Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ঢাকা বিভাগে জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা

ঢাকা বিভাগে জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা
জাতীয় পার্টির লোগো, ছবি: সংগৃহীত
সেরাজুল ইসলাম সিরাজ
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট


  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির নির্বাচনে অংশ নেওয়া না নেওয়ার ওপর নির্ভর করছে জাতীয় পার্টির ভোটের কৌশল। বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটগতভাবে নির্বাচনে অংশ নেবে।

আর বিএনপি নির্বাচনে না এলে জাতীয় পার্টির নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত জাতীয় জোট পৃথকভাবে ৩শ’ আসনেই নির্বাচন করবে। জাতীয় পার্টির দু’ধরনের নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। এর অংশ হিসেবে ৩শ’ আসনে খসড়া প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত করেছে জাতীয় পার্টি। একাধিক বিকল্প ও সম্মিলিত জাতীয় জোটের শরিকদের জন্য কিছু আসন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বার্তা২৪.কম-এ প্রথম ধাপে প্রকাশ করা হচ্ছে ঢাকা বিভাগের প্রার্থীদের তালিকা।

ঢাকা-১ আসনে একক প্রার্থী রয়েছে বর্তমান এমপি প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম, ঢাকা-২ আসনে শাকিল আহমেদ শাকিল, ঢাকা-৩ আসনে মনির সরকার ও হাজী সাব্বির আলী, ঢাকা-৪ বর্তমান এমপি প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, ঢাকা-৫ প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আব্দুস সবুর আসুদ, ঢাকা-৬ বর্তমান এমপি প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ।

ঢাকা-৮ আসনে মোট চারজন প্রার্থীদের তালিকা করা হয়েছে। এই আসনে শরীক দল ইসলামী মহাজোটের একজনের নামও সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই আসনে ইসলামী মহাজোটের প্রার্থী আমিনা মোর্তুজা টলি, জাতীয় পার্টির রয়েছেন প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জাতীয় সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম রুবেল।

ঢাকা-৯ আসনে খসড়া তালিকায় প্র্রার্থী হিসেবে রয়েছেন প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন খান, ঢাকা-১০ আসনে মো. হেলাল উদ্দিন, ঢাকা-১১ আসনে এসএম ফয়সল চিশতী ও কাজী আবুল খায়ের, ঢাকা-১২ দেওয়ান আলী, ঢাকা-১৩ শফিকুল ইসলাম সেন্টু ও নিসার উদ্দিন চৌধুরী (বিএনএ জোট), ঢাকা-১৪ মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক, ঢাকা-১৫ সামছুল হক, ঢাকা-১৬ আসনে সুলতান আহমেদ সেলিম ও আমানত হোসেন আমানত।

ঢাকা-১৭ আসনে পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, ঢাকা-১৮ আসনে চিত্রনায়ক মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা, বাহাউদ্দিন আহমেদ বাবুল ও জাকির হোসেন মৃধা। এই আসনে বিএনএ জোটের প্রার্থী হিসেবে আখতার হোসেনের নাম রয়েছে।

ঢাকা-১৯ বাহাদুর ইসলাম ইমতিয়াজ, আবুল কালাম আজাদ ও কাজী মতিউর রহমান, ঢাকা-২০ আসনে রয়েছেন খান মোহাম্মদ ইস্রাফিল খোকন ও দেলোয়ার হোসেন মিলন।

গাজীপুর জেলা
রাজধানীর নিকটবর্তী জেলা গাজীপুর-১ আসনে খন্দকার আব্দুস সালাম ও শরিফুল ইসলাম শরিফ, গাজীপুর-২ এমএম নেওয়াজ উদ্দিন, অ্যাড মাহাবুব আল মামুন ও জয়নাল আবেদীন, গাজীপুর-৩ আজাহারুল ইসলাম সরকার ও মোতাহার হোসেন মানিক, গাজীপুর-৪ আজম খান, আরিফুর রহমান খান, আনোয়ার কবির ও সামছুদ্দিন খান, গাজীপুর-৫ জয়নাল আবেদীন, শিশির আজম ও মোশারাফ হোসেন।

নরসিংদী জেলা
নরসিংদী-১ আসনে শফিকুল ইসলাম শফিক, ওসমান গণি ভুঁইয়া (ইসলামী মহাজোট), নরসিংদী-২ আজম খান, এসকে কামরুল ইসলাম, আবু সাঈদ স্বপন, রফিকুল ইসলাম খান (বিএনএ জোট), নরসিংদী-৩ রেজাউল ইসলাম বাসেত ও আলমগীর কবীর, নরসিংদী-৫ মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সাত্তার ও মনির হোসেন।

মানিকগঞ্জ জেলা
মানিকগঞ্জ-১ আসনে সুলতান মাহমুদ, আলী কসর ও আরশেদ আলী (ইসলামী মহাজোট), মানিকগঞ্জ-২ সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, মিজানুর রহমান মিরু ও আবুল কালাম আজাদ (ইসলামী মহাজোট), মানিকগঞ্জ-৩ আসনে জহিরুল ইসলাম রুবেল, হাবিবুল্লাহ ও আব্দুল খালেদ খান (ইসলামী মহাজোট)।

নারায়ণগঞ্জ জেলা
নারায়ণগঞ্জ-১ সাইফুল ইসলাম ও কেএম আবু হানিফ হৃদয় (ইসলামী মহাজোট), নারায়ণগঞ্জ-২ জাতীয় যুব সমাজের সভাপতি আলমগীর শিকদার লোটন ও কেএম আবু হানিফ হৃদয় (ইসলামী মহাজোট), নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বর্তমান এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা ও অনন্যা হুসেইন মৌসুমী, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে সালাউদ্দিন খোকা মোল্লা, অ্যাড জিনাত ফেরদৌসা ঝুমা (ইসলামী মহাজোট), নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বর্তমান এমপি সেলিম ওসমান, মিসেস পারভীন ওসমান ও জয়নাল আবেদীন।

মুন্সীগঞ্জ জেলা
মুন্সীগঞ্জ-১ প্রেসিডিয়াম সদস্য এরশাদের আইনজীবী শেখ মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে জয়নাল আবেদীন, নোমান মিয়া, কুতুব উদ্দিন আহমেদ ও শফিকুল ইসলাম খন্দকার (ইসলামী মহাজোট), মুন্সীগঞ্জ-৩ আব্দুল বাতেন ও গোলাম মোহাম্মদ রাজু।

টাঙ্গাইল জেলা
টাঙ্গাইল-১ মো. মঞ্জু, টাঙ্গাইল-২ সামছুল হক তালুকদার, টাঙ্গাইল-৩ অ্যাড. সুয়েত আলী, টাঙ্গাইল-৪ মোস্তাক আহমেদ, টাঙ্গাইল-৫ পীরজাদা শফিউল আলম মনির, আবুল কাশেম ও মোজাম্মেল হক, টাঙ্গাইল-৬ এমদাদ হোসেন, টাঙ্গাইল-৭ যুগ্ম মহাসচিব জহিরুল আলম জহির ও নুরুল ইসলাম নুরু, টাঙ্গাইল-৮ কাজী আশরাফ সিদ্দিকী।

কিশোরগঞ্জ জেলা
কিশোরগঞ্জ-১ আসনে এসএম মোস্তফা খান পাঠান, আশরাফ উদ্দিন রেনু, মোস্তাইন বিল্লা ও আব্দুল গণি, কিশোরগঞ্জ-২ সৈয়দ সাদরুল উল্লাহ মাজু, আবু সাঈদ, মো. খুররম জাহাঙ্গীর আলম সৈকত। কিশোরগঞ্জ-৩ বর্তমান এমপি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মজিবুল হক চুন্নু, বিএনএ জোটের আনোয়ার হোসেন, কিশোরগঞ্জ-৪ শেখ মোহাম্মদ আবু ওয়াহাব ও কাজী আফতাব, কিশোরগঞ্জ-৫ হোসাইন উদ্দিন হিরা, অ্যাড. আইয়ুব, তাজুল ইসলাম তোজ ভৈরবী ও কিশোরগঞ্জ-৬ আলহাজ আবু বক্কর সিদ্দিক ও এনকে সোহেল।

রাজবাড়ী জেলা
রাজবাড়ী-১ খন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু, হাজী শাহাদত হোসেন মিল্টন, রাজবাড়ী-২ মোহাম্মদ আবুল হোসেন, এবিএম নুরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, রফিকুল শামীম ও মনোয়ার ই খোদা মন্টি চৌধুরী।

গোপালগঞ্জ জেলা
গোপালগঞ্জ-১ আব্দুল মান্নান শেখ মুন্নু, গোপালগঞ্জ-২ আলমগীর হোসেন ও কাজী শাহীন গোপালগঞ্জ-৩ মোঃ রঞ্জন ও নুর ইসলাম (ইসলামী মহাজোট)

ফরিদপুর জেলা
ফরিদপুর-১ আক্তারুজ্জামান খান ও কামরুজ্জামান, ফরিদপুর-২ মিয়া আলমগীর ও ফরিদুল রহমান শিপন, ফরিদপুর-৩ এসএম ইয়াহিয়া ও হাসিনা ইমরান চৌধুরী, ফরিদপুর-৪ আনোয়ার হোসেন ও শামসুল কবীর চৌধুরী (বিএনএ জোট)।

শরীয়তপুর জেলা
শরীয়তপুর-১ মাসুদ উর রহমান মাসুদ, শরীয়তপুর-২ শারমিন পারভীন লিজা ও সুলতান সরদার, শরীয়তপুর-৩ মম ওয়াসিম ও এমএ হান্নান।

মাদারীপুর জেলা
মাদারীপুর-১ জহিরুল ইসলাম মিন্টু, মাদারীপুর-২ সিরাজুল ইসলাম স্বপন, মাদারীপুর-৩ এমএ খালেক।

এই তালিকা প্রার্থীদের জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে করা হয়েছে। যদিও পার্লামেন্টারী বোর্ড প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করবে। তবুও খুব কম ক্ষেত্রেই এই তালিকার পরিবর্তন হতে পারে। এর ভেতর থেকেই প্রার্থী চূড়ান্ত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে।

অন্য বিভাগের খসড়া তালিকা জানতে চোখ রাখুন বার্তা২৪.কমে

আপনার মতামত লিখুন :

৮ দলের জরিমানা, ৩৮ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

৮ দলের জরিমানা, ৩৮ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
ছবি: বার্তা২৪.কম

একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর ছয় মাস পার হলেও নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি আটটি দল ও ৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী। এদের মধ্যে আট দলকে জরিমানা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আর প্রার্থীদের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়। আর এ নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন প্রায় এক হাজার ৮৫০ জন। ভোটের পর ১ জানুয়ারি নির্বাচিতদের নাম-ঠিকানাসহ গেজেট প্রকাশ করে কমিশন। গেজেট প্রকাশের পর ৩০ দিনের মধ্যে প্রার্থীদের এবং ৯০ দিনের মধ্যে দলের নির্বাচনী খরচের হিসাব ইসিতে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

সেই হিসাবে প্রার্থীদের ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার সময় শেষ হয়েছে ৩১ জানুয়ারি। আর দলের ক্ষেত্রে সেই সময় শেষ হয় এপ্রিলে। এর মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নির্দিষ্ট সময়ে দলীয় হিসাব ইসিতে জমা দেয়। বাকি ৩৮টি দলকে ৯ জুনের মধ্যে হিসাব জমা দিতে সতর্কীকরণ নোটিশ দেয় ইসি। ওই চিঠির পর ৩০টি দল বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে হিসাব জমা দেয়। আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের পরবর্তী নির্ধারিত সময়ে তা না দিলে দলগুলোকে সতর্ক করে এক মাসের মধ্যে হিসাব দিতে নোটিশ দেওয়া হয়।

সবমিলিয়ে আটটি দল ও ৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসাব জমা দেয়নি।

এদিকে নোটিশের পরও হিসাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী আট দলকে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর ৪৪ সিসিসি (৫) অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে হিসাব জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) দলগুলোকে এ নির্দেশনা সংক্রান্ত চিঠি দিয়েছে কমিশন সচিবালয়। দলগুলো হচ্ছে- জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল) ও বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ)।

এ বিষয়ে ইসির উপসচিব আব্দুল হালিম খান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যেসব দল নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি তাদের আমরা নোটিশ দিয়েছি। তারপরেও অনেকে হিসাব জমা দেয়নি। তাই আইন অনুযায়ী তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে হিসাব জমা দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।'

আর নির্বাচনে ব্যক্তিগত ব্যয়ের হিসাব নির্ধারিত সময়ে জমা না দেওয়ায় ৩৮ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি দিয়েছে ইসি। আর নাটোর-৪ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. আলাউদ্দিন মৃধা এবং ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দিতে সময় চাওয়ায় তাদের একমাস সময় দেওয়া হয়েছে। কমিশনের বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ইসির উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান বার্তা২৪.কম-কে বলেন, 'একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ব্যয়ের হিসাব দেননি। তাদের মধ্যে দুইজন প্রার্থী সময় চেয়ে আবেদন করায় তাদের এক মাস সময় দেয়া হয়েছে। বাকি ৩৮ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কমিশন বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।'

এছাড়াও নিবন্ধিত সকল রাজনৈতিক দলকে অডিট রিপোর্ট জমা দিতে চিঠি দিয়েছে কমিশন। অডিট রিপোর্ট রেজিস্টার্ড চার্টার্ড একাউন্টিং ফার্মের মাধ্যমে নিরীক্ষা করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পরপর তিন বছর কমিশনে এ প্রতিবেদন দিতে ব্যর্থ হলে নিবন্ধন বাতিলের এখতিয়ার রয়েছে ইসির।

এ বিষয়ে ইসির সহকারী সচিব রৌশন আরা জানান, ২০১৮ পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিবন্ধিত নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যাচাই করিয়ে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে জমা দিতে ৩৯টি নিবন্ধিত দলকে চিঠি দিয়েছে ইসি।

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
হবিগঞ্জ পৌরসভার ৩ মেয়র প্রার্থী, ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনে ভোট কাস্টের আটভাগের একভাগ ভোট না পাওয়ায় তিন মেয়র প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৪ জুন) হবিগঞ্জ পৌরসভা উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে চারজন আওয়ামী লীগ ও একজন বিএনপি নেতা।

নির্বাচনে ৭ হাজার ৬২১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান। নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু নারকেল গাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৮৭ ভোট।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জের পৌর মেয়র হলেন আ.লীগের মিজান

হবিগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোটার ৪৭ হাজার ৮২০। এর মধ্যে কাস্ট হয় ২১ হাজার ১১৭ ভোট। কস্টিং ভোটেরে আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি তিন প্রার্থী। ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।

তারা হলেন- বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. ইসলাম তরফদার তনু (মোবাইল ফোন) পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭ ভোট, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সৈয়দ কামরুল হাসান (জগ) পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মর্তুজ আলী (চামচ) পেয়েছেন ৩৯০ ভোট।

জেলা রিটানিং অফিসার মো. খোর্শেদ আলম জানান, কাস্টিং ভোটের আটভাগের একভাগ ভোট না ফেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তিনজন প্রার্থী সেই পরিমাণ ভোট পাননি। তাই তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র