কেন কমল ইন্টারনেটের দাম



ইশতিয়াক হুসাইন, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ঘোষিত এক নির্দেশনায় সবগুলো অপারেটর জনপ্রিয় ৩ দিন ও ১৫ দিনের ইন্টারনেট ডেটা প্যাকেজ বিলুপ্ত করেছিল। তখন নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল এতে করে গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষিত হবে এবং ইন্টারনেটের দাম কমবে।

গত ১৫ অক্টোবর প্রথম প্রহর থেকে এই নির্দেশনা কার্যকর হয়। এরপর আসলে দেখা যায়, ইন্টারনেটের মেয়াদ বাড়লেও দাম কমেনি, বরং তা আরও বেড়েছে।

ওই নির্দেশনার পর গ্রামীণফোন ৭ দিনের এক জিবি অফারে ৬৯ টাকা, আড়াই জিবি অফারে ৯৮ টাকা প্যাকেজ ঘোষণা করে। রবি ৭ দিনের এক জিবি অফারের দাম নির্ধারণ করে ৬৮ টাকা। আড়াই জিবির দাম ৯৮ টাকা, ৫ জিবির দাম ১৪৮ টাকা। বাংলালিংকের ৭ দিনের এক জিবি ডাটার দাম করা হয় ৬৯ টাকা, তিন জিবির দাম নির্ধারণ করে ৮৯ টাকা।

পরবর্তীতে দেখা গেল, সরকার যে ইন্টারনেটের দাম কমিয়ে গ্রাহকদের স্বার্থ সুরক্ষা করা হবে বলে অঙ্গীকার করেছিল তা হয়নি। আর জনপ্রিয় ৩ দিনের প্যাকেজ বন্ধ করায় ও ইন্টারনেটের দাম বাড়ায় গ্রাহকরাও ক্ষোভ প্রকাশ করে।

এরই প্রেক্ষিতে গত ৫ নভেম্বর বিটিআরসি কার্যালয়ে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সভাপতিত্বে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কমিশনের চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকলেও অপারেটরদের সিইওরা না থাকায় ক্ষিপ্ত হন মন্ত্রী।

সভায় মন্ত্রী মোবাইল ইন্টারনেটের দাম বাড়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নির্বাচনের আগে ইন্টারনেটের দাম বাড়ুক এটা তিনি চান না।

এরপর অপারেটরদের সিইওরা বিটিআরসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু মন্ত্রীর কঠোর নির্দেশ থাকায় ইন্টারনেটের দামের বিষয়ে কোনো কথা বলতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। এসময় এও বলা হয়, আগে ইন্টারনেটের দাম কমাতে হবে। এরপর চেয়ারম্যান এ বিষয়ে কথা বলবেন।

গত ৭ নভেম্বর ৩ দিনের প্যাকেজের দাম ও পরিমাণ অপরিবর্তিত রেখে শুধু ৭ দিন মেয়াদ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়া ৩০ দিন ও আনলিমিটেড ইন্টারনেট প্যাকেজের দাম না বাড়ানোর নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য চিঠি দেয় বিটিআরসি। ওই চিটিতে ১০ নভেম্বর রাত ১২টার মধ্যে এই নির্দেশনা কার্যকর করতে বলা হয় সবগুলো অপারেটরকে।

দাম কমানোর ফলে বর্তমানে এক জিবি ইন্টারনেটের দাম ৬৯ টাকা থেকে কমে ৪৮ টাকা হয়েছে, যার মেয়াদ ৭ দিন। এর আগে প্যাকেজ কমানোর নির্দেশনার পর অপারেটরগুলো ৩ তিন ও ৭ দিনের প্যাকেজগুলো বন্ধ করে দেয়। সেই সঙ্গে ৩ দিনের প্যাকেজের মেয়াদ ৭ দিন করে দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়।

চলতি বছরের গত ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিল মাসের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেছে বিটিআরসি যে, দেশে গ্রাহকদের ৬৯.২৩ শতাংশ ৩ দিনের প্যাকেজ, ১৬.৮৪ শতাংশ ৭ দিনের প্যাকেজ, ৩.৮২ শতাংশ ১৫ দিনের প্যাকেজ এবং ১০.১১ শতাংশ ৩০ দিনের প্যাকেজ ব্যবহার করছেন। অথচ এবার সেই জনপ্রিয় ডেটা প্যাকটি তুলে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস বাংলাদেশের (এমটব) পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, মোবাইল টেলিকম শিল্পখাত তার সূচনা লগ্ন থেকেই বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধিতে অভূতপূর্ব অবদান রেখে চলেছে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশের মোবাইল অপারেটররা নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে নিয়মিতভাবে সমন্বয় সাধন করে এবং উৎকৃষ্ট সেবা ও সাশ্রয়ী মূল্যের মধ্যে এক ধরনের ভারসাম্য নিশ্চিত করে। গত ১৫ অক্টোবর নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশাবলী অনুযায়ী নানাবিধ প্রতিকূলতা সত্ত্বেও অপেরেটররা তাদের ইন্টারনেট প্রোডাক্ট পোর্টফোলিও আপডেট করে। দুর্ভাগ্যবশত এর মাত্র ১৫ দিন পরে আবারও প্রোডাক্ট পোর্টফলিও পরিবর্তন করতে নতুন নির্দেশনাবলী দেওয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তারা ইতিমধ্যেই এই জটিল পোর্টফোলিও পরিবর্তন করেছেন। মোবাইল অপারেটররা সন্দেহাতীতভাবেই নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে কোটি কোটি বাংলাদেশির জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে ও দেশকে এগিয়ে নিবে বলে তারা আশা করেন।

   

জিপি বনাম রবি, বাংলালিংক বিরোধের সুরাহা হয়নি



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গ্রামীণফোনের ৮৫০ ব্যান্ডে স্পেকট্রাম চাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এখনো পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌছায়নি বলে জানিয়েছে।

গ্রামীণফোন বিটিআরসির কাছে ৮৫০ ব্যান্ডে স্পেকট্রাম চাওয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। রবি, বাংলালিংক ও টেলিটক বলছে, গ্রামীণফোন যদি ৮৫০ ব্যান্ডে ১০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম বরাদ্দ দেওয়া হয় তাহলে তাদের নেটওয়ার্কে সমস্যা তৈরি করবে।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমের সাথে বিটিআরসির চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় একথা জানানো হয়। গত বছরের ডিসেম্বরে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ প্রথম সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

বিটিআরসির মহাপরিচালক (স্পেকট্রাম বিভাগ) ব্রিগেডিয়ার মোহাম্মাদ মনিরুজ্জামান বলেন, মার্চের শুরুতেই সব মোবাইল অপারেটর এমটবের ব্যানারে একসাথে বসবে। এরপর অপারেটরেরা আমাদেরকে একটা প্রস্তাবনা দেবে। ওই প্রস্তাবনা নিয়ে ভেন্ডরদের সঙ্গে বসবো। এ বিষয়ে দেশের ও গ্রাহকদের জন্য যা ভালো হয় সেটিই আমরা করবো।

;

পর্নো ও বেটিং সাইটের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা পর্নোগ্রাফি ও বেটি সাইটগুলোর বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেছে, এ ধরনের সাইটের সন্ধান পেলে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমের সঙ্গে বিটিআরসির চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় একথা জানানো হয়। গত বছরের ডিসেম্বরে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ প্রথম সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তিনি।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খলিল-উর-রহমান বলেন, নিরাপদ ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে বিটিআরসি। আইন প্রয়োগকারী বা সরকারি সংস্থার অনুরোধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ইস্যুগুলো সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে জানিয়ে সমাধানের চেষ্টা করে থাকি আমরা। ফেসবুক আমাদের সব অনুরোধ রাখে না। তাদের গাইডলাইন অনুযায়ী কাজ করে থাকে। তবে উসকানিমূলক, রাষ্ট্রদ্রোহী কোনো কনটেন্ট এবং বিশেষ করে পর্নো ও বেটি সাইটগুলোর বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হয় না। যখনই এ ধরনের সাইটের সন্ধান পাওয়া যায়, আমরা তাৎক্ষণিক ওই সব সাইট বন্ধ করে দেই।

;

বাজারে এলো ইনফিনিক্সের গেমিং স্মার্টফোন হট ৪০ প্রো



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

স্মার্টফোন গেমারদের জন্য বাংলাদেশের বাজারে নতুন গেমিং ফোন ‘হট ৪০ প্রো’ নিয়ে এলো তরুণদের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স। তরুণ গেমারদের সেরা গেমিং অভিজ্ঞতা দিতে, শক্তিশালী ও উন্নত ফিচারে আনা হয়েছে ফোনটি। ডিভাইসটিতে উন্নত পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে জোর দেওয়া হয়েছে খুঁটিনাটি প্রতিটি বিষয়ের ওপর।

হট ৪০ প্রো ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬ ন্যানোমিটারের মিডিয়াটেক হেলিও জি৯৯ আল্ট্রা-স্পিড প্রসেসের। ফলে কম শক্তি খরচেই পাওয়া যাবে কার্যকর পারফরম্যান্স। এই প্রসেসরকে আরও শক্তিশালী করেছে ইনফিনিক্সের তৈরি এক্স-বুস্ট গেমিং ইঞ্জিন। এই সমন্বয়টি তরুণদের গেমিং চাহিদা পূরণের পাশাপাশি নিশ্চিত করবে স্বচ্ছন্দ অভিজ্ঞতা।

দিনব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে সাশ্রয়ী মূল্যের গেমিং ফোনটিতে আছে ৫০০০ এমএএইচের ব্যাটারি এবং ৩৩ ওয়াটের ফাস্ট চার্জার। এই চার্জার দিয়ে মাত্র ৩৫ মিনিটেই ফোনটির চার্জের পরিমাণ ২০% থেকে ৭৫% করা যায়। এছাড়া চার্জিং-এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফোনটিতে আছে রিয়েল-টাইম টেম্পারেচার মনিটরিং ফিচার।

উন্নত গেমিং পারফরম্যান্সের জন্য হট ৪০ প্রো ফোনটিতে আছে ৮ জিবি র‍্যাম, যা ১৬ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যায়। ১২৮ জিবি ধারণক্ষমতার স্মার্টফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ১৩ ভিত্তিক এক্সওএস ১৩.৫ অপারেটিং সিস্টেমে চলে। ফোনটির সাইড-মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর ব্যবহারকারীদের তথ্যের নিরাপত্তা আরও বাড়াবে।

গেমারদের ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা উন্নত করতে ডিভাইসটিতে আছে ম্যাজিক রিং ফিচারসহ ৬.৭৮ ইঞ্চির ফুল এইচডি+ আইপিএস ডিসপ্লে। স্বচ্ছন্দ টাচ ও স্ক্রলিংয়ের জন্য ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট দেওয়া হয়েছে ডিভাইসটিতে। গেমিংয়ের সময় সর্বোত্তম স্বচ্ছতা ও দেখার স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে ৯০.৭% স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও এবং ৫০০ নিটস ব্রাইটনেস থাকছে এতে। এর মাল্টিফাংশনাল এনএফসি’র মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ডেটা শেয়ার অথবা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে পেমেন্ট করতে পারবেন সহজেই।

হট ৪০ প্রো-তে নতুন মেটাম্যাটেরিয়াল অ্যান্টেনা নিয়ে এসেছে ইনফিনিক্স। অ্যান্টেনাটি চলে মেটাম্যাটেরিয়াল গেমিং নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির মাধ্যমে। এই প্রযুক্তি তিনগুন বেশি অ্যান্টেনা এরিয়া কাভার করতে পারে। ফলে গেমিংয়ের সময় নেটওয়ার্ক সিগন্যাল নিয়ে বাড়তি দুঃশ্চিন্তা করতে হয় না।

ফটোগ্রাফির জন্য ডিভাইসটিতে আছে ১০৮ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা। এই হাই-রেজোলিউশন লেন্সের সঙ্গে আছে দুই মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো লেন্স। পাশাপাশি এতে আছে একটি এইচএমএস সেন্সর, যা সুন্দর ও স্পষ্ট ছবি তুলতে ব্যবহারকারীদের সাহায্য করবে। ডিভাইসটির সামনে থাকা ৩২ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা দিয়ে সুন্দর সেলফি তুলতে পারবে তরুণরা।

উদ্ভাবনী ফিচারযুক্ত ইনফিনিক্স হট ৪০ প্রো পাওয়া যাচ্ছে একটি চমৎকার এমএলবিবি-কাস্টমাইজড বক্সে। পাম ব্লু, হরাইজন গোল্ড এবং স্টারলিট ব্ল্যাক— এই তিনটি রঙে বাজারে এসেছে ফোনটি। ১৯,৯৯৯ টাকা মূল্যের ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে ইনফিনিক্সের অনুমোদিত শপ এবং দেশের বৃহত্তম অনলাইন শপিংপ্লেস দারাজে।

;

অপতথ্য প্রচার রোধে টেকজায়ান্ট, সোস্যাল মিডিয়ার সমঝোতা



টেক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ভুল তথ্য বিভ্রান্ত করতে পারে

ভুল তথ্য বিভ্রান্ত করতে পারে

  • Font increase
  • Font Decrease

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি আমাদের বাস্তবের এক নতুন অধ্যায় শুরু করেছে। খুব দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে এই প্রযুক্তি। মাত্র কয়েক বছর ধরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তার শুরু হয়েছে। সময়ের সাথে সাথে তা আরো উন্নত হবে। একসময় হয়ত বাস্তব-অবাস্তব পার্থক্য করা কষ্টকর হয়ে যাবে। তবে ইতোমধ্যেই প্রযুক্তি এত বেশি আধুনিক হয়ে গেছে যে, চোখে ধুলো দেওয়া অসম্ভব নয়। সামনে প্রায় ৪০টি দেশে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বিশ্ব নেতাদের নির্বাচন করার ক্ষেত্রে অনেক বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। কারণ, পরোক্ষভাবে মানুষজাতির ভবিষ্যৎ প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। 

এই সমস্যার গুরুত্ব অনুধাবন করেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো। মাইক্রোসফট, মেটা, ওপেন এআই, গুগল, আমাজন, আইবিএম, এডোবি, আর্ম- একটি চুক্তি সই করেছে। ২০টি বড় প্রতিষ্ঠান একজোট হয়েছে। এর সাথে স্ন্যাপ-চ্যাট, টিকটক, এক্স-এর মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোও যুক্ত হয়েছে।

টেক প্ল্যাটফর্মে বিশ্বজুড়ে একটি বিশাল নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। ৪০টিরও বেশি দেশের ৪ বিলিয়ন লোক এর দ্বারা প্রভাবিত হবে৷ মেশিন লার্নিং ফার্ম ক্ল্যারিটির তথ্য অনুসারে, এআই-উৎপাদিত বিভিন্ন মাধ্যম উত্থানের ফলে বিভ্রান্ত করা সহজ। এর সাহায্যে নির্বাচন-সম্পর্কিত ভুল তথ্য প্রচার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। কারণ, বছর প্রতি ডিপফেকের সংখ্যা শতকরা ৯০০ ভাগ অবধি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

২০১৬ সালোর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনি প্রচারণার সময় একটি বড় সমস্যা দেখা গিয়েছিল। রাশিয়ান অভিনেতাদের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচন সম্পকির্ত ভুল তথ্য প্রচার হচ্ছিল। এখন মানুষকে ধোঁকা দেওয়া আরো সহজ। নকল ভিডিও বানানো অনেক সহজ হয়ে গেছে। তাছাড়া, এদের পার্থক্য অবধি করা যায় না। তাই, আইন প্রণেতারা এআই-এর দ্রুত উন্নতি নিয়ে আরো বেশি উদ্বিগ্ন।

তাই তারা সবাই সমঝোতায় এসেছেন। যার যার অবস্থান থেকে ভুল তথ্য প্রচার করা রোধ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন তারা। তারা সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করতে চান।  

;