‘দেশ-সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন নির্ভর করে মানুষের কর্মদক্ষতার ওপর’



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নাসিমা আক্তার নিশা

নাসিমা আক্তার নিশা

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে বৈশ্বিক মানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন নিয়ে বার্তা ২৪ এর প্রতিবেদকের সাথে কথোপকথনে নাসিমা আক্তার নিশা, ই-ক্যাবের (ই-কমার্স এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং উইমেন এ্যান্ড ই-কমার্স ফোরাম (উই) এর স্বপ্নদ্রষ্টা ও প্রতিষ্ঠাতা

প্রশ্ন: প্রগতি উন্নয়ন নির্ভর করে কর্মদক্ষতার ওপর, যা একমাত্র মানসম্মত উচ্চশিক্ষার মাধ্যমেই সম্ভবএকটি উন্নয়নশীল দেশে উচ্চশিক্ষার বিকাশের জন্য প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছেআপনার মতে গতানুগতিক শিক্ষাব্যবস্থা এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার পার্থক্যগুলো কী কী?

একটি দেশ, জাতি কিংবা সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন নির্ভর করে এর মানুষের কর্মদক্ষতার ওপর। সঠিক, যুগোপযোগী, মানসম্মত শিক্ষা ও প্রাযোগিক জ্ঞানের মাধ্যমেই এ কর্মদক্ষতা অর্জন সম্ভব। কোন একটি দেশ বা সমাজকে সামনে এগিয়ে যেতে হলে প্রথাগত শিক্ষাব্যবস্থাকে বিদায় জানিয়ে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে হবে। কারণ, গতানুগতিক ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। প্রতিযোগিতামূলক এ বিশ্বে টিকে থাকতে আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় একজন শিক্ষার্থীকে গ্লোবাল কম্পিট্যান্সি অর্জনে অনুপ্রাণিত করা হয়। গ্লোবাল কম্পিট্যান্সি হলো এমন জ্ঞান, দক্ষতা ও গুণাবলিকে নির্দেশ করে, যার মাধ্যমে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিষয় জানা, বোঝা বা ব্যবহারের মাধ্যমে একজন মানুষ জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করতে পারে। বিশ্বায়নের এ যুগে সারা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় নিজেকে এগিয়ে রাখতে শুধু আশপাশের এক-দুটি দেশ নয়, সারা বিশ্বের সব দেশ, দেশের মানুষ, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, রাজনীতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অবশ্যই পর্যাপ্ত জ্ঞান রপ্ত করতে হবে, হতে হবে ‘গ্লোবালি কম্পিট্যান্ট’। অন্যদিকে, গতানুগতিক শিক্ষাব্যবস্থায় অ্যাকাডেমিক বা পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞানের ওপর বেশি আলোকপাত করা হয়।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা একটি তীব্র রূপান্তরের দিকে অগ্রসর হচ্ছেডিজিটালাইজেশনের ছোঁয়ায় প্রথাগত শিক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন এসেছে; আপনার মতে কি কি পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে এই ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়াটিকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিতেতরুণ উদ্যোক্তা করপোরেট জনশক্তি তৈরিতেও কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত বলে আপনি মনে করেন?

বিশ্বায়নের এ যুগে রূপান্তরিত শিক্ষা ব্যবস্থায় আমাদের শিক্ষা ও শেখার পদ্ধতিতে অনেক পরিবর্তন এসেছে। এ পরিবর্তন গতানুগিক শিক্ষা পদ্ধতিকে আরো উন্নত ও ত্বরাণ্বিত করেছে। আমাদের দেশে তরুণ উদ্যোক্তা ও করপোরেট জনশক্তি তৈরি করতে হলে পিপলস স্কিলস বা সফট স্কিলসের ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ সেন্টারের একটি সমীক্ষা বলছে, আমরা আমাদের ক্যারিয়ারে কতটুকু সফল তার ১৫ শতাংশ নির্ভর করে আমাদের টেকনিক্যাল বা বিষয়ভিত্তিক দক্ষতার ওপর আর বাকি ৮৫ শতাংশ নির্ভর করে আমাদের পিপল স্কিলস বা সফট স্কিলসের ওপর। বাংলাদেশে নারী উদ্যোক্তাদের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার উদ্দেশ্য নিয়ে শুরু হয় “উই” । সংস্থাটি গড়ে তুলতে, শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে এবং মহিলা উদ্যোক্তাদের তাদের নৈপুণ্যকে ব্যবসায় পরিণত করতে অনুপ্রাণিত করেছি  সফট স্কিলসের ওপর ভিত্তি করে । বর্তমানে আমরা বিভিন্ন সফ্ট স্কিলস এর উপর প্রশিক্ষণসহ উদ্যোক্তাদের প্ল্যাটফর্ম প্রদান, জ্ঞান পরিসর বৃদ্ধি ও উদ্যোক্তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছি ।

আমার মতে, শিক্ষা পদ্ধতিতে আধুনিকায়নের সাথে সাথে সফ্ট স্কিলস থাকা উচিত এতে এই সবকিছুর সমন্বয়ে আমরা আরো তরুণ উদ্যোক্তা ও করপোরেট জনশক্তি তৈরি করতে পারবো।

প্রশ্ন: আপনার কি মনে হয় আমাদের বর্তমান শিক্ষা পাঠ্যসূচি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিকাশের জন্য সহায়ক?

আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিকাশে শিক্ষা পাঠ্যসূচিতে যুগোপযোগী বেশ কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। পাঠ্যক্রমে এমন কিছু বিষয় সংযুক্ত করতে হবে যেনো শিক্ষার্থীরা নিজের ও অন্য দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পারে, ভিন্ন সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় ঘটাতে পারে এবং টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে সবার সমৃদ্ধির জন্য পদক্ষেপ গ্রহণে আগ্রহী হতে পারে। এছাড়া, নতুনের সঙ্গে নিজেদের সহজে মানিয়ে নেয়ার মানসিকতা তৈরি করার লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বিষয়ে পারদর্শী বিশেষজ্ঞের দ্বারা পরিচালিত কর্মশালায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষতারও তারা বিকাশ ঘটাতে পারবে। 

প্রশ্ন: বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত শিক্ষাব্যবস্থা কীভাবে শিক্ষার্থীদের বেড়ে উঠতে সাহায্য করতে পারে?

বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা বিশ্বমানের না হলে গ্লোবাল কম্পিট্যান্সি অর্জন প্রায় অসম্ভব। তবে, এ বিষয়গুলো নিয়ে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে কাজ করছে। একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টিকে তুলে ধরা যাক, কিছুদিন আগে একজন মোনাশ এর সাবেক শিক্ষার্থী আমিদ হোসাইন চৌধুরীর একটি লেখা আমার নজরে পরে যেখানে এক অনন্য প্রতিষ্ঠানের  ব্যাপারে জানতে পারি। বিস্তারিত পড়ে জানতে পারলাম মোনাশ কলেজ, অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র অংশীদার ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবি) দেশে বসেই শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের শিক্ষালাভের সুযোগ করে দিয়েছে। এছাড়া, ইউসিবি বৈশ্বিক পাঠ্যক্রম অনুসরণ করে শিক্ষা প্রদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের গ্লোবাল কম্পিট্যান্সি অর্জনে বিভিন্ন সফট স্কিলের ওপর বিনামূল্যে কর্মশালা আয়োজন করছে। এতে যোগদান করে শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারেন এবং অন্যান্য দেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে সহজে ধারণা লাভ করতে পারেন, যা গ্লোবাল কম্পিট্যান্সি অর্জনে অত্যন্ত সহায়ক। গ্লোবাল কম্পিট্যান্সি অর্জনের মাধ্যমে দেশের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজের ও দেশের পরিচিতি উজ্জ্বল করবে বলে আমি প্রত্যাশা করছি।

প্রশ্ন: বৈশ্বিক পাঠ্যক্রমে উচ্চশিক্ষা কর্মক্ষেত্রে কেমন ভূমিকা রাখে বলে আপনি মনে করেন? আপনার মতে দেশে এরূপ পাঠ্যক্রমে শিক্ষা লাভের সুযোগ শিক্ষর্থীরা কিভাবে পেতে পারে?

বৈশ্বিক পাঠ্যক্রমে উচ্চশিক্ষা কর্মক্ষেত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি। বাংলাদেশে বসে শিক্ষার্থীরা যাতে এ ধরনের শিক্ষা লাভ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কাজও করছে। একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি তুলে ধরা যাক, এ দেশের সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীরা যাতে দেশে বসেই তাদের মোনাশ ডিগ্রি অর্জনের যাত্রা শুরু করতে পারেন, এ ধরনের সুযোগ তৈরিতে প্রতিষ্ঠানটি তাদের জন্য কাজ করছি। ইউসিবি বাংলাদেশে মোনাশ কলেজ অস্ট্রেলিয়ার একমাত্র অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। শিক্ষার্থীরা তাদের ও লেভেল/এস লেভেল/এ লেভেল/ এইচ এস সি প্রথম বর্ষ ও লেভেল/এস লেভেল/এ লেভেল/ এইচ এস সি  পর পরই ঢাকায় ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশে ফাউন্ডেশন ইয়ার এবং মোনাশ ইউনিভার্সিটি ১ম বর্ষের ডিগ্রি সমমানের প্রোগ্রামে যোগ দিয়ে তাদের কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যের পথে যাত্রা শুরু করতে পারেন। তরুণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য এটি সত্যিই একটি চমৎকার সুযোগ। আর এভাবেই তারা দেশে বসে বৈশ্বিক পাঠ্যক্রমের উচ্চ শিক্ষা লাভের সুযোগ পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের জন্য আপনার কিছু পরামর্শ এবং উপদেশ যা তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারে?

বিশ্বায়নের এ যুগে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে নেতৃত্বের গুণাবলী, যোগাযোগ দক্ষতা, দূরদর্শিতা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতার মতো সফট স্কিল অর্জন করতে হবে। আজকের তরুণ শিক্ষার্থীরাই যেহেতু ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দেবেন, তাই তাদের গ্লোবাল কম্পিট্যান্সি অর্জন করতেই হবে; এর কোন বিকল্প নেই।  

বিনিয়োগের ব্যাপারে ঘোষণা দিলো শেয়ারট্রিপ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বিনিয়োগের ব্যাপারে ঘোষণা দিলো শেয়ারট্রিপ

বিনিয়োগের ব্যাপারে ঘোষণা দিলো শেয়ারট্রিপ

  • Font increase
  • Font Decrease

 

জমকালো পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে অংশীদার ও অংশীজনদের সাথে নিজেদের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে দেশের সবচেয়ে বড় ও শীর্ষস্থানীয় অনলাইন ট্রাভেল এজেন্ট (ওটিএ) শেয়ারট্রিপ। সম্প্রতি রাজধানীর হোটেল শেরাটন ঢাকায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শেয়ারট্রিপ এর ভ্রমণ ও পর্যটন সম্পর্কিত অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২০২০-২০২১ সালে সার্বিক সহায়তা ও নানা ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য সৌহার্দ্যপূর্ণ আংশিদারিত্বের প্রতীক স্বরূপ পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে সম্মানিত করেছে। পর্যটন খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে থেকে শেয়ারট্রিপ প্রথমবারের মতো এর সাপ্লায়ার এবং ব্যবসায়িক অংশীদারদের পুরস্কৃত করে। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্টার্টআপ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি আহমেদ। এছাড়াও, অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শেয়ারট্রিপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া হক এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা কাশেফ রহমান।

এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেয়ারট্রিপ এর অংশীদার প্রতিষ্ঠানদের প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি জানাতে বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার প্রদান করে, যেমন: এক্সেমপ্লারি পারফর্মিং এয়ারলাইন ইন সাউথ এশিয়া, সাউথ-ইস্ট এশিয়া, আমেরিকাস, ইউরোপ, ওশেনিয়া, মিডল ইস্ট ও সেন্ট্রাল এশিয়া, এশিয়া রিজিওনস এবং বাংলাদেশ, লিডিং ক্যাম্পেইন পার্টনার, লিডিং ট্র্যানজ্যাকশন পার্টনার, বেস্ট কমার্শিয়াল পার্টনার, বেস্ট পারফর্মিং এজেন্ট সহ আরও অন্যান্য অনেক বিভাগ। এছাড়াও, গ্রাহকদের পছন্দ জানার জন্য, তিন দিনব্যাপী পরিচালিত এক জরিপের দশ হাজারেরও বেশি মতামতের ভিত্তিতে শেয়ারট্রিপ পিপল’স চয়েস এয়ারলাইন এবং পিপল’স চয়েস হোটেল খাতে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। 

আইসিটি বিভাগের ফ্ল্যাগশিপ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় এ ওটিএ প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করে এবং শেয়ারট্রিপ-ই দেশের প্রথম পর্যটন খাতে বিনিয়োগকৃত প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। পর্যটন খাতের সকল ক্ষেত্রে এ ওটিএ যাতে এগিয়ে যেতে পারে, তাই শেয়ারট্রিপে কৌশলগত এ বিনিয়োগ করা হয়। পর্যটন খাতে একটি প্রভাবশালী ভূমিকা পালনের এবং এর অগ্রগতিকে আরও ডিজিটালাইজড করার লক্ষ্যে, স্টার্টআপ বাংলাদেশ ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যমানের প্রতিষ্ঠান শেয়ারট্রিপে বিনিয়োগ করেছে। শেয়ারট্রিপের লক্ষ্য পর্যটন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এবং উন্নয়নকে ডিজিটালাইজড খাতে রূপান্তর করা।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন “ আমরা দেশের পর্যটন খাতের ২০ শতাংশ সম্পর্কে জানি, এ খাতের বাকি ৮০ শতাংশই অনেকের কাছে অজানা। বিদেশ ও দেশের পর্যটকরা বেশিরভাগ ভ্রমণের জায়গা সম্পর্কে অবগত নন। আমার প্রত্যাশা, শেয়ারট্রিপ ও স্টার্টআপ বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির সাথে সাথে দেশের পর্যটন খাতও একই গতিতে এগিয়ে যাবে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশের স্থপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছেন। এ ডিজিটাল বাংলাদেশ লক্ষ্যের অধীনে আমরা দেশে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম তৈরি করছি। স্টার্টআপগুলোর জন্য আমাদের ৫শ’কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে। আমাদের প্রত্যাশা একসাথে আমরা দেশের ভবিষ্যতের ইউনিকর্ন স্টার্টআপ গড়ে তুলতে পারবো।”

সামি আহমেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড বলেন “ শেয়ারট্রিপে স্টার্টআপ বাংলাদেশের বিনিয়োগ ঘোষণা করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমি স্টার্টআপ বাংলাদেশ পরিবারে শেয়ারট্রিপকে স্বাগত জানাতে চাই, যারা খুব অল্প সময়ের মধ্যে দেশের অনলাইন ট্রাভেল মার্কেটের ৫০ শতাংশ বাজার নিজেদের করে নিয়েছে। তিন বছরে প্রতিষ্ঠানটি ২৫ গুণ প্রবৃদ্ধির মাইলফলক গড়েছে, যা রীতিমতো বিস্ময়কর। তবে এটিই স্টার্টআপের বিশেষত্ব, যে যখন একটি দূর্দান্ত আইডিয়াকে দক্ষ জনশক্তি ও অর্থায়নের মাধ্যমে বাস্তবে রূপ দেয়া হয়, তা ফলাফল হয় অভাবনীয় সাফল্য। উদ্ভাবন ও দক্ষতার মাধ্যমে শেয়ারট্রিপ বিশ্ব-বাজারেও অবস্থান পাকা করে নেবে বলে আমার বিশ্বাস ।”

শেয়ারট্রিপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া হক বলেন “শেয়ারট্রিপ শুধুমাত্র ট্রাভেল এজেন্টই নয়, আমরা স্টার্টআপ হিসেবে অনলাইনে ট্রাভেল এজেন্টের সেবা প্রদান করি। ট্রাভেল ইকোসিস্টেমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে শেয়ারট্রিপ। বাংলাদেশের হোটেল ইন্ডাস্ট্রি এখনও বিকাশের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, আমাদের লক্ষ্য এ খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসা। শুধুমাত্র আমাদের সেবা উন্নত করার জন্যই নয়, বরং আমাদের গ্রাহকদের জন্য একটি নিরবচ্ছিন্ন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে উদ্ভাবন এবং পণ্য ও সেবার উন্নয়নে আনতে আমরা উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছি। উদ্ভাবন এবং উন্নত গ্রাহক সেবার মাধ্যমে, আমরা লক্ষ্য আরও সামনে এগিয়ে যাওয়া। ”

দেশজুড়ে ৫ লাখেরও বেশি গ্রাহকদের সেবা প্রদান করেছে শেয়ারট্রিপ। ৫ হাজারেরও বেশি এজেন্ট ব্র্যান্ডটির জন্য কাজ করে, যা অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভ্রমণকে আরও সহজ করে তোলে। শেয়ারট্রিপ বিশ্বাস করে, দেশে এখনও ডিজিটাইজেশনের বিশাল সুযোগ রয়েছে। বর্তমান পর্যটন খাতের মোট অনলাইন কার্যক্রমের প্রায় ৫০ শতাংশের অধিক পরিচালনা করে শেয়ারট্রিপ। এ খাতে ডিজিটালাইজেশন এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে থাকাতে গ্রাহকরা অনেক পরিষেবা এবং সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকছেন। আইসিটি বিভাগ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো অংশীজন ও অংশীদারদের সাথে হাত মিলিয়ে, শেয়ারট্রিপ বৈশ্বিকভাবে স্বদেশী প্রযুক্তির উৎকর্ষের সুযোগ প্রসারিত করে বিদেশি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার সুযোগ তৈরি করতে চায়।

;

ফুডলাভারদের জন্য এবার এলো কেএফসি অ্যাপ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ফুডলাভারদের জন্য এবার এলো কেএফসি অ্যাপ

ফুডলাভারদের জন্য এবার এলো কেএফসি অ্যাপ

  • Font increase
  • Font Decrease

ডিজিটালাইজেশন ও গ্রাহক সেবার এই যুগে গ্লোবাল রেস্তোরাঁ চেইন কেএফসি নিয়ে এলো "কেএফসি অ্যাপ "। হাতের নাগালেই ফিঙ্গার লিকিং গুডনেস- এই ট্যাগলাইনটি প্রচারের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে কাস্টমারদের বহুল প্রতীক্ষিত এই অ্যাপটি।

নতুন এই অ্যাপটি ডাউনলোড করার মাধ্যমে কাস্টমাররা ৫০০ টাকার অর্ডারে পাচ্ছেন ২ পিস হট & ক্রিস্পি চিকেন ফ্রি। অফারটি সীমিত সময়ের জন্য। তাই আর দেরি না করে এখনই ডাউনলোড করুন এন্ড্রয়েড এই অ্যাপটি: t.ly/KFC-App

অ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য থাকছে বিভিন্ন কাস্টমাইজড অফার ও আকর্ষণীয় ডিলস্। এছাড়াও মোবাইল ব্যাংকিং, ডেবিট/ ক্রেডিট কার্ড কিংবা ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পেমেন্ট সম্পন্ন করার মাধ্যমে গ্রাহকরা তাদের অর্ডারে উপভোগ করতে পারবেন ঝামেলামুক্ত ও দ্রুততম সময়ে অর্ডার সম্পন্ন হওয়ার অভিজ্ঞতা। অর্ডারকৃত হট & ক্রিস্পি আইটেম সমূহ প্রস্তুতির ও ডেলিভারির কোন পর্যায়ে রয়েছে তা খুব সহজেই গ্রাহকরা অ্যাপের মাধ্যমে জানতে পারবেন। "এক ক্লিকেই রিওর্ডার" ফিচারটি ব্যবহার করে পছন্দের আইটেমস গুলো পুনরায়  অর্ডার করা এখন খুবই সহজ। কর্নেল স্যান্ডার্সের পক্ষ হতে আরো অনেক মজাদার আইটেম থাকছে নতুন এই অ্যাপটিতে। মিস করতে না চাইলে এখনই ডাউনলোড করুন।

বিশ্ববিখ্যাত রেস্টুরেন্ট চেইন কেএফসি ফুডলাভারদের কাছে ভালোবাসার ওপর নাম। কেএফসি ফ্র্যাঞ্চাইজি লাইসেন্সের অধীনে ট্রান্সকম ফুডস লিমিটেড বাংলাদেশে ২০০৬ সাল থেকে তাদের ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সুস্বাদু সব খাবার দিয়ে কেএফসি সারা দেশের ফুডলাভারদের মন জয় করে নিয়েছে।

;

তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে সাইবার জ্ঞানভিত্তিক গণআন্দোলন গড়া জরুরি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে সাইবার জ্ঞানভিত্তিক গণআন্দোলন গড়া জরুরি

তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে সাইবার জ্ঞানভিত্তিক গণআন্দোলন গড়া জরুরি

  • Font increase
  • Font Decrease

সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলায় নারীদের তথ্যপ্রযুক্তির বিষয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন এবং দক্ষতা উন্নয়নে মনযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আইসিটি বিশেষজ্ঞরা। একই সাথে তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে সর্বস্তরে সাইবার জ্ঞানভিত্তিক গণআন্দোলন গড়ার পরামর্শ তাদের। সিটিও ফোরাম বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের (বিএনএসকে) যৌথ আয়োজনে গতকাল মঙ্গলবার সাইবার ঝুঁকি এবং সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মশালায় তারা এসব বলেন।

আলোচনার প্রথম পর্বে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ। তিনি বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার যে কাজ করছে তাতে সাংবাদিকদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তারা যদি তাদের লেখার মাধ্যমে সাইবার নিরাপত্তাসহ সরকারি কার্যক্রমের ইতিবাচক সমালোচনা করেন তাতে আমরা উপকৃত হবো। কারণ ভুলগুলো সংশোধন করে সামনে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক মিনু। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে নারী সহিংসতায় শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি বেড়েছে মানসিক নির্যাতন এবং সেখানে সাইবার বা অনলাইন গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। এ বিষয়ে সর্বস্তরে সচেতনতা বৃদ্ধিতে সাংবাদিকদের এগিয়ে আসতে হবে। ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তিনি বলেন, নারী গণমাধ্যম কর্মীরা যে কাজেই বাইরে যান না কেন সবসময় তার ফোন নম্বর সচল রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনে পরিবারের কোনো সদস্যের সঙ্গে লোকেশন শেয়ার করা উচিত। এতে করে তিনি কোন সমস্যার পড়লে তার সহযোগিতায় এগিয়ে যাওয়া এবং সন্ধান পাওয়া সহজ হবে।

দ্বিতীয় পর্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং ইনফরমেশন সিকিউরিটি নিয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেন সিটিও ফোরাম মহাসচিব আরফে এলাহী মানিক। এসময় তিনি উপস্থিত প্রশিক্ষণার্থীদের সাথে অনলাইনে প্রাপ্ত তথ্যযাচাই করার প্রক্রিয়াসহ নিরাপত্তার অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা করেন। এসময় তিনি বলেন, নিরাপত্তা শুরু করতে হবে ব্যক্তিপর্যায়ে থেকে। এছাড়া সামান্য ইমেইল বা ফেইসবুক পাসওয়ার্ড হতে শুরু করে তথ্য যাচাই-বাছাই, ভুল তথ্য প্রচার, ম্যালওয়্যার চেনা ও তা থেকে সুরক্ষায় মোবাইল এবং পিসিতে ফায়ারওয়ালের ব্যবহার এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখার কলাকৌশল নিয়ে তিনি কথা বলেন। নিরাপত্তা বিধানে ব্যক্তিক দক্ষতা উন্নয়নে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। সিটিও ফোরামের এই নেতা আরও বলেন, সাইবার বিশ্বে ঝুঁকি থাকবেই- তাই বলে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বন্ধ না করা চলবে না; বরং সবাইকে এ সম্পর্কে জ্হান অর্জন করে সতর্ক থাকতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে সিটিএ ফোরাম বাংলাদেশের সভাপতি তপন কান্তি সরকার বলেন, ‘তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধ থেকে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি সুরক্ষায় তাদের মধ্যে প্রাযুক্তি সক্ষমতা গড়ে তুলতে আমরা কাজ করছি। সেই ধারাবাহিকতায় জাতীয় সঙ্কট বা প্রয়োজনের নিরিখে যেমন তরুণদের অংশগ্রহণে হ্যাকাথনের আয়োজন করা হয়; তেমনি আমরা পেশাদারদের দক্ষতা উন্নয়নেও সচেষ্ট। আমরা জানি সাইবার বিশ্বে সুবিধার পাশাপাশি বিভিন্নভাবে আমাদের নারীরা নিরাপত্তার ঝুঁকিতে রয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে সাইবার জগতে তাদের নিরাপত্তার রক্ষার করণীয় বিষয়গুলো জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের নারী সাংবাদিকরা যদি নিজেরা সতর্ক হন এবং তাদের লেখার মাধ্যমে অন্যদের সতর্ক করতে পারে তাহলে সাইবার জগতে নারীর নিরাপদ অংশগ্রহণ বাড়বে। সেই লক্ষ্যেই  এই প্রশিক্ষণের আয়োজন। সাইবার জগত সম্পর্ক সচেতনতা বাড়াতে নারীদের জন্য এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। আগামীতে অন্য কোন সংগঠনের সদস্যদেরও এসব বিষয়ে প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে বলেও জানান সিটিও ফোরামের সভাপতি তপন কান্তি সরকার।

রাজধানীর সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিভিন্ন পত্রপত্রিকা, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের ২০ সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

;

ঢাকা ও চট্টগ্রামে গ্রামীনফোনের ৫জি ট্রায়াল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঢাকা ও চট্টগ্রামে গ্রামীনফোনের ৫জি ট্রায়াল

ঢাকা ও চট্টগ্রামে গ্রামীনফোনের ৫জি ট্রায়াল

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা ও চট্টগ্রামে ইউজ কেস সহ মঙ্গলবার ফাইভজি নেটওয়ার্কের ট্রায়াল পরিচালনার করেছে গ্রামীণফোন। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি কানেক্টিভিটির ভবিষ্যৎ উন্মোচনে প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ফাইভজি ট্রায়াল পরিচালনার মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল কানেক্টিভিটি পার্টনার ও টেক সার্ভিস লিডার এ প্রতিষ্ঠানটি স্মার্ট বাংলাদেশের লক্ষ্যপূরণের যাত্রায় ভূমিকা রাখতে দৃঢ় পদক্ষেপে এগিয়ে যাচ্ছে।

যুগান্তকারী ফাইভজি প্রযুক্তি বিভিন্ন শিল্পখাত, সমাজের উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতিদিনের পথচলার অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করার জন্য এমন সব সম্ভাবনা ও সুযোগ তৈরি করবে, যা আগে কখনো দেখা যায়নি। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ, সুরক্ষিত ও টেকসই ভবিষ্যৎ তৈরি হবে।  

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান সহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রাজধানীর জিপি হাউজে ইনোভেশন ল্যাবে ফাইভজি ট্রায়ালের অভিজ্ঞতা নেন । এ ইনোভেশন ল্যাবটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যেখান থেকে ধাপে ধাপে ফাইভজি টেস্ট ও এর ব্যবহারিক অভিজ্ঞতার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হবে। এর পাশাপাশি, প্রতিষ্ঠানটির শীঘ্রই অন্যান্য বিভাগীয় শহরে ফাইজি ট্রায়াল পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। 

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান বলেন, “চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সম্ভাবনা উন্মোচনের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যপূরণে আমরা ফাইভজি কানেক্টিভিটি ও এর ইউজ কেসের ট্রায়াল পরিচালনা করছি। আমি বাংলাদেশ সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, নেটওয়ার্ক পার্টনার, ইকোসিস্টেম প্লেয়ার এবং গ্রামীণফোন টিমের সদস্যদের ধন্যবাদ জানাই – সবাই একসাথে আগামী দিনের কানেক্টিভিটিকে (ফাইভজি) সম্ভাবনায় পরিণত করেছেন। ফাইভজি’র ট্রায়াল পরিচালনা ও ফাইভজি’র চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করতে আমরা সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা ও পরামর্শ নিয়ে কাজ করার ব্যাপারে প্রত্যাশী। বর্তমানে, আমরা দেশজুড়ে বিস্তৃত ফোরজি নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছি; একইসাথে, আমরা ভবিষ্যতের সক্ষমতা তৈরি, ফাইভজি ইকোসিস্টেম বিনির্মাণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আইওটি, ব্লকচেইন ও রোবোটিকসের মাধ্যমে শিল্পখাতের জন্য  বিভিন্ন সল্যুশন নিয়ে আসতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

তিনি আরো বলেন, “বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের নির্দিষ্ট চাহিদা অনুযায়ী ইউজ কেস উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে টেলিনর গ্রুপ। টেলিনর গ্রুপের অংশ হিসেবে, উদ্ভাবনী নানা সল্যুশন নিয়ে আসতে আমরা কার্যকরী উপায়ে আমাদের দক্ষতার পূর্ণ ব্যবহার করবো। এসব সল্যুশন প্রয়োজন অনুযায়ী বাংলাদেশের ডিজিটাল সমাজ ও অর্থনীতির অগ্রযাত্রা ত্বরাণ্বিত করতে প্রাসঙ্গিক ভূমিকা রাখবে। আমাদের বিশ্বাস, বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম এগিয়ে আসবে এবং প্রযুক্তিগত সল্যুশনের মাধ্যমে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সুযোগ উন্মোচন এবং এর সদ্ব্যবহার করবে।”  

হুয়াওয়ে ও জেডটিই’র সাথে পার্টনারশিপে এক্ষেত্রে গ্রামীণফোন ডিজিটাল-এনাবলারের ভূমিকা রাখছে, নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করছে এবং বাংলাদেশে ডিজিটাল বিল্পব ত্বরাণ্বিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। 

;