‘হকির স্বার্থে’ অঘোষিত ফাইনালে খেলছে মোহামেডান



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গ্রীন ডেল্টা প্রিমিয়ার হকি লিগ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার অন্ত নেই। ম্যাচ অফিসিয়ালদের বিভিন্ন সিদ্ধান্তসহ নানা ইস্যুতে বিতর্ক লেগেই রয়েছে। আজ (শুক্রবার) আবাহনী-মোহামেডানের অঘোষিত ফাইনালের আগেও ডালপালা মেলেছে বিতর্ক। তিন হলুদ কার্ড দেখা মোহামেডানের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় রাসেল মাহমুদ জিমির নিষেধাজ্ঞা নিয়ে সরগরম হকির মাঠ।

জানা গেছে, কোনো খেলোয়াড় দুই হলুদ কার্ড দেখলে বাইলজ অনুযায়ী সেই দলকে নিষেধাজ্ঞার শঙ্কার কথা তার দলকে ফেডারেশনের জানানোর কথা। তবে এক্ষেত্রে হকি ফেডারেশন সেটা না করে বরং তিন হলুদ কার্ড দেখার পর জিমিকে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। যার ফলে আবাহনীর বিপক্ষে আজ তার মাঠে নামার সুযোগ নেই।

এই বিষয়টি নিয়েই মুখোমুখি অবস্থানে  চলে এসেছিল মোহামেডান এবং হকি ফেডারেশন। আজ আবাহনীর বিরুদ্ধে ম্যাচটি জিতলেই শিরোপা উঠবে সাদাকালোদের হাতে। অথচ এমন একটা ম্যাচ তারা না খেলার হুমকি দিয়েছিল জিমির নিষেধাজ্ঞার ইস্যুতে।

শেহস পর্যন্ত অবশ্য তারা সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে। ‘হকির স্বার্থে’ তারা ম্যাচটি খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে সঙ্গে এও জানিয়ে রেখেছে, ম্যাচ চলাকালে কোনো অনিয়ম হলে তৎক্ষণাৎ মাঠ ছাড়তে পিছপা হবেন না তারা।

উল্লেখ্য, এই ম্যাচের আগে মোহামেডানের পয়েন্ট ১৪ ম্যাচে ৩৫। অন্যদিকে আবাহনীর ৩৪ ও মেরিনার্সের ঝুলিতে ৩৭ পয়েন্ট। মোহামেডানকে আবাহনী হারিয়ে দিলে মেরিনার্সের মতো তাদের পয়েন্টও হবে ৩৭। বাইলজ অনুযায়ী তখন আবাহনী-মেরিনার্স প্লে-অফ ম্যাচের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে শিরোপা। মোহামেডানের জন্য হিসেব সহজ, জিতলেই চ্যাম্পিয়ন। মোহামেডান-আবাহনী ড্র করলে শিরোপা উৎসব করবে মেরিনার্স।

   

এলপিএলে মুস্তাফিজের দলের চুক্তি বাতিল, মালিক গ্রেপ্তার



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের (এলপিএল) দল ডাম্বুলা থান্ডার্স কিনে নিয়েছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক তামিম রহমান। তবে টুর্নামেন্ট মাঠে গড়ানোর আগেই শ্রীলঙ্কায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাকে। এছাড়া তার দল ডাম্বুলা থান্ডার্সের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করেছে এলপিএল কর্তৃপক্ষ।

ডাম্বুলা থান্ডার্সে খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের। তাকে সরাসরি চুক্তিতে দলে ভিড়িয়েছিল তারা। দলটির সঙ্গে এলপিএল চুক্তি বাতিল করায় এখন তার খেলা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, আজ (বুধবার) কলম্বোতে ফ্লাইটে চড়ার আগে তাকে গ্রেপ্তার করে কলম্বো পুলিশ। তার বিরুদ্ধে এলপিএলে দুর্নীতি বা ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

এবারের আসরে মুস্তাফিজ ছাড়াও ইব্রাহিম জাদরান, ইফতিখার আহমেদের মতো বিদেশী ক্রিকেটারদের দলে ভিড়িয়েছিল ডাম্বুলা। লঙ্কান ক্রিকেটারদের মধ্যে  ছিলেন দিলশান মাদুশঙ্কা, নুওয়ান থুশারা, আকিলা দানঞ্জয়া, দানুশকা গুনাথিলাকা, নুয়ান প্রদীপরা।

তামিম রহমানকে গ্রেপ্তার এবং ডাম্বুলার সঙ্গে চুক্তি বাতিলের বিষয়ে দেয়া এক বিবৃতিতে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট জানিয়েছে, ‘যদিও মিঃ রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগের সুনির্দিষ্ট বিষয়গুলি অস্পষ্ট, তবে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের সততা এবং মসৃণ কার্যকারিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হল এলপিএলের মূল্যবোধ এবং খ্যাতি বজায় রাখা, নিশ্চিত করা যে সমস্ত অংশগ্রহণকারীরা আচার-আচরণ এবং ক্রীড়াঙ্গনের সর্বোচ্চ মান মেনে চলবেন। এলপিএল ব্যবস্থাপনা কমিটি এই পরিণতি মোকাবেলা করার জন্য এবং আসন্ন মরসুমে ন্যূনতম ব্যাঘাত নিশ্চিত করার জন্য নিষ্ঠার সাথে কাজ করছে।’

;

অনূর্ধ্ব-১২ এশিয়ান টেনিসে ভারতের কাছে হার



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নেপালে এশিয়া অনূর্ধ্ব-১২ দলগত টেনিস প্রতিযোগিতা ২০২৪ ইভেন্টের খেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিযোগিতায় স্বাগতিক নেপালসহ বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, ভূটান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১২ বছরের বালক ও বালিকা খেলোয়াড় ও ক্যাপ্টেন অংশগ্রহণ করছে। প্রতিযোগিতার তৃতীয় দিনে বাংলাদেশের বালক ও বালিকা উভয় দল শক্তিশালী ভারত দলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তবে দুটি দলই ০-৩ ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে হেরে যায়।

বালক এককের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের মোহাম্মদ হায়দার ০-৬, ০-৬ গেমে ভারতের মনোহর পুনিথ এর নিকট এবং মো: জোবায়ের ইসলাম ০-৬, ০-৬ গেমে ভারতের ছাল্লানি আরভ অক্ষয়কুমার এর নিকট পরাজিত হয়। দ্বৈতের খেলায় বাংলাদেশের মোহাম্মদ হায়দার ও মো: জোবায়ের জুটি ০-৬, ১-৬ গেমে ভারতের জর্জ যুভান ও মনোহর পুনিথ জুটির নিকট পরাজিত হলে বাংলাদেশ বালক দল ০-৩ ম্যাচে ভারতের নিকট পরাজিত হয়।

বালিকা এককের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের সারা আল জসিম ০-৬, ১-৬ গেমে ভারতের সৃষ্টি কিরন এর নিকট এবং দ্বিতীয় এককে বাংলাদেশের জান্নাত হাওলাদার  ০-৬, ০-৬ গেমে কাদিয়ান খুশির নিকট পরাজিত হয়। দ্বৈতের খেলায় বাংলাদেশ মাসতুরা আফরিন ও সারা আল জসিম জুটি ০-৬, ১-৬ গেমে সৃষ্টি  কিরন ও গালত সেরেনার নিকট পরাজিত হয়। ফলে বাংলাদেশ বালিকা দল ০-৩ ম্যাচে ভারতের নিকট পরাজিত হয়।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৩ মে) বাংলাদেশ বালক দল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এবং বাংলাদেশ বালিকা দল শ্রীলংকার বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। বাংলাদেশ বালক দল গ্রুপ-‘এ’ তে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে, ফলে গ্রুপ-‘বি’ এর চ্যাম্পিয়ন দল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। অপরদিকে বালিকা দল রাউন্ড রবীন লীগ পদ্ধতিতে ৩টি ম্যাচ খেলে ২টিতে (মালদ্বীপ ও নেপাল) জয় লাভ করে এবং ১টিতে (ভারত) পরাজিত হয়।

;

যে কারণে বিশ্বকাপের বিমানে চড়া হচ্ছে না লামিচানের



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ধর্ষণ মামলায় ৮ বছরের সাজা হয়েছিল নেপালি ক্রিকেটার সন্দীপ লামিচানের। তবে গত বুধবার (১৫ মে) নেপালের সে অভিযোগ থেকে তাকে মুক্তি দেয়। খালাস পেয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বিমানে চড়ার স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু বিশ্বকাপের জন্য যুক্তরাষ্ট্র তাকে ভিসা দিতে সম্মত হয়নি।

ভিসা না পাওয়ার বিষয়টি নিজেই এক্স-এ (সাবেক টুইটার) জানিয়েছেন লামিচানে, ‘নেপালে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস আবারও সেটাই করল যা তারা ২০১৯ সালে করেছিল। যুক্তরাষ্ট্র এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য তারা আমাকে ভিসা দেয়নি। দুর্ভাগ্যজনক।’

গত ১ মে বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণা করে নেপাল। ধর্ষণের মামলায় শাস্তিভোগ করতে থাকা লামিচানেকে সে দলে রাখার কোনো সুযোগ ছিল না। কারণ নেপাল ক্রিকেট তখন তাকে বহিষ্কার করেছিল।

তবে খালাস পাওয়ার পর বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দলে রাখার পরিকল্পনা ছিল বলে জানিয়েছেন দেশটির বোর্ড প্রধান চতুর বাহাদুর চাঁদ, ‘আইনের মাধ্যমে সে মুক্তি পেয়েছে এবং আমরা তার জন্য খুশি। আমরাও তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাকে বিশ্বকাপের দলে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ২৫ মে পর্যন্ত সময় রয়েছে।’

কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা না পাওয়ায় এখন আর তাকে দলে রাখতে পারছে না নেপাল ক্রিকেট।

উল্লেখ্য, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘ডি’তে বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা ও নেদারল্যান্ডসের সঙ্গী নেপাল।

;

রেফারিং বিতর্ক ছাপিয়ে বসুন্ধরার ট্রেবল জয়



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইদানিং দেশের ক্রীড়াঙ্গনে মোহামেডান ফাইনালে ওঠা বা শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে খেলা মানেই যেন বিশৃঙ্খলা। ম্যাচ পরিচালনাকারীদের সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ জানিয়ে মাঠ ছেড়ে আসা বা ম্যাচ থামিয়ে ডাগআউটে দাঁড়িয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করা তাদের ‘অভ্যাস’-এ পরিণত হয়েছে। প্রিমিয়ার হকির শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আবাহনীর বিপক্ষে এগিয়ে থাকা অবস্থায় মাঠ ছেড়ে গিয়েছিল তারা। আজ ফুটবলের ফেডারেশন কাপ ফাইনালও প্রায় একই পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছিল।

তবে শেষ পর্যন্ত মোহামেডানের ডাগআউটে কারো কারো শুভবুদ্ধির উদয় হয়। ম্যাচ সম্পূর্ণ করেই মাঠ ছাড়ে তারা। যদিও শেষটায় হাসিমুখ থাকেনি আলফাজ আহমেদের দল। তাদের ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ট্রেবল জয়ের আনন্দ-উৎসব করে বসুন্ধরা কিংস।

ময়মনসিংহের রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়ামে দেশের ফুটবলের দুই জায়ান্ট মোহামেডান ও বসুন্ধরা কিংসের ম্যাচ নিয়ে উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। স্থানীয় ও সফরকারী দর্শকদের আনাগোনায় গ্যালারি ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। মাঠের ফুটবলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতার ছাপ ছিল। প্রথমার্ধে দুই দলই গোলের যথেষ্ট সুযোগ পেলেও গোলমুখ উন্মুক্ত করতে পারেনি।

খেলার প্রথম বাঁশি থেকে দাপট ছিল বসুন্ধরার। তবে ক্রমেই নিজেদের পায়ের তলায় মাটি খুঁজে পায় মোহামেডানও। বিশেষ করে প্রথমার্ধের শেষ দিকে গোলের বেশকিছু ভালো সুযোগ হাত ফসকে যায় তাদের।

বিরতির আক্রমণে আরো ধার বাড়ে মোহামেডান। বসুন্ধরার রক্ষণ তখন দিগ্বিদিকশুন্য। সে সুযোগ নিয়ে ৬৩ মিনিটে বক্সের কিছুটা বাইরে থেকে ইমানুয়েল সানডে বাঁ পায়ের দুর্দান্ত এক শটে বসুন্ধরার জাল কাঁপান।

সে গোলের পর থেকেই অবশ্য মোহামেডান আক্রমণে কিছুটা চুপসে যায়। এবার সুযোগসন্ধানী হয়ে ওঠে বসুন্ধরা। মোহামেডানের খেলোয়াড়রা যখন বলা চলে কিছুটা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন, তখন ৮৭ মিনিটে প্রায় চারজনকে কাটিয়ে দারুণ এক গোলে বসুন্ধরাকে ম্যাচে ফেরান মিগেল দামাসেনো।

মোহামেডানের সামনে তখন স্বাধীনতা কাপ ফাইনালের দুঃস্মৃতি উঁকি দিচ্ছিল। সে ম্যাচেও এগিয়ে যাওয়ার পর দুই গোল হজম করে বসুন্ধরার কাছে হেরে যায় তারা। নির্ধারিত সময় খেলা ১-১ সমতায় থাকার পর ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়ালে সে দুঃস্বপ্নই বাস্তবে পরিণত হয়।

অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে বসুন্ধরার এক কর্নার থেকে বল হাতে জমাতে ব্যর্থ হন মোহামেডান গোলকিপার মোহাম্মদ সুজন। তার হাত ফসকে বল মাটিতে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই শট নেন জাহিদ হোসেন। ম্যাচের জয়সূচক গোলটি পেয়ে যায় বসুন্ধরা কিংস।

কিন্তু গোলের বিল্ডআপে ফাউলের অভিযোগ তুলে তখনই মাঠ ছেড়ে ডাগআউটের আশপাশে ভিড় করেন মোহামেডানের ফুটবলাররা। চলে রেফারির সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়। প্রায় মিনিট দশেক খেলা বন্ধ থাকার পর আবার মাঠে ফেরে মোহামেডান। অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে গোলের ভালো কিছু সুযোগ হেলায় হারিয়ে শিরোপা হাতছাড়া করে মোহামেডান। মৌসুমে টানা দ্বিতীয়বার ময়মনসিংহে শিরোপা উৎসব করে বসুন্ধরা কিংস। এর আগে প্রিমিয়ার লিগের শিরোপাও এই মাঠে মোহামেডানকে হারিয়েই নিশ্চিত করেছিল তারা।

;