Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

অদ্ভুত যে কাজগুলো বাড়াবে বুদ্ধিমত্তা

অদ্ভুত যে কাজগুলো বাড়াবে বুদ্ধিমত্তা
নতুন খাবারের স্বাদ ও গন্ধ মস্তিষ্কে আনবে ইতিবাচক প্রভাব
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

মস্তিষ্ককে যত বেশি কাজ করানো হবে, বুদ্ধিমত্তা তত বেশি প্রখর হবে।

এটা নতুন কোন বিষয় নয়। একইসাথে এটাও নতুন কোন তথ্য নয় যে- অংক করা, ওয়ার্ড পাজল বা পাজল গেম খেলা, নতুন ভাষা শেখার মতো কাজগুলো মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ও বুদ্ধিমত্তাকে প্রখর করতে অবদান রাখে। তবে এখন যদি আপনাকে জানানো হয় যে- নতুন খাবার খাওয়া, নতুন কোন সুবাসের সাথে পরিচিত হওয়া কিংবা চোখ বন্ধ করে গোসল করার মতো সামান্য বিষয়গুলোও আপনার বুদ্ধিমত্তা বাড়াতে অবদান রাখে, তবে অবাক হতেই হবে।

অবাক হওয়ার মতো তথ্য হলেও এ বিষয়গুলো সঠিক ও সত্য। চলুন জানানো যাক এমন আরও কয়েকটি মজার ও অদ্ভুত কাজের কথা, যা আপনার বুদ্ধিমত্তার বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।

দাঁত মাজুন অন্য হাতে

ডান হাতে ব্রাশ ধরে দাঁত মাজা হয় সাধারণত। এই অভ্যাসে পরিবর্তন এনে অন্য হাতে ব্রাশ ধরে দাঁত মাজতে হবে। গবেষকেরা জানাচ্ছে, নন-ডমিনেন্ট হ্যান্ডের ব্যবহার করটেক্সে বেশ বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসে। শুধু দাঁত মাজা নয়, টুথপেস্টের টিউবও ভিন্ন হাত দিয়ে খোলার মতো কাজগুলো মস্তিষ্কে ইতিবাচক প্রভাব রাখবে।

গোসল করুন চোখ বন্ধ রেখে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/06/1565075308732.jpg

হাতের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশে ত্বকের টেক্সচার ও তাপমাত্রা স্পর্শের মাধ্যমে ইন্দ্রিয় অনুভূতি তৈরি করে মস্তিষ্কে পৌঁছে দেবে। যা একেবারেই ভিন্ন একটি অভিজ্ঞতা। এতে করে মস্তিষ্ক নতুনভাবে কাজ করবে।

উল্টে রাখুন পরিচিত জিনিস

ড্রেসিং টেবিলে থাকা পরিচিত ফটোফ্রেম কিংবা বুক শেলফের কয়েকটি বইকে উল্টে রাখুন। এতে করে যতবার এই জিনিসগুলোর দিকে চোখ যাবে, মস্তিষ্কের ডান পাশের অংশটিতে বাড়তি কাজ শুরু হবে। বস্তুটির রঙ, আকার ও বস্তুটির সাথে আপনার স্মৃতি নিয়ে মস্তিষ্ক ততক্ষণে কাজ করা শুরু করে দিয়েছে। যা অনেকটা পাজল মেলানোর মতো কাজ করে।

ভিন্ন চেয়ারে বসুন

খাবার টেবিল পরিবারের সবার নিজস্ব স্থান নির্ধারণ করাই থাকে। এবারে সে নিয়মে ব্যতিক্রম আনুন। প্রতি দুই দিন অন্তর অন্তত একবারের জন্য ভিন্ন স্থানের চেয়ারে খেতে বসুন। এতে করে মস্তিষ্ক নতুনভাবে ঘরের আদল ও কোনকে আবিষ্কার করবে। টেবিলের যে পাশে লবণদানি পাওয়া যেত হাত বাড়ালেই, সে পাশে লবণদানি থাকবে না। লবণদানি খোঁজার জন্য টেবিলে ইতিউতি তাকানো ও খোঁজ করার মাধ্যমেও মস্তিষ্ক কাজ করবে।

নতুন সুবাস গ্রহণ করুন

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/06/1565075329450.jpg

সুমিষ্ট সুবাস মনকে চনচনে করে দেয়। কফির ঘ্রাণের কথাই ধরুন না কেন। সকালে কফির পেয়ালা চুমুক দিতে না পারলেও, কফির ঘ্রাণ মনকে ভালো করে দেয়। ঠিক একইভাবে ল্যাভেন্ডার, ভ্যানিলা, সাইট্রাস বা পিপারমিন্টের মিষ্টি ঘ্রাণ মস্তিষ্ককে ভিন্নভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।

অপরিচিত খাবার খান

নতুন ও অপরিচিত খাবারের স্বাদ ও গন্ধ মস্তিষ্ককে নতুনভাবে কাজ করায়, নতুন স্বাদ ও গন্ধের সাথে পরিচয় করায়। আমাদের মস্তিষ্কের অলফ্যাক্টরি সিস্টেম লাখ লাখ গন্ধের মাঝের নতুন গন্ধকে শনাক্ত করতে কাজ করে।

ভিন্নভাবে বই পড়ুন

আপনি যদি বইপড়ুয়া হয়ে থাকেন তবে নিশ্চয় নিজ মনে বই পড়া হয় আপনার। এখন থেকে চেষ্টা করুন জোরে জোরে রিডিং পড়ার মতো করে বই পড়তে। নিঃশব্দে বই পড়া ও সশব্দে বই পড়ার মাঝে তফাৎ আছে, ফলে এ দুইটি ভিন্ন কাজে মস্তিষ্ক ভিন্নভাবে কাজ করে।

আরও পড়ুন: শনাক্ত হবে পারকিনসন্স রোগের পূর্ব লক্ষণ!

আরও পড়ুন: আয়ুর্বেদে বাড়বে স্মৃতিশক্তি

আপনার মতামত লিখুন :

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল
ফালাফেল

মধ্যপ্রাচ্যের সকাল ও বিকালের নাশতার অন্যতম একটি প্রচলিত খাবারের নাম হলো ফালাফেল।

নাম শুনে অনেকেই ভাববেন, এই খাবারটি সম্ভবত ফল দিয়ে তৈরি করা হয়। আদতে খাবারটি তৈরি হয় ছোলা কিংবা মটরশুঁটিতে। তেলে ভাজা বিভিন্ন মসলার সংমিশ্রণে তৈরি ফালাফেল ডুবো তেলে কড়া করে ভেজে দইয়ের রায়তার সাথে খেতে চমৎকার ভালো লাগে।

পরিচিত বড়া বা পেঁয়াজুর বাইরে নতুন ও হালকা কোন নাশতার খাবার খেতে চাইলে দেখে নিন ফালাফেল তৈরির রেসিপি।

ফালাফেল তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566653988942.JPG

১. এক কাপ শুকনো ছোলা।

২. একটি ছোট পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. এক চা চামচ রসুন কুঁচি।

৪. তিন টেবিল চামচ ধনিয়া পাতা কুঁচি।

৫. আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়া।

৬. এক চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া।

৭. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

৮. ১/৪ চা চামচ কালো গোলমরিচ গুঁড়া।

৯. এক টেবিল চামচ ময়দা।

১০. স্বাদমতো লবণ।

১১. ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল।

ফালাফেল যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566654005300.JPG

১. ছোলা ধুয়ে পরিষ্কার পানিতে সারারাতের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং সময় হলে পানি থেকে তুলে শুকিয়ে নিতে হবে এবং ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

২. এতে পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, ধনিয়া পাতা কুঁচি, জিরা গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া, কালো গোলমরিচ গুঁড়া ও ময়দা মেশাতে হবে। সাথে পরিমাণমতো লবণ ও লেবুর রস যোগ করতে হবে এবং ব্লেন্ড করতে হবে।

৩. ব্লেন্ড শেষে সকল উপাদান মিশে অমসৃণ ও অসূক্ষ্ম মিশ্রণ তৈরি হবে। এতে পানি যোগ করা যাবে না, তবে যদি ব্লেন্ড করতে সমস্যা হয় ১-৩ টেবিল চামচ পানি আলাদাভাবে যোগ করতে হবে।

৪. ফালাফেল মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে প্রয়োজন ও স্বাদ অনুযায়ী মসলা ও লবণ যোগ করতে হবে এবং হাতের সাহায্যে মাখিয়ে ছোট ছোট গোল ফালাফেল তৈরি করে নিতে হবে।

৫. এবারে কড়াইতে তেল গরম করে ফালাফেল দিয়ে দেখতে হবে তা ভেঙে যায় কিনা। যদি ভেঙে যায় তবে মিশ্রণের সাথে ময়দা যোগ করে এরপর ভাজতে হবে।

৬. ফালাফেল বাদামী-সোনালি হয় আসলে নামিয়ে নিয়ে দইয়ের রায়তা কিংবা ঘরে তৈরি পাতার চাটনির সাথে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?
কেএফসির ফ্রাইড চিকেন

গরম মুচমুচে কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের মতো মজাদার খাবার যেন আর হয় না।

অন্যান্য রেস্টুরেন্টের ফ্রাইড চিকেন যতই মজাদার হোক না কেন, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনে সবসময়ই ভিন্নতা বজায় থাকে। কিন্তু কেন কেএফসির চিকেন অন্যান্য রেস্টুরেন্টের চিকেনের চাইতে আলাদা ও ভিন্ন? এর প্রধান কারণ, মুরগির মাংস প্রস্তুতে মসলার ব্যবহার। ব্যতিক্রমী ও অন্য ধাঁচের মসলার নিয়ন্ত্রিত ও সঠিক ব্যবহারের ফলে, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের স্বাদ সহজেই আলাদা হয়ে ওঠে।

১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637051338.jpg

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী স্বাদ ঘরে বসে পেতে চাইলে, বিষয়টি খুব একটা সহজ হবে না। তবে কাছাকাছি স্বাদ তৈরি করা যেতে পারে ১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহারে। মসলাগুলো হলো-

১. ২/৩ টেবিল চামচ লবণ।

২. ৩ টেবিল চামচ সাদা গোলমরিচের গুঁড়া।

৩. ১ টেবিল চামচ কালো গোলমরিচের গুঁড়া।

৪. ১/২ টেবিল চামচ বাসিল।

৫. ১ টেবিল চামচ সেলেরি সল্ট।

৬. ১ টেবিল চামচ শুকনো সরিষা।

৭. ২ টেবিল চামচ গার্লিক সল্ট।

৮. ১ টেবিল চামচ আদা গুঁড়া।

৯. ১/৩ টেবিল চামচ অরিগানো।

১০. ৪ টেবিল চামচ প্যাপরিকা।

১১. ১/২ টেবিল চামচ থাইম।

চিকেন ফ্রাই করার কৌশল আছে কী?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637102106.jpg

ব্যাটার তৈরি করে মুরগির মাংসে মিশিয়ে তেলে গড়িয়ে নিলেই যদি কেএফসির চিকেন ফ্রাই হয়ে যেতো, তাহলে তো কথাই ছিল না। ফ্রাইড চিকেন তৈরির মসলা নয়, চিকেন ফ্রাই করার কৌশলেও থাকে ভিন্নতা। ফলে অন্যান্য ফ্রাইড চিকেনের তুলনায় কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ও চিকেন ক্রাস্ট হয় আলাদা। কয়েকটি কৌশল জেনে রাখুন।

দ্রুত ভেজে ফেলা

অনেকেই চিকেন ব্যাটার ও ময়দায় মাখিয়ে বেশ অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর তেলে ভাজেন। কিন্তু কেএফসির ক্ষেত্রে নিয়ম একেবারে উল্টো। ‘ফ্রম ফ্লাওয়ার টু ফ্রায়ার’ এই নীতিতে কাজ করে কেএফসি। অর্থাৎ ময়দায় মুরগির মাংস গড়িয়ে সরাসরি ফ্রায়ারে ছেড়ে দেওয়া। এতে করে বাইরের আবরণ অতিরিক্ত শক্তও হবে না আবার মুচমুচে থাকবে এবং ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার সময় সহজেই চিকেন থেকে খুলে আসবে।

ফ্রায়ারে ভিন্নতা

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের এক্সট্রা ক্রিস্পিভাব তৈরি করা হয় বিশেষ ইনডাস্ট্রিয়াল-স্ট্রেনথ প্রেশার ফ্রায়ার ব্যবহারে। কেএফসির মতো ফ্রায়ার ঘরে পাওয়া সম্ভব না হলেও, গভীর কোন পাত্রে ৩৫০-৩৬০ ডিগ্রীতে তেল গরম করে প্রতিটি মুরগির পিস ঘড়ি ধরে ১২ মিনিট ভাজলে কেএফসির কাছাকাছি ফ্রাইড চিকেন তৈরি করা সম্ভব হবে।

সাথে সাথেই না খাওয়া

কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ভাজার পর অন্তত বিশ মিনিট ১৭৫ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ওভেন সেটে রেখে দেওয়া হয়। এরপর এই ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। তেল থেকে ওঠানোর সাথে সাথে কেএফসির ফ্রাইড চিকেন পরিবেশন করা হয় না। ২০ মিনিট ওভেন সেটে রাখার ফলে মাংসের ভেতরের অংশ গরম থাকে এবং বাইরের অংশ থাকে মুচমুচে। এছাড়া মাংসে বাড়তি তেল থাকলে সেটাও ঝরে যায় সহজেই।

আরও পড়ুন: মাংসের ঝোলের ঘ্রানে কেএফসি’র সেন্টেড ক্যান্ডেল

আরও পড়ুন: কেএফসি যে কারণে নাম পরিবর্তন করেছিল!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র