বিশ্বের সেরা গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ: মেসি



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে একদম শেষদিকে কালো মুয়ানির সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান পজিশনে এমিলিয়ানো মার্তিনেজের সেই সেভ হয়তো এখনো মনে ধরে রেখেছেন আর্জেন্টাইন সমর্থকরা। সেখানে গোলটি হয়ে গেলে ম্যাচটি জিতে যেত ফ্রান্স। এরপর টাইবেকারেও একটি শট ঠেকিয়ে দেন মার্তিনেজ। বিশ্বকাপ ফাইনাল জয়ের সেই সুখস্মৃতি এখনো যেন মনে পড়ে লিওনেল মেসির। এবং ফুটবল বিশ্বের এই মহাতারকার মতে, বিশ্বের সেরা গোলরক্ষক মার্তিনেজই। 

কাতার বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব থেকেই দারুণ ছন্দে ছিলেন মার্তিনেজ। কোয়ার্টার-ফাইনালেও নেদারল্যান্ডস হেরেছিল তার কাছেই, টাইব্রেকারে। পরে ফাইনালেও নজরকাড়া পারফর্ম। 

সম্প্রতি ইএসপিএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের ফুটবলের ক্যারিয়ার, ক্লাব ক্যারিয়ার, বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতি এসব নিয়ে কথা বলেন মেসি। সেখানে তিনি বলেন, ‘দিবু (এমিলিয়ানো) মার্তিনেজ বিশ্বের সেরা গোলরক্ষক।’ 

মার্তিনেজ খেলেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব অ্যাস্টন ভিলার হয়ে। সেখানে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে না পারলেও জাতীয় দলে জার্সিতে যেন ভিন্ন অবতারে নিজেকে প্রমাণ করেন ৩১ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক। 

প্রথমার্ধে গোল পেল না কলম্বিয়া-আর্জেন্টিনার কেউই



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কোপা আমেরিকার ফাইনালে মুখোমুখি আর্জেন্টিনা ও কলম্বিয়া। তবে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি কেউই। ০-০ স্কোরলাইন নিয়ে বিরতিতে গেছে ম্যাচটা।

৫ মিনিটে লুইস দিয়াজের দূরপাল্লার শট ঠেকান এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ৭ মিনিটে হামেস রদ্রিগেজের শুরু করে দেওয়া এক আক্রমণে জন করদোবা একটা সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে বল আয়ত্বে নেওয়ার আগে তার নেওয়া শট লক্ষ্যে থাকেনি শেষমেশ, পোস্টের বাইরের দিকটা ছুঁয়ে চলে যায় বাইরে।
১৩ মিনিটে ম্যাচের প্রথম কর্নার যায় কলম্বিয়ার পক্ষে। হামেসের কর্নার থেকে কুয়েস্তার হেডার ঠেকান এমি মার্তিনেজ।

এ সময় মেসিও ছিলেন বড় বিবর্ণ। তার বাড়ানো তিন লং বলের তিনটিই উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারেনি তার। আর্জেন্টিনা বলার মতো সুযোগ পায় ম্যাচের ২০ মিনিটে। দারুণ এক আক্রমণ শেষে আনহেল দি মারিয়ার বাড়ানো বল খুঁজে পায় বক্সের ভেতরে থাকা মেসিকে। তার শট একাধিক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে শেষমেশ চলে যায় কলম্বিয়া গোলরক্ষক কামিলো ভারগাসের হাতে।

৩৩ মিনিটে জেফারসন লারমার দূরপাল্লার শট ঠেকান এমি মার্তিনেজ। ম্যাচের ৩৬ মিনিটে বল নিয়ে লিওনেল মেসি ঢুকে পড়েছিলেন কলম্বিয়া বক্সে। সেখানে সান্তিয়াগো আরিয়াসের বুট লাগে তার ডান পায়ের গোড়ালির একটু ওপরে। বেশ কিছুক্ষণ মাঠের বাইরে থাকতে হয় তাকে।

৪০ মিনিটে আবারও দূর থেকে চেষ্টা করে কলম্বিয়া। তবে রিচার্ড রিওসের এই শটও মার্তিনেজ ঠেকিয়ে দেন সহজেই। ৪৩ মিনিটে বক্সের বাইরে আর্জেন্টিনা ফ্রি কিক পায় আরিয়াস তালিয়াফিকোকে ফাউল করে বসলে। মেসির সেট পিস থেকে তালিয়াফিকোর হেডার থেকে গোলের দেখা পায়নি আর্জেন্টিনা, লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় চেষ্টাটা।

;

কোপার ফাইনালে বিশৃঙ্খলা, শুরুর সময় পেছাল ৩ দফা



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কোপা আমেরিকার ফাইনাল শুরু হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায়। তার ৮০ মিনিট পেরিয়ে গেলেও ফাইনাল শুরু করা যায়নি। দর্শকদের বিশৃঙ্খলার কারণে ৩ দফা পিছিয়েছে এই ফাইনাল।

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এখন ফাইনালের প্রথমার্ধ শেষ করে দ্বিতীয়ার্ধেরও ২০ মিনিট শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু দর্শকদের সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার কারণে ম্যাচই শুরু হয়নি।

এ বিশৃঙ্খলার ফলে কোপা আমেরিকার ফাইনাল তিন বার পিছিয়েছে। প্রথমে ম্যাচটা শুরু হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ সময় ৬টা ৩০ মিনিটে। এরপর তা পিছিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় ৭টায়। শেষমেশ সে সময় পেছায় আরও ১৫ মিনিট। 

ফাইনাল দেখতে দর্শকদের একটা বিশাল ঝাঁক চলে এসেছেন টিকিট ছাড়া। নিরাপত্তা বেষ্টনী পেরিয়ে নিরাপত্তাকর্মীদের উপেক্ষা গ্যালারিতে ঢুকতে চাইছিলেন তারা। বিশৃঙ্খলাটা সৃষ্টি হয়েছে তারই ফলে।

এই বিশৃঙ্খলার কারণে বিশেষ পাস নিয়ে আসা খেলোয়াড়দের পরিবারও মাঠে ঢুকতে পারছে না। বিষয়টি জানিয়েছেন আর্জেন্টাইন ফুটবলার আলেহান্দ্রো গারনাচোর ভাই রবার্তো।

;

কোপার ফাইনালে অপরিবর্তিত আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়ায় ২ বদল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কোপা আমেরিকার ফাইনালে আজ মুখোমুখি আর্জেন্টিনা ও কলম্বিয়া। এই ম্যাচে আর্জেন্টিনা অপরিবর্তিত দল নিয়েই মাঠে নেমেছে। ওদিকে কলম্বিয়া নেমেছে একাদশে দুটো পরিবর্তন এনে।

এই ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি ভরসা রাখতে চলেছেন নিকলাস ওতামেন্দি আর লিয়ান্দ্রো পারেদেসের ওপর, এমন একটা গুঞ্জন ছিল। তবে সে গুঞ্জন সত্যি হয়নি। মাঠে নামানো হয়েছে অপরিবর্তিত একাদশই।

ওদিকে কলম্বিয়ার দানিয়েল মুনইয়োজ সেমিফাইনালে লাল কার্ড দেখেছিলেন। যার ফলে তাকে পাচ্ছে না কলম্বিয়া। ফাইনালে তার জায়গায় একাদশে সান্তিয়াগো আরিয়াস। রিচার্ড রিওস ফিরেছেন চোট কাটিয়ে।

আর্জেন্টিনা একাদশ–
এমি মার্তিনেজ
মন্তিয়েল, রোমেরো, লিসান্দ্রো, তালিয়াফিকো
দে পল, এনজো, ম্যাক অ্যালিস্টার
মেসি, আলভারেজ, দি মারিয়া

কলম্বিয়ার একাদশ–
কামিলো ভারগাস,
সান্তিয়াগো আরিয়াস, দাভিনসন সানচেজ, কার্লোস কুয়েস্তা, ইয়োহান মহিকা;
রিচার্ড রিওস, জেফারসন লারমা, জন আরিয়াস;
হামেস রদ্রিগেজ;
জন করদোবা, লুইস ডিয়াজ

;

ইতিহাস গড়ে ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
সংগৃহীত

সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শেষ পর্যন্ত ইতিহাস গড়েই ইউরো ২০২৪ এর শিরোপা তুলে নিল লুইস দে লা ফুয়েন্তের স্পেন। ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টের একমাত্র দল হিসেবে এখন চারটি শিরোপার মালিক এখন স্প্যানিশরাই।

১৯৬৬ সালের পর কোনো বৈশ্বিক বা মহাদেশীয় শিরোপা জিততে পারেনি ইংলিশরা। ২০২০ ইউরোর পর আজ আরও একবার ফাইনালের মঞ্চে শিরোপা খরা কাটানোর খুব কাছে ছিল ইংল্যান্ড। তবে আবারও হলো স্বপ্নভঙ্গ। ৫৮ বছরের শিরোপা খরা কাটানো এবং ইউরোতে নিজেদের প্রথম শিরোপা তুলে ধরা আর হলো হ্যারি কেইনদের।

অপরদিকে টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দারুণ ছন্দে থাকা স্পেন আসর শেষ করল অপরাজিত থেকেই। ইউরোর ইতিহাসে এই নজির নেই আর কোনো দলেরই। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে শিরোপা তুলে ধরার মাধ্যমে রেকর্ডের খাতায়ও নাম লেখাল লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। একমাত্র দল হিসেবে চারটি ইউরো শিরোপার দখলদার এখন স্পেন।

বার্লিনের মাঠে আজ ফাইনালের শুরুটা ছিল কিঞ্চিত পানসে। দুই দলের কেউই প্রথমার্ধে বড় কোনো গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি, গোলের দেখাও পায়নি। ১২তম মিনিটে প্রথম আক্রমণে যায় স্পেন, তবে ইংলিশ ডিফেন্ডারদের সুবাদে লক্ষ্যে শট করতে ব্যর্থ হন নিকো। ঠিক তার পরের মিনিটের প্রথমবারের মতো ক্রস করে গোলের সুযোগ বানিয়ে দেন ওয়াকার। তবে ডি-বক্সে তার সতীর্থ কেউই বল পায়ে পাননি। গোলশূন্য ড্র থেকেই শেষ হয় প্রথমার্ধ।

বিরতির পর যেন নতুন উদ্যমে মাঠে নামে স্পেন। নামার মিনিট দুয়েকের মধ্যেই ইয়ামালের বাড়ানো বল নৈপুণ্যের সঙ্গে জালে জড়ান উইলিয়ামস। এগিয়ে যায় স্পেন, একইসঙ্গে যেন জেগে উঠে তাদের মনোবল। পরপর কয়েকটি সুযোগ তৈরি করে তারা।

পাল্টা আক্রমণে যায় ইংল্যান্ড, একাধিকবার গোলের উদ্দেশ্যে এগিয়ে অবশেষে তারা সফল হয় ৭৩তম মিনিটে। ক্রস থেকে পাওয়া বল ডিফ্লেক্ট হয়ে ডি-বক্সের বাইরের দিকে চলে যায়। বেশ খানিকটা দূর থেকে দৌড়িয়ে এসে বল না থামিয়েই বা পায়ে মাটি ঘেষিয়ে দুর্দান্ত এক শট নেন ইংলিশ ডিফেন্ডার কোল পালমার। ব্যর্থ হন স্পেনের গোলরক্ষক। ১-১ সমতায় জমে ওঠে ম্যাচ!

দু'দলই এরপর পালাক্রমে আক্রমণ করতে থাকে। তবে ম্যাচের শেষভাগে যেন জ্বলে ওঠে স্পেন। একের পর এক আক্রমণে দিশেহারা করে তোলে ইংলিশ ডিফেন্ডারদের। ৮৬তম মিনিটে কুকুরেয়ার ক্রস থেকে জয়সূচক গোলটি করেন বদলি হিসেবে নামা ওয়ারজাবাল। শেষ কয়েক মিনিটে আর গোল শোধ দিতে না পারায় হারের হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় ইংল্যান্ডকে।

;