‘মিরাকল’-এর অপেক্ষায় রাখলেন মিরাজ-তাইজুল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের ব্যাটিং দেখে অনেকেই হয়ত ভাবেননি পঞ্চম দিনে গড়াবে চট্টগ্রাম টেস্ট। তবে সেটা হয়েছে। চতুর্থ দিনে দুই সেশনের বেশি ব্যাট করে বাংলাদেশ তা সম্ভব করেছে। কে জানে, টেস্ট ক্রিকেটে দুর্দশার দিনে বাংলাদেশ দল এটাকেও সাফল্য হিসেবে দেখে কীনা। তবে বড় হারের শঙ্কা যখন মাথার উপর ঝুলছে, তখন এমন সাফল্য হাতড়ে লাভ কী!

৪৫৫ রানের লিড সঙ্গে নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে লঙ্কানরা। সে লিডের সঙ্গে আর ৫৫ রান যোগ করে ৭ উইকেটে ১৫৭ রানে ইনিংস ঘোষণা করে সফরকারীরা। তাদের লিড দাঁড়ায় ৫১০ রান। লঙ্কানদের পক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ ৫৬ রান আসে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের ব্যাটে।

ইনিংসে ৬৫ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন পেসার হাসান মাহমুদ। প্রথম ইনিংসের দুই উইকেট যোগ করলে যৌথভাবে টেস্ট অভিষেকে সর্বোচ্চ ৬ উইকেট নেয়ার কীর্তি গড়া হয়ে যায় তার। ২০০১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বুলাওয়েতে মনজুরুল ইসলাম প্রথম অভিষেকে পেয়েছিলেন ৬ উইকেট।

৫১১ রানের বিশাল লক্ষ্য মাথায় নিয়ে ব্যাট করতে নেমে মাহমুদুল হাসান জয় এবং জাকির হাসানের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৩৭ রান। কিন্তু দিনের দ্বিতীয় সেশনের দ্বিতীয় ওভারেই ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। প্রবাথ জয়সুরিয়ার বলে স্টাম্প গুঁড়িয়ে যায় জয়ের (২৪)। তৃতীয় দিনের খেলা শেষে দলের ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়ে উচ্চকণ্ঠ ছিলেন প্রথম ইনিংসে ফিফটি করা জাকির। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসেও তিনিও সেই ব্যর্থদের দলেই নাম লেখালেন। উইকেটে থিতু হয়েও বিশ্ব ফার্নান্দোর বলে ক্যাচ দিয়েছেন স্লিপে। ১৯ রানে ধরেছেন সাজঘরের পথ।

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত (২০) আরও একবার ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ হয়েছেন। ৫৫ বল খেলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ক্রিজে টিকে থাকার, কিন্তু লাহিরু কুমারার দারুণ এক ডেলিভারিতে সাঙ্গ হয় তার ইনিংস।

চারে নেমে প্রতি আক্রমণ শুরু করেছিলেন মুমিনুল হক। ৫৫ বলে ৮ চার, ১ ছক্কায় ছুঁয়ে ফেলেন ফিফটি। তবে মাইলফলক ছোঁয়ার পড়ের বলেই উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসেন এই ব্যাটার।

পঞ্চম উইকেটে ৬১ রানের জুটি গড়ে তোলেন সাকিব আল হাসান এবং লিটন দাস। শুরুতে কিছুটা দেখেশুনে খেললেও খণ্ডকালীন বোলার কামিন্দু মেন্ডিসের গালিতে দাঁড়ানো নিশান মাদুশকার হাতে ধরা পড়েন সাকিব। ফেরার আগে তার ব্যাটে আসে ৩২ রান।

সাকিব ফেরার পরপরই লিটনও ধরেন সাজঘরের পথ। সিরিজজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার শিকার হওয়া এই উইকেটকিপার-ব্যাটার করেন ৩৮ রান। অবশ্য ব্যক্তিগত ১০ রানেই নিশ্চিত এলবিডাব্লিউ থেকে বেঁচে যান। লঙ্কানরা রিভিউ না নেয়ায় সে যাত্রায় বেঁচে গিয়েছিলেন।

শেষবেলায় ৪৪ রানের হার না মানা ইনিংস খেলে বাংলাদেশের ভেলা ভাসিয়ে রেখেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ১০ রান নিয়ে তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন তাইজুল ইসলাম। ৭ উইকেটে ২৬৮ রান নিয়ে চতুর্থ দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ। জয়ের জন্য এখনো ২৪৩ রান চাই স্বাগতিকদের।

   

ভারতকে ১২০ রানের চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরিজে ফেরার চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভারতের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি নিগার সুলতানা জ্যোতিরা। দ্বিতীয় ম্যাচ দিয়ে সিরিজে সমতায় ফেরার লক্ষ্যে বাংলাদেশের ব্যাটিংটা ঠিক মনমতো হয়নি। এক মুর্শিদা খাতুন বাদে ক্রিজে থিতু হতে পারেননি। তার ৪৫ রানের লড়াকু ইনিংসে চড়ে আগে ব্যাট করা বাংলাদেশ ২০ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে স্কোরবোর্ডে তুলেছে ১১৯ রান।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মন্দ হয়নি বাংলাদেশ। পাওয়ার প্লে’তে দুই উইকেট হারালেও স্কোরবোর্ডে ৪৩ রান জমা করেন নিগাররা। কিন্তু রাধা যাদবের করা ইনিংসের দশম টানা দুই বলে দুই ব্যাটার নিগার ও ফাহিমা খাতুন লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন।

পরের ওভারে সুলতানা খাতুনও সাজঘরের পথ ধরলে ৬৯ রানে পঞ্চম উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।

ওপেনার মুর্শিদা খাতুন তখনো ক্রিজে অবিচল। তাকে সঙ্গ দেন এই ম্যাচ দিয়ে একাদশে প্রবেশ করা রিতু মনি। এই জুটি যখন ক্রিজে, তখন খেলা কিছুক্ষণের জন্য থমকে যায় বৃষ্টিতে। তবে মুর্শিদা-রিতুর জুটিতে তার প্রভাব পড়েনি। বৃষ্টির পুর আবার নিজেদের সহজাত ব্যাটিংয়ে দলের রানের চাকা সচল রাখেন তারা।

দীপ্তি শর্মার বলে লেট কাট করতে গিয়ে রিতু মনি বোল্ড হলে ভাঙে এই জুটি। ৩২ রান আসে মুর্শিদা-রিতুর পঞ্চম উইকেটের জুটিতে। ২ চারে ১৮ বলে ২০ রান করেন রিতু।

মুর্শিদা তবু লড়াই চালিয়ে যান। শেষ ওভারে দুর্ভাগ্যজনকভাবে রানআউট হওয়ার আগে তার ব্যাটে আসে দলীয় সর্বোচ্চ ৪৫ রান।

ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন রাধা। দুটি করে উইকেট পান শ্রেয়াঙ্কা ও দীপ্তি।

জয়ে ফিরতে এখন বোলারদের দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশ। স্বল্প পুঁজি পেলেও সেটা ডিফেন্ড করার চ্যালেঞ্জ নিয়ে বল করতে হবে নাহিদা-মারুফাদের।

;

চমকে ঠাসা ভারতের বিশ্বকাপ দল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বেশ কয়েকটি বড় চমক দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করেছে ভারত। অনেক জল্পনা-কল্পনার ভারতের বিশ্বকাপ দলে টিকে গেছেন বিরাট কোহলি ও হার্দিক পান্ডিয়া। তবে দলে জায়গা হয়নি আইপিএলে লক্ষ্ণৌয়ের অধিনায়ক কেএল রাহুল ও গুজরাটের অধিনায়ক শুবমান গিল।

আইপিএলে দুর্দান্ত পারফর্ম করার পুরস্কারস্বরূপ বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার বিশ্বকাপ দলে ডাক পেয়েছেন। স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল প্রায় ৯ মাস পর দলে ঢুকেছেন। এছাড়াও সঞ্জু স্যামসন এবং শিবম দুবেরও জায়গা হয়েছে দলে।

আইপিএলে রোহিত শর্মার কাছ থেকে মুম্বাইয়ের অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর থেকেই সমালোচকদের নিশানায় রয়েছেন হার্দিক। মাঠে নিয়মিত দর্শকদের দুয়ো শুনছেন, চাপে পড়েই কিনা কে জানে মাঠের ক্রিকেটে ঠিকঠাক মেলে ধরতে পারছেন না। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই হার্দিকের বাদ পড়ার সম্ভাবনা দেখেছিলেন। তবে সেটা হয়নি, টিকে গেছেন এই অলরাউন্ডার।

একইভাবে কোহলির টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। তবে আইপিএলে তার দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ধুঁকলেও ব্যাট হাতে দুর্দান্ত পারফর্ম করে ঠিকই বিশ্বকাপের টিকিট কেটেছেন ভারতের অন্যতম সেরা এই ব্যাটার।

ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দল

রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), যশস্বী জয়সোয়াল, বিরাট কোহলি, শিবম দুবে, রিশাভ পান্ত, সঞ্জু স্যামসন, সূর্যকুমার যাদব, হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, যুজবেন্দ্র চাহাল, আর্শদীপ সিং, যশপ্রীত বুমরা, মোহাম্মদ সিরাজ

;

তামিম-মুশফিকের জোড়া ফিফটিতে প্রাইমের দাপুটে জয়



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সুপার লিগের প্রথম দুই ম্যাচে হারের পর অবশেষে জয়ের দেখা পেল প্রাইম ব্যাংক। দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার তামিম ইকবাল এবং মুশফিকুর রহিমের জোড়া ফিফটিতে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে হেসেখেলেই হারিয়ে দিয়েছে প্রাইম, তুলে নিয়েছে ৭ উইকেটের জয়।

ফতুল্লার খানসাহেব ওসমান আলি স্টেডিয়ামে টসে জিতে গাজী গ্রুপকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় প্রাইম ব্যাংক। ব্যাটিংয়ে নেমে মোটেই সুবিধা করতে পারেনি গাজী। সেট হয়েও উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে এসেছেন অধিনায়ক মেহেদী মারুফ থেকে শুরু করে দলের বেশিরভাগ ব্যাটার। স্বীকৃত ব্যাটারদের দুর্দিনে গাজীর পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৯ রান আসে লেজের সারির আব্দুল গাফফার সাকলাইনের ব্যাটে।

প্রাইম ব্যাংকের পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট নেন দুই পেসার রেজাউর রহমান রাজা এবং হাসান মাহমুদ।

রানতাড়া করতে নেমে ওপেনার তামিম ইকবালের ব্যাটে দারুণ শুরু পায় প্রাইম ব্যাংক। তার সঙ্গে যোগ দিয়ে প্রাইমকে সহজ জয়ের পথে এগিয়ে দেন মুশফিকুর রহিম।

৭৬ রানের ম্যাচসেরা ইনিংস খেলার পথে ১০টি চার হাঁকান তামিম, ছিল দুটি ছক্কাও। মুশফিকও পিছিয়ে ছিলেন না, ৫৫ বলে ৫৯ রান এসেছে তার ব্যাটে।

;

ঘুরে দাঁড়ানোর ম্যাচে শুরুতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে ৪৪ রানের ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি তাই হয়ে দাঁড়িয়েছে সিরিজের ঘুরে দাঁড়ানোর। আর সেই ম্যাচে টসে জিতে শুরুতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ নারী দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি।

এর আগে প্রথম ম্যাচে, বাজে ফিল্ডিংয়ের পর ব্যাটিংয়েও ভরাডুবি হয়েছিল বাংলাদেশের। আর সে কারণেই জ্যোতির ফিফটির পরও কোনো রকম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেনি স্বাগতিকরা। ১৪৬ রানের জবাবে বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত তুলতে পারে ৮ উইকেটে ১০১ রান।

ঘুরে দাঁড়ানোর ম্যাচে অবশ্য একাদশেও বদল এনেছে বাংলাদেশ। স্বর্ণা আক্তারের জায়গায় একাদশে সুযোগ পেয়েছেন রিতু মনি। এছাড়া বাকিরা থাকছেন একাদশে। বদল এসেছে ভারতের একাদশেও। ইয়াস্তিকা ভাটিয়ার জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন হেমালতা।

বাংলাদেশ একাদশ: নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), নাহিদা আক্তার, দিলারা আক্তার দোলা, সোবহানা মোস্তারি, মুর্শিদা খাতুন, রিতু মনি, রাবেয়া, ফাহিমা খাতুন, মারুফা আক্তার, সুলতানা খাতুন, ফারিহা ইসলাম তৃষ্ণা।

ভারত একাদশ: হরমনপ্রীত কর (অধিনায়ক), স্মৃতি মান্ধানা, হেমালতা, দীপ্তি শর্মা, শেফালি ভার্মা, সাজনা সঞ্জীবন, রিচা ঘোষ, পূজা বস্ত্রকর, রেণুকা সিং ঠাকুর, শ্রেয়াঙ্কা পাতিল, রাধা যাদব।

;