ওয়েলিংটন টেস্ট: জয়ের জন্য ২ দিনে কিউইদের দরকার ২৫৮ রান



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

টি-টোয়েন্টির পর টেস্টেও ছন্দ ফিরে পেতে রীতিমত লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে কিউইরা। ঘরের মাঠে কিউইদের এমন পারফর্মের দেখা যেন কালেভদ্রেই মেলে। অবশ্য ওয়েলিংটন টেস্টের শুরুটা হয়েছিল দাপটের সঙ্গেই। কিউই পেসারদের পেস তোপে যখন একে একে সাজঘরে ফিরছিলেন অজি ব্যাটাররা। তখন এক গ্রিনের কাছেই যেন হার মানল টিম সাউদির দল। 

গ্রিনের ১৭৪ রানের সেই নান্দনিক ইনিংসে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৩৮৩ রানের ভালো সংগ্রহ পায় অস্ট্রেলিয়া। এরপর ব্যাটিংয়ে এসেও ছন্নছাড়া কিউইরা। এক গ্লেন ফিলিপস ছাড়া দাঁড়াতে পারলেন না কেউই। অল আউট ১৭৯ রানেই। অবশ্য স্বস্তি এলো তৃতীয় দিনে এসে। বোলিংয়ে এবং সেই ফিলিপসের হাত ধরেই। এই পার্ট-টাইম অফ ব্রেক স্পিনার তুলে নেন ফাইফার। এতে ১৬৪ রানেই শেষ অজিদের দ্বিতীয় ইনিংস। ২০৪ রানের লিড নিয়ে অন্তন পাঁচ ছাড়িয়ে লক্ষ্য গড়ার স্বপ্ন বুনছিল প্যাট কামিন্সের দল, সেখানে ফিলিপসে ঘূর্ণিতে তা দাঁড়ালো ৩৬৯ রানের। 

অবশ্য লাল বলের ক্রিকেটে এই লক্ষ্যটাও বিশালের কাতারেই। এবং হাতে সময় যখন প্রায় আড়াই দিনের। এতে তৃতীয় দিনেই টার্গেট নিয়ে নামা কিউইদের ব্যাটিংটা হলো মন্দের ভালো। দিন শেষে আগে স্বাগতিকরা হারিয়েছে ৩ উইকেট এবং স্কোরবোর্ডে জমা হয়েছে ১১১ রান। জয়ের জন্য এখনো ২৫৮ রান দরকার স্বাগতিকদের। এদিকে সফরকারীদের দরকার ৭ উইকেট। 

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম দিনে স্বাগতিকদের পেসার ত্রয়ী হেনরি, ও’রর্ক ও কুখলেইনের তোপে ২৬৭ রানেই ৯ উইকেট হারিয়ে বসে অজিরা। তবে একাই শেষ পর্যন্ত ধরে রাখেন গ্রিন। টেস্ট ক্যারিয়ারে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তোলার পর জশ হ্যাজলউডকে নিয়ে দশম উইকেটে আরও ১১৬ রান যোগ করেন এই ডানহাতি ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ২৭৫ বলে ১৭৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন তিনি। 

বোলিংটা শেষে এসে লেজেগোবরে করার পর ব্যাটিংটা শুরু থেকেই তেমন করে নিউজিল্যান্ড। এবং কার্যত তা আরও খারাপ। ২৯ রানেই নেই ৫ উইকেট। সেখানে গ্রিনের ইনিংসটি খেলছিলেন ফিলিপস। তবে ৭০ বলে ৭১ রান করে আউট হলে তা আর হয়ে উঠে না। কিউইরা গুটিয়ে যায় ১৭৯ রানে। সেখানে চার উইকেট নেন নাথান লায়ন। 

ব্যাটিংয়ে বাকি কাজ যেন বোলিংয়ে এসে পূর্ণ করে দিলেন ফিলিপস। আদতে পার্ট-টাইম স্পিনার। তবে তার ঘূর্ণিতে এবার কুপোকাত অজিরা। তাদের ১৬৪ রানেই এই ইনিংসে সর্বোচ্চ ৪১ রান করে আরেক স্পিনার লায়ন। 

নাটকীয় এই দিন শেষে কিউইদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৬ রানে অপরাজিত আছেন রাচিন। তাকে সঙ্গ দিয়ে চতুর্থ দিনের শুরুতে ব্যাটিংয়ে নামবেন ড্যারিল মিচেল। 

সংক্ষিপ্ত স্কোর: (তৃতীয় দিন শেষে)

অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ৩৮৩; (গ্রিন ১৭৪*, মার্শ ৪০; হেনরি ৫/৭০)

নিউজিল্যান্ড ১ম ইনিংস: ১৭৯; (ফিলিপস ৭১, হেনরি ৪২; লায়ন ৪/৪৩)

অস্ট্রেলিয়া ২য় ইনিংস: ১৬৪; (লায়ন ৪১, গ্রিন ৩৪; ফিলিপস ৫/৪৫, হেনরি ৩/৩৬)

নিউজিল্যান্ড ২য় ইনিংস*: ১১১/৩; (রাচিন ৫৬*, লায়ন ২/২৭)

   

টি- টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা হচ্ছে না এবাদতের



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
এবাদত হোসেন

এবাদত হোসেন

  • Font increase
  • Font Decrease

গত বছরের জুলাইয়ের ইনজুরিতে পড়েছিলেন এবাদত হোসেন। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে হোম সিরিজ চলছিল তখন। সেই সিরিজ তো তার শেষ হলোই, সেই সঙ্গে জানা গেল অক্টোবরে ভারতের মাটিতে ওয়ানডে বিশ্বকাপও মিস করছেন তিনি। হলো তাই। তারপর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দেশে এবং বিদেশে সিরিজ খেললো বাংলাদেশ। চলতি বছরের শুরুতে শ্রীলঙ্কা এলো পুরো মাত্রার সিরিজ খেলতে। সেই সিরিজেও দর্শক হয়ে রইলেন এবাদত হোসেন। মাঝে বিপিএলও চলে গেল। তিনি মাঠের বাইরে। এখন সর্বশেষ জানা গেলে সামনের জুনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তার খেলা হচ্ছে না। ইনজুরি থেকে এখনো মুক্তি মেলেনি বাংলাদেশের বেচারা এই পেস বোলারের।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের আগে এবাদতের ফিট হওয়ার উপায় নেই। নিশ্চিতভাবেই তিনি এই বিশ্বকাপও মিস করছেন। জুনের এই বিস আয়োজন বসবে যুক্তরাষ্ট্র এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজে।

অ্যান্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট ইনজুরির জন্য অস্ত্রোপচারের পর পুনর্বাসনে থাকা এবাদত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগেই ফিট হয়ে উঠবেন বলে আশায় ছিলেন। তার সেই অপেক্ষা এখন আরো বাড়লো।

বিসিবির প্রধান চিকিৎসক ডাঃ দেবাশিস জানিয়েছেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ডানহাতি পেসারের কামব্যাক করার কোনও উপায় নেই। ওই সময়ের মধ্যে এটা (তার কামব্যাক) সম্ভবপর না। আট থেকে ১২ মাস সময় লাগবে তার। অন্তত অক্টোবরে তিনি ফিরতে পারবেন। সে একটু আগে কামব্যাক করতে পারে, তবে অবশ্যই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নয়।

তবে ইনজুরিতে পড়া আরো দুই ক্রিকেটার সৌম্য সরকার ও তাইজুল ইসলামের বিষয়ে সুখবর শুনিয়েছেন বিসিবির চিকিৎসক। তিনি বলেন, ইনজুরিতে পড়া সৌম্য সরকার ও তাইজুল ইসলামকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজের আগে পাওয়া যাবে বলে তারা আশাবাদী। পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে মে মাসে জিম্বাবুয়ে আসার কথা রয়েছে। এই সিরিজকে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ।

;

৬ বলে ৬ ছক্কা, যুবরাজ-পোলার্ডের সঙ্গী নেপালের দীপেন্দ্র সিং



খেলা ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
এক ওভারে ছয় ছক্কা মারলেন নেপালের দীপেন্দ্র সিং আইরে

এক ওভারে ছয় ছক্কা মারলেন নেপালের দীপেন্দ্র সিং আইরে

  • Font increase
  • Font Decrease

ডারবানে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে ব্রডকে ছয় ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন ভারতের যুবরাজ সিং। সেই রেকর্ড ২০২১ সালে এসে ছুঁয়ে ফেলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অলরাউন্ডার কাইরন পোলার্ড। এবার তাদের সেই কৃর্তীতে ভাগ বসালেন নেপালের দীপেন্দ্র সিং আইরে। তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ছয় বলে ছয় ছক্কা মারার রেকর্ড গড়লেন নেপালের এই ফিনিশার। আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সব মিলিয়ে ৫ম ব্যাটার হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন তিনি।

ওমানের মাসকাটে কাতারের বিপক্ষে এসিসি প্রিমিয়ার কাপের ম্যাচে আগে ব্যাট করা নেপালের ইনিংসে এই কীর্তি গড়েন দীপেন্দ্র সিং, বোলার ছিলেন কামরান খান।২০তম ওভারে এই রেকর্ড করে তিনি ইতিহাসের পাতায় ঢুকে গেলেন।

শনিবার এসিসি প্রিমিয়ার কাপের ম্যাচে ১৫ বলে ২৮ রানে অপরাজিত থেকে ওভারটি শুরু করেছিলেন দীপেন্দ্র সিং আইরে। ৬ বলে ৬ ছক্কায় ২১ বলে সেই রান গিয়ে ঠেকলো ৬৪-তে। ইনিংসের ২০ তম ওভারে আক্রমণে এসেছিলেন কাতারের কামরান খান। তার এই ওভারের প্রতিটি বলেই ওভার বাউন্ডারি হাঁকালেন। দীপেন্দ্র’র এমন বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ৭ উইকেটে ২১০ রানে থামে নেপালের ইনিংস।

এর আগেও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এমন বিস্ফোরক ব্যাটিং দেখিয়েছেন নেপালের এই তরুণ। গত বছর এশিয়ান গেমসে মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে ৯ বলে অর্ধশত করেন তিনি, টি-টোয়েন্টিতে যুবরাজের দ্রুততম ফিফটির (১২ বল) রেকর্ড ভাঙেন দীপেন্দ্র সিং। টানা ছয় ছক্কা সে ইনিংসেও মেরেছেন তিনি। তবে সেটা দুই ওভার মিলিয়ে।

 

;

সাতক্ষীরায় সাবিনাসহ পাঁচ নারী ক্রীড়াবিদকে সংবর্ধনা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাতক্ষীরা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সাতক্ষীরায় দেশসেরা পাঁচ নারী ক্রীড়াবিদকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) জেলা প্রশাসকের বাংলো নীহারিকার কনফারেন্স রুমে তাদের সংবর্ধনা দেয় সাতক্ষীরা জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থা।

সংবর্ধনাপ্রাপ্তরা হলেন- বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের ক্যাপ্টেন সাবিনা খাতুন, ষোলবার দ্রুততম মানবীর খেতাবপ্রাপ্ত অ্যাথলেট এবং বাংলাদেশের দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার, অনুর্ধ্ব ১৯ জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের ক্যাপ্টেন আফঈদা খন্দকার প্রান্তি, বক্সিং এ গোল্ড মেডেলপ্রাপ্ত বক্সার আফরা খন্দকার প্রাপ্তি এবং বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের ডিফেন্ডার মোছাঃ মাছুরা খাতুন।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভানেত্রী জেসমিন জাহান। এছাড়াও জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ফারহা দিবা খান সাথীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জেসমিন জাহান বলেন, সাতক্ষীরার মেয়েরা দেশের মহিলা ক্রীড়াঙ্গনের রোল মডেল। সাতক্ষীরার মেয়েদের সাফল্য বাংলাদেশকে যেমন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্মান এনে দিয়েছে, তেমনি দেশের সবার কাছে সাতক্ষীরার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। যা জেলার মানুষকে গর্ব করার সুযোগ করে দিয়েছে। বৈষম্য নয়, নারীরা যেন ক্রীড়াক্ষেত্র থেকে শুরু করে সব জায়গাতেই সমান অধিকার পায়, সেটা নিশ্চিত করা জরুরি।

;

পিএসজির মাঠে বার্সার জয়



স্পোর্টস রিপোর্টার
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জয়ী বার্সেলোনা এবারের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে প্যারিস থেকে চওড়া হাসি নিয়ে ফিরেছে। পিএসজির মাঠে তারা জয় পেয়েছে ৩-২ গোলে। ম্যাচে পিছিয়ে থেকেও শেষমেষ দারুণ জয় পেয়েছে বার্সোলোনা।

পুরো ম্যাচে একতরফা সমর্থন ছিল পিএসজির। গ্যালারির দর্শকদের উল্লাসমুখর চিৎকারে বার্সেলোনা কিছুটা নার্ভাস হয়ে পড়ে। কিন্তু সেই সঙ্কট ঠিকই কাটিয়ে ওঠে তারা পুরো পয়েন্ট পেল প্রথম লেগের কোয়ার্টার ফাইনালে। নিশ্চিতভাবে দ্বিতীয় লেগের কোয়ার্টার ফাইনালের কাজটা সহজ হয়ে গেল কোচ জাভির দলের। আগামী ১৬ এপ্রিল বার্সোলোনা দ্বিতীয় লেগে নিজ মাঠে আতিথিয়েতা জানাবে পিএসজিকে।

বৃহস্পতিবার ভোরে পার্ক দ্য প্রিন্সেস স্টেডিয়ামের দর্শকদের হতাশ করে বার্সেলোনা এগিয়ে যায় ব্রাজিলিয়ান তারকা রাফিনহার গোলে। ম্যাচের ৩৭ মিনিটের সময় রাফিনহা দারুণ এক সুযোগ সন্ধানি গোল করে বার্সাকে লিড এনে দেন।

বিরতির আগে ম্যাচে ফেরার জন্য জোরদার চেষ্টা চালায় পিএসজি। কিন্তু পিছিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে তারা। বিরতির পর পিএসজি যেন বদলে গেল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ওসমান দেম্বেলের গোলে ম্যাচে সমতা। ম্যাচের বয়স তখন ৪৮ মিনিট। সেই গোলের উৎসব কাটতে না কাটতেই পিএসজির সমর্থকদের আনন্দে ভাসান ভিতিনহা। ৫০ মিনিটে ডানদিক থেকে দুর্দান্ত ভলি শটে ভিতিনহা দুর কোনার পোস্টে বল জালে জড়ান (২-১)। দুমিনিটের দুই গোলে পিএসজি যেন চড়ে বসে বার্সোলোনার ঘাড়ে। বারবার বার্সার ভেঙ্গে ফাইনাল থার্ডে ঢুকে পড়ে পিএসজি। কপাল মন্দ তাদের, নইলে এই লিড আরো বাড়তে পারতো। পিএসজির বদলি খেলোয়াড় ব্রাডলি বারকোলার শট বার্সার বারপোস্টে লেগে ফিরে আসে। নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত হয় পিএসজি।

ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে খেলায় বদল আনার পরিকল্পনা করেন বার্সোলোনার কোচ জাভি। স্পেনের মিডফিল্ডার পেদ্রিকে মাঠে নামান তিনি। এই একটা বদলেই মাঝমাঠের পুরো খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে ফেললো বার্সা। পিএসজির ডিফেন্স আরেকবার ভাঙ্গলেন রাফিনহা। ৬২ মিনিটের সময় বক্সের বাইরে থেকে তার ভলি শট পিএসজির গোলরক্ষক ঠেকাতে পারলেন না (২-২)। ম্যাচে সমতা ফিরে পেয়ে বার্সাও বারুদের মতো জ¦লে উঠলো। দেম্বেলে জায়গা বদলে দু’প্রান্ত থেকেই বারবার আক্রমণে উঠে এসে পিএসজির ডিফেন্সকে ব্যতিব্যস্ত রাখেন।

বার্সাকে ম্যাচে জয় এনে দিলো আরেক বদলি আন্দ্রেস ক্রিস্টেনসন গোল। ডিফেন্সের ভুলে পোস্টের সামনে আনমার্কড থাকা ক্রিস্টেনসন মাত্র চারগজ দুর থেকে অনায়সে গোল করে বার্সাকে জয় উপহার দিলেন (৩-২)।

১৬ এপ্রিল ন্যু ক্যাম্পে দ্বিতীয় লেগের কোয়ার্টার ফাইনালে পিএসজির কাজটা কঠিন থেকে কঠিন হয়ে গেল!

;