সচেতনতা ও প্রতিরোধই পারে সাইবার বুলিং রুখতে: টিক্যাব



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সচেতনতা ও প্রতিরোধই পারে সাইবার বুলিং রুখতে: টিক্যাব

সচেতনতা ও প্রতিরোধই পারে সাইবার বুলিং রুখতে: টিক্যাব

  • Font increase
  • Font Decrease

শুধুমাত্র অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহারকারীদের সচেতনতা ও প্রতিরোধই সাইবার বুলিং রুখতে পারে বলে জানিয়েছে টেলি কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টিক্যাব)।

শুক্রবার (১৮ জুন) ‘স্টপ সাইবার বুলিং ডে’ উপলক্ষ্যে সংবাদ ম্যাধমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলেন টেলি কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টিক্যাব) এর আহ্বায়ক মুর্শিদুল হক।

বিজ্ঞপ্তিতে টিক্যাবের আহ্বায়ক মুর্শিদুল হক বলেন, “অনলাইনে কাউকে হেয় করে পোস্ট দেয়া, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, অযৌক্তিক বাগবিতন্ডা, ব্যক্তিগত আক্রমণ এখন নিত্যনৈমেত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে কোথায় কি ধরণের মন্তব্য করতে হবে বেশির ভাগ ব্যবহারকারীরাই এ সম্পর্কে জানেন না। আবার সচরাচর দেখা যায় ফেইক অনেক আইডি থেকে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট ও মন্তব্য বেশি করা হয়। এ ধরণের হয়রানি থেকে শোবিজ জগতের তারকা, রাজনীতিবিদ, সাধারণ মানুষ কারোরই যেন রেহাই নেই।  এ অবস্থা থেকে উত্তরণে চাই ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি ও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।”

তিনি আরও বলেন, “২০১২ সাল থেকে ইন্টারনেটে হয়রানিমূলক আচরণ ও কটূক্তি বন্ধে প্রতি বছর জুন মাসের ৩য় শুক্রবার বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘স্টপ সাইবার বুলিং ডে’। দিনটিকে সামনে রেখে বাংলাদেশে হ্যাশট্যাগ মাই রেসপন্স (#MyResponse) শীর্ষক সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করেছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি-ইউএনডিপি বাংলাদেশ। এ ব্যাপারে সরকারের আরও বেশি করে সম্পৃক্ত হয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা দরকার। সাইবার বুলিংয়ের শিকার অনেকেই মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন। ঘটনার চাপ সামলাতে না পেরে অনেকের ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে যায়।”

টেলি কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টিক্যাব) এর আহ্বায়ক আরও বলেন, “সাইবার বুলিং বন্ধে দেশের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের সাথে যায় না এ ধরণের কার্যক্রম পরিচালনা থেকে বিরত থাকতে হবে। পশ্চিমা সংস্কৃতি আমাদের তরুণদের দিনকে দিন বিপথগামী করছে। আসুন সকলে সচেতন হই, সাইবার বুলিং বন্ধে যার যার অবস্থান থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুলি।”

দেশের ই-স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের অমিত সম্ভাবনা



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতিনিয়ত ফ্যানবেজ বৃদ্ধির ধারায় আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার দিকে এগুচ্ছে ই-স্পোর্টস ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনলাইন কিংবা অফলাইন মাধ্যমে প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণে যে প্রতিযোগিতামূলক

ভিডিও গেমস খেলা হয়, সাধারণত তাকেই ইলেকট্রনিক স্পোর্টস বা সংক্ষেপে ই-স্পোর্টস বলা হয়। নিছক বিনোদনের পাশাপাশি অনেক সময় বাণিজ্যিক পরিসরেও ই-স্পোর্টস টুর্নামেন্ট আয়োজিত হয়ে থাকে। একক

খেলোয়াড়দের পাশাপাশি বিভিন্ন টিম ও লিগ ভিত্তিক ই-স্পোর্টস প্রতিযোগিতা আয়োজিত হয়ে থাকে এবং তা প্রায়ই বিভিন্ন টিভি চ্যানেল বা স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে সম্প্রচারিত হয়। বিশ্বজুড়ে গেমারদের মধ্যে সবচেয়ে

জনপ্রিয় ই-স্পোর্টসের তালিকায় রয়েছে লিগ অব লিজেন্ডস, ডোটা ২, কাউন্টার-স্ট্রাইক: গ্লোবাল অফেনসিভ, ফোর্টনাইট, কল অফ ডিউটি, ফিফা, এনএফএল-সহ অসংখ্য গেমস।

অনেকেই মনে করেন, ই-স্পোর্টসের ইতিহাস খুব বেশি পুরোনো নয়। কিন্তু বাস্তবতা এর সম্পূর্ণ ভিন্ন। এক্ষেত্রে ১৯৭২ সালের অক্টোবরে আয়োজিত প্রথম অফিসিয়াল ভিডিও গেম প্রতিযোগিতার কথা উল্লেখ করা যায়। ‘স্পেসওয়ার’ গেমসের সেই আসর রীতিমতোজমজমাট হয়ে উঠেছিল, 1 আর পুরস্কার হিসেবে প্রতিযোগিতার বিজয়ী জিতে নিয়েছিলেন রোলিং স্টোন ম্যাগাজিনের এক বছরের সাবস্ক্রিপশন। এই ঘটনার পর থেকে ই-স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রিতে আয়োজক, সহযোগী ও অংশগ্রহণকারীদের কোনো অভাব হয়নি বললেই চলে। উল্টো গত কয়েক দশকে বিশ্বের অন্যতম সম্ভাবনাময় এক খাতে পরিণত হয়েছে ই-স্পোর্টস।

বিশ্বব্যাপী ই-স্পোর্টসের এই ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার পেছনে একটি বড় কারণ হচ্ছে প্রযুক্তি ও ইন্টারনেটের বিস্তৃতি। দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ আমাদেরকে ভার্চ্যুয়ালি একে অন্যের সাথে যুক্ত থাকতে সাহায্য করছে, যার ফলে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়াও আরো সহজ হয়ে উঠছে। পাশপাশি, ভালো মানের গেমিং সরঞ্জাম ও কম্পিউটারও আগের চেয়ে সহজলভ্য হয়েছে, যার ফলে আরো বেশি মানুষ ই-স্পোর্টসের সাথে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। ইস্পোর্টসের প্রবৃদ্ধির পেছনে আরেকটি বড় কারণ হচ্ছে টুইচ’এর মতো স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলোর জনপ্রিয়তা, যা ই-স্পোর্টস প্রতিযোগিতার মজা উপভোগ করা ও প্রফেশনাল প্লেয়ারদের দেখে খেলার কৌশল রপ্ত করে নেওয়াকে সহজ করে তুলেছে। এভাবে সম্ভাবনাময় এই ইন্ডাস্ট্রির জন্য অল্প সময়ের মধ্যেই এক বিশাল ও সক্রিয় দর্শকশ্রেণি তৈরি হয়েছে, যাতে আরও বেশি স্পন্সর ও বিনিয়োগকারীরা আকৃষ্ট হচ্ছেন।

খেলতে পারেন যে কেউ!

কম্পিউটার বা গেমিং কনসোল ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় অনুসঙ্গের সাহায্যে যে কেউই ই-স্পোর্টসে অংশ নিতে  পারেন। বন্ধুদের সাথে নিছক বিনোদনের জন্য এতে অংশ নেয়া যায়, আবার অনলাইনে টুর্নামেন্ট বা লিগ হিসেবে

সংগঠিতভাবেও খেলা যায়। তবে ই-স্পোর্টসের বড় বড় প্রতিযোগিতাগুলোতে অংশগ্রহণ করতে প্রতিযোগীদের একটি নির্দিষ্ট যোগ্যতার মাপকাঠিতে উত্তীর্ণ হতে হয়। অনলাইন টুর্নামেন্ট, লিগ, ল্যান টুর্নামেন্ট এবং স্পন্সর করা পেশাদার টিম-সহ ই-স্পোর্টসে অংশগ্রহণ করার নানান উপায় রয়েছে। তবে যেহেতু ইন্ডাস্ট্রি হিসেবে পুরোপুরি বিকাশে ই-স্পোর্টসের এখনো কিছু ধাপ বাকি রয়েছে, তাই বিভিন্ন গেমসে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে এখনো গেমসের ধরণ, ব্যবহারকারীর দেশ বা অঞ্চল ইত্যাদির মত কিছু শর্তের প্রযোগ্য হয়ে থাকে।

কোথায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ?

অন্য অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশের ই-স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রি এখনো তুলনামূলকভাবে অনেক ছোট। তবে এটি এখন বর্ধনশীল অবস্থায় রয়েছে এবং ভবিষ্যতে এর বিকশিত হয়ে ওঠার অমিত সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। এই

বিকাশের পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। দেশে এখন ইন্টারনেট ও স্মার্টফোনের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে, যাতে করে মানুষ খুব সহজেই অনলাইন গেম খেলতে পারছেন।

একই সাথে, বিশ্বব্যাপী ই-স্পোর্টসের জনপ্রিয়তা বেড়ে যাওয়ার প্রভাব হিসেবে বাংলাদেশে তরুণদের মাঝে এই ইন্ডাস্ট্রির দিকে মনোযোগ বাড়ছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে রয়েছে এক সম্ভাবনাময় তরুণ জনগোষ্ঠী, যারা তাদের মেধা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতার জোরে অনলাইন গেমের ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেদের জন্য বিশেষ জায়গা অর্জন করে নিচ্ছেন। এই

তরুণেরাই দেশে ই-স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রির মূল চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারেন। তবে এই ইন্ডাস্ট্রির উন্নয়ন ঘটাতে ও সামনে এগিয়ে নিতে হলে প্রয়োজন অবকাঠামোগত সহযোগিতা। এ জন্য সরকার ও বেসরকারি

খাতগুলোকে একযোগে কাজ করতে হবে। এছাড়া, ইন্ডাস্ট্রির বিকাশ ঘটাতে হলে ই-স্পোর্টস ট্যালেন্টদেরও খুঁজে বের করতে হবে এবং দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ তৈরি করতে হবে।

ই-স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রি গত কয়েক দশক ধরে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বেড়ে চলেছে, এবং বর্তমানে এটি এক মাল্টি-বিলিয়ন ডলার ইন্ডাস্ট্রিতে পরিণত হয়েছে। এখন এটি এক বৈশ্বিক বাস্তবতায় পরিণত হয়েছে, যা থেকে

বাংলাদশও আলাদা নয়। তাই দেশে ই-স্পোর্টসের বিস্তৃতিকে স্বাগত জানানোর এখনই সময়।

প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা

স্ট্যাটিস্টা’র 2 তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে বিশ্বের ই-স্পোর্টস খাতের মোট মূল্য ছিল আনুমানিক ১.৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি, যা ২০২৫ সাল নাগাদ ১.৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অঙ্ক ছুঁতে পারে বলে

ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশেও ই-স্পোর্টসের জগতকে সমৃদ্ধ করতে আগ্রহী তরুণ গেমারদের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দক্ষ তরুণরা এখানে তাদের সৃজনশীলতা ও মেধার স্বাক্ষর রাখছেন এবং অনেকে ক্যারিয়ার

হিসেবেও এই ইন্ডাস্ট্রিকে বেছে নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। ইস্পোর্টসআর্নিংস’র হিসাব অনুযায়ী, এযাবৎ বাংলাদেশের ৭৩ জন ই-স্পোর্টস খেলোয়াড় ৭০টি টুর্নামেন্ট থেকে প্রাইজমানি হিসেবে ০.২ মিলিয়ন মার্কিন

ডলারেরও বেশি অর্থ পুরস্কার হিসেবে জিতে নিয়েছেন!  অন্য একটি রিপোর্ট অনুসারে, বিশ্বব্যাপী ই-স্পোর্টসের অনিয়মিত দর্শকের সংখ্যা বেড়ে এখন ২৯ কোটি ১৬

লাখে (২৯১.৬ মিলিয়ন) দাঁড়িয়েছে। ই-স্পোর্টসের ব্যাপারে যদি আপনার আরো জানার আগ্রহ থাকে, তাহলে ঘুরে আসতে পারেন পারিম্যাচনিউজ থেকে। বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত কাভারেজের কারণে এই স্পোর্টস নিউজ পোর্টাল থেকে আপনি শীর্ষ ই-স্পোর্টসগুলোর সর্বশেষ আপডেট পাবেন।

;

যেভাবে হ্যাক হচ্ছে আপনার ফেসবুক পেজ



তোহা ইব্রাহিম সিজান
যেভাবে হ্যাক হচ্ছে আপনার ফেসবুক পেজ

যেভাবে হ্যাক হচ্ছে আপনার ফেসবুক পেজ

  • Font increase
  • Font Decrease

হঠাৎ দেখলেন কোনো এক ভদ্রলোক হোয়াটসঅ্যাপ বা ইমেইলের মাধ্যমে আপনাকে মেসেজ করেছে এবং আপনার ফেসবুক পেজে বিনামুল্যে ২-৩ হাজার ডলার বুস্ট করে দেওয়ার অফার করছে।

আপনি খুব আগ্রহের সাথে ভদ্রলোকের অফারে রাজি হলেন,ভদ্রলোক এবার আপনাকে দিয়ে আপনার পেজটি তার বিজনেস ম্যানাজারে কানেক্ট করিয়ে নিবে।

এবার আপনার মাথায় আকাশ ভাঙার পালা,ভদ্রলোক টি আসলে অভদ্র হ্যাকার ছিল,আপনার পেজ অলরেডি হ্যাকারের কন্ট্রোলে চলে গিয়েছে।

বর্তমানে  আমাদের  দৈনন্দিন জীবনের কার্যক্রম অনেকটাই ফেসবুকের উপর নির্ভরশীল হয়ে পরেছে।

পাশাপাশি অনলাইন বিজনেস বা ই-কমার্সের বড় একটা  অংশ ফেসবুক পেজ নির্ভর।যায়হোক ফেসবুক পেজের গুরুত্ব বা ভূমিকা কমবেশি আমরা সবাই জানি, আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় ফেসবুক পেজ হ্যাক নিয়ে।

ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে পাবলিক ফিগার পেজ বা বিজনেস পেজ হ্যাক হওয়ার হার বৃদ্ধি পেয়েছে।এক শ্রেণীর হ্যাকার চক্র খুব কৌশলে হ্যাক করে নিচ্ছে  মুল্যবান  ফেসবুক পেজ গুলো। হ্যাকার দের টার্গেট একটু বড় পেজের দিকে ,অর্থাৎ বেশি লাইকের পেজে।

শুরুতেই   বিজনেস ম্যানাজার এর মাধ্যমে হ্যাক হওয়ার ব্যাপার উল্লেখ করেছিলাম, বিজনেস ম্যানাজার এর নাম শুনলেও অনেকেই হয়তো জানেন না এটা কীভাবে কাজ করে, তাই শুরুতেই চলুন জেনে নেওয়া যাক বিজনেস ম্যানাজার কি এবং কিভাবে কাজ  করেঃ

ফেসবুক বিজনেস ম্যানাজার এমন একটি একাউন্ট বা ফাংশন যা একটি ফেসবুক পেজের জন্য সর্বময় ক্ষ্মতার অধিকারি।যদি কোনো ফেসবুক পেজে বিজনেস ম্যানাজার একাউন্টে সংযুক্ত করা থাকে তাহলে সেই বিজনেস ম্যানাজার একাউন্ট থেকে পেজের যেকোনো এডমিন কে যেকোনো সময় পেজ থেকে রিমুভ করে দেওয়া যায়।কিন্তু পেজে থাকা একাধিক এডমিন মিলেও পেজ থেকে বিজনেস ম্যানাজার একাউন্টটি রিমুভ করতে পারবেনা।তাহলে বুঝতেই পারছেন বিজনেস ম্যানাজার একাউন্ট এর ক্ষমতা।

এছাড়াও বিজনেস ম্যানাজার দিয়ে ফেসবুকে বুষ্ট বা এডস রান করা সহ অনেক কাজ করা যায় ,কিন্তু আমরা আজ শুধু আমরা আলোচনা করবো বিজনেস ম্যানাজার এর সাথে ফেসবুক পেজের সম্পর্ক নিয়ে।

ধরুন আপনার একটি বিজনেস ম্যানাজার একাউন্ট আছে ,এখন আপনি যদি চান আপনার বন্ধুর ফেসবুক পেজ আপনার বিজনেস ম্যানাজারে সংযুক্ত করবেন ,এতে আপনার বন্ধুর পেজে আপনি এডমিন না থাকলেও চলবে।আপনাকে আপনার বিজনেস ম্যানাজার এর পেজ অপশন থেকে আপনার বন্ধুর পেজ এড করতে হবে এবং আপনার বন্ধুর ইমেইলে ফেসবুক থেকে মেইল যাবে যে আপনি তার পেজ আপনার বিজনেস ম্যানাজারে এড করতে চাচ্ছেন,আপনার বন্ধু যদি একসেপ্ট করে তাহলে আপনি তার পেজের সমস্ত এক্সেস পেয়ে যাবেন।

এমন আরো কিছু অপশন আছে যার অপব্যাবহার করে হ্যাকার আপনার আমার পেজ হ্যাক করে নিয়ে যাচ্ছে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক যেভাবে হ্যাক হচ্ছে ফেসবুক পেজ গুলোঃ

পদ্ধতি ১-

আপনার ফেসবুক পেজ মেনশন হয়েছে এমন একটা নোটিফিকেশন আসবে আপনার কাছে,সেখানে যেয়ে দেখতে পাবেন “ফেসবুক কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডাস ,ভেরিফিকেশন পেজ ইত্যাদি টাইপের পেজ থেকে আপনার পেজ সহ আরো অনেক পেজ মেনশন করেছে এবং লিখে রেখেছে আপনার পেজে ভায়োলেশন হয়েছে তাই ভেরিফিকেশন করতে হবে,সেই মর্মে একটা লিংকে ক্লিক করতে বলবে।

আপনি যদি ভুলে সেই লিংকে ক্লিক করেন তাহলে আপনার একাউন্ট হ্যাক হওয়ার দ্বার প্রান্তে চলে গেলেন,কারন লিংকে ক্লিক করার পরে হুবহু ফেসবুকের লগইন পেজের মত একটা পেজ আসবে যেখানে আপনার পাসয়ার্ড দিতে বলবে ,বেশিরভাগ ফেসবুক ব্যবহারকারী ভুলটা এখানেই করে বশেন,তারা এই ভুয়া লগইন পেজ দেখে আসল ভেবে বসেন তখনই পাসওয়ার্ড দিয়ে দেন সেখানে,তখন সাথে সাথে আপনার পাসওয়ার্ড চলে যাবে হ্যাকারের কাছে।

আর হ্যাকারের কাছে পাসওয়ার্ড যাওয়া মানে আপনার একাউন্ট হ্যাক সাথে আপনার ফেসবুক পেজ ও হ্যাক হয়ে যাবে।

পদ্ধতি ২

হ্যাকার যেকোনো ভাবে আপনার ফেসবুক একাউন্টে থাকা ইমেইলে সংগ্রহ করবে এবং আপনাকে ফেসবুক এর নাম করে একটা ফেইক ইমেইল থেকে মেইল পাঠাবে এই সংক্রান্তে যে আপনার পেজে ভায়োলেশন পাওয়া গেছে এবং আপিল করার জন্য একটি লিংক পাঠাবে।এরপর পদ্ধতি ১ এ যেভাবে বর্ণ্না করেছি এমন একটা ঘটনা ঘটতে পারে এবং আপনার একাউন্ট সহ পেজ হ্যাক হতে পারে।

পদ্ধতি ৩

লেখার শুরুতে বলেছিলাম এ ব্যাপারে  যে কেউ একজন ইমেইলের বা হোয়াটসএপ এর মাধ্যমে আপনার সাথে যোগাযোগ করবে ,সে বলবে আপনার পেজে তার ভালো লেগেছে এবং আপনার পেজের সাথে সে কাজ করতে চায়।আপনার পেজে  আনুমানিক ৩-১০ হাজার ডলার বুস্ট/এডস দিয়ে দিবে এমন একটি অফার দিবে।এমন একটি অফার তো কেউ হাতছাড়া করতে চায়বেনা।আপনি যদি রাজি হয়ে যান তাহলে সে আপনার একাউন্টে থাকা ইমেইল চাইবে,আপনি যদি আপনার ইমেইলটি তাকে প্রদান করেন তাহলে সে তার বিজনেস ম্যানাজার এ আপনাকে এডমিন করে দিবে এবং আপনাকে বলবে সেই বিইজনেস ম্যানাজারে আপনার পেজ টি এড করে দিতে।আপনার যদি বিজনেস ম্যানাজার নিয়ে ধারনা না থাকে তাহলে আপনি কোনো প্রকার সন্দেহ ছাড়াই আপনার পেজটি তার বিজেনস ম্যানাজারে এড করে দিবেন,মজার ব্যাপার হলো আপনার যেহেতু বিজেনস ম্যানাজার নিয়ে ধারনা নেই তাই হ্যাকার আপনাকে সব কিছু স্ক্রিনশর্ট দিয়ে দেখিয়ে দিবে কিভাবে আপনার পেজ সেখানে এড করতে হয়

সুতরাং আপনার ফেসবুক প্রোফাইল এবং পেজ হ্যাকার থেকে নিরাপদ রাখতে নিম্নে বর্নিত কয়েকটি নির্দেশনা অনুসরণ ক্রুনঃ

১।ফেসবুক একাউন্টে টু ফেক্টর অথেনটিকেশন ফিচার এক্টিভ রাখুন।

২।আপনার ফেসবুক পেজ আপনার নিজস্ব বিজনেস ম্যানাজার কানেক্ট করে রাখুন।

৩। Facebook.com ব্যাতিত কোনো লিংকে যেয়ে আপনার ফেসবুক একাউন্টের পাসওয়ার্ড দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

৪।ফেসবুকে কোনো নোটিফিকেশন পেলে তা ভালোভাবে পর্যবেক্ষন করে দেখুন সেটা ফেসবুকের পক্ষ থেকে কিনা এবং সেখানে কি বলা আছে।

৫। আপনার ন্যাশনাল আইডেন্টি কার্ডের সাথে মিল রেখে ফেসবুক প্রোফাইলের নাম করন করে রাখবেন।এতে করে আপনার প্রোফাইল হ্যাক হয়ে গেলেও রিকোভার করতে পারবেন।

;

শিক্ষার্থীদের পাঠে ও প্রয়োজনে ভিভো ওয়াই১৬



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বছরের শুরুতেই নতুন পাঠ্যক্রম নিয়ে ব্যতিব্যস্ত শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকেরা। নতুন পঠনপদ্ধতি বুঝতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ইন্টারনেটের সাহায্যটাও বেশ লাগে। কিন্তু ইন্টারনেট অন করলেই দেখা যায় স্মার্টফোনের চার্জ দ্রুত কমে যায়। অনেক স্মার্টফোনে স্টোরেজ স্বল্পতার কারণে দরকারি তথ্য সংরক্ষণ করা যায় না। আবার বেশিক্ষণ স্মার্টফোন ব্যবহার করলে চোখে শুরু হয় যন্ত্রণা।  

সমস্যা সমাধানে এরই মধ্যে শিক্ষার্থীদের মন জয় করেছে ভিভো ওয়াই১৬। চলতি মাসেই দেশে এসেছে ভিভো ওয়াই১৬। মাত্র ১৫ হাজার ৯৯৯ টাকার এই স্মার্টফোনের ৫ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি আপনাকে দীর্ঘ সময় টানা ব্যবহার সক্ষমতার নিশ্চয়তা দেবে। ১০ ওয়াটের টাইপ সি ফার্স্ট চার্জিংয়ের মাধ্যমে মাত্র ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিটে ফুল চার্জ করে সাধারণভাবে ব্যবহার করতে পারবেন প্রায় আড়াই দিন। 

এর ৬.৫১ ইঞ্চির এইচডিপ্লাস ডিসপ্লে স্বয়ক্রিয়ভাবে নীল আলো ফিল্টারের সক্ষমতা চোখের সুরক্ষায় সব সময় তৎপর। তাই পড়ার সময় চোখের সুরক্ষায় বাড়তি ব্যবস্থা নিয়ে দুশ্চিন্তার অবসান হবে।

৪ জিবি র‍্যাম সাথে আরো ৪ জিবি এক্সটেন্ডেড র‍্যাম এবং ৬৪ জিবি স্টোরেজ ভালো রেজুলেশনের ছবি, ভিডিও, প্রয়োজনীয় বই ও অ্যাপ ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করতে সক্ষম। রয়েছে মাল্টি-টাচ ক্যাপাসিটিভ টাচ স্ক্রিনের পাওয়ার বাটনে সাইড মাউন্টেড ফিংগার প্রিন্ট প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে দ্রুত স্ক্রিন অন-অফ করা, স্ক্রিনশট নেওয়ার অনন্য অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারবেন।

অনেক সময় শিক্ষার্থীদের অন্য বন্ধুদের থেকে ক্লাস নোটের ছবি তুলে নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। ওয়াই১৬ এক্ষেত্রে দিয়েছে আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্সসহ ১৩ এবং ২ মেগাপিক্সেলের ডুয়েল রিয়ার ব্যাক ক্যামেরা। এর মধ্যে রয়েছে ম্যাক্রো লেন্স সুবিধা যা ছোট ছোট লেখাকে স্পষ্টভাবে ক্যামেরা বন্দি করতে সক্ষম। ফলে জুম করলেও ছবি ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। এছাড়া ৫ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা পরিবার কিংবা বন্ধুদের সাথে সরণীয় মুহূর্তের দারুণ ছবি তোলার অভিজ্ঞতা দেবে।

ভিভো এই স্মার্টফোনে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ফানটাচ ওএস১২ এবং প্রসেসর হিসেবে হেলিও পি৩৫ ব্যবহার করেছে। র‍্যামের কোয়ালিটি ভালো হওয়ায় ফোনটি একাধিক ব্যবহারে হ্যাং বা ল্যাক হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

ম্যাট ফিনিশ স্টেলার ব্ল্যাক ও ডিজলিং গোল্ড রঙের স্মার্টফোনটির নান্দনিক ডিজাইন যেমন ব্যক্তিত্বে রুচিশীলতার পরিচয় দেবে, পাশাপাশি দেবে হাতের ছাপ ও দাগ থেকে সুরক্ষা। প্রয়োজন ও বাজেট অনুকূল ভিভো ওয়াই১৬ সংগ্রহ করতে তাই দ্রুত চলে আসুন ভিভোর যেকোনো অথোরাইজড স্টোর বা ই-স্টোরে।

;

'এনড্রয়েড ফোনে বিজয় কি-বোর্ডের সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর জন্য বাধ্যতামূলক নয়'



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, এনড্রয়েড ফোনে বিজয় কি-বোর্ডের সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর জন্য বাধ্যতামূলক নয়।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে সাংবাদিকদের তিনি এমন কথা বলেন।

তিনদিনব্যাপী ডিসি সম্মেলনের আজ ছিল দ্বিতীয়দিন। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় অধিবেশনে ডিসিদের সঙ্গে সংলাপের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মোস্তাফা জব্বার। সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমি একটি ব্যাখ্যা দেব, সেটি হচ্ছে বিটিআরসি একটি শব্দ ব্যবহার করেছে- বাধ্যতামূলক। এই শব্দটি বিভ্রান্তিকর।

'যেকোনো এনড্রয়েড ফোনে আপনি কোনো সফটওয়্যার রাখতে পারেন, আনস্টল করতে পারেন, ফেলে দিতে পারেন, নতুন করে ইনস্টল করতে পারেন। অতএব বাধ্যতামূলক শব্দ প্রয়োগ করার কিছু নেই। এটি বাধ্যতামূলক নয়।'

প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, কার জন্য বাধ্যতামূলক বলা হয়েছে? যেটি বলা হয়েছে, যিনি উৎপাদক অথবা আমদারিকারক তিনি বাংলা লেখার সুবিধা তৈরি করে দেওয়ার জন্য একটি সফওয়্যার দিয়ে দেবেন।  ব্যবহারকারী সেই সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন কি, করবেন না, সেটি সম্পূর্ণ তার এখতিয়ার।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, দেশের ৯৮ শতাংশের বেশি জায়গায় ফোরজি সেবা ছড়িয়ে দিয়েছি। এখন ফাইভজি নিয়ে আমরা কাজ করছি। ফাইভজি ফোরজি থেকে ১০ গুণ বেশি শক্তিশালী।

তিনি বলেন, আমাদের ১০ কোটিরও বেশি মোবাইলে ইন্টারনেট গ্রাহক আছে, আর কিছু ফিক্সড ইন্টারনেট গ্রাহকও আছে। আমাদের মোবাইল ইন্টারনেটকেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। কিন্তু দেশের বিভিন্নপ্রান্তে আমরা টাওয়ার বসাতে পারছি না। কিছু লোক অপপ্রচার চালায় টাওয়ার থেকে রেডিয়েশন ছড়ায়। আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেছি, এগুলো অপপ্রচার। আমাদেরকে টাওয়ার বসাতে দিতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাবান্ধায় ভারতের নেটওয়ার্ক চলে আসে, আমরা দিতে পারি না। টাওয়ার বসানোর চেষ্টা করছি। কিন্তু পার্শ্ববর্তী ভারতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় আমরা পারছি না। তবে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। মিয়ানমার সীমান্তেও আমরা টাওয়ার বসাতে পারছি না। তাদেরও নেটওয়ার্ক চলে আসে। কিন্তু আমাদের নেটওয়ার্ক সীমান্ত এলাকায় কম চলে।

তিনি বলেন, টেলিটক একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। আমার মন্ত্রিত্বকালে এটি নিয়ে যত মন্তব্য পেয়েছি, আর সব বিষয় নিয়ে এত কথা হয় না। কেন যেন জানি না, নেটওয়ার্ক থাকা সত্ত্বেও লোকজন বলে টেলিটকের নেটওয়ার্ক নেই।

;