হায়দরাবাদকে গুঁড়িয়ে আইপিএল চ্যাম্পিয়ন কলকাতা



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ফাইনাল বুঝি এভাবেই জিততে হয়! কলকাতা নাইট রাইডার্স তা করে দেখাল বটে। টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা ব্যাটিং লাইন আপ নিয়ে ফাইনালে আসা সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে গুঁড়িয়েই দিল রীতিমতো। ১১৩ রানে অলআউট করে তাদের ডোবাল আইপিএল ফাইনালের ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানে গুটিয়ে যাওয়ার গ্লানিতে। এরপর ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে সে রান তাড়া করে ফেলল মোটে ৬৩ বল খেলে, ৮ উইকেট হাতে রেখে। আর তাতেই এক দশক পর আবারও আইপিএলের শিরোপা যাচ্ছে কলকাতায়। আইপিএলের চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স।

এবারের আইপিএলে যেখানেই অধিনায়ক কামিন্স টস জিতেছেন, প্রায় সব দিনই নিয়েছেন ব্যাট করার সিদ্ধান্ত। নেবেনই বা না কেন? দলের ওপেনিং জুটিতে যখন থাকবে ট্র্যাভিস হেড আর অভিষেক শর্মার মতো দুজন, তখন পাওয়ারপ্লেতে সাঁড়াশি আক্রমণ চালিয়ে প্রতিপক্ষের টুঁটি চেপে যে কোনো অধিনায়কই চাইবেন।

তবে এমন চাওয়া যে সব দিন কাজে দেয় না, তার প্রমাণটা তো হায়দরাবাদ পেয়েছিল কোয়ালিফায়ারেই! এই কলকাতার বিপক্ষেই শুরুতে ব্যাট করে ধসে পড়েছিল দলটার ব্যাটিং লাইন আপ। সেই ভুলটা ফাইনালেও হলো। এবার আরও বড় পরিসরে। 

ইনিংসের প্রথম ওভারেই মিচেল স্টার্কের নিখুঁত এক ডেলিভারি স্টাম্প উপড়ে দেয় অভিষেক শর্মার। সে বলটা যেন আঘাত হানল গিয়ে সোজা হায়দরাবাদের আত্মবিশ্বাসেও। পরের ওভারে বৈভব অরোরা তুলে নিলেন ট্র্যাভিস হেডের উইকেট। ৬ রান তুলতে দুই ওপেনারকে খুইয়ে বসে হায়দরাবাদ। গোটা আইপিএল জুড়ে যে দলটা পাওয়ারপ্লেতে ভয়ের দোকান সাজিয়ে বসেছে সব দলের জন্য, সেই দলটা কি-না আইপিএল ফাইনালে পাওয়ারপ্লেতে তুলতে পারল মোটে ৪০, তাও ৩ উইকেট খরচায়!

সে ধাক্কাটা থেকে আর বেরোনো হয়নি হায়দরাবাদের। এইডেন মার্করাম, হাইনরিখ ক্লাসেনরা মিডল অর্ডারে ছিলেন বলে একটা আশার প্রদীপ জ্বলছিল হায়দরাবাদের। তবে নারাইন, রাসেলদের তোপের সামনে সে প্রদীপ নিভতে সময় নেয়নি। ৭৭ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে এক পর্যায়ে তো দুই অঙ্কে শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কাই তৈরি হয়েছিল দলটার।

শেষমেশ সে শঙ্কা থেকে দলটাকে উদ্ধার করেন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। তবে সে ২৪ রানের ইনিংস দলকে তিন অঙ্কে নিয়ে যায় বটে, কিন্তু আইপিএল ফাইনালে সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড গড়া থেকে হায়দরাবাদকে উদ্ধার করতে পারেনি। ১১৩ রানে অলআউট হয়ে নতুন নজির গড়ে আইপিএল ২০১৬ এর চ্যাম্পিয়নরা। 

ম্যাচ তো কার্যত ওখানেই শেষ! তবু প্যাট কামিন্স একটা আশা জাগিয়েছিলেন সুনীল নারাইনকে দ্রুত ফিরিয়ে। তবে সে আশাটাও উবে যেতে সময় নেয়নি। কলকাতা বিষয়টা সামলে নেয় ভেঙ্কটেশ আইয়ার আর ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজের ব্যাটে। তাদের ৯১ রানের জুটি ম্যাচের বাকি অনিশ্চয়তাটুকুও শেষ করে দেয়। দলীয় ১০২ রানে যখন গুরবাজ ফিরলেন, তখন জয়ের বন্দরটা থেকে হাতছোঁয়া দূরত্বে কলকাতা। অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার নেমে শুধু দলের জাহাজটাকে টেনে নিয়ে গেছেন জয়ের বন্দরে। তাতে ৮ উইকেটে ম্যাচটা জিতে ১০ বছর পর আবারও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে মাতে কলকাতা।

   

সুপার এইটে দ. আফ্রিকার জন্য কি চমক রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র?

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ক্রিকেট বিশ্বকাপে খেলতে পারাটাই একটা সময় পর্যন্ত স্বপ্ন ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। সেই দলটিই এখন প্রথমবারের মতো আয়োজক হিসেবে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে একের পর এক চমক দেখাচ্ছে। গ্রুপপর্বে পাকিস্তানের মতো দলকে হারিয়ে এখন সুপার এইটে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার অপেক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হবে দক্ষিণ আফ্রিকা। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮ টায়। ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য কি চমক নিয়ে অপেক্ষা করছে যুক্তরাষ্ট্র সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

যুক্তরাষ্ট্র চমক দেখাতে পারে; এমনটা ভাবার কারণ, এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ২০টি দলের মধ্যে ১২টি দল বাদ পড়লেও বেশ শক্তভাবেই টিকে আছে যুক্তরাষ্ট্র। বাদ পড়াদের মধ্যে নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মতো শক্তিশালী দলও রয়েছে। অথচ, টিকে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। আর সেটা তারা সম্ভব করেছে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে কানাডার বিপক্ষে রেকর্ড রান তাড়া করে ও দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানকে নাটকীয়ভাবে হারিয়ে দিয়ে। এরপর ভারতের বিপক্ষে হারলেও তাদের লড়াই প্রশংসা কুড়িয়েছে সবার। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপের শেষ ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে বাতিল হলে সুপার এইট নিশ্চিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের।

শুধু যে গ্রুপপর্বে চমক দেখিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র তা নয়। বিশ্বকাপের মূল মিশনে নামার আগে এই দলটি বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছিল ২-১ ব্যবধানে। এমন দলকে তাই ছোট বলার সুযোগ নেই খুব একটা। দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এইডেন মার্করামও তেমন সাহস দেখালেন না। স্পষ্ট করে জানালেন, যুক্তরাষ্ট্র মোটেও ছোট দল নয়। তাদের বিপক্ষে জিততে হলে নিজেদের শতভাগই দিতে হবে তার দলকে।

ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে মার্করাম বলেন, ‘তারা বেশ ভালো ক্রিকেট খেলছে। অনেকে হয়তো তাদের ছোট দল বলবে। কিন্তু তারা মোটেও ছোট দল নয়। কাজেই আমাদের শতভাগ দিয়েই তাদের বিপক্ষে ম্যাচ জিততে হবে। আমি তাদের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য রোমাঞ্চিত।’

যদিও যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে শক্তিমত্তা বা যেকোনো বিচারেই ঢের এগিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। গ্রুপপর্বের চার ম্যাচের চারটিতেই জয় পেয়েছে তারা। তাছাড়া দলটির সামর্থ্য আছে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলারও। তবে প্রোটিয়াদের ভয় বড় ম্যাচে ছোট দলের বিপক্ষে হেরে যাওয়ার পূর্বের তিক্ত অভিজ্ঞতা। যা যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচের আগেও সাবধানী করছে তাদের।

;

হাফিজের চাওয়া সেমিতে খেলুক বাংলাদেশ

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্তর দলকে এখন লড়তে হবে সেমির জন্য। সেই লড়াইয়ে নামার আগে বাংলাদেশ দলকে শুভকামনা জানিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও কোচ মোহাম্মদ হাফিজ। এশিয়ান দল হিসেবে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মতো দল ছিটকে যাওয়ায় হাফিজের চাওয়া অন্তত সেমিতে খেলুক বাংলাদেশ।

গ্রুপপর্বে তিন জয়ে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। অথচ, বিশ্বকাপের মূল লড়াইয়ে নামার আগে বাংলাদেশ দলের অবস্থা ছিল সূচনীয়। হারতে হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সিরিজ। হঠাৎ দলের এমন পারফরম্যান্সের রহস্য নিয়ে পিটিভি স্পোর্টসের অনুষ্ঠান ‘গেম অন হ্যাঁয়’ তে হাফিজ জানান বিশ্বকাপের আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সিরিজ হারই বাংলাদেশের বদলে যাওয়ার কারণ।

বাংলাদেশ দলকে নিয়ে হাফিজ বলেন, ‘আমরা জানতাম তারা সেটা করতে পারবে। যদি আপনি তাদের যাত্রাটা লক্ষ্য করেন, তাহলে দেখবেন, তারা প্রত্যাশা মেটাতে পারেনি। কিন্তু এবার যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সিরিজ হারের পর তারা শক্তিশালী হয়ে ফিরে এসেছে। তারা খেলাটার প্রতি সঠিক দেহভাষ্য আর চারিত্রিক দৃঢ়তা দেখিয়েছে।’

গ্রুপপর্বে কেবল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয় পায়নি বাংলাদেশ। তবে ওই ম্যাচেও শেষ বল পর্যন্ত লড়াই করেছে বাংলাদেশ। ম্যাচ হেরেছে ৪ রানের ব্যবধানে। তবে ম্যাচ হারলেও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হারের পরও আত্মবিশ্বাস পেয়েছিল বাংলাদেশ বলে মনে করেন হাফিজ।

বলেন, ‘সে ম্যাচটা প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশকে দারুণ আত্মবিশ্বাস এনে দিয়েছে।’ বাংলাদেশ দলের সেমিতে খেলা নিয়ে হাফিজ বলেন, ‘আমি আশা করছি বাংলাদেশ ভালো করবে। এশিয়ান জায়ান্ট পাকিস্তান আর শ্রীলঙ্কা বাদ পড়ে গেছে প্রতিযোগিতা থেকে। ব্যক্তিগতভাবে আমি চাই তারা ভালো করুক। সেমিফাইনালে পৌঁছে যাক।’

;

নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক থাকছেন না উইলিয়ামসন

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিস্মরণযোগ্য এক বিশ্বকাপ ক্যাম্পেইন শেষে নিউজিল্যান্ডের অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিলেন কেন উইলিয়ামসন। এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট। সঙ্গে তিনি আগামী মৌসুমে ব্ল্যাকক্যাপদের কেন্দ্রীয় চুক্তিতেও থাকছেন না, জানিয়েছেন উইলিয়ামসন। 

উইলিয়ামসন নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের ইতিহাসের সফলতম অধিনায়ক। তার হাত ধরে প্রথম আইসিসির ট্রফি জিতেছে দলটা। ২০২১ সালে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছিল কিউইরা। তবে তার আগে পরে ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে না হারলে বিশ্ব ক্রিকেটেরই অনন্য এক চরিত্র বনে যেতে পারতেন তিনি। বনে যেতে পারতেন আইসিসির তিনটি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপই জেতা প্রথম অধিনায়ক।

সেটা হওয়ার সুযোগটা আর রাখছেন না তিনি। অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিচ্ছেন এবার। লাল বলের অধিনায়কত্বটা আগেই ছেড়েছিলেন। এবার সাদা বলের নেতৃত্বও ছেড়ে দিলেন। মূলত ক্যারিয়ারকে আরও লম্বা করতেই এই সিদ্ধান্তটা নিয়েছেন তিনি। 

সঙ্গে কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকেও সরে দাঁড়িয়েছেন উইলিয়ামসন। ৩৩ বছর বয়সী এই তারকা নিউজিল্যান্ডের গ্রীষ্মে বাইরের লিগগুলোয় খেলে বেড়াতে চাইছেন, মূলত সে কারণেই নিলেন এই সিদ্ধান্ত। সেই গ্রীষ্মের বাইরের সময়টা ফাঁকা আছে তার। সে সময় নিউজিল্যান্ডের হয়ে খেলবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। 

তিনি বলেন, ‘তিন ফরম্যাটে দলকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে মুখিয়ে আছি। তবে বাইরের দেশে সুযোগগুলো নিয়ে দেখতে চাই আমি। আর সেটা হবে নিউজিল্যান্ডের গ্রীষ্মে। যার ফলে আমি কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।’

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট সাধারণত কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা খেলোয়াড়দেরই দলে টানতে পছন্দ করে। কিন্তু উইলিয়ামসন চুক্তিতে না থাকায় তার দলে খেলা নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকবে না। বিষয়টা নিয়ে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন ব্ল্যাকক্যাপদের সিইও স্কট উইনিঙ্ক। 

;

জয়ে শুরু রোনালদোর পর্তুগালের



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউরো বাছাইপর্বের সব ম্যাচ জিতে মূল টুর্নামেন্টে এসেছে পর্তুগাল। সে কারণে এবার ইউরোর অন্যতম ফেভারিট হিসেবেও ধরা হচ্ছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দলকে। সেই দলটা এবার ইউরোটা শুরু করেছে জয় দিয়ে। চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়েছে ২-১ গোলে।

তবে ম্যাচে হারের শঙ্কাও একটা সময় ভর করেছিল ২০১৬ ইউরোর চ্যাম্পিয়নদের শিবিরে। ৬২ মিনিটে লুকাস প্রোভডের আগুনে শটে গোল পেয়ে যায় চেক প্রজাতন্ত্র। পর্তুগাল পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে। 

তবে পর্তুগিজরা এরপর হাঁফ ছেড়ে বাঁচে আত্মঘাতী গোলে। নুনো মেন্ডেসের হেড ঠেকান গিয়ে চেক গোলরক্ষক জিন্দ্রিচ স্টানেক, তবে তার হাত থেকে বলটা চলে যায় সামনে থাকা ডিফেন্ডার রবিন হ্রানাচের কাছে। তার গায়ে লেগে বল জড়ায় জালে। 

এরপর পর্তুগাল ইনজুরি সময়ে একবার বল জড়ায় চেকদের জালে। কিন্তু রোনালদো অফসাইডে থাকায় ডিয়োগো জোটার গোলটা বাতিল হয়ে যায়। এরপর যোগ করা সময়ে ফ্রান্সিসকো কনসেইসাওয়ের গোল দলের তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে। 

;