শাওমির আকর্ষণীয় ঈদ অফার, প্রতিদিন ল্যাপটপ জেতার সুযোগ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের উৎসবমুখর পরিবেশকে আরও আনন্দময় করে তুলতে শাওমি বাংলাদেশ ঘোষণা করেছে স্মার্টফোন ও ট্যাব কেনায় আকর্ষণীয় ঈদ অফার ক্যাম্পেইন।

এই ক্যাম্পেইন চলার সময় গ্রাহকরা শাওমির নির্দিষ্ট মডেলের স্মার্টফোন ও ট্যাব কিনে প্রতিদিন শাওমির ল্যাপটপ, নিশ্চিত ক্যাশব্যাক, ইএমআই সুবিধা, ডেটা ব্যান্ডেল প্যাক এবং শাওমি ইকো প্রোডাক্ট ও স্মার্টফোন জেতার সুযোগ পাবেন।

শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘ঈদের এই উৎসবমুখর সময়ে শাওমি বাংলাদেশ আগেই নিয়ে এসেছে ঈদের খুশি। এই ঈদ ক্যাম্পেইনে, শাওমির ফ্যানরা সেরা সব স্মার্টফোন ও ট্যাব কেনায় পাচ্ছেন আকর্ষণীয় অফার। তারা প্রতিদিন ল্যাপটপসহ  নানা লোভনীয় উপহার জেতার সুযোগ পাচ্ছেন। এমনকি, নির্দিষ্ট মডেলের শাওমি স্মার্টফোন কিনলে সুদবিহীন ইএমআই সুবিধা পাওয়া যাবে।’

এই ঈদ অফার পেতে যেসব ডিভাইস কিনতে হবে সেগুলো হলো: শাওমি ইলেভেন-টি প্রো, শাওমি ইলেভেন-টি, শাওমি ১১আই হাইপারচার্জ ফাইভজি, শাওমি ১১ লাইট, শাওমি প্যাড ৫, রেডমি নোট ১০ প্রো ১০৮ এমপি, রেডমি নোট ১১এস, রেডমি নোট ১১, রেডমি ১০ (২০২২) এবং রেডমি ৯এ  প্রভৃতি।

ঈদ অফারের আওতায় ক্রেতারা ইএমআই-এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট মডেলের শাওমি স্মার্টফোন কিনলে ২০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পাবেন।

পাশাপাশি ক্রেতারা জেতার সুযোগ পাবেন রেডমি স্মার্টফোন, মি স্মার্ট ব্যান্ড ৬, রেডমি ইয়ারফোন এবং রেডমি বেসিক এয়ারবাডস। দৈবচয়নের ভিত্তিতে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে। ক্রেতারা অফারে ১৫ জিবি পর্যন্ত ডেটা বান্ডেলও জেতার সুযোগ পাবেন।

ঈদ অফারটি ঈদের আগের দিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। এই অফার পেতে ক্রেতাদের অবশ্যই দেশের শাওমির অথরাইজড স্টোর থেকে নির্দিষ্ট ডিভাইস কিনতে হবে।

বিআইজেএফ নির্বাচন সভাপতি পদ অমীমাংসিত



আইসিটি ডেস্ক
বিআইজেএফ নির্বাচন সভাপতি পদ অমীমাংসিত

বিআইজেএফ নির্বাচন সভাপতি পদ অমীমাংসিত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের (বিআইজেএফ) ২০২২-২৪ মেয়াদের নির্বাচনে সভাপতি পদে নাজনীন নাহার বেগম (টেকওয়ার্ল্ড) এবং মো. জাকির হাসান (সমকাল) সমানসংখ্যক ২৫টি করে ভোট পেয়েছেন। সমান সংখ্যক ভোট পাওয়ায় সভাপতি পদ ছাড়াই বিজয়ী প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিআইজেএফ নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫০টি। নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ৫৪ জন।

সভাপতি পদে অমীমাংসিত বিষয়ে বিআইজেএফ নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান এশিয়ান-ওশেনিয়ান কম্পিউটিং ইন্ডাস্ট্রি অর্গানাইজেশনের (অ্যাসোসিও) সাবেক সভাপতি আবদুল্লাহ এইচ কাফি বার্তা২৪ ডটকমকে জানান, দুজন প্রার্থীই সমান সংখ্যক ভোট পাওয়ায় আলোচনার ভিত্তিতে এক বছর মেয়াদে সভাপতি পদে দায়িত্ব পালনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সমাজসেবা অধিদপ্তরে এই সংক্রান্ত নীতিমালা দেখে আমরা এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাব।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন বার্তা২৪ ডটকম’র কনসালটেন্ট এডিটর (আইসিটি) সাব্বিন হাসান।

নির্বাহী কমিটির পাঁচটি পদে (সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক ও দুটি নির্বাহী সদস্য) একাধিক প্রার্থী না থাকায় চারটি পদে ভোট গ্রহণ করা হয়। চারটি পদে লড়েছেন ১০ জন প্রার্থী। নির্বাচিত অন্যরা হলেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান (নতুন সময়), কোষাধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম (বিজটেক ২৪ ডটকম) এবং প্রকাশনা ও গবেষণা সম্পাদক আসাদুজ্জামান (ঢাকামেইল ডটকম)।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আরও বিজয়ী হয়েছেন সহসভাপতি ভূঁইয়া মোহাম্মদ ইনাম (কম্পিউটার বিচিত্রা), সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম (ঢাকাপোস্ট) এবং নির্বাহী সদস্য এস এম ইমদাদুল হক (ডিজিবাংলা) ও মো. এনামুল করিম (ডিজিটাল সময়)।

শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের সম্মেলনকক্ষে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা অবধি ভোট গ্রহণ করা হয়।

বিআইজেএফের নির্বাচন কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এ আর এম মাহমুদ হোসেন ও পল্লব মোহাইমেন। আপিল বোর্ডে আছেন সুমন ইসলাম ও আরিফুল হাসান।

;

আইফোনের ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন বাংলাদেশের মাহিন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আইফোনের ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছে বাংলাদেশের মাহিন

আইফোনের ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছে বাংলাদেশের মাহিন

  • Font increase
  • Font Decrease

ক’দিন আগে উন্মোচন করা হয়েছে মার্কিন টেকনোজায়ান্ট এপলের যুগান্তকারি সৃষ্টি আইফোন ১৪ সিরিজ। সারা বিশ্বে প্রায় ২০০ কোটি পিস সেলফোন বিক্রি করা এই প্রতিষ্ঠানটির ধারের কাছেও নেই বিশ্বের কোন মোবাইল ফোন তৈরি করা প্রতিষ্ঠান।

আইফোনের চমকপ্রদ নকশা, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা এটিকে দিয়েছে সেলফোনের জগতে সম্রাটের স্থান। বিশ্বখ্যাত এই আইফোনের ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ারিং টিমের সাথে কাজ করছেন বাংলাদেশের সন্তান মাহিন মাশরুর। যতটুকু জানা যায় মাহিনই একমাত্র বাংলাদেশি যে প্রোডাক্ট ডিজাইনার হিসেবে কাজ করছেন।

মাহিনের জন্ম ঢাকার উত্তরায়, ১৯৯৯ সালে। উত্তরার ‘ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন সেন্টারের চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ার সময় বাবা মা’র সাথে চলে যায় কানাডায়। ২০১৮ সালে ভর্তি হন কানাডার মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ওয়াটারলু ইউনিভার্সিটির মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টে।


ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি অসম্ভব আকর্ষণ মাহিনের। ওয়াটারলু ইউনিভার্সিটির নতুন নতুন প্রযুক্তির সাথে সম্পৃক্ত থেকে তিনি তার যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। চলতি বছরের প্রথম দিকে যখন সে তার ফাইনাল পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত তখন আবেদন করেছিলেন চাকরি। ইলনমাস্কের টেসলা, স্পেসএক্স, এ্যাপল এবং অনেক কানাডিয়ান নামকরা প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি ইন্টারভিউ এর ডাক পান। মাহিন তার শেষবর্ষের পরীক্ষা শেষ করার আগেই ইন্টারভিউ এর চারটি ধাপ অতিক্রম করে এ্যাপলের আইফোন ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেয়ার সুযোগ পান।

গত ১৫ জুলাই সে যোগ দিয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার কুপার্টিনোর স্টিভ জবস এর সেই বিখ্যাত ভবন অ্যাপল পার্কে। আইফোনের পরবর্তি সংস্করণের নকশায় বাংলাদেশের এই তরুণ মেধাবীর সম্পৃক্ততা থাকবে।

মেধাবী মাহিনের বাবা মা দুজনেই কৃষিবিদ। তাদের পৈত্রিক নিবাস উত্তরের জেলা গাইবান্ধা সদরের পলাশপাড়ায়। দেশে তার বাবা মোমিনুল আজম চাকরি করতেন বিসিএস (ডাক) ক্যাডারে আর মা মাহমুদা আনোয়ার ছিলেন বিসিএস (কৃষি) ক্যাডার। সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ২০১০ সালে পাড়ি জমান কানাডায়। মাহিনের বড় ভাই মুহিবও কানাডায় মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন।

;

ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি, অর্থনীতি ও ইকোসিস্টেমকে ত্বরান্বিত করবে হুয়াওয়ে কানেক্ট



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি, অর্থনীতি ও ইকোসিস্টেমকে ত্বরাণ্বিত করবে হুয়াওয়ে কানেক্ট

ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি, অর্থনীতি ও ইকোসিস্টেমকে ত্বরাণ্বিত করবে হুয়াওয়ে কানেক্ট

  • Font increase
  • Font Decrease

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে শুরু হয়েছে বৈশ্বিক আইসিটি খাতের জন্য হুয়াওয়ের সপ্তম বার্ষিক ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম হুয়াওয়ে কানেক্ট ২০২২। ‘আনলিশ ডিজিটাল’ প্রতিপাদ্যের এই আয়োজনে সারা বিশ্বের আইসিটি খাতের দশ হাজারেরও বেশি শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ, বিশেষজ্ঞ এবং সহযোগীরা অংশগ্রহণ করেন। কীভাবে আরও কার্যকরভাবে ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি বাড়ানো যায়, ডিজিটাল অর্থনীতিকে উৎসাহিত করা যায় এবং শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম তৈরি করা যায় তার ওপর অনুষ্ঠানে গুরুত্বারোপ করেন অংশগ্রহণকারী সকলে।

সব ধরনের সহযোগিতা ও সাফল্য ভাগ করে নেয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করার পাশাপাশি করে স্থানীয় ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার জন্য সরকার ও এন্টারপ্রাইজগুলোকে আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য এই আয়োজনে আহ্বান জানায় হুয়াওয়ে। কারণ হুয়াওয়ের মতে, এই অংশীদারিত্বই উদ্ভাবনী অংশীদারদের একত্রিত করবে, মেধাবীদের বিকাশ ঘটাবে ও স্টার্টআপগুলোর প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা প্রদান করবে।

অনুষ্ঠানের মূল বক্তব্যে হুয়াওয়ের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট সায়মন লিন বলেন, “হুয়াওয়ে এই অঞ্চলে ডিজিটাল অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা ধারাবাহিকভাবে এর ডিজিটালাইজেশন ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এবং ইন্ডাস্ট্রি ইকোসিস্টেম তৈরিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে সচেষ্ট থাকবো।”

এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের সরকারি প্রতিনিধিরাগণও তাঁদের নিজ-নিজ দেশে ডিজিটাল অর্থনীতির উন্নয়নের অগ্রগতি নিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। এদের মধ্যে রয়েছেন: বাংলাদেশের পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ. মান্নান; থাইল্যান্ডের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও জ্বালানি মন্ত্রী সুপ্তানাপং পুনমিচাও, এবং ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইন সরকারের অন্যান্য প্রতিনিধিগণ।

বিশাল এই আয়োজনের উদ্বোধনী দিনে বাংলাদেশের পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ. মান্নান তাঁর মূল বক্তব্যে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি সকলের সামনে বাংলাদেশের আইসিটি খাত, অবকাঠামো এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে এই দেশের অগ্রগতিগুলো তুলে ধরেন। গত কয়েক বছরে টেলিযোগাযোগ খাতের ওপর এই দেশের গুরুত্বারোপ ও উন্নয়নমূলক কাজের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি দেশের টুজি থেকে ফোরজি’র অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং বর্তমানে বাংলাদেশের সবাই যে ফোরজি কাভারেজ সুবিধা পাচ্ছেন সেই বিষয়টিও তুলে ধরেন। ফাইভি প্রযুক্তি চালুর মাধ্যমে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশও যে সামনের সারিতে দাঁড়িয়েছে সে বিষয়েও আলোকপাত করেন তিনি।

তিনি তাঁর মূল বক্তব্যে হুয়াওয়েকে বিগত ২৩ বছর ধরে বাংলাদেশে আইসিটি ও ডিজিটাল পাওয়ার খাতে সহায়তা করার মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণের অংশীদার হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। বাংলাদেশে ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর জন্য উন্নত টেলিকম যোগাযোগ, ক্লাউড কম্পিউটিং, ডিজিটাল এনার্জি, স্মার্ট ফটোভোলটাইক্স প্রযুক্তি আনতে হুয়াওয়ের সদিচ্ছার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। স্থানীয় মেধাবীদের বিকাশ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সৃষ্ট জরুরি পরিস্থিতিতে হুয়াওয়ে যে ভূমিকা পালন করছে সেই বিষয়টিও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে।

প্রাসঙ্গিকভাবেই এই অনুষ্ঠানে সাইমন লিন ডিজিটাল ফার্স্ট ইকোনমি শ্বেতপত্র প্রকাশ করেছেন, যেখানে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণ এবং ডিজিটাল অর্থনীতির উন্নয়নের লক্ষ্যে নীতিগত পরামর্শের বিষয়টি উল্লেখ করা আছে।

২০২২ সালে হুয়াওয়ে কানেক্ট এর গ্লোবাল ট্যুরের প্রথম ধাপ হলো ব্যাংককের তিন দিনের এ সম্মেলনটি। দু’টি মূল অধিবেশন, ছয়টি শীর্ষ সম্মেলনের পাশাপাশি একাধিক ব্রেক-আউট সেশন ও ডেমোসহ চলতি বছরের এ অনুষ্ঠানটিতে সরকার ও এন্টারপ্রাইজগুলো ডিজিটাল রূপান্তরের পথচলায় যে সব প্রতিকূলতার মুখোমুখি হচ্ছে, ডিজিটাল অবকাঠামোতে হুয়াওয়ের অগ্রগতি, প্রতিষ্ঠানটির সর্বাধুনিক ক্লাউড সার্ভিস ও ইকোসিস্টেম পার্টনার সল্যুশন এর বিভিন্ন বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।

;

সাশ্রয়ী মূল্যে ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল কলেজকে কর্পোরেট সেবা দিবে টেলিটক



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সাশ্রয়ী মূল্যে ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল কলেজকে কর্পোরেট সেবা দিবে টেলিটক

সাশ্রয়ী মূল্যে ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল কলেজকে কর্পোরেট সেবা দিবে টেলিটক

  • Font increase
  • Font Decrease

সাশ্রয়ী মূল্যে ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কে কর্পোরেট সেবা দিবে রাষ্টায়ত্ব মোবাইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড।

রাষ্টায়ত্ব মোবাইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড -এর কর্পোরেট সেবা ব্যবহারের লক্ষ্যে ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড এর মধ্যে ১১ সেপ্টেম্বর একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড সাশ্রয়ী মূল্যে ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ- কে ভয়েস, ইন্টারনেট সেবা সহ বিভিন্ন কর্পোরেট সেবা প্রদান করবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড– এর মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয়, বিতরণ ও গ্রাহক সম্পর্ক ব্যবস্থাপনা) সালেহ্‌ মোঃ ফজলে রাব্বী এবং মহাব্যবস্থাপক (পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন) এ. এম. আখতারুল ইসলাম– এর উপস্থিতিতে, টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড– এর পক্ষে মোঃ সাইফুর রহমান খান, অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক (কর্পোরেট সেলস্‌ এন্ড আইবি) এবং ইউনিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ - এর পক্ষে প্রধান শিক্ষক মোঃ কাওসার চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

এছাড়াও উক্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড এর পক্ষে মোস্তফা কামাল, জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক (কর্পোরেট সেলস্‌), মোঃ বেলাল উদ্দিন সজীব, ব্যবস্থাপক (কর্পোরেট সেলস), নিলুফার ইয়াসমিন, উপ-ব্যবস্থাপক (কর্পোরেট সেলস) সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

;