Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

শিশুর সুস্বাস্থ্যে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস

শিশুর সুস্বাস্থ্যে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস
প্রতিবার আঁকাআঁকির পর হাত পরিষ্কার করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

শুধু নিজের সুস্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখাই যথেষ্ট নয়, শিশুদের সুস্বাস্থ্যে দিকেও সমানভাবে নজর দিতে হবে।

শিশুদের প্রতি যতই বাড়তি যত্ন নেওয়া হোক না কেন, চেষ্টা করতে হবে হবে একদম ছোট থেকেই তাদের মাঝে কিছু অভ্যাস গড়ে তোলানোর জন্য। একদম সাধারণ এই অভ্যাসগুলো শিশুদের মাঝে একদম শুরু থেকেই গড়ে তুলতে পারলে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদের স্বাস্থ্যগত বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা সম্ভব হবে।

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/28/1561703181139.jpg

শিশুরা সহজে খাবার খেতে চায় না। প্রায় প্রতিটি মায়ের একই অভিযোগ, কোন খাবারই সন্তান খেতে চায় না একদম। নিত্যদিন ভিন্ন ঘরানার খাবার তৈরি করেও শিশুদের পছন্দ বোঝা সম্ভব হয় না।

এহেন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপায়ন্তর না পেয়ে অস্বাস্থ্যকর খাবার তুলে দেন অনেকেই সন্তানদের হাতে। চিপস, কেক, সুইট বান, জ্যুস মোটেও স্বাস্থ্যকর কোন খাবার নয়। এতে পুষ্টিগুণ তো একেবারেই থাকে না, উল্টো অস্বাস্থ্যকর নানা উপাদানে ভরা থাকে এই মুখরোচক খাবারগুলো।

সন্তান খাবার খেতে না চাইলেও প্রাকৃতিক উপাদান তৈরি বিভিন্ন ধরণের খাবার তৈরি করে শিশুদের খাওয়ানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। ধরুন আপনি শিশুকে ফুলকপি খাওয়াচ্ছেন। গল্পের ছলে তাকে ফুলকপির পুষ্টিগুণের কথা বলুন। ফুলকপি তার শরীরের জন্য কেন ভালো, খেলে কি হবে- এইগুলো জানান। দেখবেন শিশুর আগ্রহ তৈরি হবে ও খেতে চাইবে।

নিয়মিত দাঁত মাজার অভ্যাস

শিশুদের একটা-দুটো দাঁত ওঠার পর থেকেই দাঁত মাজার অভ্যাসটা তৈরি করতে হয়। বিশেষত নিজে হাতে ব্রাশ ধরে দাঁত মাজার মতো বড় হয়ে গেলে এই অভ্যাসটি অবশ্যই ধরে রাখার চেষ্টা করতে হবে। স্বাভাবিকভাবে এই কাজটিও শিশুদের কাছে বিরক্তিকর লাগে এবং তারা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। সেক্ষেত্রে দাঁত মাজার জন্য জোর না করে একসাথে দাঁত মাজতে হবে। দাঁত ও টুথপেস্টের ছোট গল্প তৈরি করতে হবে। একসাথে দাঁত মাজার সময় মজা করতে হবে। আনন্দময় পরিবেশে দাঁত মাজার মতো একঘেয়ে কাজ সারতে পারলে শিশুরা নিজ থেকেই আগ্রহী হবে দাঁত মাজার ক্ষেত্রে।

দ্রুত ঘুমানোর অভ্যাস

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/28/1561703168588.jpg

বেশিরভাগ শিশু রাতে ঘুমাতে চায় না একদম। রাত জাগার অভ্যাস দেখা দেয় একদম ছোট সময় থেকেই। এতে করে শিশুর সাথে তার বাবা-মায়ের ঘুমের সাইকেলেও ব্যাঘাত ঘটে। ঘুমের সাইকেল দ্রুত ঠিক করতে না পারলে, বড় হলে সমস্যা তৈরি হবে। বিশেষত যখন স্কুলে যাওয়ার সময় চলে আসবে, তখন সকালে ঘুম থেকে ওঠা শিশুর জন্য বিভীষিকার মতো মনে হবে।

তাই শিশুর ঘুমের সাইকেল ঠিক করার জন্যে নিজের ঘুমের সাইকেলটিও এগিয়ে নিন। সকল কাজ দ্রুত শেষ করে দশটার মাঝেই রাতে ঘুমের আয়োজন করে ফেলুন। টানা কয়েকদিন এমন করতে পারলে নিজ থেকেই ঘুমের সাইকেল ঠিক হয়ে যাবে।

বাইরে খেলার অভ্যাস

শিশুদের জন্য বাইরে খেলা যতটা জরুরি, ততটাই সত্যি হলো- বাইরে খেলার মতো স্থান এখন একেবারেই নেই। তবে বাসার চেয়ে কিছুটা দূরে কোন পার্ক বা স্থানীয় খেলার মাঠ থাকলে সেখানেই নিয়ে যান শিশুকে। উন্মুক্ত স্থানে খেলাধুলা শিশুদের সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে প্রধান সহায়ক। যদি সেটাও সম্ভব না হয় তবে বারান্দা অথবা ছাদে নিরাপদ স্থানে খেলা করতে নিয়ে যেতে হবে।

টেবিলে বসে নিজ হাতে খাওয়ার অভ্যাস

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/28/1561703144406.jpg

অবশ্যই শিশুদের মুখে তুলে খাওয়ানো হলে পেট ভরে খাওয়ানো হয়। কিন্তু একটা নির্দিষ্ট বয়সের পর প্রতিটি শিশুর নিজ হাতে খাওয়ার অভ্যাসটি গড়ে তোলা প্রয়োজন। পরিবারের বাকি সদস্যদের মতো তাকেও টেবিলে বসিয়ে তার সামনে খাবার দিয়ে নিজ হাতে খাওয়ার অভ্যাস করাতে হবে। এতে করে খাবার খাওয়ার সময় শিশুরা আপনপনে খাবার খাবে ও মাকে জ্বালাতন করবে না।

হাত পরিষ্কার করার অভ্যাস

এই অভ্যাসটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শিশুদের যতই চোখে চোখে রাখা হোক না কেন, ময়লা জিনিসে তারা হাত দেবেই। এছাড়া খেলাধুলার সময়, আগ্রহবশত কোন জিনিস ধরার সময়, আঁকাআঁকির সময় হাত নোংরা হয়েই যায়। পরে এই নোংরা হাতে কিছু খেলে কিংবা মুখে দিলেই বিপত্তি। তাই শিশুদের শেখাতে হবে, যেকোন কাজ, খেলা ও জিনিস ধরার পর হাত ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়ার অভ্যাসটি। এতে করে শিশুর সুস্বাস্থ্যের নিশ্চয়তা পাওয়া যাবে অনেকখানি।

আরও পড়ুন: শিশুদের আত্মার খোরাকে সাহিত্য, শিল্পকর্ম ও সংগীত!

আরও পড়ুন: শিশুদের জন্য খেলাধুলা কেন প্রয়োজন?

আপনার মতামত লিখুন :

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম

ভিন্ন স্বাদে নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম
নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম, ছবি: সংগৃহীত

আইসক্রিমের মাঝে ভ্যানিলা ফ্লেভারটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও প্রচলিত। একদম সাদামাটা ভ্যানিলা ফ্লেভারের মাঝে টুইস্ট আনতে চাইলে এভারে যোগ করতে পারেন নারিকেলের ফ্লেভার। ভ্যানিলার সাথে নারিকেলের ফ্লেভারের সংমিশ্রণে ঘরে তৈরি আইসক্রিম খুব সহজেই এই গরমে রিফ্রেশিং ভাব তৈরি করবে।

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম তৈরিতে যা লাগবে

১. দুই কাপ নারিকেল দুধ।

২. দুই কাপ পনির।

৩. আধা কাপ চিনি।

৪. ১/৪ কাপ নারিকেল কুঁচি।

৫. দুই টেবিল চামচ নারিকেল কুঁচি ভাজা।

৬. দুই চা চামচ ভ্যানিলা এসেন্স।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563804441997.JPG

নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম যেভাবে তৈরি করতে হবে

১. একটি পাত্রে নারিকেল দুধ, চিনি, ও পনির কুঁচি একসাথে ভালোভাবে হুইস্ক তথা ফেটাতে হবে। সকল উপাদান মিশে ঘন ক্রিমি মিশ্রণ তৈরি হবে।

২. ক্রিমি মিশ্রণে ভ্যানিলাক এসেন্স যোগ করে পুনরায় মিনিট পাঁচেকের জন্য মিশ্রণটি হুইস্ক করতে হবে। এতে করে পুরো মিশ্রণে ভ্যানিলা এসেন্স মিশে যাবে।

৩. মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে তিন ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। তিন ঘণ্টা পর ফ্রিজ থেকে বের করে এতে নারিকেলের কুঁচি মিশিয়ে পুনরায় ডিপ ফ্রিজে রেখে দিতে হবে সারারাতের জন্য।

পরদিন ফ্রিজ থেকে জমাটবাধা নারিকেল-ভ্যানিলা আইসক্রিম বের করে উপরে নারিকেল কুঁচি ভাজা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চার উপাদানে খেজুর গুড়ের আইসক্রিম

আরও পড়ুন: এই গরমে আমের লাচ্ছি

দুই মিনিটে চোখের সাজ!

দুই মিনিটে চোখের সাজ!
সহজ নিয়মে অল্প সময়েই সাজিয়ে নেওয়া যাবে চোখকে, ছবি: সংগৃহীত

মুখের মাধুর্যের মাঝে চোখ জোড়া সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়।

আর তাইতো সাজের মাঝে চোখের সাজটাই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। বড় ধরনের কোন অনুষ্ঠান হোক কিংবা সাধারণ ক্লাস, শপিং কিংবা অফিসের জন্য বের হওয়া হোক, চোখে কাজল বা আইলাইনারের প্রলেপ থাকা চাই-ই চাই। আইলাইনের চাইতেও কাজলের চাহিদা ও ব্যবহার অনেক বেশি। কাজল ব্যবহারেই চোখের সাজের পরিপূর্ণতা প্রকাশ পায়।

কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্যাটস আই স্টাইলটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। ড্রামাটিক ঘরানার এই স্টাইলে যেন চোখের সৌন্দর্যটি আরও ভালোভাবে ফুটে ওঠে। কিন্তু সমস্যা হলো সময়ে!

ক্যাটস আই স্টাইলে কাজল দেওয়ার জন্য হাতে বেশ অনেকখানি সময় রাখা প্রয়োজন হয়। ফলে নিত্যদিন বাইরে বের হওয়ার আগে সময় করে কাজল দেওয়া হয়ে ওঠে না। কিন্তু চোখ একেবারেই কাজলবিহীন রাখতে না চাইলে সহজ সমাধানও রয়েছে। যার জন্য ব্যয় হবে মাত্র দুই মিনিট।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563797724291.jpg

দুই মিনিটের ভেতর চোখে কাজল দিতে চাইলে চোখের পাতার উপরে নয়, দিতে হবে চোখের পাতার নিচের অংশে, যেখানে চোখের পাপড়িগুলোর মূল থাকে। চোখের পাতা আঙ্গুলের সাহায্যে কিছুটা টেনে ধরে কাজলের তীক্ষ্ণ অংশটি পাতার নিচের অংশে টেনে দিতে হবে। একইভাবে চোখের নিচের পাতাতেও পাতার ভেতরের অংশতে কাজল দিতে হবে।

এতে করে চোখ আগের চাইতে অনেক বেশি ওয়েল ডিফাইন্ডড বা আঁকানো মনে হবে। এবারে কাজলের সাহায্যে চোখের উপরের পাপড়ির একদম শেষ অংশে কিছুটা টেনে নিতে হবে। এতে করে চোখ বড় ও টানটান মনে হবে।

এভাবে কাজল ব্যবহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই যত্নশীল ও সতর্ক হতে হবে। চোখে যেন আজলের খোঁচা না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া ভালোমানের কাজল ব্যতীত সস্তা কাজল ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: পারফেক্ট সাজে আকর্ষণীয় আপনি!

আরও পড়ুন: গুছিয়ে রাখুন মেকআপ সামগ্রী

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র