Alexa

অ্যালার্জির সমস্যা কমবে এই খাবারগুলোতে!

অ্যালার্জির সমস্যা কমবে এই খাবারগুলোতে!

ছবি: বার্তা২৪.কম

অ্যালার্জির সমস্যাটি মানুষভেদে বিভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে। ডাস্ট অ্যালার্জি, কোল্ড অ্যালার্জি, সান অ্যালার্জি, ফুড অ্যালার্জি কিংবা সিজনাল অ্যালার্জির সমস্যাসহ নানান ধরণের অ্যালার্জির প্রকোপ দেখা দিয়ে থাকে। বিশেষত আবহাওয়া বদলের এই সময়ে সিজনাল অ্যালার্জির সমস্যাটি বেশি দেখা দিতে থাকে।

চোখ চুলকানো, হাঁচি, কাশি, কফ, নাক দিয়ে পানি পড়া এবং ক্ষেত্র বিশেষে উচ্চ তাপমাত্রার জ্বরও দেখা দিতে পারে অ্যালার্জির প্রকোপ বেড়ে গেলে। অ্যালার্জির সমস্যাটি কমাতে চাইলে প্রয়োজন প্রাকৃতিক অ্যান্টিহিস্টামিন ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি যুক্ত উপকারী কিছু খাদ্য উপাদান। জেনে রাখুন অ্যালার্জির সমস্যায় কোন খাবারগুলো অ্যালার্জির প্রকোপ কমাতে ও সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে।

আনারস

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/05/1549346008426.jpg

অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি প্রভাবের বিশেষ এনজাইম, ব্রোমেলাইন (Bromelain) পাওয়া যায় আনারসে। যা নাসারন্ধ্রের প্রদাহ ও নাকের পানি পড়ার সমস্যাটিকে কমাতে কাজ করে। এছাড়া শ্বাসকষ্টের সমস্যায় আনারস আরাম প্রদান করে।

পেঁয়াজ

পর্যাপ্ত পরিমাণ ফ্ল্যাভনয়েডযুক্ত কোয়েরসেটিন (Quercetin) ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায়, পেঁয়াজ প্রাকৃতিক অ্যান্টিহিস্টামিন হিসেবে কাজ করে। কোয়েরসেটিন ঠান্ডার সমস্যা তৈরিতে বাধাদান করে এবং হিস্টামিন নিঃসৃত করে। যার ফলে শরীরে অ্যালার্জির প্রভাব দেখা দেওয়া কমে যায়। পেঁয়াজ ব্যতীত কোয়েরসেটিনের অন্যান্য উৎকৃষ্ট উৎস হলো আপেল, বেরি, ধনিয়া পাতা প্রভৃতি।

ব্রকলি

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/05/1549345992793.jpg

কলিফ্লাওয়ার ঘরানার সবুজ সবজিতে থাকে প্রচুর পরিমাণ সালফরাফেন (Sulforaphane), যা এক ধরণের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। উপকারী এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্টটি প্রদাহের বিরুদ্ধে কাজ করে। ফলে অ্যালার্জি, অ্যালার্জিজনিত সমস্যা ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা কমাতে কাজ করে। লস অ্যাঞ্জেলেসে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষণার তথ্য থেকে জানা যায়, এক কাপ পরিমাণ ব্রকলি প্রায় ১০০-২০০ জীবাণু ধ্বংস করে ও অ্যালার্জির প্রকোপ কমায়।

সাইট্রাস ঘরানার ফল

কমলালেবু, জাম্বুরা কিংবা লেবু হলো সাইট্রাস ঘরানার ফল। এই সকল ফলে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভনয়েড কোয়েরসেটিন থাকে। যা নাকের পানি পড়ার সমস্যা ও ঠাণ্ডাজনিত লক্ষণ কমাতে কাজ করে।

বিশুদ্ধ মধু

দোকানে যে সকল চিনিযুক্ত মধু পাওয়া যায়, সেই মধু নয়। একেবারে বিশুদ্ধ মধু ম্যাজিকের মতো কাজ করে অ্যালার্জির সমস্যা কমাতে। বিশেষত সিজনাল অ্যালার্জির ক্ষেত্রে পোলেন অ্যালার্জির সমস্যাটি বেশি দেখা দেয়। প্রায় ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে পোলেন অ্যালার্জিতে মধু কার্যকরি। ঠাণ্ডাজনিত অ্যালার্জির ক্ষেত্রে গরম পানিতে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: সময় এখন কমলালেবুর!

আরও পড়ুন: এই শীতে ডায়বেটিস থাকুক নিয়ন্ত্রণে

আপনার মতামত লিখুন :