Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

আদিবাসী ম্রো ভাষায় প্রথম রূপকথার বই

আদিবাসী ম্রো ভাষায় প্রথম রূপকথার বই
ছবি: বার্তা২৪.কম
এস এস আল আরেফিন
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

মাতৃভাষা, মায়ের মুখের ভাষা। যে ভাষাতে শিশুর কথা বলতে শেখা, পড়তে শেখা।

জাতি হিসেবে বড্ড ভাগ্যবান আমরা। জন্মের পর যে ভাষাতে মা বলে ডাকি,সেই ভাষাতেই পড়ি। পড়ি পাঠ্যবই কিংবা কোন গল্প, উপন্যাস বা রূপকথার বই৷ মাতৃভাষার চাইতে মধুর কোন ভাষা যে হতেই পারে না।

কিন্তু যে দেশের মানুষ রক্ত দিয়ে ভাষা অর্জন করেছে, সেই দেশে বাস করা কিছু মানুষ তাদের মায়ের ভাষায় কথা বললেও, পায়না মাতৃভাষায় বই পড়ার আনন্দ।

ম্রো বা মুরং সম্প্রদায় বাংলাদেশের আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষুদ্র একটি সম্প্রদায়। অন্যান্য আদিবাসী সম্প্রদায়গুলোর তুলনায় পিছিয়ে থাকা এই সম্প্রদায়টির জন্য অন্যরকম এক অনুভুতি নিয়ে এবারের গ্রন্থ মেলায় হাজির হয়েছে বিদ্যানন্দ প্রকাশনী।

প্রথমবারের মত বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের বিদ্যানন্দ প্রকাশনী প্রকাশ করেছে আদিবাসী সম্প্রদায় মুরং এর নিজস্ব ভাষায় রচিত বই ‘ম্রো রূপকথা’। এটিই ম্রো ভাষায় প্রকাশিত প্রথম কোন গল্পের বই।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/21/1550725595248.jpg

বইটির রচয়িতা ইয়াংঙান ম্রো। বইটি প্রকাশের করার কারণ সম্পর্কে বইটির প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান বিদ্যানন্দ প্রকাশনীর প্রতিনিধি সালমান খান ইয়াসিন বলেন, ‘পার্বত্য অঞ্চলে আমাদের প্রতিষ্ঠানের এতিমখানায় অনেক আদিবাসী শিশু থাকে। এবারের মাতৃভাষা দিবসে তাদের ভিন্নরকম এক উপহার দিতেই আমাদের এই উদ্যোগ’।

ভবিষ্যতে আদিবাসীদের জন্য এমন আরো বই প্রকাশ করতে চাইলেও আদিবাসীদের ভাষার লেখক খুঁজে পাওয়া বেশ কষ্টকর বলেও জানান ইয়াসিন।

গত বছরের ডিসেম্বরে প্রকাশ হওয়া এই বইটি প্রতিদিন গড়ে ১২-১৫টি বিক্রি হচ্ছে বলে জানান একুশে গ্রন্থমেলার ১টাকার আহার (বিক্রেতাহীন স্টল) স্টলের স্বেচ্ছাসেবক আরিফ মাহাদি। তিনি বলেন, ‘বই গুলো মূলত সাধারণ বাঙালীরাই কিনছে বেশী। প্রচার কম থাকায় ঢাকায় অবস্থানরত আদিবাসীরা তেমন কেউ না জানার কারণে কিনছে না’।

ম্রো আদিবাসীদের জনজীবনে প্রচলিত বিশ্বাস, রূপক, রীতিনীতি এইসব নিয়েই লেখা হয়েছে গল্পের বই 'ম্রো রূপকথা'। দুই ভাষাভাষীর জনগোষ্ঠী যাতে একই বই পড়তে পারে, সেজন্য এই গল্পের বইটি একই সাথে বাংলা ভাষা ও ম্রো ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/21/1550725614240.jpg

১ টাকার আহার স্টলের সামনে এসেই কোন কথা ছাড়াই ‘ম্রো রূপকথা’ বই টি হাতে তুলে নেন স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক ওয়াসি আহম্মেদ। এতো বইয়ের মাঝে কেন এই বইটি তিনি কিনছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলো অনেকটাই অবহেলিত। তেমনিভাবে তাদের ভাষা, সংস্কৃতিও পিছিয়ে রয়েছে অনেকটা। এই বইয়ের মাধ্যমে আমরা যেমন তাদের কথা, তাদের ভাষা, তাদের সংস্কৃতি জানতে পারবো তেমন তাদের ভাষা, সংস্কৃতিও পেল এক অনন্য মাইলফলক’।

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন এই বইটি বাংলাদেশের মুরং সম্প্রোদায়ের সকলের কাছে বিনামূল্যে পৌছে দিতে চালিয়ে যাচ্ছে ফেসবুক ভিত্তিক প্রচারণা। ইতোমধ্যে, তারা তাদের আদিবাসী এতিমখানার শিশুদের মাঝে পৌছে দিয়েছে মাতৃভাষা দিবসের অনন্য এই উপহার।

আরো পড়ুন: পাখির চোখে ভিন্নমাত্রায় দৃষ্টিনন্দন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আরো পড়ুন: বাংলাদেশের আতিথেয়তায় মুগ্ধ ‘ফুড রেঞ্জার’

আপনার মতামত লিখুন :

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল

নাশতার নতুনত্বে ফালাফেল
ফালাফেল

মধ্যপ্রাচ্যের সকাল ও বিকালের নাশতার অন্যতম একটি প্রচলিত খাবারের নাম হলো ফালাফেল।

নাম শুনে অনেকেই ভাববেন, এই খাবারটি সম্ভবত ফল দিয়ে তৈরি করা হয়। আদতে খাবারটি তৈরি হয় ছোলা কিংবা মটরশুঁটিতে। তেলে ভাজা বিভিন্ন মসলার সংমিশ্রণে তৈরি ফালাফেল ডুবো তেলে কড়া করে ভেজে দইয়ের রায়তার সাথে খেতে চমৎকার ভালো লাগে।

পরিচিত বড়া বা পেঁয়াজুর বাইরে নতুন ও হালকা কোন নাশতার খাবার খেতে চাইলে দেখে নিন ফালাফেল তৈরির রেসিপি।

ফালাফেল তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566653988942.JPG

১. এক কাপ শুকনো ছোলা।

২. একটি ছোট পেঁয়াজ কুঁচি।

৩. এক চা চামচ রসুন কুঁচি।

৪. তিন টেবিল চামচ ধনিয়া পাতা কুঁচি।

৫. আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়া।

৬. এক চা চামচ ধনিয়া গুঁড়া।

৭. এক চা চামচ জিরা গুঁড়া।

৮. ১/৪ চা চামচ কালো গোলমরিচ গুঁড়া।

৯. এক টেবিল চামচ ময়দা।

১০. স্বাদমতো লবণ।

১১. ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল।

ফালাফেল যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566654005300.JPG

১. ছোলা ধুয়ে পরিষ্কার পানিতে সারারাতের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে এবং সময় হলে পানি থেকে তুলে শুকিয়ে নিতে হবে এবং ব্লেন্ড করে নিতে হবে।

২. এতে পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, ধনিয়া পাতা কুঁচি, জিরা গুঁড়া, ধনিয়া গুঁড়া, কালো গোলমরিচ গুঁড়া ও ময়দা মেশাতে হবে। সাথে পরিমাণমতো লবণ ও লেবুর রস যোগ করতে হবে এবং ব্লেন্ড করতে হবে।

৩. ব্লেন্ড শেষে সকল উপাদান মিশে অমসৃণ ও অসূক্ষ্ম মিশ্রণ তৈরি হবে। এতে পানি যোগ করা যাবে না, তবে যদি ব্লেন্ড করতে সমস্যা হয় ১-৩ টেবিল চামচ পানি আলাদাভাবে যোগ করতে হবে।

৪. ফালাফেল মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেলে বাটিতে ঢেলে প্রয়োজন ও স্বাদ অনুযায়ী মসলা ও লবণ যোগ করতে হবে এবং হাতের সাহায্যে মাখিয়ে ছোট ছোট গোল ফালাফেল তৈরি করে নিতে হবে।

৫. এবারে কড়াইতে তেল গরম করে ফালাফেল দিয়ে দেখতে হবে তা ভেঙে যায় কিনা। যদি ভেঙে যায় তবে মিশ্রণের সাথে ময়দা যোগ করে এরপর ভাজতে হবে।

৬. ফালাফেল বাদামী-সোনালি হয় আসলে নামিয়ে নিয়ে দইয়ের রায়তা কিংবা ঘরে তৈরি পাতার চাটনির সাথে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?

কেন কেএফসির ফ্রাইড চিকেন সবচেয়ে আলাদা?
কেএফসির ফ্রাইড চিকেন

গরম মুচমুচে কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের মতো মজাদার খাবার যেন আর হয় না।

অন্যান্য রেস্টুরেন্টের ফ্রাইড চিকেন যতই মজাদার হোক না কেন, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনে সবসময়ই ভিন্নতা বজায় থাকে। কিন্তু কেন কেএফসির চিকেন অন্যান্য রেস্টুরেন্টের চিকেনের চাইতে আলাদা ও ভিন্ন? এর প্রধান কারণ, মুরগির মাংস প্রস্তুতে মসলার ব্যবহার। ব্যতিক্রমী ও অন্য ধাঁচের মসলার নিয়ন্ত্রিত ও সঠিক ব্যবহারের ফলে, কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের স্বাদ সহজেই আলাদা হয়ে ওঠে।

১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637051338.jpg

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী স্বাদ ঘরে বসে পেতে চাইলে, বিষয়টি খুব একটা সহজ হবে না। তবে কাছাকাছি স্বাদ তৈরি করা যেতে পারে ১১টি বিশেষ মসলার ব্যবহারে। মসলাগুলো হলো-

১. ২/৩ টেবিল চামচ লবণ।

২. ৩ টেবিল চামচ সাদা গোলমরিচের গুঁড়া।

৩. ১ টেবিল চামচ কালো গোলমরিচের গুঁড়া।

৪. ১/২ টেবিল চামচ বাসিল।

৫. ১ টেবিল চামচ সেলেরি সল্ট।

৬. ১ টেবিল চামচ শুকনো সরিষা।

৭. ২ টেবিল চামচ গার্লিক সল্ট।

৮. ১ টেবিল চামচ আদা গুঁড়া।

৯. ১/৩ টেবিল চামচ অরিগানো।

১০. ৪ টেবিল চামচ প্যাপরিকা।

১১. ১/২ টেবিল চামচ থাইম।

চিকেন ফ্রাই করার কৌশল আছে কী?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566637102106.jpg

ব্যাটার তৈরি করে মুরগির মাংসে মিশিয়ে তেলে গড়িয়ে নিলেই যদি কেএফসির চিকেন ফ্রাই হয়ে যেতো, তাহলে তো কথাই ছিল না। ফ্রাইড চিকেন তৈরির মসলা নয়, চিকেন ফ্রাই করার কৌশলেও থাকে ভিন্নতা। ফলে অন্যান্য ফ্রাইড চিকেনের তুলনায় কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ও চিকেন ক্রাস্ট হয় আলাদা। কয়েকটি কৌশল জেনে রাখুন।

দ্রুত ভেজে ফেলা

অনেকেই চিকেন ব্যাটার ও ময়দায় মাখিয়ে বেশ অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর তেলে ভাজেন। কিন্তু কেএফসির ক্ষেত্রে নিয়ম একেবারে উল্টো। ‘ফ্রম ফ্লাওয়ার টু ফ্রায়ার’ এই নীতিতে কাজ করে কেএফসি। অর্থাৎ ময়দায় মুরগির মাংস গড়িয়ে সরাসরি ফ্রায়ারে ছেড়ে দেওয়া। এতে করে বাইরের আবরণ অতিরিক্ত শক্তও হবে না আবার মুচমুচে থাকবে এবং ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার সময় সহজেই চিকেন থেকে খুলে আসবে।

ফ্রায়ারে ভিন্নতা

কেএফসির ফ্রাইড চিকেনের এক্সট্রা ক্রিস্পিভাব তৈরি করা হয় বিশেষ ইনডাস্ট্রিয়াল-স্ট্রেনথ প্রেশার ফ্রায়ার ব্যবহারে। কেএফসির মতো ফ্রায়ার ঘরে পাওয়া সম্ভব না হলেও, গভীর কোন পাত্রে ৩৫০-৩৬০ ডিগ্রীতে তেল গরম করে প্রতিটি মুরগির পিস ঘড়ি ধরে ১২ মিনিট ভাজলে কেএফসির কাছাকাছি ফ্রাইড চিকেন তৈরি করা সম্ভব হবে।

সাথে সাথেই না খাওয়া

কেএফসির ফ্রাইড চিকেন ভাজার পর অন্তত বিশ মিনিট ১৭৫ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ওভেন সেটে রেখে দেওয়া হয়। এরপর এই ফ্রাইড চিকেন খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। তেল থেকে ওঠানোর সাথে সাথে কেএফসির ফ্রাইড চিকেন পরিবেশন করা হয় না। ২০ মিনিট ওভেন সেটে রাখার ফলে মাংসের ভেতরের অংশ গরম থাকে এবং বাইরের অংশ থাকে মুচমুচে। এছাড়া মাংসে বাড়তি তেল থাকলে সেটাও ঝরে যায় সহজেই।

আরও পড়ুন: মাংসের ঝোলের ঘ্রানে কেএফসি’র সেন্টেড ক্যান্ডেল

আরও পড়ুন: কেএফসি যে কারণে নাম পরিবর্তন করেছিল!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র