Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

শিশুরা বড় হবে ‘মুজিব’কে পড়ে!

শিশুরা বড় হবে ‘মুজিব’কে পড়ে!
মুজিব গ্রাফিক নভেলের প্রচ্ছদ, ছবি: বার্তা২৪.কম
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

আমরা ছোট থেকে বড় হয়েছি ঠাকুরমার ঝুলি কিংবা রূপকথার গল্প পড়ে।

এর পাশাপাশি পড়ার সঙ্গী হিসেবে অনেকেই পেয়েছে ভিনদেশী সুপার হিরোদের গল্প। ভীষণ আকর্ষণীয় কল্প কাহিনীর টান টান উত্তেজনাময় গল্প পড়ে, সেই সকল গল্পের নায়ককে চিনেই এখনকার সময়ের বেশিরভাগ তরুণ প্রজন্মের বেড়ে ওঠা।

এই সকল গল্প খুব সূক্ষ্মভাবে হলেও ছোট শিশুদের মানসিক বিকাশের উপর প্রভাব ফেলে। তাদের চিন্তা-চেতনা, বুদ্ধিমত্তা, সঠিক-ভুলের পার্থক্য করতে পারার মতো মানসিক বিকাশের শুরুটা হয় ছেলেবেলায় পড়া বইগুলো থেকেই।

সেদিক থেকে ভাবলে বলতেই হয় বর্তমান প্রজন্ম অনেক বেশি ভাগ্যবান। কারণ এই সময়ের শিশুরা বেড়ে উঠবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনীর উপর তৈরি করা ‘মুজিব’ গ্রাফিক নভেল পড়ে। বঙ্গবন্ধুর জন্ম থেকে বেড়ে ওঠা, রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়া, দেশের নানান সময়ের রাজনৈতিক টানপোড়েনের সাক্ষী হওয়া ও তার কাজের প্রতিচ্ছবি গল্পচ্ছলে উঠে এসেছে এই বইগুলোতে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/26/1551176015569.jpg

বইমেলার বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনের ডান দিকে এগিয়ে পুনরায় হাতের বামে মোড় নিলেই দেখা ‘মুজিব’ নামের স্টল। শুধুমাত্র এই গ্রাফিক নভেলগুলো দিয়েই সাজানো হয়েছে নজরকাড়া স্টলটি। শুধু তাই নয়, স্টলটির একপাশে অনেকখানি জায়গা জুড়ে মুজিবের ছবি দিয়ে সাজানো। আগ্রহী দর্শনার্থী ও ক্রেতারা স্টলে এসে বই কেনার পাশাপাশি ছবিও তুলছেন। এমনকি স্টলের বাইরে গ্রাফিক মুজিবের থ্রি-ডি প্রতিকৃতিও রাখা হয়েছে ছবি তোলার জন্য।

সিআরআই (সেন্টার ফর রিসার্চ এন্ড ইনফরমেশন) এর প্রোগ্রাম ইয়াং বাংলা থেকে এই গ্রাফিক নভেলগুলো প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ১২টি ধাপ হবে সম্পূর্ণ গ্রাফিক নভেলটির। তবে বইমেলাতে বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে ৫টি গ্রাফিক নভেল।

ইয়াং বাংলার সিআরআই এসিস্টেন্ট প্রোগ্রাম অফিসার, হোসেন নাবিল এর সঙ্গে কথা হলে জানালেন, মুজিব গ্রাফিক নভেলের প্রতি সকল বয়সী ক্রেতাদের মাঝেই আগ্রহ রয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/26/1551176037987.jpg

বার্তা২৪ কে তিনি বলেন, ‘যারা বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীটি পড়েছেন তারা নিজেদের সংগ্রহে রাখার জন্যে এই গ্রাফিক নভেলটি কিনে নিচ্ছেন। আবার অনেক বাবা-মা তার সন্তানদের জন্য কিনছেন। অনেকে আবার ছোট শিশুদের স্টলে এনে ছবি দেখিয়ে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে মুজিব এর সঙ্গে। এরপর বই কিনে দিচ্ছেন। সত্যি বলতে গ্রাফিক নভেলে বঙ্গবন্ধুকে তুলে ধরায় সবার মাঝেই আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এছাড়া বিগত বছরগুলোতে যারা মুজিব নভেলের আগের পর্বগুলো কিনেছেন, তারা এসে নতুন পর্বের খোঁজ করছেন। আরও পর্ব কবে আসবে জানতে চাচ্ছেন। খুব ভালো লাগে বিষয়টা’।

কথা বলার মাঝেই বেশ কয়েকজন ক্রেতা ভিড় জমালে হোসেন নাবিল ব্যস্ত হয়ে পড়েন ক্রেতাদের সামলাতে। এর মাঝে কথা হয় একজন ক্রেতার সঙ্গে। আফসানা আহমদ তার পাঁচ বছরের মেয়ে রাইসা আহমদকে নিয়ে বইমেলায় এসেছেন আজ তৃতীয়বারের মতো। ছোটদের বইয়ের পাশাপাশি তিনি মেয়ের জন্য মুজিব গ্রাফিক নভেলও কিনতে এসেছেন। জানালেন, এর আগেও তিনি মেয়ের জন্য এই নভেলের অন্য পর্বগুলো কিনেছেন। মুজিব গ্রাফিক নভেলের একটি বই হাতে ধরেই বললেন, ‘আমাদের বাচ্চাগুলো মুজিবকে পড়ে বড় হবে। বিষয়টা ভাবতেও ভালো লাগে’।

বইমেলার কিন্তু মোটে আর দুই দিন বাকি রয়েছে। নিজের জন্য তো বটেই, পরিবারের ছোট সদস্যদের জন্যেও কিনে ফেলতে পারেন চমৎকার মুজিব গ্রাফিক নভেল। বাংলা ও ইংলিশ উভয় ভাষাতেই পাওয়া যাবে এই বইগুলো।

আরও পড়ুন: কল্পনার জীবন্ত বই পাওয়া যাচ্ছে বাস্তবেই!

আরও পড়ুন: আদিবাসী ম্রো ভাষায় প্রথম রূপকথার বই

আপনার মতামত লিখুন :

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল
ফালাফেল

মধ্যপ্রাচ্যের সকাল ও বিকালের নাশতার অন্যতম একটি প্রচলিত খাবারের নাম হলো ফালাফেল।

নাম শুনে অনেকেই ভাববেন, এই খাবারটি সম্ভবত ফল দিয়ে তৈরি করা হয়। আদতে খাবারটি তৈরি হয় ছোলা কিংবা মটরশুঁটিতে। তেলে ভাজা বিভিন্ন মসলার সংমিশ্রণে তৈরি ফালাফেল ডুবো তেলে কড়া করে ভেজে দইয়ের রায়তার সাথে খেতে চমৎকার ভালো লাগে।

পরিচিত বড়া বা পেঁয়াজুর বাইরে নতুন ও হালকা কোন নাশতার খাবার খেতে চাইলে দেখে নিন ফালাফেল তৈরির রেসিপি।

ফালাফেল তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566653988942.JPG

১. এক কাপ শুকনো ছোলা।

২. একটি ছোট পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. এক চা চামচ রসুন কুঁচি।

৪. তিন টেবিল চামচ ধনিয়া পাতা কুঁচি।

৫. আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়া।

৬. এক চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া।

৭. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

৮. ১/৪ চা চামচ কালো গোলমরিচ গুঁড়া।

৯. এক টেবিল চামচ ময়দা।

১০. স্বাদমতো লবণ।

১১. ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল।

ফালাফেল যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566654005300.JPG

১. ছোলা ধুয়ে পরিষ্কার পানিতে সারারাতের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং সময় হলে পানি থেকে তুলে শুকিয়ে নিতে হবে এবং ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

২. এতে পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, ধনিয়া পাতা কুঁচি, জিরা গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া, কালো গোলমরিচ গুঁড়া ও ময়দা মেশাতে হবে। সাথে পরিমাণমতো লবণ ও লেবুর রস যোগ করতে হবে এবং ব্লেন্ড করতে হবে।

৩. ব্লেন্ড শেষে সকল উপাদান মিশে অমসৃণ ও অসূক্ষ্ম মিশ্রণ তৈরি হবে। এতে পানি যোগ করা যাবে না, তবে যদি ব্লেন্ড করতে সমস্যা হয় ১-৩ টেবিল চামচ পানি আলাদাভাবে যোগ করতে হবে।

৪. ফালাফেল মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে প্রয়োজন ও স্বাদ অনুযায়ী মসলা ও লবণ যোগ করতে হবে এবং হাতের সাহায্যে মাখিয়ে ছোট ছোট গোল ফালাফেল তৈরি করে নিতে হবে।

৫. এবারে কড়াইতে তেল গরম করে ফালাফেল দিয়ে দেখতে হবে তা ভেঙে যায় কিনা। যদি ভেঙে যায় তবে মিশ্রণের সাথে ময়দা যোগ করে এরপর ভাজতে হবে।

৬. ফালাফেল বাদামী-সোনালি হয় আসলে নামিয়ে নিয়ে দইয়ের রায়তা কিংবা ঘরে তৈরি পাতার চাটনির সাথে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?
কেএফসির ফ্রাইড চিকেন

গরম মুচমুচে কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের মতো মজাদার খাবার যেন আর হয় না।

অন্যান্য রেস্টুরেন্টের ফ্রাইড চিকেন যতই মজাদার হোক না কেন, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনে সবসময়ই ভিন্নতা বজায় থাকে। কিন্তু কেন কেএফসির চিকেন অন্যান্য রেস্টুরেন্টের চিকেনের চাইতে আলাদা ও ভিন্ন? এর প্রধান কারণ, মুরগির মাংস প্রস্তুতে মসলার ব্যবহার। ব্যতিক্রমী ও অন্য ধাঁচের মসলার নিয়ন্ত্রিত ও সঠিক ব্যবহারের ফলে, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের স্বাদ সহজেই আলাদা হয়ে ওঠে।

১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637051338.jpg

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী স্বাদ ঘরে বসে পেতে চাইলে, বিষয়টি খুব একটা সহজ হবে না। তবে কাছাকাছি স্বাদ তৈরি করা যেতে পারে ১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহারে। মসলাগুলো হলো-

১. ২/৩ টেবিল চামচ লবণ।

২. ৩ টেবিল চামচ সাদা গোলমরিচের গুঁড়া।

৩. ১ টেবিল চামচ কালো গোলমরিচের গুঁড়া।

৪. ১/২ টেবিল চামচ বাসিল।

৫. ১ টেবিল চামচ সেলেরি সল্ট।

৬. ১ টেবিল চামচ শুকনো সরিষা।

৭. ২ টেবিল চামচ গার্লিক সল্ট।

৮. ১ টেবিল চামচ আদা গুঁড়া।

৯. ১/৩ টেবিল চামচ অরিগানো।

১০. ৪ টেবিল চামচ প্যাপরিকা।

১১. ১/২ টেবিল চামচ থাইম।

চিকেন ফ্রাই করার কৌশল আছে কী?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637102106.jpg

ব্যাটার তৈরি করে মুরগির মাংসে মিশিয়ে তেলে গড়িয়ে নিলেই যদি কেএফসির চিকেন ফ্রাই হয়ে যেতো, তাহলে তো কথাই ছিল না। ফ্রাইড চিকেন তৈরির মসলা নয়, চিকেন ফ্রাই করার কৌশলেও থাকে ভিন্নতা। ফলে অন্যান্য ফ্রাইড চিকেনের তুলনায় কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ও চিকেন ক্রাস্ট হয় আলাদা। কয়েকটি কৌশল জেনে রাখুন।

দ্রুত ভেজে ফেলা

অনেকেই চিকেন ব্যাটার ও ময়দায় মাখিয়ে বেশ অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর তেলে ভাজেন। কিন্তু কেএফসির ক্ষেত্রে নিয়ম একেবারে উল্টো। ‘ফ্রম ফ্লাওয়ার টু ফ্রায়ার’ এই নীতিতে কাজ করে কেএফসি। অর্থাৎ ময়দায় মুরগির মাংস গড়িয়ে সরাসরি ফ্রায়ারে ছেড়ে দেওয়া। এতে করে বাইরের আবরণ অতিরিক্ত শক্তও হবে না আবার মুচমুচে থাকবে এবং ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার সময় সহজেই চিকেন থেকে খুলে আসবে।

ফ্রায়ারে ভিন্নতা

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের এক্সট্রা ক্রিস্পিভাব তৈরি করা হয় বিশেষ ইনডাস্ট্রিয়াল-স্ট্রেনথ প্রেশার ফ্রায়ার ব্যবহারে। কেএফসির মতো ফ্রায়ার ঘরে পাওয়া সম্ভব না হলেও, গভীর কোন পাত্রে ৩৫০-৩৬০ ডিগ্রীতে তেল গরম করে প্রতিটি মুরগির পিস ঘড়ি ধরে ১২ মিনিট ভাজলে কেএফসির কাছাকাছি ফ্রাইড চিকেন তৈরি করা সম্ভব হবে।

সাথে সাথেই না খাওয়া

কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ভাজার পর অন্তত বিশ মিনিট ১৭৫ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ওভেন সেটে রেখে দেওয়া হয়। এরপর এই ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। তেল থেকে ওঠানোর সাথে সাথে কেএফসির ফ্রাইড চিকেন পরিবেশন করা হয় না। ২০ মিনিট ওভেন সেটে রাখার ফলে মাংসের ভেতরের অংশ গরম থাকে এবং বাইরের অংশ থাকে মুচমুচে। এছাড়া মাংসে বাড়তি তেল থাকলে সেটাও ঝরে যায় সহজেই।

আরও পড়ুন: মাংসের ঝোলের ঘ্রানে কেএফসি’র সেন্টেড ক্যান্ডেল

আরও পড়ুন: কেএফসি যে কারণে নাম পরিবর্তন করেছিল!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র