বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশ প্রদর্শনীতে হুয়াওয়ে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশ প্রদর্শনীতে হুয়াওয়ে

বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশ প্রদর্শনীতে হুয়াওয়ে

  • Font increase
  • Font Decrease

দ্য বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ ইন বাংলাদেশ এক্সিবিশনে ঢাকার পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া এই আয়জনটি দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতামূলক মনোভাব তুলে ধরতে এবং বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে ডিজিটালাইজেশনকে ত্বরান্বিত করতে একটি প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করবে।

বাংলাদেশে অবস্থিত চীন দূতাবাস, বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিআই) এবং চাইনিজ এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (সিইএবি) এর সহযোগিতায় এই তিন দিনব্যাপী প্রদর্শনীর আয়োজন করছে যেখানে চীন ও বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অবকাঠামো, টেক্সটাইল, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগভিত্তিক শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো অংশগ্রহণ করছে।

হুয়াওয়ে এই আয়োজনে নিজের প্যাভিলিয়ন সাজিয়েছে উন্নত প্রযুক্তি এবং পণ্যের একটি বৈচিত্র্যময় পোর্টফোলিও নিয়ে যার মধ্যে রয়েছে ক্লাউড টেকনোলজি, ডিজিটাল পাওয়ার (সোলার পাওয়ার ইনভার্টার), টেলিকম নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি যেমন ফাইভজি, ফাইভ পয়েন্ট ফাইভ জি। পাশাপাশি রয়েছে স্মার্ট ক্লাসরুম, স্মার্ট ট্রান্সপোর্টেশন, স্মার্ট পোর্ট এবং স্মার্ট সিটিসহ আরও দারুণ কিছু।

হুয়াওয়ের অংশগ্রহণ বিষয়ে  এর দক্ষিণ এশিয়ার বোর্ড মেম্বার এবং পাবলিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড কমিউনিকেশনস বিভাগের পরিচালক জেসন লি বলেন, "আইসিটি খাতে বাংলাদেশের যে অগ্রগতি হয়েছে তার একজন সদস্য হিসেবে হুয়াওয়ে এই প্রদর্শনীতে তার যুগান্তকারী সমাধানগুলি প্রদর্শন করতে যাচ্ছে৷ আমাদের স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে বরাবরের মতোই একটি বিশ্বস্ত সহযোগী হয়ে থাকতে চাই। টেলিকম নেটওয়ার্ক, ডিজিটাল পাওয়ার, ক্লাউড এবং এন্টারপ্রাইজ খাতের জন্য আমাদের পরিষেবা এবং সমাধানগুলির মাধ্যমে আমরা প্রতিটি ব্যক্তি, বাড়ি এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে ডিজিটাল সেবা দিতে আমরা সবসময় তৈরি যাতে  আমরা একটি পুরোপুরি  সংযুক্ত ও স্মার্ট বাংলাদেশ তৈরি করে তুলতে পারি।

তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ ২০২৩ প্রদর্শনী চীন এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান ও স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে সহযোগিতা আরও  বৃদ্ধি করবে এবং ডিজিটালাইজেশনকে আলিঙ্গন করতে আমাদের সকলকে একটি সার্বজনীন ধারণা দিবে।"

এই প্রদর্শনীতে দুইটি বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে যেখানে চীনের বিনিয়োগকারীদের সমস্যা, সফলতা, সম্ভাবনা এবং আকাঙ্খার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে। এই তিনদিনে জব ফেয়ারেরও ব্যবস্থা রয়েছে। আগ্রহীগণ বিভিন্ন প্যাভিলিয়নে তাঁদের সিভি জমা দিতে পারবেন।

স্মার্ট নাগরিক গড়তে দক্ষতা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই: তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক

ছবি: সংগৃহীত, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক

  • Font increase
  • Font Decrease

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, একটাই লক্ষ্য, হতে হবে দক্ষ। উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হলেও প্রযুক্তির নিত্য নতুন উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির প্রয়োগ সম্পর্কে দক্ষতা অর্জন করতে না পারলে ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের ইন্টেলিজেন্স যুগে হয়ত প্রতিযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার বাজারে অপ্রয়োজনীয় হয়ে যেতে পারি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ঢাকায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের 'দীক্ষা-দক্ষতা উন্নয়নে শিক্ষা অনলাইনে' প্রকল্পের আওতায় নির্মিত কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের এই ইন্টেলিজেন্স যুগে প্রতিযোগিতার বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে নেতৃত্বের আসনে আসীন করতে হলে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়ন করতে স্মার্ট নাগরিক গড়ে তুলতে আমাদের দক্ষতা অর্জনের কোনো বিকল্প নেই। স্মার্ট নাগরিক ও স্মার্ট সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে শুধুমাত্র শিক্ষাব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত হলেই হবে না; শিক্ষাব্যবস্থার বাইরে একটা নলেজ ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে হবে এবং আমাদের মনস্তাত্ত্বিক একটা পরিবর্তন আনতে হবে।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র সনদমুখী বা উচ্চশিক্ষামুখী না হয়ে এবং ঢাকা কিংবা বিদেশমুখী না হয়ে দক্ষতানির্ভর ও কর্মমুখী মানবসম্পদ হিসেবে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে তৈরি করতে হবে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোনো বিলাসী পণ্য নয় উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী পলক বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা রোবটিকস এখন আর কোনো বিলাসী পণ্য নয়। রোবট এখন আমাদের নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় পণ্যে পরিণত হয়েছে। উন্নত বিশ্বে উৎপাদনমুখী কারখানায় শ্রমিকের পরিবর্তে রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে। এমনকী তৈরি পোশাকখাতেও অনেক কাজে রোবট ব্যবহার করা হচ্ছে।

বাস্তবতা এটা দাঁড়িয়েছে যে, আমাদের গার্মেন্টস শ্রমিকদের যদি আমরা ‘আপস্কিলিং’ বা ‘রিস্কিলিং’ করে দক্ষতার উন্নয়ন করতে না পারি, তাহলে হয়ত কিছুদিন পর আমরা দেখবো রোবট এই শ্রমিক ভাইবোনদের যায়গা দখল করে নিয়েছে।

আমাদের মেন্টরিংয়ের ভূমিকা নিতে হবে উল্লেখ করে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্পের সফল বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদের দক্ষতা অর্জন করতে হবে। সেজন্য আমাদের প্রথাগত শিক্ষাপদ্ধতির পরিবর্তনের পাশাপাশি আমাদের শিক্ষকদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

আমাদের শিক্ষকদের রোলটা শুধু শিক্ষকতা না হয়ে মেন্টরিংয়ের হতে হবে। কোনো শিক্ষার্থী কারিকুলামের বাইরে কিছু শিখতে চাইলে তাকে সঠিক প্ল্যাটফর্ম দেখিয়ে দিতে হবে। দীক্ষা ও মুক্তপাঠের মতো এমন অনেক প্ল্যাটফর্ম আছে, আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে এই প্ল্যাটফর্মগুলোতে যুক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের একটাই লক্ষ্য, হতে হবে দক্ষ। আগামীর ইন্টেলিজেন্স যুগে আমাদের সফল হতে হলে দক্ষতা উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। সেজন্য আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার বাইরে একটা ব্লেন্ডেড নলেজ ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে হবে।

;

এন মোহাম্মদ গ্রুপের ডিজিটাল ও সাইবার সিকিউরিটি সহযোগিতায় অ্যাকজেনটেক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের অন্যতম ব্যবসায়িক শিল্পগোষ্ঠী এন মোহাম্মদ গ্রুপের ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করবে স্মার্ট সলিউশন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাকজেনটেক পিএলসি। সম্প্রতি রবি আজিয়াটা লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান অ্যাকজেনটেক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী (সিইও) আদিল হোসেন নোবেল এবং এন. মোহাম্মদ গ্রুপের চেয়ারম্যান মনজুরুল হক এ সংক্রান্ত চুক্তিতে সই করেন।

চুক্তি অনুসারে, দেশের প্লাস্টিক শিল্পের অন্যতম প্রতিষ্ঠান এন মোহাম্মদ গ্রুপের ডিজিটাল কার্যক্রম গতিশীল করবে অ্যাকজেনটেক। এন মোহাম্মদ গ্রুপের ওরাকল ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার (ওসিআই) বাস্তবায়নে কাজ করবে অ্যাকজেনটেক, যা গ্রুপটির ওরাকল ইআরপি সিস্টেমকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালু রাখবে। এই সমন্বয়ের মাধ্যমে এন মোহাম্মদ গ্রুপের ব্যবসায়িক দক্ষতা, নির্ভরযোগ্যতা, কার্যকারিতা ও সর্বোচ্চ মান বজায় রাখার বিষয়টি নিশ্চিত হবে।

ইআরপির জন্য ওসিআই ব্যবহারের পাশাপাশি এন মোহাম্মদ গ্রুপ নিজেদের ই-কমার্স এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন পরিচালনার জন্য অ্যাকজেনটেকের রবি ক্লাউড ব্যবহার করছে। যা অনলাইনে গ্রুপটির প্রসার এবং স্থানীয় বাজারে ভোক্তাদের সাথে যোগাযোগের ডিজিটাল অভিজ্ঞতাকে বিস্তৃত করবে।

অ্যাকজেনটেক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী (সিইও) আদিল হোসেন নোবেল এ প্রসঙ্গে বলেন, “এন মোহাম্মদ গ্রুপের ডিজিটাল অবকাঠামো নিয়ে কাজ করতে পেরে আমরা আনন্দিত। ওরাকল ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ও রবি ক্লাউডের মাধ্যমে আমাদের সমন্বিত ক্লাউড সলিউশন এন মোহাম্মদ গ্রুপকে বর্তমান ডিজিটাল সময়ে নিজেদের ব্যবসাকে আরো এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।”

;

গিগাবাইটের গেমিং মনিটর এখন বাংলাদেশে



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: গিগাবাইটের গেমিং মনিটর উন্মোচন

ছবি: গিগাবাইটের গেমিং মনিটর উন্মোচন

  • Font increase
  • Font Decrease

গেমিংয়ের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা আকর্ষণীয় ওলেড মনিটর বাংলাদেশের বাজারে নিয়ে এলো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কম্পিউটার ব্র্যান্ড গিগাবাইট। রোববার (১৪ জুলাই) রাজধানী একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত এক পার্টনারমিট অনুষ্ঠানে এই মনিটর উন্মোচন করা হরে গিগাবাইট বাংলাদেশ। আয়োজনে গিগাবাইটের গেমিং ও বিনোদনের আরও বিস্তৃত পণ্যের সমাহারের সাথে পরিচিত হন পার্টনাররা।

এই মনিটর উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- গিগাবাইট এর পরিবেশক প্রতিষ্ঠান স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেডের ডিসট্রিবিউশন বিজনেস ডিরেক্টর জাফর আহমেদ, চ্যানেল সেলস ডিরেক্টর মুজাহিদ আলবেরুনী সুজন এবং গিগাবাইট কান্ট্রি হেড খাজা মো. আনাস খান।

এ সময় বাংলাদেশ সহ বিশ্ববাজারে গেমিং মনিটরের ক্ষেত্রে অপ্রতিদ্বন্দ্বী গিগাবাইট বলে জানিয়েছেন বক্তরা। দেশের বাজারেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে বলে জানান তাঁরা।

স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেডের ডিসট্রিবিউশন বিজনেস ডিরেক্টর জাফর আহমেদ বলেন-একসময় গিগাবাইট বলতে শুধু মানুষ মাদারবোর্ড ছিলো। এখন গিগাবাইট বলতে বুঝায় একটা ব্র্যান্ড পিসি। এ সময় সম্মানিত পার্টনারকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

খাজা মো. আনাস খান বলেন-পৃথিবী এখন চলতেছে এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্ট) বেইজড। এই এইআইকে গুরুত্ব আমরা এআই বেইজড ল্যাপটপ বাজারে নিয়ে এসেছি। এর ধারাবিকতায় গেমিংয়ের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা আকর্ষণীয় ওলেড গেমিং মনিটর বাজারে নিয়ে এসেছি। নতুন নিয়ে আসা এই ওলেড সিরিজের গেমিং মনিটরটি এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের লাসভেগাসে অনুষ্ঠিত এসইএস (কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস শো) ২০২৪-এ উন্মোচন করা হয়। এখন থেকে বাংলাদেশের বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

নতুন এই মনিটরে কি আছে:

২৭-৩৪ ইঞ্চির এই মনিটরগুলোয় রয়েছে ৩৬০ হার্জ রিফ্রেশ রেট, এর সাথে যুক্ত হয়েছে সর্বাধুনিক স্পেকিফিকেশন ও বিশেষ ট্যাকটিকাল ফিচার; যা ব্যবহারকারীর গেমিং ও মাল্টিটাস্কিংয়ের অভিজ্ঞতাকে নিয়ে যাবে অনন্য উচ্চতায়। এসইএস ২০২৪ অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণই ছিল সর্বাধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ ৩২ ইঞ্চির অরাস এফও৩২ইউ২পি। বিশ্বের প্রথম ডিপি২.১ ইউএইচবিআর২০ ট্যাকটিকাল গেমিং মনিটর হিসেবে এতে ব্যবহার করা হয়েছে ৮০ জিবিপিএস (গিগাবাইট পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইথ। যা ডিসপ্লে স্ট্রিম কমপ্রেশন (ডিএসসি) ছাড়াই পূর্ববর্তী ডিপি১.৪ এইচবিআর৩ এর তুলনায় আড়াই গুণ বেশি ব্যান্ডউইথ-সম্পন্ন গেমিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে সক্ষম। এই মনিটরের ডিসপ্লে পোর্টে ডেইজি চেইন ব্যবহার করা যাবে, ফলে কোনোপ্রকার ক্যাবল ক্লাটার ছাড়াই মাল্টি-ডিসপ্লে কনফিগার করা হবে অনেক সহজ।

অরাসের গেমিং মনিটরগুলোয় বেশকিছু উদ্ভাবনী ও গেমিং-বান্ধব ট্যাকটিকাল ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কুইক অ্যাক্সেস ফাংশনের জন্য নির্ধারিত শর্টকাট কী - ট্যাকটিকাল সুইচ। কম আলোতেও সমৃদ্ধ দেখার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে রয়েছে নাইট ভিশন, যা পুরো স্ক্রিন ওভারএক্সপোজ না করেই অন্ধকার এলাকাকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম। পাশাপাশি, ফার্স্ট-পারসন শ্যুটারদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা এর রেজ্যুলুশন সুইচ। দ্রুত গতির গেমিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে যা মাত্র এক ক্লিকেই ২৪ ইঞ্চিকে ১০৮০ পিক্সেলে রূপান্তর করতে সক্ষম।

একইসাথে, এআই-নির্ভর সমাধান গিগাবাইট ওলেড কেয়ার নিয়ে এসেছে গিগাবাইট। ফলে, এখন ইমেজ জমিয়ে রাখার দুশ্চিন্তা কমে আসা এবং নির্ভরযোগ্য ও দীর্ঘস্থায়ী স্বয়ংক্রিয় প্যানেল-প্রোটেকটিং ফিচার যুক্ত করা আরও সহজ হবে। বিশেষকরে, স্ক্রিন ব্যবহারের ধরন নিরবচ্ছিন্নভাবে শনাক্ত করতে পারে গিগাবাইট ওলেড, যা নিজেকে নিয়মিত ও স্বাধীনভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করতে সক্ষম। ফলে, এখানে ব্যবহারকারীর ম্যানুয়েল কোনো কাজ থাকছে না।

মোশনের ক্ষেত্রে অতুলনীয় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং মোশন ব্লার ও ঘোস্টিং উল্লেখযোগ্যহারে কমিয়ে আনতে নতুন এই গেমিং মনিটরগুলোয় ব্যবহার করা হয়েছে সিএমআর১৩০০০-টায়ার কিউডি-ওলেড প্যানেল। ব্যবহারকারীর স্ক্রিন দেখার ক্ষেত্রে একদম স্বচ্ছ ও ঝকঝকে অনুভূতি নিশ্চিত করবে এর ১,৫০০,০০০:১ কনট্রাস্ট রেশিও, ভেসা ডিসপ্লে এইচডিআর ট্রু ব্ল্যাক ৪০০ এবং ৯৯ শতাংশ ডিসিআই-পি৩ এর আলট্রা-ওয়াইড কালার গেমাট। এর উচ্চ রিফ্রেশ রেট ও বিদ্যুৎগতিসম্পন্ন ০.০৩ এমএস জিটিজি রেসপন্স টাইম গেমিংয়ের অভিজ্ঞতাকে করবে আরও নিখুঁত ও দুর্দান্ত।

অনবদ্য এই এফও৩২ইউ২পি-এর মতোই আরেকটি মনিটর হচ্ছে এফও৩২ইউ২; এতে এইচডিএমআই ২.১ এফআরএল ১২জি ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। আরেকটি হচ্ছে এফও২৭কিউ৩, যেখানে সমৃদ্ধ দেখার অভিজ্ঞতা নিশ্চিতে ৩৬০ হার্জ রিফ্রেশ রেট ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যবহারকারীর জন্য অনবদ্য অভিজ্ঞতা নিশ্চিতে এবং গেমিং ও মাল্টিটাস্কিংয়ের অনন্য চাহিদা পূরণ করতে আলট্রা-ওয়াইড কার্ভড মনিটর এমও৩৪ডব্লিউকিউসি ও এমও৩৪ডব্লিউকিউসি২ নিয়ে আসা হয়েছে।

;

আজ সারাদেশে থাকতে পারে ইন্টারনেটে ধীরগতি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
আজ সারাদেশে ১২ ঘণ্টা থাকতে পারে ইন্টারনেটে ধীরগতি

আজ সারাদেশে ১২ ঘণ্টা থাকতে পারে ইন্টারনেটে ধীরগতি

  • Font increase
  • Font Decrease

সাবমেরিন ক্যাবল রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আজ শনিবার (১৩ জুলাই) সারাদেশে ১২ ঘণ্টা ধীরগতিতে থাকতে পারে ইন্টারনেট। এদিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ইন্টারনেটের নিরবিচ্ছিন্ন সেবা ব্যাহত হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। 

শুক্রবার (১২ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস কোম্পানি লিমিটেড পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, সাবমেরিন ক্যাবল (সিমিইউ-৪) সিস্টেমের সিঙ্গাপুর প্রান্তে কনসোর্টিয়াম কর্তৃক গৃহীত রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করার জন্য ১৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রায় ১২ ঘণ্টা এ ক্যাবলের মাধ্যমে সংযুক্ত সার্কিটগুলো আংশিক বন্ধ থাকবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ কারণে দেশের বিভিন্ন জায়গায় নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হতে পারে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বিএসসিপিএলসি।

তবে কুয়াকাটায় স্থাপিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন (সিমিউই-৫) ক্যাবলের মাধ্যমে সংযুক্ত সার্কিটগুলো যথারীতি চালু থাকবে।

;