জয়ে শুরু রোনালদোর পর্তুগালের



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউরো বাছাইপর্বের সব ম্যাচ জিতে মূল টুর্নামেন্টে এসেছে পর্তুগাল। সে কারণে এবার ইউরোর অন্যতম ফেভারিট হিসেবেও ধরা হচ্ছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দলকে। সেই দলটা এবার ইউরোটা শুরু করেছে জয় দিয়ে। চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়েছে ২-১ গোলে।

তবে ম্যাচে হারের শঙ্কাও একটা সময় ভর করেছিল ২০১৬ ইউরোর চ্যাম্পিয়নদের শিবিরে। ৬২ মিনিটে লুকাস প্রোভডের আগুনে শটে গোল পেয়ে যায় চেক প্রজাতন্ত্র। পর্তুগাল পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে। 

তবে পর্তুগিজরা এরপর হাঁফ ছেড়ে বাঁচে আত্মঘাতী গোলে। নুনো মেন্ডেসের হেড ঠেকান গিয়ে চেক গোলরক্ষক জিন্দ্রিচ স্টানেক, তবে তার হাত থেকে বলটা চলে যায় সামনে থাকা ডিফেন্ডার রবিন হ্রানাচের কাছে। তার গায়ে লেগে বল জড়ায় জালে। 

এরপর পর্তুগাল ইনজুরি সময়ে একবার বল জড়ায় চেকদের জালে। কিন্তু রোনালদো অফসাইডে থাকায় ডিয়োগো জোটার গোলটা বাতিল হয়ে যায়। এরপর যোগ করা সময়ে ফ্রান্সিসকো কনসেইসাওয়ের গোল দলের তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে। 

সুয়ারেজে বাঁচল মান, টাইব্রেকার জিতে তৃতীয় উরুগুয়ে 



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

এ যেন ফাইনালের আগে আরেক ফাইনাল। কানাডা-উরুগুয়ের মধ্যকার রোমাঞ্চকর এই ম্যাচের এক মুহূর্তে সবাই যেন ভুলেই গিয়েছিল এটি তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। নিজেদের অভিষেক আসরেই ইতিহাস গড়া কানাডা একদম দুয়ারে পৌঁছেছিল আরেক ইতিহাসের। নিজেদের প্রথম আসরে খেলতে নেমেই তৃতীয় হওয়া, যেই কীর্তি কেবল ২০০১ আসরে গড়েছিল হন্ডুরাস। ম্যাচের ৯০তম মিনিট পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল কানাডা। তবে শেষ মুহূর্তে ত্রাতা হয়ে এলেন দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ফুটবলার সুয়ারেজ। যোগ করা সময়ে গোল করে ম্যাচ আনলেন সমতায়। পরে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে কানাডাকে হারিয়ে তৃতীয় স্থানে কোপার এবারের আসর শেষ করল উরুগুয়ে। 

টাইব্রেকারেও শেষ শটটি নিয়েছেন সুয়ারেজ এবং তাদের আগের তিনটি শটও জড়িয়েছে জালে। অন্যদিকে কানাডার ইসমাইল কোনে ও আলফোনসো ডেভিস মিস করে বসেন নিজেদের শট। এতেই গড়ে যায় ব্যবধান। 

উরুগুয়ের জন্য এবারের আসরটি ছিল টুর্নামেন্টের ইতিহাসের রেকর্ড ১৬তম শিরোপা জয়ের। তবে সেই স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে কলম্বিয়ার কাছে, দ্বিতীয় সেমিতে ১-০ ব্যবধানে হেরে। এদিকে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩৪ ধাপ নিচে থাকার দলের কাছেও হারতে বসেছিল মার্সেলো বিয়েলসার দলটি। তবে শেষ পর্যন্ত ‘বুড়ো’দের কাতারে নাম লেখান সুয়ারেজের নৈপুণ্যে কিছু এক অর্জন নিয়েই কোপার এবারের আসর শেষ করল উরুগুয়ে।

;

ইউরো ফাইনাল ছাড়াও টিভিতে যা থাকছে আজ



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউরোর ফাইনালে আজ রাতে মুখোমুখি হবে স্পেন ও ইংল্যান্ড। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায়। এছাড়াও টিভিতে যা যা থাকছে।


৫ম টি-টোয়েন্টি

জিম্বাবুয়ে-ভারত

বিকেল ৫টা, সনি স্পোর্টস ৫

লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ

ডাম্বুলা-গল

বেলা ৩টা ৩০ মিনিট, টি স্পোর্টস

কলম্বো-জাফনা

রাত ৮টা , টি স্পোর্টস

উইম্বলডন (পুরুষ ফাইনাল)

আলকারাজ-জোকোভিচ

সন্ধ্যা ৭টা, স্টার স্পোর্টস ২ ও সিলেক্ট ১

ইউরো (ফাইনাল)

স্পেন-ইংল্যান্ড

রাত ১টা, টি স্পোর্টস

কোপা আমেরিকা (ফাইনাল)

আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়া

আগামীকাল সকাল ৬টা, টি স্পোর্টস

;

পাওলিনিকে হারিয়ে উইম্বলডন জিতলেন ক্রেইচিকোভা



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উইম্বলডনের ফাইনালে জ্যাসমিন পাওলিনিকে হারিয়েছেন বারবারা ক্রেইচিকোভা। তুলে নিয়েছেন ৬-২, ২-৬, ৬-৪ গেমের এক জয়। তাতে উইম্বলডনের নতুন নারী চ্যাম্পিয়ন বনে গেলেন ক্রেইচিকোভা।
আজ অল ইংল্যান্ড ক্লাবে ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট ছিল চেক এই খেলোয়াড়ের। প্রথম সেটে জেতেন ক্রেইচিকোভা। ৬-২ গেমে উড়িয়ে দেন পাওলিনিকে।
পরের গেমেই অবশ্য পাওলিনি ফিরে আসেন দারুণভাবে। প্রথম সেটের জবাব দেন তিনি ৬-২ গেমে জিতে।
তবে শেষ সেটে আবারও আধিপত্যটা ফিরিয়ে আনেন ক্রেইচিকোভা। তৃতীয় সেটে ৬-৪ গেমে হারিয়ে জিতে নেন উইম্বলডনের শিরোপা।
এটা ক্রেইচিকোভার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্ল্যাম। এর আগে ফ্রেঞ্চ ওপেনে শিরোপা জিতেছিলেন তিনি ২০২১ সালে। এদিকে জ্যাসমিন পাওলিনি এ নিয়ে টানা দুই গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনাল হারলেন। গেল মাসে ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালে তিনি হারেন পোলিশ খেলোয়াড় ইগা শোয়ানটেকের কাছে।

;

বড় লক্ষ্য নিয়ে এইচপি দল যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ায়



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় দল ও তার আশেপাশে থাকা ক্রিকেটার, সঙ্গে পাইপলাইনে থাকাদের নিয়ে গড়া হয়েছে এবারের এইচপি দল। সেই দল প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ায়। লাল ও সাদা বলের দুই অধিনায়ক মাহমুদুল হাসান জয় আর আকবর আলী একে দেখলেন বড় সুযোগ হিসেবে। জয় তো বলেই দিলেন, তার দল যাচ্ছে জয়ের লক্ষ্যে।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সবশেষ টেস্টটা ২০০৩ সালে খেলেছিল বাংলাদেশ। সবশেষ দ্বিপাক্ষিক ওয়ানডে সিরিজটাও সেই ১৬ বছর আগের গল্প। গত ১৫ বছরে ১টা ওয়ানডে বিশ্বকাপ আর একটা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে অস্ট্রেলিয়া গিয়েছিলো বাংলাদেশ। যুবারা গিয়েছিলো ২০১২ তে, সেটাও আন্ডার নাইনটিন বিশ্বকাপ খেলতে। এখান থেকে একটা বিষয় পরিষ্কার, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের খেলাটা মোটামুটি একটা বিরল দৃশ্যই বটে।
তবে দলের পাইপলাইনে থাকা কিংবা জাতীয় দলের আশেপাশে থাকা এইচপি ইউনিটের ক্রিকেটাররা পাচ্ছেন সুবর্ণ সুযোগ। ডারউইনে পাঁচ সপ্তাহের এই সফরে তারা খেলবেন তিনটি ফরম্যাটেই। দুটি চার দিনের ম্যাচ ও দুটি একদিনের ম্যাচ খেলার পাশাপাশি আছে একটি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে। ৯ দলের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে প্রথম পর্বে ৬টি ম্যাচ খেলতে পারবে বাংলাদেশের দলটি।
চার দিনের দুই ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান শাহিনস। একদিনের ম্যাচেও প্রতিপক্ষ পাকিস্তানের দলটিই। তবে একটা ম্যাচে। আরেকটায় খেলবে নর্দার্ন টেরিটরির বিপক্ষে। ম্যাচ দুটি হবে ১ ও ৬ আগস্ট। এছাড়াও ৯ দলের ওই টুর্নামেন্টে এই তিন দলের পাশাপাশি আছে বিগ ব্যাশের চারটা দল। পার্থ স্কর্চার্স, মেলবোর্ন রেনেগেডস, মেলবোর্ন স্টার্স ও অ্যাডিলেইড স্ট্রাইকার্স। বাকী দুই দল সমানিয়ান টাইগার্স এবং এসিটি কমেটস।
সফরের আগে এইচপি দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক আকবর আলী বলেন, ‘ক্রিকেটারদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কন্ডিশনে খেলার একটা চ্যালেঞ্জ থাকে। অস্ট্রেলিয়ায় একটা সম্পূর্ণ নতুন কন্ডিশনে খেলতে যাচ্ছি। এই ট্যুরটা অনেক হেল্পফুল হবে কন্ডিশন জানা বুঝা, ওটার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে খেলার জন্য।’
লাল বলের অধিনায়ক মাহমুদুল হাসান জয় অবশ্য এই সিরিজকে দেখছেন বড় সুযোগ হিসেবে। তার চোখ ২০২৭ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠেয় টেস্ট সিরিজে। সেটা সামনে রেখেই এ কথা বললেন তিনি।
তার ভাষ্য, ‘এটা আমাদের জন্য খুব বড় একটা সুযোগ, আমরা অস্ট্রেলিয়াতে যাচ্ছি। আমি বলব এখানে যে গ্রুপটা আছি কারোরই অস্ট্রেলিয়া ট্যুর করা হয়নি। এটা আমাদের প্রথম ট্যুর, এটা আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৭ সালে ওখানে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ আছে ওটার জন্য খুব ভালো প্রস্তুতি হবে।'
সফরে বাংলাদেশের লক্ষ্য কী? যাওয়ার আগে লাল বলের ক্যাপ্টেন মাহমুদুল হাসান জয় জানালেন, দলের লক্ষ্য জেতাই। তিনি বলেন, 'অধিনায়ক হিসেবে আমাদের দলের যে সমন্বয় আছে সিরিজ জেতার লক্ষ্যই থাকবে।'

;