Barta24

রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

English

সিলেট বিভাগে জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা

সিলেট বিভাগে জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা
জাতীয় পার্টির লোগো, ছবি: সংগৃহীত
সেরাজুল ইসলাম সিরাজ
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট


  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটগতভাবে কিছু আসনে, অথবা ৩শ’ আসনেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছে জাতীয় পার্টি। এর অংশ হিসেবে ৩শ’ আসনের খসড়া প্রার্থী তালিকা করা হয়েছে। বার্তা২৪.কম এর পাঠকদের জন্য এবার থাকছে সিলেট বিভাগের ১৯ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা।

সিলেট জেলা
শাহজালালের পূণ্যভূমি সিলেটের সদর আসন যে দল জেতে তারাই সরকার গঠন করে। বিষয়টি কাকতালীয় কিংবা যাই হোক, দীর্ঘদিন ধরেই এমনটাই হয়ে আসছে। মর্যাদাপূর্ণ এই আসনে নির্বাচন করার জন্য জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ অনেক আগেই ঘোষণা দিয়েছেন। রংপুরের পরে সিলেট অঞ্চলকে জাতীয় পার্টির জন্য উর্বর ভূমি মনে করা হয়। সে কারণে এরশাদ নিজে এই চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত।

এরশাদের পাশাপাশি সিলেট-১ আসনে বাবরুল হোসেন বাবুল, মাহবুবুর রহমান ও সৈয়দ আহমদ আলীর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সিলেট-২ আসনে বর্তমান এমপি ইয়াহিয়া চৌধুরী, সিলেট-৩ আতাউর রহমান আতা, উসমান আলী চেয়ারম্যান, হাজী তোফায়েল আহমেদ ও অ্যাড. কাইয়ুম, সিলেট-৪ প্রেসিডিয়াম সদস্য এটিইউ তাজ রহমান, সিলেট-৫ বর্তমান এমপি সেলিম উদ্দিন, সাইফুদ্দিন খালেদ ও সাব্বির আহমেদ, সিলেট-৬ আসনেও সেলিম উদ্দিন, এটিইউ তাজ রহমান ও আতাউর রহমান আতাকে অগ্রাধিকার তালিকায় রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঢাকা বিভাগে জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা

মৌলভীবাজার জেলা
এই জেলার ৪টি আসনে মাত্র একজন করে প্রার্থী খসড়া তালিকায় দেখা গেছে। মৌলভীবাজার-১ আসনে আহমেদ রিয়াজ, মৌলভীবাজার-২ অ্যাড. মাহবুবুল আমীন শামীম, মৌলভীবাজার-৩ মো. শাহাবুদ্দিন, মৌলভীবাজার-৪ আসনে কামাল আহমেদ।

সুনামগঞ্জ জেলা
হাওড় অধ্যুষিত এই জেলায় ৫টি আসনের মধ্যে বর্তমান সংসদে জাতীয় পার্টির ১ জন এমপি রয়েছে। খসড়া তালিকায় সুনামগঞ্জ-১ আসনে সাধন বাবু, সুনামগঞ্জ-২ জামিল চৌধুরী ও জাহিদ আলী, সুনামগঞ্জ-৩ অ্যাড. শাহিন, নুরুল ইসলাম ও সাজ্জাদ হোসেন, সুনামগঞ্জ-৪ আসনে বর্তমান এমপি পীর ফজলুর রহমান বাবুর বিষয়টি অনেকটাই নিশ্চিত বলা যায়। সুনামগঞ্জ-৫ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় রয়েছে ৬ জনের নাম। তারা হলেন জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল মজিদ, রুহুল আমিন, আনম কনা মিয়া ও হুমায়ুন কবীর মাহফুজ।

হবিগঞ্জ জেলা
জেলায় মোট ৪টি সংসদীয় আসন। বর্তমান সংসদে জাতীয় পার্টির এমপি রয়েছেন একজন। হবিগঞ্জ-১ আসনে বর্তমান এমপি আব্দুল মুনিম চৌধুরী বাবু ও আব্দুল হামিদ চৌধুরী, হবিগঞ্জ-২ খায়রুল আলম এলএলবি, বাবু শংকর পাল ও অ্যাড. সাদিকুর মিয়া তালুকদার, হবিগঞ্জ-৩ প্রেসিডিয়াম সদস্য আতিকুর রহমান আতিক ও এমএ মনিম চৌধুরী বুলবুল, হবিগঞ্জ-৪ আসনে আতিকুর রহমান আতিক অথবা ইসলামী ফ্রন্টের অধ্যক্ষ মাওলানা আলী মোহাম্মদ চৌধুরী।

অন্য বিভাগের খসড়া তালিকা জানতে চোখ রাখুন বার্তা২৪.কমে

আপনার মতামত লিখুন :

এরশাদের আসনে উপ-নির্বাচনের প্রচারণায় মনোনয়নপ্রত্যাশীরা

এরশাদের আসনে উপ-নির্বাচনের প্রচারণায় মনোনয়নপ্রত্যাশীরা
রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা প্রচারণা চালাচ্ছেন/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সাবেক রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে তার আসনটি। অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে এ আসনে উপ-নির্বাচনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণার পর থেকেই মাঠে নেমেছেন দলীয় সমর্থনপ্রত্যাশীরা। এরশাদের আসনে কে হচ্ছেন নতুন কাণ্ডারী, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে হিসাব-নিকেষ।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়াও রংপুরে এখন ব্যানার-পোস্টার, ফেস্টুন-লিফলেটে চলছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যাপক প্রচারণা। ঈদুল আজহার শুভেচ্ছার সাথে দলীয় ও ভোটারদের দোয়া-সমর্থন চাওয়া হচ্ছে সাঁটানো ফেস্টুন আর ব্যানার পোস্টারে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/31/1564575975009.gif

কেউ আবার গণসংযোগ, মতবিনিময় ও উঠান বৈঠকও শুরু করেছেন। জনসমর্থন পেতে রংপুর মহানগর এলাকাসহ সদর উপজেলার পাড়ামহল্লায় ছুটে বেড়াচ্ছেন জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।

এরই মধ্যে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি রংপুর-৩ আসনে উপ-নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে এ আসনটিতে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছিলেন সাবেক সেনা প্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। সেই স্মৃতি আঁকড়ে ধরে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চায় জাতীয় পার্টি। কিন্তু মহাজোটের ব্যানারে জাতীয় পার্টিকে ছাড় দিতে নারাজ আওয়ামী লীগ। এ কারণে জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের ভোটযুদ্ধের সমীকরণ নিয়ে চিন্থিত তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। যদিও এ নিয়ে চিন্থিত নয় বিএনপি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/31/1564576017734.gif

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় পার্টির রংপুর মহানগরের সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসির, জেলার সাধারণ সম্পাদক এসএম ফখর-উজ-জামান জাহাঙ্গীর, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুর রাজ্জাক, এরশাদের ভাতিজা সাবেক সংসদ সদস্য হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করতে কেন্দ্রে লবিং চালাচ্ছেন।

তবে এ আসনে এরশাদের পরিবারের থেকেই শেষ পর্যন্ত প্রার্থী চূড়ান্তের ইঙ্গিত দিয়েছেন কেন্দ্রীয় এক নেতা। এক্ষেত্রে এরশাদের বড় ছেলে রাহগীর আলমাদি শাদ এরশাদকে দেখা যেতে পারে ভোটযুদ্ধে। অবশ্য পার্টির কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদও চাইছেন শাদ’ই এই আসনের উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুক।

আওয়ামী লীগ থেকে এখনো পর্যন্ত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য চৌধুরী খালেকুজ্জামান, রংপুর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রেজাউল করিম রাজু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. আনোয়ারুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়ার রহমান সফি, সাধারণ সম্পাদক বাবু তুষার কান্তি মন্ডল, প্রচার সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মিলন ও মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ মজিদ প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/31/1564576058834.gif

আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির মতো করে এখনো মাঠে নামেননি বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তবে ভোটের আলোচনায় মহানগর বিএনপির সভাপতি মোজাফফর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মিজু ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক সামসুজ্জামান শামুর নাম শোনা যাচ্ছে। এছাড়াও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী রিটা রহমানকেও রংপুরে অবস্থান করতে দেখা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেই মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে রংপুর সদর-৩ আসনটি শুন্য হয়। এ আসনটি শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে সংসদ সচিবালয়। অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।

কাঞ্চন পৌরসভার নতুন মেয়র রফিকুল

কাঞ্চন পৌরসভার নতুন মেয়র রফিকুল
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিক ১৬ হাজার ৫৮০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হ‌য়ে‌ছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান মেয়র দেওয়ান আবুল বাশার বাদশা পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৪৭ ভোট।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই কাঞ্চনের ১৭টি কেন্দ্রে প্রথমবারের মতো ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচন চলাকালীন স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিবুর রহমান ভুঁইয়া নৌকার প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিকের বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখল ও ভোটারদের বের করে দেয়ার অভিযোগ তুললেও নির্বাচন কমিশন থেকে এ ব্যাপারে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মাহবুবুল আলম বলেন, 'নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে পেরে আমরা সকল প্রার্থীদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।' 

নির্বাচনে মেয়র পদে লড়াই করা অপর ২ স্বতন্ত্রপ্রার্থী সাবেক মেয়র মজিবুর রহমান ভূইয়া পেয়েছেন ৭৩৮ ভোট ও অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম ইমন পেয়েছেন ২ হাজার ৫৭২ ভোট।

উল্লেখ্য, কাঞ্চন পৌরসভায় মোট ভোটার রয়েছে ৩৫ হাজার ৬৭৫ জন। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৮ হাজার ১৮৫ জন আর আর মহিলা ভোটার ১৭ হাজার ৫০০ জন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র