Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

আয়ুর্বেদে বাড়বে স্মৃতিশক্তি

আয়ুর্বেদে বাড়বে স্মৃতিশক্তি
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

স্মৃতিশক্তিজনিত সমস্যায় ভোগেন অনেকেই।

অল্পতেই কোন বিষয়ে ভুলে যাওয়া, দীর্ঘদিন কোন কিছু ভালোভাবে মনে রাখতে না পারার মতো সমস্যাগুলো দেখা দিলে বুঝতে হবে দুর্বল স্মৃতিশক্তির সমস্যায় ভুগছেন আপনি।

আয়ুর্বেদে বহু রোগ, শারীরিক ও মানসিক সমস্যার খুব চমৎকার সমাধান ও চিকিৎসা রয়েছে। কিছুক্ষণ আগে কোথায় চশমা রেখেছেন, গতকাল দুপুরে কি খেয়েছেন বা আগামীকাল কখন বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে- এই বিষয়গুলো যদি পরিষ্কারভাবে মনে করতে সমস্যা হয়, ত্তবে খুব দ্রুত আয়ুর্বেদিক উপায়ের শরণাপন্ন হতে হবে।

আয়ুর্বেদে স্মৃতিশক্তিকে অক্ষুণ্ণ রাখতে ও বৃদ্ধিতে বাড়তি কোন উপাদান নয়, কিছু প্রাকৃতিক ও উপকারী খাদ্য উপাদান খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

কাঠবাদাম

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/01/1549003561778.jpg

অন্যান্য সকল ধরণের বাদামের মাঝে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে কাঠবাদাম সবচেয়ে বেশি কার্যকরি। কারণ এই বাদামে থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডস ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমূহ। যা মস্তিষ্কের জন্য প্রয়োজনীয় ও উপকারী। কাঠবাদাম খাওয়ার সবচেয়ে সঠিক প্রক্রিয়াটি হলো- সারারাত ভিজিয়ে রেখে পরদিক সকালে পানি ছেঁকে এরপর দুধ ও মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া।

আমলকি

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/01/1549003576646.jpg

ত্বক ও চুলের পরিচর্যা, সামগ্রিক সুস্বাস্থ্য তো বটেই, মস্তিষ্ক ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতেও আমলকি দারুণ উপকারী প্রাকৃতিক উপাদান। পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন-সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় আমলকি নিয়মিত খাওয়ার ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায় তুলনামূলক অনেক বেশি। এছাড়া নার্ভাস সিস্টেমের উপরেও ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে আমলকি। ফলে বয়স্কদের আলঝেইমার রোগ দেখা দেওয়ার সম্ভবনা কমিয় অনেকখানি। আস্ত আমলকি কিংবা আমলকির রস পান করা যেতে পারে।

মাছের তেল

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে মাছের তেল চমৎকার একটি খাদ্য উপাদান, বিশেষত আপনি যদি নন-ভেজিটেরিয়ান হয়ে থাকেন। মাছের তেলে থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রানিজ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। যা মস্তিষ্কের কোষের পুনর্গঠনে সাহায্য করে। যা পরবর্তিতে স্মৃতিশক্তি জোরদার করতে ভূমিকা পালন করে।

দারুচিনি

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/01/1549003606769.jpg

মশলা হিসেবে বিভিন্ন ধরণের বহুল ব্যবহৃত এই উপাদানটি মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী। আধা চা চামচ পরিমাণ দারুচিনি গুড়া এক চা চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে প্রতিদিন খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

ঘি

ফ্যাট-সল্যুবল ভিটামিন ও এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিডের উৎস হলো ঘি। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে ঘি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা, বুদ্ধিজনিত ক্ষমতা, বুদ্ধিবৃত্তি ও স্মৃতিশক্তিকে শক্তিশালী করতে কাজ করে। তরুণ বয়সে প্রতিদিন আধা-এক চা চামচ পরিমাণ বিশুদ্ধ ঘি গ্রহণে মস্তিষ্কের সার্বিক উন্নতি ঘটে।

আরও পড়ুন: স্মৃতিশক্তি থাকবে অক্ষুণ্ণ!

আরও পড়ুন: মানসিক চাপে সংকুচিত হয় নারীদের মগজ!

আপনার মতামত লিখুন :

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাচ্ছে চার কারণে!

কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাচ্ছে চার কারণে!
কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাওয়া আর ক্লান্তিবোধ এক নয়, ছবি: সংগৃহীত

প্রতিটি কর্মজীবীকে দিনের সিংহভাগ সময় কাটাতে হয় নিজ কর্মক্ষেত্রে।

কাজের চাপ, ব্যস্ততা, ডেডলাইন, মিটিংসহ সবকিছুর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে ক্লান্তি দেখা দেয় একটা সময়। সময়মতো বিশ্রাম নিলে এই ক্লান্তিভাব খুব দ্রুত কেটেও যায়। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাওয়া আর ক্লান্তিবোধ এক নয়।

কর্মোদ্যম ফুরিয়ে গেলে শারীরিক ক্লান্তির সাথে মানসিক ক্লান্তি প্রভাব বিস্তার করে। কাজ, ব্যস্ততা, ছুটে চলা- সবকিছুকেই অর্থহীন বোধ হতে থাকে। অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয় জীবনে চলার পথে। এমন অবস্থা চলতে একটা সময় জীবনের উপরে বিরক্তিবোধ কাজ করা শুরু করে।

কর্মোদ্যম হারিয়ে যাওয়া বা দম ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বেশ কয়েকটি কারণে দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রফেশনাল প্রেসক্রিপশন ফর লাইফের কোচ সুসান বিয়ালি হাস এমডি। বিগত কয়েক বছর ধরে এ বিষয়ে কাজ করে এবং বহু মানুষকে কাউন্সেলিং করে তিনি বুঝতে পেরেছেন কর্মক্ষেত্রে কর্মোদ্যমতা হারানো শুরু হয় খুব ছোট কিছু থেকেই।

নির্দিষ্ট কোন একটি কারণ

ভিন্ন ভিন্ন কর্মক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের চাপ থাকে, কাজের ধরণ থাকে। সেক্ষেত্রে প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভিন্ন কারণে দেখা দিতে পারে দম ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি। কোচ সুসান জানাচ্ছেন মূলত ছয়টি কারণ কাজ করে এক্ষেত্রে। অতিরিক্ত কাজের চাপ, নিয়ন্ত্রণের অভাব, অপর্যাপ্ত উপহার, কর্মক্ষেত্রে কমিউনিটি সংক্রান্ত সমস্যা, অন্যায্য/ অনৈতিক চর্চা, নৈতিকতার অমিল। এ বিষয়গুলো খুব ধীরে ধীরে কাজের উপর অনাগ্রহ তৈরি করে এবং কর্মোদ্যমতা নষ্ট করে দেয়।

আপনিও কর্মোদ্যম হারিয়ে ফেলেন তবে চেষ্টা করুন কারণটি খুঁজে বের করার। কোন কারণে এমনটা হচ্ছে সেটা শনাক্ত করতে পারলে সেটা সমাধানে কাজ করতে পারবেন।

অন্যের কাজ করা

স্বাভাবিকভাবেই অফিসে নিজের কাজের চাপ থাকে অনেক বেশি। সেখানে অন্যের কাজের বোঝাও যদি মাথায় এসে ভর করে তবে সেটা শারীরিক ও মানসিক চাপ তৈরি করে অনেক বেশি। আপনিও যদি এমনটা করে থাকেন তবে এই অভ্যাসটি খুব দ্রুত পরিহার করতে হবে।

ব্যক্তিগত জীবন ও কর্মজীবনের মাঝে দেয়াল না থাকা

অফিসের কাজ বাসাতে টেনে নিয়ে যাওয়া এবং পরবর্তীতে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে যাওয়ার ফলে স্বাভাবিকভাবেই কোন বিশ্রাম হয় না। মাথার ভেতর সর্বদা কাজের বিষয়গুলো ঘুরঘুর করতে থাকে, যার ফলে প্রচণ্ড মানসিক অশান্তি ও অস্থিরতা দেখা দেয়।

সেক্ষেত্রে কোচ সুসান পরামর্শ দেন- যতই কাজের চাপ থাকুক না কেন বা কাজ শেষ করার তাড়া থাকুক না কেন, কোনভাবেই অফিসের কাজ বাসাতে আনা যাবে না। বাসায় বসেও অফিসের কাজ করা ও অফিসে থাকার মাঝে আদতে কোন পার্থক্য থাকে না। এতে করে পরদিন পুনরায় অফিসে গেলেও বিন্দুমাত্র কর্মোদ্যমতা পাওয়া যায় না।

নিজের যত্ন না নেওয়া

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের জন্য চব্বিশ ঘণ্টার মাঝে অন্ততপক্ষে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম বাধ্যতামূলক। এর কম হলে শরীর ও মন জুড়ে অপরিসীম ক্লান্তি ভর করে। এছাড়া নিজের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে যদি হেলাফেলা করা হয়, তার প্রভাব সরাসরি দেখা দেয় কাজের উপর। সারাদিন অফিসে ডেস্কে বসে থেকেও মাথা কাজ করবে না, কাজে মন বসবে না। সেক্ষেত্রে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, নিজের অযত্নও কর্মোদ্যম ফুরিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

আরও পড়ুন: কর্মক্ষেত্রে দূরে থাকুক আত্ম-সন্দেহ

আরও পড়ুন: সমস্যাটি যখন কর্মক্ষেত্রে!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র