Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সিলেট বিভাগে জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা

সিলেট বিভাগে জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা
জাতীয় পার্টির লোগো, ছবি: সংগৃহীত
সেরাজুল ইসলাম সিরাজ
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট


  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটগতভাবে কিছু আসনে, অথবা ৩শ’ আসনেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছে জাতীয় পার্টি। এর অংশ হিসেবে ৩শ’ আসনের খসড়া প্রার্থী তালিকা করা হয়েছে। বার্তা২৪.কম এর পাঠকদের জন্য এবার থাকছে সিলেট বিভাগের ১৯ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা।

সিলেট জেলা
শাহজালালের পূণ্যভূমি সিলেটের সদর আসন যে দল জেতে তারাই সরকার গঠন করে। বিষয়টি কাকতালীয় কিংবা যাই হোক, দীর্ঘদিন ধরেই এমনটাই হয়ে আসছে। মর্যাদাপূর্ণ এই আসনে নির্বাচন করার জন্য জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ অনেক আগেই ঘোষণা দিয়েছেন। রংপুরের পরে সিলেট অঞ্চলকে জাতীয় পার্টির জন্য উর্বর ভূমি মনে করা হয়। সে কারণে এরশাদ নিজে এই চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত।

এরশাদের পাশাপাশি সিলেট-১ আসনে বাবরুল হোসেন বাবুল, মাহবুবুর রহমান ও সৈয়দ আহমদ আলীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সিলেট-২ আসনে বর্তমান এমপি ইয়াহিয়া চৌধুরী, সিলেট-৩ আতাউর রহমান আতা, উসমান আলী চেয়ারম্যান, হাজী তোফায়েল আহমেদ ও অ্যাড. কাইয়ুম, সিলেট-৪ প্রেসিডিয়াম সদস্য এটিইউ তাজ রহমান, সিলেট-৫ বর্তমান এমপি সেলিম উদ্দিন, সাইফুদ্দিন খালেদ ও সাব্বির আহমেদ, সিলেট-৬ আসনেও সেলিম উদ্দিন, এটিইউ তাজ রহমান ও আতাউর রহমান আতাকে অগ্রাধিকার তালিকায় রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঢাকা বিভাগে জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা

মৌলভীবাজার জেলা
এই জেলার ৪টি আসনে মাত্র একজন করে প্রার্থী খসড়া তালিকায় দেখা গেছে। মৌলভীবাজার-১ আসনে আহমেদ রিয়াজ, মৌলভীবাজার-২ অ্যাড. মাহবুবুল আমীন শামীম, মৌলভীবাজার-৩ মো. শাহাবুদ্দিন, মৌলভীবাজার-৪ আসনে কামাল আহমেদ।

সুনামগঞ্জ জেলা
হাওড় অধ্যুষিত এই জেলায় ৫টি আসনের মধ্যে বর্তমান সংসদে জাতীয় পার্টির ১ জন এমপি রয়েছে। খসড়া তালিকায় সুনামগঞ্জ-১ আসনে সাধন বাবু, সুনামগঞ্জ-২ জামিল চৌধুরী ও জাহিদ আলী, সুনামগঞ্জ-৩ অ্যাড. শাহিন, নুরুল ইসলাম ও সাজ্জাদ হোসেন, সুনামগঞ্জ-৪ আসনে বর্তমান এমপি পীর ফজলুর রহমান বাবুর বিষয়টি অনেকটাই নিশ্চিত বলা যায়। সুনামগঞ্জ-৫ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় রয়েছে ৬ জনের নাম। তারা হলেন জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল মজিদ, রুহুল আমিন, আনম কনা মিয়া ও হুমায়ুন কবীর মাহফুজ।

হবিগঞ্জ জেলা
জেলায় মোট ৪টি সংসদীয় আসন। বর্তমান সংসদে জাতীয় পার্টির এমপি রয়েছেন একজন। হবিগঞ্জ-১ আসনে বর্তমান এমপি আব্দুল মুনিম চৌধুরী বাবু ও আব্দুল হামিদ চৌধুরী, হবিগঞ্জ-২ খায়রুল আলম এলএলবি, বাবু শংকর পাল ও অ্যাড. সাদিকুর মিয়া তালুকদার, হবিগঞ্জ-৩ প্রেসিডিয়াম সদস্য আতিকুর রহমান আতিক ও এমএ মনিম চৌধুরী বুলবুল, হবিগঞ্জ-৪ আসনে আতিকুর রহমান আতিক অথবা ইসলামী ফ্রন্টের অধ্যক্ষ মাওলানা আলী মোহাম্মদ চৌধুরী।

অন্য বিভাগের খসড়া তালিকা জানতে চোখ রাখুন বার্তা২৪.কমে

আপনার মতামত লিখুন :

রুশেমা বেগমের আসনে উপ-নির্বাচন ১৮ আগস্ট

রুশেমা বেগমের আসনে উপ-নির্বাচন ১৮ আগস্ট
রুশেমা বেগম, ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রুশেমা বেগমের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া আসনে উপ-নির্বাচন হবে আগামী ১৮ আগস্ট। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এ বিষয়ে ইসির যুগ্ম সচিব এসএম আসাদুজ্জামান জানান, এই নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৫ জুলাই, বাছাই ২৮ জুলাই, প্রত্যাহারের শেষ সময় ১ আগস্ট এবং ভোটগ্রহণ করা হবে ১৮ আগস্ট।

নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইসির যুগ্ম সচিব ও জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন্স) মো. আবদুল বাতেন।

প্রসঙ্গত, গত ১০ জুলাই রুশেমা বেগম মারা যান। এরপর দিন ১১ জুলাই এ আসন শূন্য করে গেজেট প্রকাশ করে সংসদ সচিবালয়। পরে ১৬ জুলাই নির্বাচন কমিশনে এ সংক্রান্ত গেজেট পাঠায় সংসদ সচিবালয়।

আরও পড়ুন: সংরক্ষিত নারী এমপি রুশেমার মৃত্যু

আরও পড়ুন: রুশেমার মৃত্যুতে স্মৃতিকাতর প্রধানমন্ত্রী

৮ দলের জরিমানা, ৩৮ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

৮ দলের জরিমানা, ৩৮ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
ছবি: বার্তা২৪.কম

একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর ছয় মাস পার হলেও নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি আটটি দল ও ৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী। এদের মধ্যে আট দলকে জরিমানা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আর প্রার্থীদের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়। আর এ নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন প্রায় এক হাজার ৮৫০ জন। ভোটের পর ১ জানুয়ারি নির্বাচিতদের নাম-ঠিকানাসহ গেজেট প্রকাশ করে কমিশন। গেজেট প্রকাশের পর ৩০ দিনের মধ্যে প্রার্থীদের এবং ৯০ দিনের মধ্যে দলের নির্বাচনী খরচের হিসাব ইসিতে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

সেই হিসাবে প্রার্থীদের ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার সময় শেষ হয়েছে ৩১ জানুয়ারি। আর দলের ক্ষেত্রে সেই সময় শেষ হয় এপ্রিলে। এর মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নির্দিষ্ট সময়ে দলীয় হিসাব ইসিতে জমা দেয়। বাকি ৩৮টি দলকে ৯ জুনের মধ্যে হিসাব জমা দিতে সতর্কীকরণ নোটিশ দেয় ইসি। ওই চিঠির পর ৩০টি দল বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে হিসাব জমা দেয়। আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের পরবর্তী নির্ধারিত সময়ে তা না দিলে দলগুলোকে সতর্ক করে এক মাসের মধ্যে হিসাব দিতে নোটিশ দেওয়া হয়।

সবমিলিয়ে আটটি দল ও ৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসাব জমা দেয়নি।

এদিকে নোটিশের পরও হিসাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী আট দলকে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর ৪৪ সিসিসি (৫) অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে হিসাব জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) দলগুলোকে এ নির্দেশনা সংক্রান্ত চিঠি দিয়েছে কমিশন সচিবালয়। দলগুলো হচ্ছে- জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল) ও বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ)।

এ বিষয়ে ইসির উপসচিব আব্দুল হালিম খান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যেসব দল নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি তাদের আমরা নোটিশ দিয়েছি। তারপরেও অনেকে হিসাব জমা দেয়নি। তাই আইন অনুযায়ী তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে হিসাব জমা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।'

আর নির্বাচনে ব্যক্তিগত ব্যয়ের হিসাব নির্ধারিত সময়ে জমা না দেওয়ায় ৩৮ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি দিয়েছে ইসি। আর নাটোর-৪ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. আলাউদ্দিন মৃধা এবং ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দিতে সময় চাওয়ায় তাদের একমাস সময় দেওয়া হয়েছে। কমিশনের বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ইসির উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ব্যয়ের হিসাব দেননি। তাদের মধ্যে দুইজন প্রার্থী সময় চেয়ে আবেদন করায় তাদের এক মাস সময় দেয়া হয়েছে। বাকি ৩৮ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কমিশন বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।'

এছাড়াও নিবন্ধিত সকল রাজনৈতিক দলকে অডিট রিপোর্ট জমা দিতে চিঠি দিয়েছে কমিশন। অডিট রিপোর্ট রেজিস্টার্ড চার্টার্ড একাউন্টিং ফার্মের মাধ্যমে নিরীক্ষা করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পরপর তিন বছর কমিশনে এ প্রতিবেদন দিতে ব্যর্থ হলে নিবন্ধন বাতিলের এখতিয়ার রয়েছে ইসির।

এ বিষয়ে ইসির সহকারী সচিব রৌশন আরা জানান, ২০১৮ পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিবন্ধিত নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যাচাই করিয়ে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে জমা দিতে ৩৯টি নিবন্ধিত দলকে চিঠি দিয়েছে ইসি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র