গোয়ালাকে বিসিবি ও অর্থমন্ত্রীর শ্রদ্ধা



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
রামচাঁদ গোয়ালার প্রয়াণে শোক জানিয়েছে বিসিবি

রামচাঁদ গোয়ালার প্রয়াণে শোক জানিয়েছে বিসিবি

  • Font increase
  • Font Decrease

বেশ কিছুদিন ধরেই শরীরটা ভালো যাচ্ছিল না তার। নিজ বাড়িতেই কাটছিল পুরোটা সময়। করোনা সংক্রমণ কমলে বাইরের দুনিয়াটা ফের দেখার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু সেই দিন আর আসল না। চলে গেলেন এক সময়ের তারকা বাঁহাতি স্পিনার রামচাঁদ গোয়ালা।

১৯ জুন, শুক্রবার ভোরে ময়মনসিংহের ব্রাহ্মপল্লির নিজ বাড়িতে মারা যান তিনি। ৭৯ বছর বয়সে শেষ হলো তার জীবনের অধ্যায়।

ঢাকার ঘরোয়া ক্রিকেটে দীর্ঘদিন দাপটে খেলা এই ক্রিকেটারের মৃত্যুতে শোকাহত ক্রীড়াঙ্গন। এরইমধ্যে শোক জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এক শোক বার্তায় তারা লিখেছে, ‘রামচাঁদ গোয়ালা যখন প্রথম বাংলাদেশ জাতীয় দলে ডাক পান, তখন তার বয়স ৪০ বছর পেরিয়ে গিয়েছিল। তিনি ৫৩ বছর বয়সেও ক্লাবের হয়ে খেলছিলেন। তিনি ফিটনেস এবং ক্রিকেটের প্রতি আবেগের একটি উদাহরণ ছিলেন। সেই সঙ্গে ছিলেন কর্তব্যপরায়ণ। এখনকার ক্রিকেটারদের উচিত তার পদাঙ্ক অনুসরণ করা’।

গোয়ালার ক্যারিয়ারের উজ্জ্বল দিক উল্লেখ করে বিসিবি আরও জানায়, ‘১৯৬০ সালের দিকে ঢাকা লিগে অভিষেক গোয়ালার। এরপর ৫৩ বছর বয়স পর্যন্ত খেলে যান এই ক্রিকেটার। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১৫ বছর আবাহনীর হয়ে খেলেছেন তিনি। এছাড়াও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবসহ অন্যান্য ক্লাবের হয়েও খেলেন গোয়ালা। ১৯৮৩-৮৪ সালের দিকে তিনি ওয়েস্ট বেঙ্গলের বিপক্ষে জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৮৫ সালে জাতীয় দলের সঙ্গে শ্রীলঙ্কা সফরেও গিয়েছিলেন গোয়ালা’।

একইসঙ্গে শোকাহত অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। যিনি নিজে এক সময় ছিলেন বিসিবি'র প্রধান। রামচাঁদ গোয়ালার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি। অর্থমন্ত্রী এক শোক বার্তায় ব‌লেন, 'দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে রামচাঁদ গোয়ালার নাম স্মরণীয় বরণীয় হয়ে থাকবে।

অর্থমন্ত্রী, রামচাঁদ গোয়ালার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন।

গোয়ালা ১৯৪০ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ময়মনসিংহের পন্ডিতপাড়া ক্লাবের হয়ে শুরু হয় তার পেশাদার ক্যারিয়ার। এরপর একটানা খেলে গেছেন ঢাকার ক্রিকেটে। যদিও বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেটের স্বীকৃতি পাওয়ার আগেই তার বয়স পেরিয়ে যায় ৪৫। লাল-সবুজের জার্সিতে অবশ্য আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে নামা হয়নি তার।

   

বায়ার্নের নতুন কোচ কোম্পানি



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ম্যানচেস্টার সিটি কিংবদন্তি ভিনসেন্ট কোম্পানিকে নতুন কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখ। তিন বছরের চুক্তিতে কোম্পানিকে কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে জার্মান ক্লাবটি।

সদ্যসমাপ্ত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগ থেকে অবনমিত হয়ে যাওয়া দল বার্নলির দায়িত্বে ছিলেন কোম্পানি। বার্নলিকে ক্ষতিপূরণ দিয়ে কোম্পানিকে অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় টেনেছে বায়ার্ন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ করা এক পোস্টে কোম্পানির বায়ার্নে যোগ দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বার্নলি। স্কাই স্পোর্টস জানিয়েছে, কোম্পানির জন্য বার্নলিকে প্রায় ১০.২ মিলিয়ন পাউন্ড ক্ষতিপূরণ দিতে হয়েছে বায়ার্নকে।

প্রায় ১২ বছর পর সদ্যসমাপ্ত মৌসুমে লিগ শিরোপা হাতছাড়া হয় বায়ার্নের। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রিয়াল মাদ্রিদের কাছে সেমিফাইনালে হেরে বিদায় নিয়েছিল দলটি। শিরোপাহীন এক মৌসুম কাটানোর পর বায়ার্ন ছেড়ে দেন জার্মান কোচ থমাস তুখেল।

তার উত্তরসূরি হিসেবে এখন হারানো গৌরব ফেরানোর চ্যালেঞ্জ কোম্পানির সামনে। বার্নলির ডাগআউটে দুঃস্বপ্নের এক মৌসুম কাটানো কোম্পানি সে চ্যালেঞ্জ কতটা সামাল দিতে পারেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

;

বার্সায় জাভির উত্তরসূরি ‘সেই’ ফ্লিক



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সাম্প্রতিককালে বার্সেলোনাকে সবচেয়ে বিব্রতকর হারের স্বাদ দিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। ২০১৯-২০ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে ৮-২ গোলে বায়ার্নের কাছে হেরেছিল বার্সেলোনা। সেদিন বায়ার্নের ডাগআউটে দাঁড়িয়ে বার্সেলোনার গহীন অতলে তলিয়ে যাওয়া দেখেছিলেন হান্সি ফ্লিক। কয়েক বছর পর এবার সেই বার্সেলোনার ডাগআউটেই দাঁড়াতে যাচ্ছেন এই জার্মান কোচ।

মাসখানেক ধরে ফ্লিকের বার্সার দায়িত্ব নেয়ার গুঞ্জন ভেসে বেড়াচ্ছিল। গত ২৪ মে জাভিকে ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দেয় বার্সেলোনা। তখন ফ্লিককে নিয়োগ দেয়ার গুঞ্জন আরো জোরালো হয়। অবশেষে আজ আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে ফ্লিককে পরবর্তী কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে বার্সেলোনা।

আপাতত দুই বছরের চুক্তিতে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বার্সেলোনায় যোগ দিয়েছেন ফ্লিক।

পেশাদার ক্যারিয়ারে প্রথমবার ডাগআউটে দাঁড়িয়েই ইতিহাস গড়েছিলেন ফ্লিক। ২০২০ সালে বায়ার্ন মিউনিখকে ঐতিহাসিক ‘সেক্সটাপল’ বা এক মৌসুমে ছয় ট্রফি জিতিয়েছিলেন।

বায়ার্ন ছেড়ে জার্মান জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়ে অবশ্য খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি ফ্লিক। প্রথম জার্মান কোচ হিসেবে বাজে ফলাফলের জন্য চাকরীচ্যুত হন ৫৯ বছর বয়সী এই ফুটবল কোচ।

সদ্যসমাপ্ত ২০২৩-২৪ মৌসুম শিরোপাহীন কেটেছে বার্সেলোনার। দ্বিতীয় স্থানে থেকে লিগ শেষ করলেও চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে তাদের পয়েন্টের ব্যবধান ছিল ১০। বড় চ্যালেঞ্জ সামনে নিয়েই তাই বার্সেলোনার ডাগআউটে দাঁড়াতে হবে ফ্লিককে।

;

জাতীয় মহিলা দাবায় চ্যাম্পিয়ন নোশিন



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

৪২তম জাতীয় মহিলা দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন গতবারের জাতীয় মহিলা চ্যাম্পিয়ন ফিদে মাস্টার নোশিন আঞ্জুম। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এই দাবাড়ু ১০ খেলায় সাড়ে আট পয়েন্ট পেয়ে এক রাউন্ড আগেই শিরোপা জয় করেন। আজ বুধবার (২৯ মে) বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের ক্রীড়াকক্ষে অনুষ্ঠিত দশম রাউন্ডের খেলায় নোশিন বাংলাদেশ পুলিশের মহিলা ক্যান্ডিডেট মাস্টার জান্নাতুল ফেরদৌসকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।

সাত পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ আনসারের মহিলা আন্তর্জাতিক মাস্টার শারমীন সুলতানা শিরিন দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। সাড়ে ছয় পয়েন্ট করে নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশ এবং কুমিল্লার মহিলা ক্যান্ডিডেট মাস্টার নুশরাত জাহান আলো ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ওয়াদিফা আহমেদ মিলিতভাবে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন। ছয় পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মহিলা ক্যান্ডিডেট মাস্টার আহমেদ ওয়ালিজা চতুর্থ স্থানে রয়েছেন।

দশম রাউন্ডের খেলায় আন্তর্জাতিক মাস্টার শারমীন সুলতানা শিরিন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মহিলা ক্যান্ডিডেট মাস্টার ওয়ারসিয়া খুশবুর সাথে ড্র করেন। গোপালগঞ্জের মহিলা ক্যান্ডিডেট মাস্টার ইশরাত জাহান দিবা মহিলা ফিদে মাস্টার ওয়াদিফা আহমেদকে, মহিলা ক্যান্ডিডেট মাস্টার আহমেদ ওয়ালিজা মহিলা ক্যান্ডিডেট মাস্টার নুশরাত জাহান আলোকে, মহিলা আন্তর্জাতিক মাস্টার রানী হামিদ নড়াইলের নীলাভা চৌধুরীকে এবং মহিলা ক্যান্ডিডেট মাস্টার কাজী জারিন তাসনিম তাবাসসুম সাদিয়া শাহজাহানকে পরাজিত করেন।

একাদশ তথা শেষ রাউন্ডের খেলা আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা থেকে একই স্থানে শুরু হবে।

বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় ১১দিন ব্যাপী রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতির এই প্রতিযোগিতা চলবে ৩০ মে পর্যন্ত। বিজয়ীদের নগদ অর্থ পুরস্কার দেয়া হবে।

;

বাংলাদেশের কাবাডির সুন্দর ভবিষ্যত দেখছেন নৃত্যশিল্পী নীপা



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

‘প্রথমবারের মতো এখানে আসলাম। জাতীয় এই খেলাটি আমাদের কৃষ্টির সঙ্গে জড়িয়ে আছে। ছোটবেলা থেকেই খেলাটি দেখে আসছি। ঢাকার বাইরে গ্রামে গেলে ছেলেরা কাদার মধ্যে দুই দল হয়ে যেভাবে খেলে, তা দেখে খুব মজা লাগে। এটা তো আমাদের নিজস্ব খেলা। সেক্ষেত্রে খেলাটি গ্রামে দেখেছি। কিন্তু ফর্মাল ভাবে এই প্রথম দেখলাম।’

কথাগুলো শামীম আরা নীপার। বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও তারকা নৃত্যশিল্পী। নৃত্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘নৃত্যাঞ্চল’-এর অন্যতম এই প্রতিষ্ঠাতা ঢাকা বিভাগের সেরা নৃত্যশিল্পীর হিসেবে স্বর্ণপদক এবং ২০১৭ সালে একুশে পদক লাভ করেছিলেন।

আজ বুধবার (২৯ মে) মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে এসেছিলেন নীপা। উদ্দেশ্য ছিল বঙ্গবন্ধু কাপ ২০২৪ আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্নামেন্ট বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া গ্রুপ ম্যাচ উপভোগ করা। সেটা করেছেনও। বাংলাদেশ লোক ফোরাম, জাতীয় যুব পরিষদ এবং অন্যান্য সংস্থাগুলি কর্তৃক সেরা নৃত্যশিল্পীর পুরস্কারে ভূষিত নীপা আরও বলেন, ‘খেলাধুলার সঙ্গে নাচের অনেকটাই মিল আছে। দুটোতেই শারীরিক কসরতের মাধ্যমে কাজটা করতে হয়। আর যখন নিজের দেশের খেলা হয় এবং দেশের দল ভাল খেলে, তখন অন্যরকম অনুভূতি হয়। আজ আমার অনুভূতি ভীষণ ভালো। আজকে নিজেকে লাকি মনে করছি। কারণ আজ মাঠে থেকে নিজ দেশের জয় নিজের চোখে দেখতে পেরেছি। আমি চাইবো আমাদের দেশ লাল-সবুজের পতাকা নিয়ে আরও অনেকদূর এগিয়ে যাবে।’

এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ তিনবারের চ্যাম্পিয়ন শুনে নীপার ভাষ্য, ‘মনেপ্রাণে চাইবো তারা যেন এবারও শিরোপা অক্ষুন্ন রাখতে পারে। খেলাধুলায় আমরা অনেকটাই এগিয়ে গেছি। সঠিক পরিকল্পনা, পর্যাপ্ত পৃষ্ঠপোষকতা ও ভাল খেলোয়াড়দের ঠিকমতো ট্রেনিং দেয়া হলে আমার বিশ্বাস ক্রীড়াঙ্গনে আরও অনেক সাফল্য আসবে। আসলে সংস্কৃতি ও ক্রীড়া আমাদের রক্তের মধ্যে আছে। নিজস্ব একটা শক্তি আছে এই মাটিতে। আমরা যদি সঠিকভাবে তাদের পরিচর্যা করি তাহলে আমাদের সামনে সুন্দর ভবিষ্যত।’

নাচের মানুষ হলেও কখনও খেলাধুলা করেছেন কি না, এই প্রশ্নের জবাবে নীপা বলেন, ‘আমি খেলাধুলা বেশি পারতাম না, ওই পেছনে পেছনে থাকতাম! যেহেতু একটা অঙ্গনের সাথে জড়িত ছিলাম, নাচ করেছি, খেলাধুলার সঙ্গে তেমন জড়িত ছিলাম না। তবে ভালো লাগে খেলাধুলা। সেভাবে মাঠে গিয়ে খেলা দেখা হয় না, তবে টিভিতে খেলা দেখি। যখন বাংলাদেশের সঙ্গে অন্য দলগুলো খেলে, সেগুলো দেখতে বেশি ভালো লাগে। সমর্থন নিজের মধ্যে এমনিতেই চলে আসে।’

;