রেফারিং বিতর্ক ছাপিয়ে বসুন্ধরার ট্রেবল জয়



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইদানিং দেশের ক্রীড়াঙ্গনে মোহামেডান ফাইনালে ওঠা বা শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে খেলা মানেই যেন বিশৃঙ্খলা। ম্যাচ পরিচালনাকারীদের সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ জানিয়ে মাঠ ছেড়ে আসা বা ম্যাচ থামিয়ে ডাগআউটে দাঁড়িয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করা তাদের ‘অভ্যাস’-এ পরিণত হয়েছে। প্রিমিয়ার হকির শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আবাহনীর বিপক্ষে এগিয়ে থাকা অবস্থায় মাঠ ছেড়ে গিয়েছিল তারা। আজ ফুটবলের ফেডারেশন কাপ ফাইনালও প্রায় একই পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছিল।

তবে শেষ পর্যন্ত মোহামেডানের ডাগআউটে কারো কারো শুভবুদ্ধির উদয় হয়। ম্যাচ সম্পূর্ণ করেই মাঠ ছাড়ে তারা। যদিও শেষটায় হাসিমুখ থাকেনি আলফাজ আহমেদের দল। তাদের ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ট্রেবল জয়ের আনন্দ-উৎসব করে বসুন্ধরা কিংস।

ময়মনসিংহের রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়ামে দেশের ফুটবলের দুই জায়ান্ট মোহামেডান ও বসুন্ধরা কিংসের ম্যাচ নিয়ে উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। স্থানীয় ও সফরকারী দর্শকদের আনাগোনায় গ্যালারি ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। মাঠের ফুটবলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতার ছাপ ছিল। প্রথমার্ধে দুই দলই গোলের যথেষ্ট সুযোগ পেলেও গোলমুখ উন্মুক্ত করতে পারেনি।

খেলার প্রথম বাঁশি থেকে দাপট ছিল বসুন্ধরার। তবে ক্রমেই নিজেদের পায়ের তলায় মাটি খুঁজে পায় মোহামেডানও। বিশেষ করে প্রথমার্ধের শেষ দিকে গোলের বেশকিছু ভালো সুযোগ হাত ফসকে যায় তাদের।

বিরতির আক্রমণে আরো ধার বাড়ে মোহামেডান। বসুন্ধরার রক্ষণ তখন দিগ্বিদিকশুন্য। সে সুযোগ নিয়ে ৬৩ মিনিটে বক্সের কিছুটা বাইরে থেকে ইমানুয়েল সানডে বাঁ পায়ের দুর্দান্ত এক শটে বসুন্ধরার জাল কাঁপান।

সে গোলের পর থেকেই অবশ্য মোহামেডান আক্রমণে কিছুটা চুপসে যায়। এবার সুযোগসন্ধানী হয়ে ওঠে বসুন্ধরা। মোহামেডানের খেলোয়াড়রা যখন বলা চলে কিছুটা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন, তখন ৮৭ মিনিটে প্রায় চারজনকে কাটিয়ে দারুণ এক গোলে বসুন্ধরাকে ম্যাচে ফেরান মিগেল দামাসেনো।

মোহামেডানের সামনে তখন স্বাধীনতা কাপ ফাইনালের দুঃস্মৃতি উঁকি দিচ্ছিল। সে ম্যাচেও এগিয়ে যাওয়ার পর দুই গোল হজম করে বসুন্ধরার কাছে হেরে যায় তারা। নির্ধারিত সময় খেলা ১-১ সমতায় থাকার পর ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ালে সে দুঃস্বপ্নই বাস্তবে পরিণত হয়।

অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে বসুন্ধরার এক কর্নার থেকে বল হাতে জমাতে ব্যর্থ হন মোহামেডান গোলকিপার মোহাম্মদ সুজন। তার হাত ফসকে বল মাটিতে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই শট নেন জাহিদ হোসেন। ম্যাচের জয়সূচক গোলটি পেয়ে যায় বসুন্ধরা কিংস।

কিন্তু গোলের বিল্ডআপে ফাউলের অভিযোগ তুলে তখনই মাঠ ছেড়ে ডাগআউটের আশপাশে ভিড় করেন মোহামেডানের ফুটবলাররা। চলে রেফারির সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়। প্রায় মিনিট দশেক খেলা বন্ধ থাকার পর আবার মাঠে ফেরে মোহামেডান। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে গোলের ভালো কিছু সুযোগ হেলায় হারিয়ে শিরোপা হাতছাড়া করে মোহামেডান। মৌসুমে টানা দ্বিতীয়বার ময়মনসিংহে শিরোপা উৎসব করে বসুন্ধরা কিংস। এর আগে প্রিমিয়ার লিগের শিরোপাও এই মাঠে মোহামেডানকে হারিয়েই নিশ্চিত করেছিল তারা।

   

বিশ্বের সেরা গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ: মেসি



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে একদম শেষদিকে কালো মুয়ানির সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান পজিশনে এমিলিয়ানো মার্তিনেজের সেই সেভ হয়তো এখনো মনে ধরে রেখেছেন আর্জেন্টাইন সমর্থকরা। সেখানে গোলটি হয়ে গেলে ম্যাচটি জিতে যেত ফ্রান্স। এরপর টাইবেকারেও একটি শট ঠেকিয়ে দেন মার্তিনেজ। বিশ্বকাপ ফাইনাল জয়ের সেই সুখস্মৃতি এখনো যেন মনে পড়ে লিওনেল মেসির। এবং ফুটবল বিশ্বের এই মহাতারকার মতে, বিশ্বের সেরা গোলরক্ষক মার্তিনেজই। 

কাতার বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব থেকেই দারুণ ছন্দে ছিলেন মার্তিনেজ। কোয়ার্টার-ফাইনালেও নেদারল্যান্ডস হেরেছিল তার কাছেই, টাইব্রেকারে। পরে ফাইনালেও নজরকাড়া পারফর্ম। 

সম্প্রতি ইএসপিএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের ফুটবলের ক্যারিয়ার, ক্লাব ক্যারিয়ার, বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতি এসব নিয়ে কথা বলেন মেসি। সেখানে তিনি বলেন, ‘দিবু (এমিলিয়ানো) মার্তিনেজ বিশ্বের সেরা গোলরক্ষক।’ 

মার্তিনেজ খেলেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব অ্যাস্টন ভিলার হয়ে। সেখানে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে না পারলেও জাতীয় দলে জার্সিতে যেন ভিন্ন অবতারে নিজেকে প্রমাণ করেন ৩১ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক। 

;

ফুটবল ছাড়তে আমার আর বেশিদিন নেই: রোনালদো



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২২ কাতার বিশ্বকাপই জাতীয় দলের জার্সিতে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর শেষ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট, এমনটা ধরে নিয়েছিলেন অনেকেই। তবে সবাইকে অবাক করে দিয়ে তিনি আরো খেলা চালিয়ে যাবেন বলে জানালেন। চলতি বছরে হতে চলা ইউরোই খুব সম্ভবত দেশের জার্সি গায়ে তার শেষ টুর্নামেন্ট হতে যাচ্ছে। শেষবারের মতো পর্তুগালের হয়ে মাঠ মাতাতে নামবেন তিনি।

বয়সটা বাড়লেও নিজের ফর্ম ও খেলার ধার এতটুকু কমতে দেননি পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই মহাতারকা। ক্লাব ও জাতীয় দল, উভয়ের জার্সি গায়েই সমানতালে গোল করে যাচ্ছেন তিনি। দলের সবচেয়ে বড় ভরসার নামই হচ্ছেন এই রোনালদো।

আসন্ন ইউরোর প্রস্তুতিটা বেশ ভালোমতোই সম্পন্ন করেছেন রোনালদো এবং তার দল পর্তুগাল। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ প্রীতি ম্যাচে ৩-০ গোলের জয় তুলে নিয়েছে পর্তুগাল, সেখানে জোড়া গোল করে জয়ের মূল নায়ক ছিলেন রোনালদোই। এই জোড়া গোলের মাধ্যমে তার আন্তর্জাতিক গোলের সংখ্যা এখন ১৩০টি।

নিজের ফুটবল ক্যারিয়ারটা শেষ দিকে, এমনটাই মনে করেন রোনালদো। এতো বছর ধরে খেলতে পারা এবং প্রভাব বিস্তার করতে পারাটা তার জীবনে পাওয়া একটা বিশেষ উপহার। তিনি বলেন, 'আমি জানি, ফুটবল ছাড়তে আমার আর বেশিদিন নেই। বয়স ৩৫ হয়ে যাওয়ার পরও খেলতে পারাটা একটা উপহার। আমার বয়স এখন ৩৯ এবং এখন নিজের খেলা উপভোগের সময়।’

জাতীয় দলে খেলা প্রসঙ্গে রোনালদো বলেন, ‘আমার জন্য জাতীয় দলে খেলাটা আবেগের, ভালোবাসার। জাতীয় দলের জার্সিতে যে কোনো খেলাই স্পেশাল।  ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ স্পেশাল, এটা আমার ষষ্ঠ আসর, যেটি একটা রেকর্ডও বটে! জাতীয় দলের জন্য গোল করাটা বিশেষ অনুভূতির। জাতীয় দল আমার জীবনের ভালোবাসা, ইউরো জিততে পারলে একটা স্বপ্ন পূরণ হবে।’

এবারের ইউরোতে নিজের সেরাটাই মাঠে ঢেলে দিতে প্রস্তুত জানিয়ে রোনালদো বলেন, 'সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, আমি শারীরিক ও মানসিকভাবে ভালো অবস্থায় আছি। আমি প্রস্তুত, আমি সবসময় সেরা প্রস্তুতিটা নিয়ে থাকি, আমি শতভাগ পেশাদার। আমি বরাবরের মতো প্রস্তুত আমার দেশকে সাহায্য করার জন্য।’

;

সাকিবের ফর্ম নিয়ে চিন্তিত নন শান্ত 

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সবশেষ পাঁচ টি-টোয়েন্টিতে কেবল একটি উইকেট নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। বিশ্বকাপের দুই ম্যাচে পাননি একটিও। অথচ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪৭ উইকেট তারই। ব্যাট হাতেও তিনি নেই ছন্দে। এতেই একাদশে তার জায়গা নিয়ে শুরু হয়েছে সমালোচনা। তার এমন ফর্ম কি তবে দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে দলকেও? এমনটা মোটেও ভাবছেন না দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। আশা রাখছেন আজকের নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই ছন্দে ফিরবেন দেশসেরা এই অলরাউন্ডার। 

ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে সাকিবের ফর্ম নিয়ে প্রশ্নটা ছিল ঠিক এমন, সাকিবের কাছ থেকে আমরা যা চাই, তা পাচ্ছি না। তা অধিনায়ক হিসেবে আপনার কাছে কতোটা দুশ্চিন্তার? সেখানে শান্তর সোজাসাপ্টা উত্তর, ‘সাকিব ভাইয়ের পারফরম্যান্স নিয়ে আমাদের দলের কেউই চিন্তিত না। আমরা এটা নিয়ে কথা বলতেই চাই না। আমরা জানি তিনি বছরের পর বছর কতো ভালো পারফরম্যান্স করেছেন। মানুষের থেকে তিনি নিজে যেটা আশা করছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি কঠোর পরিশ্রম করছেন। আমি বলবো না তিনি কামব্যাক করবেন। তিনি ভালো অবস্থানেই আছেন। আশা করবো কালকে আরও ভালো পারফরম্যান্স করতে পারবেন।’

সাকিব কি সেই ওয়ানডে বিশ্বকাপের সময়ের চোখের সমস্যায় এখনো ভুগছেন এবং এতেই কি ছন্দহীন তার ব্যাটে বলে পারফর্ম? শান্ত অবশ্য মানছেন না এমনটা। ‘না, চোখের সমস্যা আমার কাছে মনে হয় না। সব ঠিকঠাকই আছে। অনুশীলনে ব্যাটিং কিংবা বোলিং বলেন, সবখানে স্বাচ্ছন্দ্যেই আছেন। এই ফরম্যাটে একটা দুইটা ইনিংস খারাপ হতেই পারে। অধিনায়ক হিসেবে আমি এটাকে চাপের মনে করছি না। আমি জানি তিনি নিজে তা বোধ করছেন না। কারণ তিনি অভিজ্ঞ। তিনি ভালোভাবেই কামব্যাক করবেন বলে আমার মনে হয়।’ 

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সবশেষ ম্যাচের স্মৃতি অবশ্য খুব একটা সুখকর নয় বাংলাদেশের। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ডাচদের দেওয়া ২৩০ রানের লক্ষ্যে কেবল ১৪২ রানেই গুটিয়ে যায় তারা। তবে সেই স্মৃতি ভুলে ম্যাচটা জিতে সুপার এইটের রাস্তা সহজ করার লক্ষ্যেই নামবে শান্ত-তাসকিনরা। এবং পরের রাউন্ডে নিজ দলের সুযোগটাই বেশি দেখছেন শান্ত। 

;

বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডসের ‘সুপার এইটের’ লড়াই 

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ভালো না থাকলেও ডালাস থ্রিলারে লঙ্কানদের হারিয়ে বিশ্বকাপে শুভ যাত্রা পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে নিজেদের পরের ম্যাচ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয়ের একদম দুয়ার থেকে ফিরে আসতে হয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দলকে। এতে সুপার এইটের রাস্তা অবশ্য খুব একটা কঠিন হয়ে যায়নি তাদের। পরের ম্যাচে নেদারল্যান্ডস ও নেপালের বিপক্ষে ফেবারিট থাকছে শান্তরাই। 

যুক্তরাষ্ট্র পর্ব শেষ করে বাংলাদেশ দল এখন সেন্ট ভিনসেন্টে। বাকি দুই ম্যাচ খেলবে এখানেই। যার মধ্যে কিংসটাউনে আজ (বৃহস্পতিবার) ডাচদের বিপক্ষে নামবে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৩০ মিনিটে।   

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচটি জিতলে সুপার এইটের টিকিট নিশ্চিত না হলেও পরের রাউন্ডের রাস্তা অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে বাংলাদেশের। অবশ্য ডাচদের জন্যও সমীকরণটা একই। দুই দলেই ২ ম্যাচ খেলে পয়েন্ট সমান ২। এতে ম্যাচটিতে ইউরোপিয়ান দলটি জিতলে সুপার এইটে উঠার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে অনেকটাই। তাই ম্যাচটি কার্যত ‘সুপার এইট’ এর লড়াইয়ের। 

যুক্তরাষ্ট্র ব্যাট হাতে স্রেফ বাংলাদেশ দল নয়, কঠিন সময় পার করেছে অন্য দলগুলোও। তবে কিংসটাউনের পিচ অনেকটাই ব্যাটিং সহায়ক। তাই এই পর্বে বাংলাদেশের নজর থাকবে ব্যাটিংয়ে। তাওহিদ হৃদয় ও মাহমুদউল্লাহ বাদে বাকি কোনো ব্যাটারই এখন পর্যন্ত খুব একটা সুবিধে করতে পারেনি, তাই সুপার এইটের দিকে দলকে এগিয়ে ব্যাটারদের ফর্মের ফেরার এটিই আসরের শেষ সুযোগ।  

;