ঠকবাজ সংগঠকদের পাল্লায় ক্রিকেটাররা, অনাদায়ী পাওনা কোটি টাকা!



এম এম কায়সার
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আরেকটি নতুন ক্রিকেট মৌসুম শুরু হলো। ১১ মার্চ উদ্বোধন হলো ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ। তবে এবারের লিগ শুরু হয়েছে ক্রিকেটারদের টাকা বকেয়া রেখেই! আগে বিপিএলে শোনা যেত ক্রিকেটারদের বাকি পাওনার অভিযোগ। সেই দুর্ভোগ কাটিয়ে উঠেছে বিপিএল। তবে ক্রিকেটারদের আগের মৌসুমের বকেয়া শোধ না করার কালি পড়েছে ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে।

গত মৌসুমে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলা রূপগঞ্জ টাইগার্স, ব্রার্দাস ইউনিয়ন ক্লাব ৬/৭ জন ক্রিকেটারের পাওনা টাকা শোধ করেনি। এই পরিমাণ নেহাৎ কম কিছু নয়। সবমিলিয়ে আনুমানিক এই পাওনা টাকার পরিমাণ দুই কোটি টাকার কাছাকাছি।

ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এই দুই ক্লাব তাদের আগের মৌসুমের চুক্তি অনুযায়ী ৬/৭ জন ক্রিকেটারের শতকরা ২৫ ভাগ টাকা পরিশোধ করেননি। রূপগঞ্জ টাইগার্সের ক্রিকেটার নাইম ইসলাম ও সানজামুল ইসলাম এই দুভার্গা ক্রিকেটারদের তালিকায় রয়েছেন। এই দুজন রূপগঞ্জ টাইগার্সের কাছ থেকে সব হিসেব মিলিয়ে এখনো ১০ লাখ করে টাকা পাবেন। চুক্তি অনুযায়ী তাদের টাকা শোধ করেনি রূপগঞ্জ টাইগার্স। এই ক্লাব পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত আছেন সালাউদ্দিন চৌধুরী। যিনি ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রেপলিসের (সিসিডিএম) এর চেয়ারম্যান। এই ক্লাবের কাউন্সিলর হয়ে বিসিবির পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন গাজী গোলাম মুর্তজা।
ক্রিকেটারদের এই ন্যায্য পাওনা টাকা শোধ না করার যেসব কারণ এসব ক্লাবের কর্তারা দেখিয়েছেন তা নিতান্ত হাস্যকর, অযৌক্তিক এবং প্রসহনমূলকও বটে।

-রূপগঞ্জ ক্রিকেটার্স কেন গত মৌসুমে ক্রিকেটারদের পাওনা পরিশোধ করেনি?
এই প্রশ্নের উত্তরে রূপগঞ্জ ক্রিকেটার্সের পরিচালনার সঙ্গে জড়িত বিসিবি পরিচালক সালাউদ্দিন চৌধুরী যে ব্যাখ্যা দিলেন তা এমন-‘ দল সুপার লিগে উঠতে পারেনি। ফল ভালো হয়নি। তাই ক্রিকেটারদের পাওনা পরিশোধ করছি না।’

ক্রিকেটারদের পাওনা পরিশোধের সঙ্গে সুপার লিগে উঠা বা না উঠার কি সম্পর্ক রয়েছে তা জানা গেল না! সুপার লিগে তো মাত্র ছয়টি দল উঠেছে। ছয়টি দল উঠতে পারেনি। সুপার লিগে উঠতে না পারা কি বাকি সবদলও রূপগঞ্জ টাইগার্সের মতো ক্রিকেটারদের পাওনা আটকে দিয়েছে?

উত্তর হলো, না। ক্রিকেটারদের পাওনা আটকে দেওয়ার এই ছোটলোকি আচরণ করেছে কেবল রূপগঞ্জ টাইর্গাস ক্রিকেট ক্লাব ও ব্রার্দাস ইউনিয়ন।
এই নিয়ে ক্রিকেট ওয়েলফেয়ার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ( কোয়াব) এর বরাবর বঞ্চিত ক্রিকেটাররা অভিযোগ করেছেন। বিচার চেয়েছেন। ক্রিকেটারদের দাবি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। সেই বৈঠকে সিসিডিএম চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন চৌধুরী, বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন সুজনও উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু ক্রিকেটারদের ন্যায্য দাবির ফয়সালা হয়নি।

ক্লাব কর্মকর্তা, সিসিডিএম চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নীতি নির্ধারণী ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও বৈঠকের পরেও দুই থেকে তিনটি ক্লাবের খেলোয়াড়দের অর্থ অনাদায়ী থেকে গেল। সিসিডিএম চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন চৌধুরী তার নিজের ক্লাবের ৬ থেকে ৭ জন খেলোয়াড়দের পাওনা অর্থ পরিশোধ করছেন না। কোয়াবের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেছেন, সুপার লিগে উঠতে পারিনি তাই টাকা পরিশোধ করছি না।

ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাব নিয়মিত ভঙ্গিতে ক্রিকেটারদের পাওনা টাকা মেরে দেওয়াকে অভ্যাস বানিয়ে ফেলেছে। গত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগ থেকে অবনমন হয়ে ব্রার্দাস এবার প্রথম বিভাগের দল। আরেকটি ক্রিকেট ক্লাব অগ্রণী ব্যাংক তো রীতিমতো চুক্তিপত্রে উল্লেখ করে দিয়েছেন, খেলোয়াড়দের পারফরমেন্স আশানুরূপ না হলে তারা যে কোনো হারে টাকা কর্তন করবে!

এই প্রসঙ্গে কোয়াবের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত পাল জানান, বাংলাদেশ ক্রিকেটের বর্তমান অবস্থানে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ, প্রথম বিভাগ, দ্বিতীয় বিভাগ, এবং তৃতীয় বিভাগ ক্রিকেট লিগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঐতিহ্য লালিত ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটের ইতিহাস টেস্ট খেলুড়ে যেকোনো দেশের জন্যই খুবই গর্বের। ’৭০ থেকে ৯০ এই তিন দশকের ক্রিকেট অন্ত:প্রাণ মেধাবী ক্রীড়া সংগঠকদের নিরলস প্রচেষ্টায় আজকের ক্লাব ক্রিকেট তথা বাংলাদেশ ক্রিকেট। সেই সময়কার সংগঠকরা অদ্ভুত এক ভালোবাসার মায়াজালে ক্রিকেটকে লালন করতেন। ক্রিকেটাররা ছিল তাদের সন্তান-সম। আর বর্তমানের সংগঠকরা ক্রিকেটারদের ন্যায্য পাওনা টাকা দিতেই অস্বীকার করছেন! এটা নেহাৎ অবক্ষয় ছাড়া আর কি! সিসিডিএম এর চেয়ারম্যান পাওনা টাকা প্রসঙ্গে ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনায় বলেন, আমরা এতগুলো দল চালাই আমাদের লাভ কি?

খোদ বিসিবির পরিচালক যখন এমনসব মন্তব্য করেন তখন বুঝতে বাকি থাকে না যে ঘরোয়া ক্রিকেট এবং ক্লাব এখন ব্যক্তিস্বার্থের ব্র্যাকেটবন্দি ছাড়া আর কিছু নয়!
করোনাকালে অর্থনৈতিক চরম দুরবস্থায়ও ক্রিকেটারদের টাকা নিয়মিত পরিশোধ করা হলেও বর্তমান বাস্তবতায় ক্রিকেটারদের অর্থ প্রাপ্তির অনিশ্চয়তাই যেন নির্মম নিয়তি।

ক্রিকেটারদের স্বার্থরক্ষা করার কথা বলে যারা বিসিবির চেয়ারে বসেছেন সেই কর্তারাই যখন ক্রিকেটারদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত রাখেন- তখন আপনি তাদের কি বলবেন?
বাংলায় একটা শব্দ আছে ঠকবাজ!

   

মুম্বাইয়ের দুঃখ বাড়িয়ে দিল্লির রোমাঞ্চকর জয়



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আরেকটি অবিশ্বাস্য রান তাড়া প্রায় দেখেই ফেলেছিল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। তবে দিল্লি ক্যাপিটালসের দেয়া ২৫৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ১০ রান দূরে থামায় আর তা হয়নি।

দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে দিল্লি-মুম্বাই ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চলেছে ব্যাটারদের রাজত্ব। যেটাকে এবারের আইপিএলের থিম বললেও ভুল হবে না। দিল্লির ওপেনার জ্যাক ফ্রেজার-ম্যাগার্কের তাণ্ডবে শুরু হয়েছিল ম্যাচ। ২৭ বলে ৮৬ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে দিল্লিকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন এই অজি ব্যাটার।

ট্রিস্টান স্টাবস, শাই হোপরা তার দেখানো পথেই ধুন্ধুমার ব্যাটিং করেছেন। ২৫ বলে ৬ চার এবং ২ ছয়ে ৪৮ রানে অপরাজিত ছিলেন স্টাবস, আর ৫ ছক্কায় ৪১ রান করে থামেন হোপ। তাদের মারকাটারি দিল্লির রান পৌঁছে যায় ২০ ওভারে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২৫৭ পর্যন্ত।

জবাব দিতে নেমে মুম্বাইয়ের শুরুটা হয় তুলনামূলক ধীরগতির। পাওয়ার প্লে’তে ৬৫ রান তুলতেই সাজঘরে ফেরেন রোহিত শর্মা, ঈশান কিষাণ ও সূর্যকুমার যাদব।

এরপর মুম্বাইয়ের ব্যাটিংয়ের হাল ধরেন অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া ও তিলক বর্মা। তাদের ৩৯ বলে ৭১ রানের ঝোড়ো জুটিতে রান তাড়ায় ছন্দ খুঁজে পায় মুম্বাই। হার্দিক ২৯ বলে ৪৬ রান করে ফেরার পর টিম ডেভিডের সঙ্গেও আরেকটা ভালো জুটি গড়ে তোলেন তিলক। তাদের জুটিতে আসে ৭০ রান। মুম্বাইয়ের সমর্থকরাও আশায় বুক বাঁধেন।

তবে ১৮তম ওভারে মুকেশ কুমারের বলে ৩৭ রান করা ডেভিড লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়লে কাজটা কঠিন হয়ে যায়। সমান চারটি করে চার-ছয়ে ৩২ বলে ৬৩ রান তোলা তিলক রানআউট হলে জয়ের স্বপ্ন আরও ফিকে হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৪৭ রানে ক্ষান্ত হয় মুম্বাইয়ের প্রচেষ্টা।

এই জয়ে ১০ ম্যাচ থেকে ১০ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে উঠে এসেছে দিল্লি। আর ৯ ম্যাচে ষষ্ঠ হার নিয়ে নয় নম্বরেই ধুঁকছে মুম্বাই।

;

লিভারপুলের হতাশার ড্রয়ে উত্তাপ ছড়াল ক্লপ-সালাহর ঝগড়া



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মোহাম্মদ সালাহ মাঠে নামার ঠিক আগে লিভারপুলের ডাগআউটে দেখা গেল এক বিচিত্র দৃশ্য। বিদায়ী কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপের সঙ্গে বচসায় লিপ্ত সালাহ। বাকবিতণ্ডা এতটাই চরমে পৌঁছে যে এক পর্যায়ে ডারউইন নুনিয়েজ এবং জো গোমেজ সালাহকে নিবৃত্ত করেন। লিভারপুলের মাঠের দুর্যোগের একটা প্রতীকী দৃশ্য হিসেবেই ধরা দেয় সালাহ-ক্লপের এই বচসার ঘটনা। শিরোপার দৌড় থেকে ক্রমেই ছিটকে পড়া লিভারপুল আজ ড্র করেছে ওয়েস্ট হ্যামের বিপক্ষে, ২-২ গোলে।

ওয়েস্ট হ্যামের মাঠে প্রথমার্ধটা পিছিয়ে থেকেই শেষ করতে হয়েছিল লিভারপুলকে। ৪০ মিনিটে লুইস দিয়াজ ওয়েস্ট হ্যামের পোস্ট কাঁপানোর মিনিট তিনেক পরেই গোল পেয়ে যায় স্বাগতিকরা। লুকাস পাকেতার নেয়া শর্ট কর্নার থেকে বল আয়ত্তে নিয়ে বক্সের ভেতর ক্রস বাড়ান মোহাম্মদ কুদুস। সে ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে ওয়েস্ট হ্যামকে এগিয়ে দেন জ্যারড বোয়েন।

সে গোলে পিছিয়ে থাকা লিভারপুল বিরতির পরপরই সমতা ফেরায়। দারুণ একটা আক্রমণ থেকে রবার্টসনের উদ্দেশে বল বাড়ান দিয়াজ। দ্রুততার সঙ্গে শট নিয়ে লিভারপুলকে ম্যাচে ফেরান স্কটিশ ফুলব্যাক রবার্টসন।

৬৫ মিনিটে লন্ডন স্টেডিয়ামকে স্তব্ধ করে দিয়ে এগিয়ে যায় লিভারপুল। কোডি গাকপোর ভলি শট ওয়েস্ট হ্যাম ডিফেন্ডার অ্যাঞ্জেলো ওগবনার গায়ে লেগে গোলের দিকে চলে যায়। গোলকিপার আলফসে আরিওলা সেটা ঠেকাতে গিয়েও পারেননি।

তবে এই লিড ধরে রাখতে পারেনি লিভারপুল। বুদ্ধিদীপ্ত ফ্রি হেডারে ৭৭ মিনিটে ওয়েস্ট হ্যামকে সমতায় ফেরান মিখাইল আন্টোনিও। শেষ বাঁশি পর্যন্ত এই সমতা বজায় থাকলে হতাশা নিয়েই লন্ডন থেকে ফিরতে হয় ক্লপের লিভারপুলকে।

এই ড্রয়ের ফলে শীর্ষে থাকা আর্সেনালের (৭৭) চেয়ে এক ম্যাচ বেশি খেলেও ২ পয়েন্ট কম নিয়ে তিনে লিভারপুল (৭৫)। আর দুইয়ে লিভারপুলের চেয়ে দুই ম্যাচ কম খেলা ম্যানচেস্টার সিটি (৭৬)।

;

স্কুল ক্রিকেটের সেরা ১৫ জন পেলেন শিক্ষাবৃত্তি



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বছর দুয়েক আগে জাতীয় স্কুল ক্রিকেটের সেরা ১৫ ক্রিকেটারকে শিক্ষাবৃত্তি দেয়ার উদ্যোগ নেয় প্রাইম ব্যাংক। সে ধারাবাহিকতায় এবারও বিসিবির স্কুল ক্রিকেটের সবচেয়ে প্রতিভাবান ১৫ ক্রিকেটারের হাতে শিক্ষাবৃত্তি তুলে দিয়েছে তারা।

আজ (শনিবার) ২০২২-২৩ মৌসুমের সেরা ১৫ ক্রিকেটারকে শিক্ষাবৃত্তি হিসেবে ৬০ হাজার টাকা তুলে দেন প্রাইম ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজিম এ. চৌধুরী। বৃত্ত প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিসিবির পরিচালক ও গেম ডেভেলপমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ সুজন ও পরিচালক ফাহিম সিনহা।

স্কুল ক্রিকেটের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য প্রাইম ব্যাংককে ধন্যবাদ জানিয়ে খালেদ মাহমুদ সুজন বলেন, ‘স্কুল ক্রিকেটে অনেক প্রতিভা আছে। আমরা তাদেরকে তুলে এনে পরিচর্যা করি। তাদের মধ্যে থেকে কয়েকজনকে বয়সভিত্তিক দলে পাচ্ছি। এছাড়া বাকিরা কিন্তু বিভাগীয় দলগুলোতে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে খেলছে।' 

দেশের ক্রিকেটের অন্যতম বড় পরিসরের আয়োজন স্কুল ক্রিকেটের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ২০১৫ সাল থেকে যুক্ত হয়েছে প্রাইম ব্যাংক। দেশের প্রায় ১২ হাজার শিশু-কিশোর ক্রিকেটারকে নিয়ে আয়োজিত হয় স্কুল ক্রিকেট।

;

বুমরাদের ধুলায় মিশিয়ে রানপাহাড়ে দিল্লি



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আইপিএলে রানের ফোয়ারা ছুটছে। টি-টোয়েন্টিতে যেখানে কিছুদিন আগেও দুইশ রানকে বড়সড় সংগ্রহ ভাবা হত, সেই দুইশ রান বা তারও বেশি আড়াইশ ছাড়ানো স্কোরও এখন হাতে মোয়া। গত রাতেই যেমন টি-টোয়েন্টিতে ২৬২ রানের বিশ্বরেকর্ড রানতাড়ার কীর্তি দেখাল পাঞ্জাব কিংস। এবার নিজেদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড গড়ল দিল্লি। ঘরের মাঠে বুমরাদের ধুলায় মিশিয়ে ৪ উইকেটে ২৫৭ রানের পাহাড় গড়েছে তারা।

দিল্লীর অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে টসে জিতে স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ে পাঠায় মুম্বাই। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলে দিল্লীর দুই ওপেনার জ্যাক ফ্রেজার-ম্যাগার্ক ও অভিষেক পোরেল। দুজনের মধ্যে মুম্বাইয়ের বোলারদের উপর বেশি চড়াও হন ফ্রেজার-ম্যাগার্ক। ইনিংসের প্রথম ওভারেই লুক উডকেই ছাতু বানিয়ে ১৯ রান তোলেন তিনি।

মাত্র ১৫ বলেই অর্ধশত রানের মাইলফলকে পৌঁছান। তার তাণ্ডবে পাওয়ার প্লে’তে বিনা উইকেটে ৯২ রান স্কোরবোর্ডে জমা করে দিল্লি।

ফ্রেজার-ম্যাগার্ক যখন দুর্দান্ত গতিতে ছুটছেন তিন অঙ্কের দিকে, তখন তার সামনে অভিজ্ঞ স্পিনার পীযুষ চাওলা। তার গুগলিতে ডিপ মিডউইকেটে থাকা মোহাম্মদ নবীর হাতে ধরা পড়েন ফ্রেজার-ম্যাগার্ক। ফেরার আগে ২৭ বলে ১১ চার এবং ৬ ছক্কায় ৮৪ রান আসে তার ব্যাটে।

ফ্রেজার-ম্যাগার্ক সাজঘরের পথ ধরার পর কিছুটা শ্লথ হয় দিল্লীর রান তোলার গতি। নবীর করা দশম ওভারের চতুর্থ বলে স্টাম্পড হন অন্য ওপেনার অভিষেক (৩৬)।

তবে তিনে নামা ক্যারিবিয়ান ব্যাটার শাই হোপের ব্যাটে আবার ছন্দ খুঁজে পায় তারা। ১৭ বলে ৫ ছক্কায় ৪১ রান করেন তিনি। শেষদিকে ট্রিস্টান স্টাবসের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে আড়াইশ ছাড়িয়ে যায় দিল্লীর সংগ্রহ। ২৫ বলে ৬ চার এবং ২ ছয়ে ৪৮ রানে অপরাজিত থাকেন স্টাবস।

মুম্বাইয়ের বোলারদের মধ্যে ৪ উইকেট ভাগাভাগি করে নিয়েছেন নবী, জশপ্রীত বুমরা, পীযুষ এবং লুক উড।

;