‘রিটায়ার কি করেছিলাম?’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বছর দুই আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুশফিকুর রহিমের এক পোস্ট ঠিক ছিল এমন। ‘টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ার থেকে আজ আমি অবসর নিচ্ছি। তবে বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট এবং ওয়ানডে খেলা চালিয়ে যাব। আশা করছি এই দুই ফরম্যাটে আমি আরও কিছু নিয়ে আসতে পারব দেশের জন্য।’ ২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর তার করা এই পোস্টে সবাই স্বাভাবিকভাবেই মেনে নিয়েছিলেন তার অবসর। সেখানে কারণ হিসেবে দুটি জিনিস টেনে আনা যায়। প্রথমটা, সে সময়ে ব্যাট হাতে ছন্দে ছিলেন না তিনি। দ্বিতীয়টি, তার পোস্টে ছিল স্বেচ্ছায় অবসর নেওয়ার সুর। তবে এতদিন পর কেনই বা আবারও সেই পুরনো স্মৃতি কুঁড়িয়ে আনতে হচ্ছে?

বিষয়টি আসলে জেঁকে বসেছে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের পর মুশফিকের প্রেস কনফারেন্সের একদম শেষ দিকে। একের পর নানা ইস্যু ধরে বেশ গুছিয়ে এবং পরিষ্কার করে কথা বলছিলেন তিনি। সেখানে শেষ দিকের এক প্রশ্নে যেন অনেকটাই ঘোলাটে তার উত্তর।

দীর্ঘ ১৩ মিনিটে প্রেস কনফারেন্সের শেষ দিকে এসে এক প্রশ্ন উঠল, তামিমের সঙ্গে আপনিও (মুশফিক) আছেন আসরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায়, তবে আপনারা কেউই আর জাতীয় দলে খেলেন না…সেই প্রশ্ন পুরো করার আগেই মুশফিকের উত্তর, ‘রিটায়ার কি করেছিলাম?’

তবে কি তিনি ভুলেই গেছেন যে তার অবসরের পেরিয়েছেন দেড় বছর। এমনটা মনে করিয়ে দিতেই মুশফিকের পাল্টা উত্তর, ‘হ্যাঁ, রিটায়ার করেছিলাম’। হাসিমুখে এই উত্তর এলেও সাংবাদিকরা এতে খুঁজে ফিরছিলেন রহস্যের ফাঁদ। তবে কি মুশফিকের সেই অবসরের পেছনে লুকিয়ে আছে কোনো গল্প?

সেই উত্তর খুঁজতেই প্রেস কনফারেন্স রুম ছেড়ে মুশফিকের পিছু নিলেন অনেকেই। সম্প্রতি ব্যাট হাতে এই ফরম্যাটে দারুণ ফর্মে আছেন তিনি। বিপিএলের গত আসরেও খেলেছিলেন দুর্দান্ত। এতে হঠাতই নেওয়া অবসরের সিদ্ধান্তে আফসোস হচ্ছে কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে মুশফিক বলেন, ‘না! না! (অবসর প্রসঙ্গে) রিগ্রেট করি না। রিগ্রেট করার কী আছে (হাসি)?’

মুশফিকের এবারের উত্তরে যেন রহস্যের বাড়তি গন্ধ। গত আসরে সিলেট স্ট্রাইকার্সের হয়ে ৩৫৭ রান করেছিলেন। সেবারও তার দল উঠেছিল ফাইনালে। এবারও হয়নি তার ব্যতিক্রম। শুধু রানটা আরও ছাড়িয়ে, এখন পর্যন্ত তার মোট রান ৩৬৭। এসব পরিসংখ্যানও কথা বলছে মুশফিকের হয়েই। এবং এ নিয়ে জানতে চাইলে মুশফিক বলেন, ‘এটা তো এখন ভালো খেলার পর বলছেন। আগে তো কেউ এটা বলেননি!’

তবে কি স্রেফ আক্ষেপ থেকেই অবসরে না কি অন্য কিছু? সেই প্রশ্নের গভীরতা আরও বাড়িয়ে দিল মুশফিকের করা পাল্টা এক প্রশ্নে। ‘শুধু আমি একটা প্রশ্ন করি। আমি কি টি-টোয়েন্টিতে অবসর নিয়েছি নিজের ইচ্ছায়? শুধু এতটুকু বলার আছে। যখন অবসর নিয়েছিলাম, তার আগের এক মাস একটু দেখে নিয়েন। আর কিছু বলার নেই।’

আপাতত এই অবস্থা জলঘোলা হয়েই থাকল। কেন বা কীসে বা সেটির ভিত্তিতেই বা কী? এসব প্রশ্নও আপাতত প্রশ্নই রয়ে গেল।

   

৬ বলে ৬ ছক্কা, যুবরাজ-পোলার্ডের সঙ্গী নেপালের দীপেন্দ্র সিং



খেলা ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
এক ওভারে ছয় ছক্কা মারলেন নেপালের দীপেন্দ্র সিং আইরে

এক ওভারে ছয় ছক্কা মারলেন নেপালের দীপেন্দ্র সিং আইরে

  • Font increase
  • Font Decrease

ডারবানে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে ব্রডকে ছয় ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন ভারতের যুবরাজ সিং। সেই রেকর্ড ২০২১ সালে এসে ছুঁয়ে ফেলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অলরাউন্ডার কাইরন পোলার্ড। এবার তাদের সেই কৃর্তীতে ভাগ বসালেন নেপালের দীপেন্দ্র সিং আইরে। তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ছয় বলে ছয় ছক্কা মারার রেকর্ড গড়লেন নেপালের এই ফিনিশার। আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সব মিলিয়ে ৫ম ব্যাটার হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন তিনি।

ওমানের মাসকাটে কাতারের বিপক্ষে এসিসি প্রিমিয়ার কাপের ম্যাচে আগে ব্যাট করা নেপালের ইনিংসে এই কীর্তি গড়েন দীপেন্দ্র সিং, বোলার ছিলেন কামরান খান।২০তম ওভারে এই রেকর্ড করে তিনি ইতিহাসের পাতায় ঢুকে গেলেন।

শনিবার এসিসি প্রিমিয়ার কাপের ম্যাচে ১৫ বলে ২৮ রানে অপরাজিত থেকে ওভারটি শুরু করেছিলেন দীপেন্দ্র সিং আইরে। ৬ বলে ৬ ছক্কায় ২১ বলে সেই রান গিয়ে ঠেকলো ৬৪-তে। ইনিংসের ২০ তম ওভারে আক্রমণে এসেছিলেন কাতারের কামরান খান। তার এই ওভারের প্রতিটি বলেই ওভার বাউন্ডারি হাঁকালেন। দীপেন্দ্র’র এমন বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ৭ উইকেটে ২১০ রানে থামে নেপালের ইনিংস।

এর আগেও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এমন বিস্ফোরক ব্যাটিং দেখিয়েছেন নেপালের এই তরুণ। গত বছর এশিয়ান গেমসে মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে ৯ বলে অর্ধশত করেন তিনি, টি-টোয়েন্টিতে যুবরাজের দ্রুততম ফিফটির (১২ বল) রেকর্ড ভাঙেন দীপেন্দ্র সিং। টানা ছয় ছক্কা সে ইনিংসেও মেরেছেন তিনি। তবে সেটা দুই ওভার মিলিয়ে।

 

;

সাতক্ষীরায় সাবিনাসহ পাঁচ নারী ক্রীড়াবিদকে সংবর্ধনা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাতক্ষীরা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সাতক্ষীরায় দেশসেরা পাঁচ নারী ক্রীড়াবিদকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) জেলা প্রশাসকের বাংলো নীহারিকার কনফারেন্স রুমে তাদের সংবর্ধনা দেয় সাতক্ষীরা জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থা।

সংবর্ধনাপ্রাপ্তরা হলেন- বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের ক্যাপ্টেন সাবিনা খাতুন, ষোলবার দ্রুততম মানবীর খেতাবপ্রাপ্ত অ্যাথলেট এবং বাংলাদেশের দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার, অনুর্ধ্ব ১৯ জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের ক্যাপ্টেন আফঈদা খন্দকার প্রান্তি, বক্সিং এ গোল্ড মেডেলপ্রাপ্ত বক্সার আফরা খন্দকার প্রাপ্তি এবং বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের ডিফেন্ডার মোছাঃ মাছুরা খাতুন।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভানেত্রী জেসমিন জাহান। এছাড়াও জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ফারহা দিবা খান সাথীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জেসমিন জাহান বলেন, সাতক্ষীরার মেয়েরা দেশের মহিলা ক্রীড়াঙ্গনের রোল মডেল। সাতক্ষীরার মেয়েদের সাফল্য বাংলাদেশকে যেমন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্মান এনে দিয়েছে, তেমনি দেশের সবার কাছে সাতক্ষীরার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। যা জেলার মানুষকে গর্ব করার সুযোগ করে দিয়েছে। বৈষম্য নয়, নারীরা যেন ক্রীড়াক্ষেত্র থেকে শুরু করে সব জায়গাতেই সমান অধিকার পায়, সেটা নিশ্চিত করা জরুরি।

;

পিএসজির মাঠে বার্সার জয়



স্পোর্টস রিপোর্টার
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জয়ী বার্সেলোনা এবারের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে প্যারিস থেকে চওড়া হাসি নিয়ে ফিরেছে। পিএসজির মাঠে তারা জয় পেয়েছে ৩-২ গোলে। ম্যাচে পিছিয়ে থেকেও শেষমেষ দারুণ জয় পেয়েছে বার্সোলোনা।

পুরো ম্যাচে একতরফা সমর্থন ছিল পিএসজির। গ্যালারির দর্শকদের উল্লাসমুখর চিৎকারে বার্সেলোনা কিছুটা নার্ভাস হয়ে পড়ে। কিন্তু সেই সঙ্কট ঠিকই কাটিয়ে ওঠে তারা পুরো পয়েন্ট পেল প্রথম লেগের কোয়ার্টার ফাইনালে। নিশ্চিতভাবে দ্বিতীয় লেগের কোয়ার্টার ফাইনালের কাজটা সহজ হয়ে গেল কোচ জাভির দলের। আগামী ১৬ এপ্রিল বার্সোলোনা দ্বিতীয় লেগে নিজ মাঠে আতিথিয়েতা জানাবে পিএসজিকে।

বৃহস্পতিবার ভোরে পার্ক দ্য প্রিন্সেস স্টেডিয়ামের দর্শকদের হতাশ করে বার্সেলোনা এগিয়ে যায় ব্রাজিলিয়ান তারকা রাফিনহার গোলে। ম্যাচের ৩৭ মিনিটের সময় রাফিনহা দারুণ এক সুযোগ সন্ধানি গোল করে বার্সাকে লিড এনে দেন।

বিরতির আগে ম্যাচে ফেরার জন্য জোরদার চেষ্টা চালায় পিএসজি। কিন্তু পিছিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে তারা। বিরতির পর পিএসজি যেন বদলে গেল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ওসমান দেম্বেলের গোলে ম্যাচে সমতা। ম্যাচের বয়স তখন ৪৮ মিনিট। সেই গোলের উৎসব কাটতে না কাটতেই পিএসজির সমর্থকদের আনন্দে ভাসান ভিতিনহা। ৫০ মিনিটে ডানদিক থেকে দুর্দান্ত ভলি শটে ভিতিনহা দুর কোনার পোস্টে বল জালে জড়ান (২-১)। দুমিনিটের দুই গোলে পিএসজি যেন চড়ে বসে বার্সোলোনার ঘাড়ে। বারবার বার্সার ভেঙ্গে ফাইনাল থার্ডে ঢুকে পড়ে পিএসজি। কপাল মন্দ তাদের, নইলে এই লিড আরো বাড়তে পারতো। পিএসজির বদলি খেলোয়াড় ব্রাডলি বারকোলার শট বার্সার বারপোস্টে লেগে ফিরে আসে। নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত হয় পিএসজি।

ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে খেলায় বদল আনার পরিকল্পনা করেন বার্সোলোনার কোচ জাভি। স্পেনের মিডফিল্ডার পেদ্রিকে মাঠে নামান তিনি। এই একটা বদলেই মাঝমাঠের পুরো খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে ফেললো বার্সা। পিএসজির ডিফেন্স আরেকবার ভাঙ্গলেন রাফিনহা। ৬২ মিনিটের সময় বক্সের বাইরে থেকে তার ভলি শট পিএসজির গোলরক্ষক ঠেকাতে পারলেন না (২-২)। ম্যাচে সমতা ফিরে পেয়ে বার্সাও বারুদের মতো জ¦লে উঠলো। দেম্বেলে জায়গা বদলে দু’প্রান্ত থেকেই বারবার আক্রমণে উঠে এসে পিএসজির ডিফেন্সকে ব্যতিব্যস্ত রাখেন।

বার্সাকে ম্যাচে জয় এনে দিলো আরেক বদলি আন্দ্রেস ক্রিস্টেনসন গোল। ডিফেন্সের ভুলে পোস্টের সামনে আনমার্কড থাকা ক্রিস্টেনসন মাত্র চারগজ দুর থেকে অনায়সে গোল করে বার্সাকে জয় উপহার দিলেন (৩-২)।

১৬ এপ্রিল ন্যু ক্যাম্পে দ্বিতীয় লেগের কোয়ার্টার ফাইনালে পিএসজির কাজটা কঠিন থেকে কঠিন হয়ে গেল!

;

পিএসজি-বার্সেলোনা দ্বৈরথ আজ



খেলা ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগের ম্যাচে রাতে মাঠে নামছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন এবং বার্সেলোনা। শক্তি, সামর্থ্য ও সাফল্যের ক্ষুধায় কেউ কারও চেয়ে পিছিয়ে নেই। ফলে পিএসজি-বার্সেলোনা রোমাঞ্চকর কিছু দেখারই অপেক্ষা ফুটবলপ্রেমীরা।

বুধবার (১০ এপ্রিল) ঘরের মাঠ পার্ক দ্য প্রিন্সেস স্টেডিয়ামে বার্সেলোনাকে আতিথ্য জানাবে ফরাসি ক্লাবটি। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায়।

পরিসংখ্যান বলছে, এর আগে ১২ বার একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে পিএসজি-বার্সেলোনা। দুই দলই জিতেছে ৪টি করে ম্যাচ, হার ও ড্র ৪টি করে। চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউটে বার্সেলোনা-পিএসজি ৬ বার মুখোমুখি হয়েছে, যা চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ।

এদিকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের আগেই হুমকি এসেছে জঙ্গী গোষ্ঠী আইএসের কাছ থেকে। প্রথম দুই কোয়ার্টার ফাইনালে অপ্রীতিকর কোন ঘটনা না হলেও সতর্ক থাকছে প্যারিস। বাড়ানো হয়েছে পার্ক দে প্রিন্সেসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। 

 

;