Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন?

বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন?
কয়েকটি অভ্যাসের কারণেই চেহারায় দেখা দিতে পারে বয়সের ছাপ, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতিটি বয়সের গণ্ডি পেরুলেই বয়সের ছাপ চেহারার স্পষ্ট হয়ে উঠবে।

এটাই স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক একটি বিষয়। তবে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে দেখা যায়, সঠিক বয়সের আগেই চেহারায় দেখা দিয়েছে বয়সের ছাপ। বুড়িয়ে গেছে চেহারা ও বয়সের ছাপ দেখা দিয়েছে ত্বক জুড়ে।

এমনটা হওয়ার পেছনে কিছুক্ষেত্রে বংশগত ও জিনগত কারণ দায়ী থাকলেও, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দায়ী থাকে প্রতিদিনের কিছু ক্ষতিকর অভ্যাস। প্রতিনিয়ত এই অভ্যাসগুলোর পুনরাবৃতিই চেহারায় এনে দেয় বয়সের ছাপ।

অনিয়ন্ত্রিত মানসিক চাপ

প্রতিদিনের নানান কাজে ও ঘটনায় মানসিক চাপ থাকবেই। এই মানসিক চাপকে যদি নিয়ন্ত্রণ করা না যায় তবেই দেখা দেয় সমস্যা। অতিরিক্তি ও অনিয়ন্ত্রিত মানসিক চাপ অকালে চেহারায় বয়স ছাপ এনে দেওয়ার সঙ্গে অসুস্থতাও তৈরি করে। ২০১২ সালের একটি গবেষণা থেকে গবেষকেরা জানায়, কাজজনিত মানসিক চাপ ডিএনএকে বিনষ্ট করে দেয়। এছাড়া ম্নসিক চাপের ফলে নিঃসৃত হওয়া কর্টিসল হরমোন শরীরকে দ্রুত বুড়িয়ে দেয় বলে জানান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাইকোলজিস্ট ভিভিয়ান ডিলার।

ডেস্কে জথুবথু হয়ে বসা

অফিসে কাজের ডেস্কে জথুবথু হয়ে কিংবা সঠিক ভঙ্গীতে না বসে কম্পিউটারের দিকে ঝুঁকে বসার ভঙ্গীতে খুব সহজেই পিঠ, কাঁধ ও হাতের পেশী ও হাড়ে ব্যথাভাব দেখা দেয়। এই ব্যথাভাবের পাশাপাশি পিঠের মেরুদণ্ডের উপরেও নেতিবাচক প্রভাবের সৃষ্টি হয়। মেরুদণ্ডের স্বাভাবিক অ্যালাইনমেন্টের ব্যাঘাত ঘটায় শরীর সামনের দিকে ঝুঁকে আসে। এতে করে সমস্ত শারীরিক গঠনেই বয়স্কভাব প্রবলভাবে প্রকাশ পাওয়া শুরু করে।

একেবারেই কম ঘুমানো

একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সুস্থ ও দৈনন্দিন জীবনের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দৈনিক ৭-৮ ঘন্টার ঘুম আবশ্যক। কিন্তু এখনকার সময়ের অধিকাংশ তরুণ-তরুণী পর্যাপ্ত না ঘুমিয়ে অন্যান্য কাজে সময় ব্যয় করছে। কাজের ব্যস্ততা কিংবা অহেতুক ইন্টারনেটে সময় নষ্ট করা- যেটাই হোক না কেন, প্রয়োজন অনুযায়ী শরীর যদি ঘুম তথা পরিপূর্ণ বিশ্রাম না পায় তবে খুব দ্রুতই তার প্রভাব চেহারার উপরে পরে যায়।

মিষ্টি জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া

নিঃসন্দেহে জাংক ফুড স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু প্রতিদিন মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার ফলে শরীরের উপরে নেতিবাচক, ক্ষতিকর ও বার্ধক্যভাব দেখা দেয়। চিনি কোলাজেন ও ইলাস্টিন (Elastin) কে ক্ষতিগ্রস্ত করে। মূলত এই দুইটি উপাদান ত্বককে সুস্থ, কোমল ও উজ্জ্বল রাখে। চিনির উপস্থিতিতে ক্ষতগ্রস্ত হওয়ার ফলে চেহারার উপরে বার্ধক্যের প্রভাব দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: তিনগুণ দ্রুততায় ওজন কমবে সহজ ‘একটি’ অভ্যাসে

আরও পড়ুন: দীর্ঘায়ু পাওয়া যাবে মাত্র দশ মিনিটেই

আপনার মতামত লিখুন :

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল
ফালাফেল

মধ্যপ্রাচ্যের সকাল ও বিকালের নাশতার অন্যতম একটি প্রচলিত খাবারের নাম হলো ফালাফেল।

নাম শুনে অনেকেই ভাববেন, এই খাবারটি সম্ভবত ফল দিয়ে তৈরি করা হয়। আদতে খাবারটি তৈরি হয় ছোলা কিংবা মটরশুঁটিতে। তেলে ভাজা বিভিন্ন মসলার সংমিশ্রণে তৈরি ফালাফেল ডুবো তেলে কড়া করে ভেজে দইয়ের রায়তার সাথে খেতে চমৎকার ভালো লাগে।

পরিচিত বড়া বা পেঁয়াজুর বাইরে নতুন ও হালকা কোন নাশতার খাবার খেতে চাইলে দেখে নিন ফালাফেল তৈরির রেসিপি।

ফালাফেল তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566653988942.JPG

১. এক কাপ শুকনো ছোলা।

২. একটি ছোট পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. এক চা চামচ রসুন কুঁচি।

৪. তিন টেবিল চামচ ধনিয়া পাতা কুঁচি।

৫. আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়া।

৬. এক চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া।

৭. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

৮. ১/৪ চা চামচ কালো গোলমরিচ গুঁড়া।

৯. এক টেবিল চামচ ময়দা।

১০. স্বাদমতো লবণ।

১১. ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল।

ফালাফেল যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566654005300.JPG

১. ছোলা ধুয়ে পরিষ্কার পানিতে সারারাতের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং সময় হলে পানি থেকে তুলে শুকিয়ে নিতে হবে এবং ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

২. এতে পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, ধনিয়া পাতা কুঁচি, জিরা গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া, কালো গোলমরিচ গুঁড়া ও ময়দা মেশাতে হবে। সাথে পরিমাণমতো লবণ ও লেবুর রস যোগ করতে হবে এবং ব্লেন্ড করতে হবে।

৩. ব্লেন্ড শেষে সকল উপাদান মিশে অমসৃণ ও অসূক্ষ্ম মিশ্রণ তৈরি হবে। এতে পানি যোগ করা যাবে না, তবে যদি ব্লেন্ড করতে সমস্যা হয় ১-৩ টেবিল চামচ পানি আলাদাভাবে যোগ করতে হবে।

৪. ফালাফেল মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে প্রয়োজন ও স্বাদ অনুযায়ী মসলা ও লবণ যোগ করতে হবে এবং হাতের সাহায্যে মাখিয়ে ছোট ছোট গোল ফালাফেল তৈরি করে নিতে হবে।

৫. এবারে কড়াইতে তেল গরম করে ফালাফেল দিয়ে দেখতে হবে তা ভেঙে যায় কিনা। যদি ভেঙে যায় তবে মিশ্রণের সাথে ময়দা যোগ করে এরপর ভাজতে হবে।

৬. ফালাফেল বাদামী-সোনালি হয় আসলে নামিয়ে নিয়ে দইয়ের রায়তা কিংবা ঘরে তৈরি পাতার চাটনির সাথে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?
কেএফসির ফ্রাইড চিকেন

গরম মুচমুচে কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের মতো মজাদার খাবার যেন আর হয় না।

অন্যান্য রেস্টুরেন্টের ফ্রাইড চিকেন যতই মজাদার হোক না কেন, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনে সবসময়ই ভিন্নতা বজায় থাকে। কিন্তু কেন কেএফসির চিকেন অন্যান্য রেস্টুরেন্টের চিকেনের চাইতে আলাদা ও ভিন্ন? এর প্রধান কারণ, মুরগির মাংস প্রস্তুতে মসলার ব্যবহার। ব্যতিক্রমী ও অন্য ধাঁচের মসলার নিয়ন্ত্রিত ও সঠিক ব্যবহারের ফলে, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের স্বাদ সহজেই আলাদা হয়ে ওঠে।

১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637051338.jpg

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী স্বাদ ঘরে বসে পেতে চাইলে, বিষয়টি খুব একটা সহজ হবে না। তবে কাছাকাছি স্বাদ তৈরি করা যেতে পারে ১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহারে। মসলাগুলো হলো-

১. ২/৩ টেবিল চামচ লবণ।

২. ৩ টেবিল চামচ সাদা গোলমরিচের গুঁড়া।

৩. ১ টেবিল চামচ কালো গোলমরিচের গুঁড়া।

৪. ১/২ টেবিল চামচ বাসিল।

৫. ১ টেবিল চামচ সেলেরি সল্ট।

৬. ১ টেবিল চামচ শুকনো সরিষা।

৭. ২ টেবিল চামচ গার্লিক সল্ট।

৮. ১ টেবিল চামচ আদা গুঁড়া।

৯. ১/৩ টেবিল চামচ অরিগানো।

১০. ৪ টেবিল চামচ প্যাপরিকা।

১১. ১/২ টেবিল চামচ থাইম।

চিকেন ফ্রাই করার কৌশল আছে কী?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637102106.jpg

ব্যাটার তৈরি করে মুরগির মাংসে মিশিয়ে তেলে গড়িয়ে নিলেই যদি কেএফসির চিকেন ফ্রাই হয়ে যেতো, তাহলে তো কথাই ছিল না। ফ্রাইড চিকেন তৈরির মসলা নয়, চিকেন ফ্রাই করার কৌশলেও থাকে ভিন্নতা। ফলে অন্যান্য ফ্রাইড চিকেনের তুলনায় কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ও চিকেন ক্রাস্ট হয় আলাদা। কয়েকটি কৌশল জেনে রাখুন।

দ্রুত ভেজে ফেলা

অনেকেই চিকেন ব্যাটার ও ময়দায় মাখিয়ে বেশ অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর তেলে ভাজেন। কিন্তু কেএফসির ক্ষেত্রে নিয়ম একেবারে উল্টো। ‘ফ্রম ফ্লাওয়ার টু ফ্রায়ার’ এই নীতিতে কাজ করে কেএফসি। অর্থাৎ ময়দায় মুরগির মাংস গড়িয়ে সরাসরি ফ্রায়ারে ছেড়ে দেওয়া। এতে করে বাইরের আবরণ অতিরিক্ত শক্তও হবে না আবার মুচমুচে থাকবে এবং ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার সময় সহজেই চিকেন থেকে খুলে আসবে।

ফ্রায়ারে ভিন্নতা

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের এক্সট্রা ক্রিস্পিভাব তৈরি করা হয় বিশেষ ইনডাস্ট্রিয়াল-স্ট্রেনথ প্রেশার ফ্রায়ার ব্যবহারে। কেএফসির মতো ফ্রায়ার ঘরে পাওয়া সম্ভব না হলেও, গভীর কোন পাত্রে ৩৫০-৩৬০ ডিগ্রীতে তেল গরম করে প্রতিটি মুরগির পিস ঘড়ি ধরে ১২ মিনিট ভাজলে কেএফসির কাছাকাছি ফ্রাইড চিকেন তৈরি করা সম্ভব হবে।

সাথে সাথেই না খাওয়া

কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ভাজার পর অন্তত বিশ মিনিট ১৭৫ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ওভেন সেটে রেখে দেওয়া হয়। এরপর এই ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। তেল থেকে ওঠানোর সাথে সাথে কেএফসির ফ্রাইড চিকেন পরিবেশন করা হয় না। ২০ মিনিট ওভেন সেটে রাখার ফলে মাংসের ভেতরের অংশ গরম থাকে এবং বাইরের অংশ থাকে মুচমুচে। এছাড়া মাংসে বাড়তি তেল থাকলে সেটাও ঝরে যায় সহজেই।

আরও পড়ুন: মাংসের ঝোলের ঘ্রানে কেএফসি’র সেন্টেড ক্যান্ডেল

আরও পড়ুন: কেএফসি যে কারণে নাম পরিবর্তন করেছিল!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র