: যেভাবে নতুনের মতো থাকবে কাঠের চামচ

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র