Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

কাশ্মীর যাচ্ছেন ইমরান খান

কাশ্মীর যাচ্ছেন ইমরান খান
আজাদ কাশ্মীর যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আজাদ কাশ্মীরের মুজাফারাবাদ ভ্রমণ করবেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। আগামীকাল বুধবার (১৪ আগস্ট) পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সেখানে পরিদর্শনের মাধ্যমে জম্মু কাশ্মীরের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করবে পাকিস্তান সরকার প্রধান।

এছাড়া সেখানে একটি বিধানিক সভায়ও যোগ দেবেন ইমরান। মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) রেডিও পাকিস্তানের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ইতোমধ্যেই পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেইশি এবং পিপলস পার্টির সভাপতি বিলাওয়াল ভুট্টো পৃথকভাবে সেখানে পৌঁছেছেন। সেখানে তারা কাশ্মীরের মানুষের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করেছেন।

উল্লেখ্য, সোমবার (৫ আগস্ট) কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপ করার ঘোষণা দেয় ভারত সরকার। ফলে নতুন করে কাশ্মীরের ইতিহাস রচনা করে মোদি সরকার।

রাজ্যসভায় ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিরোধীদের তুমুল বাধা ও বাগ-বিতণ্ডার মধ্যে এ ঘোষণা দেন। পরেরদিন সংসদে প্রস্তাবটি পাস হয়। এই দুই ধারা বাতিলের মাধ্যমে কাশ্মীরকে ভেঙে দুই টুকরো করা হয়। এই ঘোষণার ফলে কাশ্মীর থেকে আলাদা করে দেওয়া হয় লাদাখকে। বর্তমানে জম্মু ও লাদাখ দুটি আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল।

ভারতের এই সিদ্ধান্তের ঘোর বিরোধিতা করে পাকিস্তান সরকার। এই নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও বেশ আলোচনা হচ্ছে। এছাড়া এই বিষয়ে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে সমাধানের পথ খুঁজছে পাকিস্তান। ইতোমধ্যেই মালয়েশিয়া, তুরস্ক ও সৌদি সরকার প্রধানের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলেছেন ইমরান খান।

আরও পড়ুন: কাশ্মীর ইস্যু: ভারতীয় সিনেমা নিষিদ্ধ করল পাকিস্তান

আপনার মতামত লিখুন :

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কাশ্মীর যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কাশ্মীর যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী
রাহুল গান্ধী, ছবি: সংগৃহীত

ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কাশ্মীর যাচ্ছেন সাবেক কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। ৩৭০ ধারা বাতিলের পরও কাশ্মীরের নিরাপত্তার স্বার্থে এই মূহুর্তে সেখানে যাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রশাসন । 

শনিবার (২৪ আগস্ট) কাশ্মীরের উদ্দেশ্যে রাহুল গান্ধী ও বিরোধীদলীয় ৮ নেতা বিমানবন্দর ত্যাগ করেন বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিরোধী দলীয় আট নেতা- কংগ্রেসের আনন্দ শর্মা, কে সি বেণুগোপাল, সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরি, সিপিআই নেতা ডি রাজা, ডিএমকের তিরুচি শিবা, এলজেডির শরদ যাদব, তৃণমূলের দীনেশ ত্রিবেদী, এনসিপির মাজিদ মেমন, আরজেডির মনোজ ঝা, জেডিএসের ডি কে রেড্ডি রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কাশ্মীর যাচ্ছেন।

এদিকে বিরোধী নেতাদের কাশ্মীর সফরের সিদ্ধান্তের খবরে আপত্তি জানায় জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন। জম্মু-কাশ্মীরের তথ্য ও জনসংযোগ দফতরের বরাতে  এক টুইট বার্তায় বলা হয়েছে, সীমান্তে সন্ত্রাস ও জঙ্গিদের হাত থেকে যখন জম্মু-কাশ্মীরবাসীকে রক্ষা করার চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার, সেই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক নেতাদের এসে বিড়ম্বনা না দেওয়ায় উচিত। রাজনৈতিক নেতাদের কাছে আর্জি, দয়া করে সহযোগিতা করুন। শ্রীনগরে আসবেন না। আপনাদের বোঝা উচিত, এই মুহূর্তে প্রধান দায়িত্ব হল শান্তি বজায় রাখা।

মূল্যবান বন্ধুকে হারালাম: মোদি

মূল্যবান বন্ধুকে হারালাম: মোদি
বাঁ থেকে প্রয়াত বিজেপি নেতা অরুণ জেটলি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ছবি: সংগৃহীত

ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী ও দেশটির ক্ষমতাসীন বিজেপির প্রভাবশালী নেতা অরুণ জেটলির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

শনিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে এক টুইট বার্তায় মোদি লিখেন, ‘অরুণ জেটলির মৃত্যুতে আমি একজন মূল্যবান বন্ধুকে হারালাম, যাকে আমি কয়েক দশক ধরে জানার সম্মান পেয়েছি। বিভিন্ন ইস্যুর বিষয়ে তাঁর অন্তর্দৃষ্টি এবং বিষয়গুলোকে সঠিকভাবে বুঝতে তিনি কখনোই কালক্ষেপন করতেন না। তিনি আমাদের জীবনকে অজস্র সুখের স্মৃতি দিয়ে গেছে। আমরা তাকে মিস করব!’

আরও পড়ুন: জরুরি অবস্থার সময় তিহার জেলে বন্দী ছিলেন জেটলি

তিনি আরও লিখেন, ‘বিজেপি এবং অরুণ জেটলি একটি অটুট বন্ধন ছিল। জ্বলন্ত ছাত্রনেতা হিসেবে তিনি জরুরি অবস্থার সময় আমাদের গণতন্ত্র রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি আমাদের পার্টির অনেক জনপ্রিয় মুখ হয়েছিলেন, যিনি পার্টির কর্মসূচি এবং আদর্শকে সমাজের বিস্তৃত অঞ্চলে প্রকাশ করতে পারতেন। জীবনের পূর্ণতা, বুদ্ধিদীপ্ত আর্শিবাদ, দুর্দান্ত রসিকতা এবং ক্যারিশমাটিক ব্যাক্তিত্ব দিয়ে অরুণ জেটলি সমাজের সমস্ত অংশের মানুষ দ্বারা প্রশংসিত হয়েছিলেন। তিনি ছিলেন বহুমাত্রিক জ্ঞানের আধার, ভারতীয় সংবিধানের ওপর ছিল অনবদ্য দক্ষতা। ইতিহাস, গণতন্ত্র, পরিচালনা ও প্রশাসন সম্পর্কে এক অসীম জ্ঞানের ভান্ডার ছিলেন।’

আরও পড়ুন: অরুণ জেটলি মারা গেছেন

উল্লেখ্য, শনিবার দুপুর ১২টা ৭ মিনিটে এআইআইএমএস হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা অরুণ জেটলি।

গত ৯ অগাস্ট থেকে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে এআইআইএমএস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। এর আগে ২০১৮ সালে কিডনি প্রতিস্থাপন হয় জেটলির। সে সময় শারীরিক অসুস্থতার কারণে জেটলির অর্থমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেন পীযূষ গোয়েল। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি অরুণ জেটলি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র