গম্ভীরকে রোহিতদের কোচ হিসেবে চায় বিসিসিআই



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতীয় জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে বিসিসিআইয়ের প্রথম পছন্দ গৌতম গম্ভীর। ক্রিকেটবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ইএসপিএনক্রিকইনফোর খবর, গম্ভীর ভারতের কোচ হতে চান কিনা তা জানতে এরই মধ্যে তার সঙ্গে আলোচনাও করেছে ভারতের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিসিসিআই।

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে ভারতের কোচ হিসেবে দায়িত্বকাল শেষ হবে রাহুল দ্রাবিড়ের। ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর রোহিত শর্মাদের দায়িত্ব বুঝে নিয়েছিলেন ভারতের এই সাবেক অধিনায়ক। গত বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত ছিল চুক্তির মেয়াদ। তবে সেটা কিছুটা বাড়িয়ে এই বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত টেনে নিতে সম্মত হয় বিসিসিআই ও দ্রাবিড়।

তবে এবার আর চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে রাজি নন দ্রাবিড়। এই কথা বিসিসিআইকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। বিসিসিআই তাই প্রধান কোচের পদ পূরণ করতে আগ্রহীদের কাছ থেকে আবেদন চেয়ে বিজ্ঞাপন দিয়েছে। আগামী ২৭ মে পর্যন্ত আগ্রহীরা আবেদন করতে পারবেন। নতুন কোচকে সাড়ে তিন বছর মেয়াদি চুক্তির প্রস্তাব দেবে বিসিসিআই।

গৌতম গম্ভীর এখন পর্যন্ত পেশাদার কোচিং শুরু করেননি। খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানার পর দুই মৌসুম আইপিএলে লক্ষ্ণৌ সুপারজায়ান্টসের মেন্টর হিসেবে কাজ করেছেন। এবার কলকাতা নাইট রাইডার্সে একই পদে কাজ করছেন। কোচ হিসেবে অনভিজ্ঞ হলেও অধিনায়ক এবং মেন্টর হিসেবে তাকে সফল বলা যায়।

অধিনায়ক হিসেবে কলকাতাকে দুইবার আইপিএল জিতিয়েছেন, মেন্টর হিসেবে লক্ষ্ণৌকে দুইবার প্লে-অফ পর্বে তুলেছেন গম্ভীর। এবার মেন্টর হিসেবে কলকাতাকে আসরের প্রথম দল হিসেবে প্লে-অফের টিকিট এনে দিয়েছেন।

গম্ভীর বিসিসিআইয়ের প্রস্তাব নিয়ে এখনই কিছু ভাবছেন না। আইপিএল শেষের পর এই বিষয়ে তার সিদ্ধান্ত জানা যেতে পারে বলে খবর ইএসপিএন ক্রিকইনফোর।

   

সাকিবের ফর্ম নিয়ে চিন্তিত নন শান্ত 

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সবশেষ পাঁচ টি-টোয়েন্টিতে কেবল একটি উইকেট নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। বিশ্বকাপের দুই ম্যাচে পাননি একটিও। অথচ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪৭ উইকেট তারই। ব্যাট হাতেও তিনি নেই ছন্দে। এতেই একাদশে তার জায়গা নিয়ে শুরু হয়েছে সমালোচনা। তার এমন ফর্ম কি তবে দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে দলকেও? এমনটা মোটেও ভাবছেন না দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। আশা রাখছেন আজকের নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই ছন্দে ফিরবেন দেশসেরা এই অলরাউন্ডার। 

ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে সাকিবের ফর্ম নিয়ে প্রশ্নটা ছিল ঠিক এমন, সাকিবের কাছ থেকে আমরা যা চাই, তা পাচ্ছি না। তা অধিনায়ক হিসেবে আপনার কাছে কতোটা দুশ্চিন্তার? সেখানে শান্তর সোজাসাপ্টা উত্তর, ‘সাকিব ভাইয়ের পারফরম্যান্স নিয়ে আমাদের দলের কেউই চিন্তিত না। আমরা এটা নিয়ে কথা বলতেই চাই না। আমরা জানি তিনি বছরের পর বছর কতো ভালো পারফরম্যান্স করেছেন। মানুষের থেকে তিনি নিজে যেটা আশা করছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি কঠোর পরিশ্রম করছেন। আমি বলবো না তিনি কামব্যাক করবেন। তিনি ভালো অবস্থানেই আছেন। আশা করবো কালকে আরও ভালো পারফরম্যান্স করতে পারবেন।’

সাকিব কি সেই ওয়ানডে বিশ্বকাপের সময়ের চোখের সমস্যায় এখনো ভুগছেন এবং এতেই কি ছন্দহীন তার ব্যাটে বলে পারফর্ম? শান্ত অবশ্য মানছেন না এমনটা। ‘না, চোখের সমস্যা আমার কাছে মনে হয় না। সব ঠিকঠাকই আছে। অনুশীলনে ব্যাটিং কিংবা বোলিং বলেন, সবখানে স্বাচ্ছন্দ্যেই আছেন। এই ফরম্যাটে একটা দুইটা ইনিংস খারাপ হতেই পারে। অধিনায়ক হিসেবে আমি এটাকে চাপের মনে করছি না। আমি জানি তিনি নিজে তা বোধ করছেন না। কারণ তিনি অভিজ্ঞ। তিনি ভালোভাবেই কামব্যাক করবেন বলে আমার মনে হয়।’ 

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সবশেষ ম্যাচের স্মৃতি অবশ্য খুব একটা সুখকর নয় বাংলাদেশের। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ডাচদের দেওয়া ২৩০ রানের লক্ষ্যে কেবল ১৪২ রানেই গুটিয়ে যায় তারা। তবে সেই স্মৃতি ভুলে ম্যাচটা জিতে সুপার এইটের রাস্তা সহজ করার লক্ষ্যেই নামবে শান্ত-তাসকিনরা। এবং পরের রাউন্ডে নিজ দলের সুযোগটাই বেশি দেখছেন শান্ত। 

;

বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডসের ‘সুপার এইটের’ লড়াই 

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ভালো না থাকলেও ডালাস থ্রিলারে লঙ্কানদের হারিয়ে বিশ্বকাপে শুভ যাত্রা পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে নিজেদের পরের ম্যাচ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয়ের একদম দুয়ার থেকে ফিরে আসতে হয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দলকে। এতে সুপার এইটের রাস্তা অবশ্য খুব একটা কঠিন হয়ে যায়নি তাদের। পরের ম্যাচে নেদারল্যান্ডস ও নেপালের বিপক্ষে ফেবারিট থাকছে শান্তরাই। 

যুক্তরাষ্ট্র পর্ব শেষ করে বাংলাদেশ দল এখন সেন্ট ভিনসেন্টে। বাকি দুই ম্যাচ খেলবে এখানেই। যার মধ্যে কিংসটাউনে আজ (বৃহস্পতিবার) ডাচদের বিপক্ষে নামবে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৩০ মিনিটে।   

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচটি জিতলে সুপার এইটের টিকিট নিশ্চিত না হলেও পরের রাউন্ডের রাস্তা অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে বাংলাদেশের। অবশ্য ডাচদের জন্যও সমীকরণটা একই। দুই দলেই ২ ম্যাচ খেলে পয়েন্ট সমান ২। এতে ম্যাচটিতে ইউরোপিয়ান দলটি জিতলে সুপার এইটে উঠার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে অনেকটাই। তাই ম্যাচটি কার্যত ‘সুপার এইট’ এর লড়াইয়ের। 

যুক্তরাষ্ট্র ব্যাট হাতে স্রেফ বাংলাদেশ দল নয়, কঠিন সময় পার করেছে অন্য দলগুলোও। তবে কিংসটাউনের পিচ অনেকটাই ব্যাটিং সহায়ক। তাই এই পর্বে বাংলাদেশের নজর থাকবে ব্যাটিংয়ে। তাওহিদ হৃদয় ও মাহমুদউল্লাহ বাদে বাকি কোনো ব্যাটারই এখন পর্যন্ত খুব একটা সুবিধে করতে পারেনি, তাই সুপার এইটের দিকে দলকে এগিয়ে ব্যাটারদের ফর্মের ফেরার এটিই আসরের শেষ সুযোগ।  

;

অধিনায়ক হিসেবে এমন না প্রতিদিনই ভালো খেলতে হবে: শান্ত 

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বকাপের বাংলাদেশ খেলে ফেলেছে দুটি ম্যাচ। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ঘরের মাটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ মিলিয়ে তারা খেলেছে আরও আট ম্যাচ। সবশেষ এই দশটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের একটিতেও ফিফটির দেখা পাননি বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। সেই ১০ ম্যাচের ৯ ইনিংসে ব্যাট করে তিনি করেছেন স্রেফ ১৪১, সর্বোচ্চ ইনিংসটা ৩৬ রানের। পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে ব্যাট হাতে কতটা ছন্দহীন মোটেও এই বাঁহাতি ব্যাটার। তবে নিজের ব্যাটিং নিয়ে বাড়তি কোনো চাপ অনুভব  করছেন না তিনি। এমনকি অধিনায়ক হলেই যে প্রতিদিনই ভালো খেলতে হবে এমনটাও ভাবেন না শান্ত। 

সুপার এইটের রাস্তা সহজ করতে জয়ের উদ্দেশ্যে আজ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে নামবে বাংলাদেশ। সেন্ট ভিনসেন্টের কিংসটাউনে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে ম্যাচটি। 

সেই ম্যাচকে সামনে রেখেই সংবাদ সম্মেলনে আসেন শান্ত। সেখানে দলের টপ-অর্ডারদের ব্যাটিং ব্যর্থতার সূত্র ধরে প্রশ্ন আসে তার ব্যাটিং নিয়েও। তিনি দলের মূল ব্যাটারদের একজন অধিনায়ক, তার থেকে বাড়তি চাওয়া যেন থাকবেই। একটা প্রশ্ন এমন ছিল, অধিনায়ক হিসেবে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার বিষয়টা বলে এসেছিলেন? আপনার কি মনে হয় আপনার কাছ থেকে দলের বড় কিছু পাওনা হয়ে গেছে? এটাই রাইট টাইম টু ক্লিক? সেখানে শান্ত বলেন, ‘আমার ব্যাটিংটা ভালো হয়নি। রান করতে হবে ব্যাটার হিসেবে। কিন্তু এই নিয়ে বাড়তি কোনো চাপ অনুভব করছি না। যদি ভালো শুরু পাই, তাহলে অবদান রাখার চেষ্টা করব। অধিনায়ক হিসেবে এমন না প্রতিদিনই ভালো খেলতে হবে, কিন্তু ব্যাটার হিসেবে দায়িত্ব আছে যে আমি কতোটুকু অবদান রাখতে পারি। তো এটা নিয়ে পরিশ্রম করছি।’

ব্যাটাররা ছন্দে না থাকলেও বোলাররা আছেন বেশ ছন্দে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচটা একদম কাছে গিয়ে হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। তবে আজকের ম্যাচে জিতলে সুপার এইটের রাস্তা অনেকটাই সহজ জয়ে যাবে শান্ত-তাসকিনদের। এবং সুপার এইটে নিজেদের সুযোগটাকেই বেশি দেখছেন শান্ত। ‘আমাদের ভালো সুযোগ আছে। তবে আমাদের ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। আমরা জেতার জন্যই খেলব। আশা করছি ভালো একটা ম্যাচ হবে। প্রত্যেকটা খেলোয়াড় চিন্তাভাবনার দিক থেকে খুব ভালো অবস্থানে আছে। আশা করছি ভালো একটা ম্যাচই হবে।’ 

;

উইন্ডিজের কাছে হেরে বিদায়ের খুব কাছে নিউজিল্যান্ড

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ম্যাচটা নিউজিল্যান্ডের জন্য ছিল ‘মাস্ট উইন গেম’। প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে হারের পর থেকে কক্ষপথে ফিরতে হলে উইন্ডিজকে হারাতে হতো নিউজিল্যান্ডকে। আজ সেটা করতে পারেনি কিউইরা। উইন্ডিজের কাছে ১৩ রানে হেরে বিদায়ের শঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে দলটার। 

অথচ ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে আজ নিউজিল্যান্ডের শুরুটা হয়েছিল স্বপ্নের মতো। পাওয়ারপ্লেতে চার, এরপর ৩০ রানে উইন্ডিজের পাঁচ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন ট্রেন্ট বোল্টরা। 

কিন্তু সেখান থেকে উইন্ডিজকে ১৪৯ রানে নিয়ে যায় শেরফান রাদারফোর্ডের ৩৯ বলে ৬৮ রানের ইনিংস।  শেষ দুই ওভারে ৩৭ রান তুলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে তিনি এনে দেন লড়াকু এক পুঁজি। 

জবাবে নিউজিল্যান্ড কখনোই উইন্ডিজকে চোখরাঙানি দিতে পারেনি। পেসার আলজারি জোসেফ আর স্পিনার গুদাকেশ মোতি আর আকিল হোসেনের তোপে পড়ে শুরু থেকেই দিশেহারা ছিল ২০২১ সালের ফাইনালিস্টরা। 

গ্লেন ফিলিপস একটু চেষ্টা করেছিলেন ৩৩ বলে ৪০ রানের ইনিংসে। তবে ১৮তম ওভারে তাকে বিদায় করেন জোসেফ। শেষ ওভারে মিচেল স্যান্টনার অবিশ্বাস্য এক জয় এনে দিতে চেষ্টা করেছিলেন দলকে, শেষ ওভারে ৩৩ রান দরকার ছিল যখন, তখন তিন ছক্কায় দলকে একটু আশা দিয়েছিলেন তিনি। তবে শেষমেশ তিনিও আর পারেননি। নিউজিল্যান্ড তাই ম্যাচ হারে ১৩ রানে। 

এই হারের ফলে নিউজিল্যান্ডের সুপার এইটের সম্ভাবনা ঝুলে গেল সুতোয়। পরের রাউন্ডে নিউজিল্যান্ডের দেখা মিলতে হলে চাই একটা মিরাকল। কাল সকালে যদি পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে আফগানিস্তান না হারে, তাহলেই বিদায় ঘণ্টা বেজে যাবে কেন উইলিয়ামসনের দলের। 

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ২০ ওভারে ১৪৯/৯ (রাদারফোর্ড ৬৮*, পুরান ১৭; বোল্ট ১৬-৩, সাউদি ২১-২, ফার্গুসন ২৭-২)
নিউজিল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৩৬/৯ (ফিলিপস ৪০, অ্যালেন ২৬; জোসেফ ১৯-৪, মোতি ২৫-৩)
ফলাফল– ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৩ রানে জয়ী।

;