বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং টার্গেট দেওয়ার পথে যুক্তরাষ্ট্র



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে হেরে বসায় বাংলাদেশের জন্য ম্যাচটি হয়ে দাঁড়িয়েছে সিরিজে হার এড়ানোর। এমন ম্যাচে টসে জিতে যুক্তরাষ্ট্রকে শুরুতে ব্যাট করতে পাঠায় বাংলাদেশ। লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রকে নাগালের মধ্যে আটকে রাখা। সেই লক্ষ্যে প্রাথমিক কাজটা অবশ্য ঠিকঠাক করতে পারেনি বাংলাদেশ। পাওয়ারপ্লেতে নিতে পারেনি একটি উইকেটও।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সংগ্রহ ১০ ওভার শেষে ২ উইকেটে ৬৮ রান। উইকেটে আছেন অধিনায়ক মোনাঙ্কা প্যাটেল ও অ্যারণ জোন্স।

টি-টোয়েন্টিতে পাওয়ারপ্লে খুবই গুরুপ্তপূর্ণ। এখানে উইকেট বাঁচানোর সঙ্গে দ্রুত রান তোলার দিকেও নজর দিতে হয় ব্যাটারদের। অন্যদিকে প্রতিপক্ষ দলের লক্ষ্যটা থাকে ঠিক তার উল্টো। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে এই দুটো জায়গার একটিতে সফল হলেও উইকেট তুলতে পারেনি বাংলাদেশ। পাওয়ারপ্লেতে ওভার প্রতি ৭ গড়ে ৪২ রান জমা করে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় সংগ্রহের পথ থেকে সরাতে বাংলাদেশ দলের জন্য ব্রেক থ্রু পাওয়া হয়ে দাঁড়ায় অতীব গুরুপ্তপূর্ণ। সপ্তম ওভারে এসে সেই কাজটি করেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। ইনিংসে প্রথমবারের মতো বল হাতে তুলে নিয়েই সাফল্য এনে দেন তিনি। ফেরান ২৮ বলে ৩১ রান করা স্টিভেন টেলরকে। পরের বলেই তুলে নেন সদ্য উইকেটে পা রাখা অ্যান্ড্রিস গাউসকে। দারুণ শুরু করা যুক্তরাষ্ট্র খানিকটা চাপেই পড়ে যায় হঠাৎ করে।

অবশ্য অ্যারন জোন্সকে নিয় সেই চাপ কাটিয়ে উঠার চেষ্টা চালাচ্ছেন অধিনায়ক মোনাঙ্ক প্যাটেল। দায়িত্ব নিয়ে দলকে ব্যাট হাতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। দলকে টানছেন বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জিং টার্গেট দেওয়ার পথে। এই দু’জনের ব্যাটিংয়ে প্রথম ১০ ওভারে আর কোনো উইকেট হারাতে হয়নি যুক্তরাষ্ট্রকে।

এর আগে, দ্বিতীয় ম্যাচে টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া বাংলাদেশ সিরিজ বাঁচাতে একাদশে দুটি বদল এনেছে। একাদশে ফিরিয়েছেন তানজিদ তামিম ও তানজিম সাকিব। তাদের জায়গা ছেড়ে দিয়েছেন লিটন দাস ও শেখ মেহেদী।

   

শেষ ১০ ওভারে জয়ের জন্য বাংলাদেশের চাই ১৩০ রান 



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্যটা ১৯৭ রানের। রান খরার এই বিশ্বকাপে এমন লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই ঝোড়ো গতিতে রান তোলার নেই বিকল্প। দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও লিটন দাসে চড়ে শুরুটা ভালোই পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে পঞ্চম ওভারে লিটন ফেরার পর কমতে শুরু করে রানের গতি। পিচে সময় নিয়ে সেই রানের গতি বাড়াতে দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে এগোতে থাকেন তামিম ও শান্ত। তবে দশম ওভারে সাজঘরের রাস্তা মাপেন তামিমও। 

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১০ ওভারে ২ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬৭ রান। জয়ের জন্য শেষ ১০ ওভারে প্রয়োজন ১৩০ রান। 

বিস্তারিত আসছে…

;

শান্তদের সামনে ভারতের ১৯৭ রানের কঠিন চ্যালেঞ্জ

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দুই ওপেনার রোহিত-কোহলির ছন্দে শুরুটা ভালোই পেয়েছিল ভারত। তবে দুই সাকিব, সাকিব আল হাসান ও তানজিম হাসান সাকিবের নৈপুণ্যে ইনিংস মাঝে ভারতকে চাপে ফেলে দেয় বাংলাদেশ। তবে মিডল অর্ডারে রিশাভ পান্ত, শিবাম দুবে ও দলের সহ-অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার দুর্দান্ত ব্যাটিং নৈপুণ্যে সেই চাপ সামলে বড় সংগ্রহে পৌঁছে যায় ভারত। ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ভারতের সংগ্রহ ১৯৬ রান। 

সেমির লড়াইয়ে টিকে থাকতে তাই শান্তদের চাই ১৯৭ রান। অ্যান্টিগার ভিভ রিচার্ডস স্টেডিয়ামে ব্যাটিং সহায়ক পিচে এদিন টসে জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। সেখানে শুরুর ১০ ওভার ছিল বাংলাদেশের দখলে। ১০ ওভার শেষে ৩ উইকেটে রোহিতদের সংগ্রহ ছিল ৮৩ রান। পরের ১০ ওভারে নিজেদের দখলে নিয়ে আরও ১১৩ রান যোগ করে ভারত।  

শুরু থেকেই বেশ ঝোড়ো গতিতে রান তুলছিলেন দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি। দুই স্পিনার মেহেদি হাসান ও সাকিবদের দেখেশুনেই এগোতে থাকেন ভারতীয় ওপেনাররা। তবে চতুর্থ ওভারেই দলকে ব্রেক থ্রু এনে দেন সাকিব। দলীয় ৩৯ রানের মাথায় লোয়ার লেন্থের এক ডেলিভারি উড়িয়ে মারতে গেলে কভার অঞ্চলে জাকের আলীর হাতে ক্যাচ দেন রোহিত। আর এতেই রেকর্ড বনে যান সাকিব। 

এদিকে রিশাভ পান্তকে নিয়ে আসরে রানে ফেরার দিনে দারুণ ছন্দে এগোচ্ছিলেন কোহলি। তবে নবম ওভারের প্রথম বলে তানজিমের এক স্লোয়ার ডেলিভারিতে বোল্ড হন এই ডানহাতি ব্যাটার। এর আগে করেন ২৮ বলে ৩৭ রান। পরে পিচে নেমে প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকান সূর্যকুমার। তবে জবাব দিতে একদমই সময় নেননি তানজিম। পরের বলেই স্কাইকে দেখান সাজঘরের রাস্তা। 

তবে পিচে থিতু হয়ে তাণ্ডব চালাতে থাকেন রিশাভ পান্ত। উঠছিলেন ভয়ঙ্কর হয়েই। সেখানে দলকে স্বস্তি এনে দিলেন রিশাদ। দলীয় ১০৮ রানের মাথায় তানজিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন পান্ত। পুরো ১৫০ স্ট্রাইক রেটে ২৪ বলে ৩৬ রান করেন এই বাঁহাতি উইকেটরক্ষক ব্যাটার। 

পান্তের ফেরার সঙ্গে সঙ্গে ভারতের রান তোলার গতিও যায় কমে। তবে সময় নিয়ে পঞ্চম উইকেটের জুটিতে এগোতে থাকেন শিবাম দুবে এবং হার্দিক পান্ডিয়া। শেষ পর্যন্ত দুবের ৩৪ এবং পান্ডিয়ার ২৭ বলে অপরাজিত ৫০ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসে চড়ে ১৯৬ রানের বড় সংগ্রহে পৌঁছে যায় রোহিত শর্মার দল। বাংলাদেশের পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন তানজিম ও রিশাদ। 

;

সাকিবদের নৈপুণ্যে চাপে ভারত

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

‘বড়’ সাকিব তথা, সাকিব আল হাসানের ঘূর্ণিতে খুলল ইনিংসের উইকেটের খাতা। এবার ‘ছোট’ সাকিব, অর্থাৎ তানজিম হাসান সাকিব সেটিকে বাড়ালেন। রোহিতের উইকেট তুলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম কোনো বোলার হিসেবে ৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন সাকিব। পরে ইনিংসের নবম ওভারে তিন বলের মধ্যে কোহলি ও সূর্যকুমারকে ফেরান তানজিম সাকিব। 

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১০ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ৮৩ রান তুলেছে ভারত। ২২ গজে এখন ব্যাট করছেন রিশাভ পান্ত ও অক্ষর প্যাটেল। 

অ্যান্টিগায় টসে জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তাসকিনের বদলে এদিন একাদশে ফিরেছেন জাকের। ব্যাটিং এবং স্পিন আক্রমণ বাড়াতেই দলের এমন সিদ্ধান্ত। সেই সিদ্ধান্তে অনেকটাই সফল শান্ত-সাকিবরা। 

ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই বেশ ঝোড়ো গতিতেই রান তুলছিলেন দুই ওপেনার রোহিত ও কোহলি। তবে ইনিংসের চতুর্থ ওভারে দলীয় ৩৯ রানের মাথায় সাকিবের লোয়ার লেন্থের এক ডেলিভারি উড়িয়ে মারতে গেলে কভার অঞ্চলে জাকের আলীর হাতে ক্যাচ দেন রোহিত। আর এতেই রেকর্ড বনে যান সাকিব। 

এদিকে রিশাভ পান্তকে নিয়ে আসরে রানে ফেরার দিনে দারুণ ছন্দে এগোচ্ছিলেন কোহলি। তবে নবম ওভারের প্রথম বলে তানজিমের এক স্লোয়ার ডেলিভারিতে বোল্ড হন এই ডানহাতি ব্যাটার। এর আগে করেন ২৮ বলে ৩৭ রান। পরে পিচে নেমে প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকান সূর্যকুমার। তবে জবাব দিতে একদমই সময় নেননি তানজিম। পরের বলেই স্কাইকে দেখান সাজঘরের রাস্তা। 

;

রোহিতকে ফিরিয়ে সাকিবের অনন্য ‘ফিফটি’

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এটি নবম আসর। ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা ছাড়া কেবল সাকিব আল হাসানই খেলছেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবগুলো আসরে। এবারের সেই রোহিতের উইকেট তুলে অনন্য এক রেকর্ডে নাম লেখালেন সাকিব, যেই তালিকায় কেবল আছেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারই। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম বোলার হিসেবে ৫০ উইকেটের মাইলফলক ছুঁলেন সাকিব। 

অ্যান্টিগার স্যার ভিভ রিচার্ডস স্টেডিয়ামে সুপার এইটে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত। সেখানে টসে জিতে আগে বোলিং করছে বাংলাদেশ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৫৩ রান তুলেছে ভারত। 

শুরু থেকেই বেশ ঝোড়ো গতিতেই রান তুলছিলেন দুই ওপেনার রোহিত ও কোহলি। তবে ইনিংসের চতুর্থ ওভারে দলীয় ৩৯ রানের মাথায় সাকিবের লোয়ার লেন্থের এক ডেলিভারি উড়িয়ে মারতে গেলে কভার অঞ্চলে জাকের আলীর হাতে ক্যাচ দেন রোহিত। আর এতেই রেকর্ড বনে যান সাকিব। 

আসর শুরুর আগে ৫০ উইকেটের মাইলফলক ছুঁতে ৩ উইকেট দূরে ছিলেন সাকিব। তবে আসরের শুরুর তিন ম্যাচে দেশসেরা এই অলরাউন্ডার পাননি কোনো উইকেট। তবে নেপালে বিপক্ষে ম্যাচে নিয়েছিলেন জোড়া উইকেট। পরের অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বলই করেননি তিনি। এবার ভারতের বিপক্ষে ম্যাচেই নাম লিখিয়ে ফেললেন রেকর্ডে। 

;