‘ব্যক্তিগত কোনো ইস্যু’ ম্যাচে প্রভাব ফেলবে না



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবিঃ সংগৃহীত

ছবিঃ সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দ্বিতীয় কোয়ালিফাইয়ার ম্যাচে আজ (বুধবার) সন্ধ্যা ৬.৩০ টায় মিরপুরের মাঠে মুখোমুখি হচ্ছে রংপুর রাইডার্স ও ফরচুন বরিশাল। ম্যাচটিকে দর্শকরা রংপুর-বরিশালের চেয়েও সাকিব-তামিম লড়াই হিসেবে বড় করে দেখছেন। তবে এরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দলীয় খেলা ব্যতীত কোনরূপ ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব বা বিষয় নিয়ে ভাবতে চায় না রংপুর ফ্র্যাঞ্চাইজি।

ম্যাচ পুর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে রংপুরের প্রধান কোচ সোহেল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘ব্যক্তিগত ইস্যু নিয়ে আমার আসলে বলার কিছু নেই। আমি আমার দল নিয়ে চিন্তা করি। প্রতিপক্ষ দলে যারা আছে তারাও দলের পার্ট। দলের পারফরম্যান্স ও প্লেয়ার– এগুলো নিয়েই মূলত চিন্তা করি। ব্যক্তিগত ইস্যু নিয়ে চিন্তা করার কোনো অপশন এখানে নেই।’

ফাইনালে জায়গা করে নিতে কেমন চাপ নিতে হচ্ছে এই প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জানান, 'যেহেতু প্লে-অফের ম্যাচ চলছে সেহেতু চাপ থাকবেই, এটা ওভারকাম করেই খেলতে হবে। গতকালের (সোমবারের) ম্যাচে ভালো স্কোর ছিল আমাদের। বোলিংয়ে কিছু জায়গায় আমরা যেভাবে পরিকল্পনা করেছিলাম, সেভাবে করতে পারি নাই। সে ম্যাচ নিয়ে আমরা আর চিন্তা করছি না, সামনে যা আছে এটা নিয়েই চিন্তা করছি।’

এর আগে প্রথম কোয়ালিফাইয়ারের মুখোমুখি হয়েছিল আসরের দুই হট ফেভারিট দল রংপুর ও কুমিল্লা। যেখানে সাকিবদের হারিয়ে লিটন দাসের কুমিল্লা ফাইনালে উঠে গিয়েছে। অপরদিকে এলিমিনেটর ম্যাচে চট্টগ্রামকে হারিয়ে এসেছে তামিমের বরিশাল। আজ যে দল জিতবে তারাই বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লার বিপক্ষে মার্চের ১ তারিখ এবারের আসরের ফাইনাল ম্যাচে মাঠে নামবে।

   

আইপিএলের জন্য ছুটি বাড়ল মুস্তাফিজের



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন বিশ্বকাপ সামনে রেখে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। সিরিজের প্রথম ম্যাচ আগামী ৩ মে। এই সিরিজটিই বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের সবশেষ সিরিজ। যেখানে শেষবারের মতো নিজেদের পরখ করে নেওয়ার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ। আর সেই সিরিজ পরিকল্পনায় রেখেই মুস্তাফিজুর রহমানকে দেওয়া হয়েছিল আইপিএল খেলার অনাপত্তিপত্র। যার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা আগামী ৩০ এপ্রিল। তবে এবার সেটির মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী জালাল ইউনুস।

চলতি আইপিএলটা এখন পর্যন্ত দুর্দান্ত কাটছে মুস্তাফিজের। ভিসা জটিলতা কাটাতে দেশে ফেরার কারণে মাঝে এক ম্যাচ মিস করলেও নিয়মিতই থাকছেন চেন্নাই সুপার কিংসের একাদশে। বল হাতেও দলকে সাফল্য এনে দিচ্ছেন তিনি। এখন পর্যন্ত ৫ ম্যাচ খেলে শিকার করেছেন ১০ উইকেট। তাই সামনের ম্যাচগুলোতেও মুস্তাফিজের সার্ভিস চায় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। যার জন্য বিসিবির কাছে আবেদনও জানিয়েছিল তারা।

আর সেই আবেদনেই প্রেক্ষিতেই মুস্তাফিজের ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। তবে সেটা খুব বেশি সময়ের জন্য নয়। মাত্র ১ দিনের জন্য বেড়েছে এই ছুটি। আগের হিসেব অনুযায়ী, ২৮ এপ্রিল সাইরাইজার্স হায়দরাবদের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ খেলার কথা ছিল মুস্তাফিজের। এরপর ফেরার কথা ছিল দেশে।

তবে যেহেতু জিম্বাবুয়ে সফরের আগে ১ মে রাতে মুস্তাফিজের দল মুখোমুখি হবে পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে। আর সেখানে সুযোগ আছে মুস্তাফিজের খেলার। আর সেই সুযোগটি মুস্তাফিজকে দিতে চায় বিসিবিও। আর সেই ভাবনা থেকেই মুস্তাফিজের ছুটি বাড়িয়েছে বিসিবি। ফলে পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে দেশে ফিরে জিম্বাবুয়ে সিরিজের দলে যোগ দেবেন তিনি।

;

বিফলে মুশফিকের সেঞ্চুরি, আবাহনীর দশে দশ



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে অপ্রতিরোধ্য গতিতে ছুটছে আবাহনী। তামিম-মুশফিকদের প্রাইম ব্যাংককে ৫৮ রানে হারিয়ে দশে দশ পূর্ণ হয়েছে তাদের।

মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে হয় আবাহনীকে। এনামুল হক বিজয় এবং নাঈম শেখের উদ্বোধনী জুটিতেই ১১০ রান পেয়ে যায় তারা। ৪৫ রান করে বিজয় রানআউট হলে ভাঙে সে জুটি। তবে নাঈম আপন গতিতে ব্যাট করে তুলে নেন সেঞ্চুরি।

অবশ্য সেঞ্চুরির আগেই ফিরতে পারতেন নাঈম, তবে তার বিরুদ্ধে ‘অনেকটা নিশ্চিত’ এলবিডাব্লিউর সিদ্ধান্ত দেননি আম্পায়ার আসাদুর রহমান। সে সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রাইম ব্যাংক অধিনায়ক তামিম ইকবালের সঙ্গে একচোট বচসাও হয় আম্পায়ারদের, খেলাও কিছু সময় বন্ধ থাকে।

জীবন পেয়ে ১০৫ রানের ইনিংস খেলেন নাঈম। তিনে নেমে তিন অঙ্কের দেখা পান বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও। তার ব্যাটে আসে ১১৮ রান। জোড়া সেঞ্চুরির সঙ্গে তাওহিদ হৃদয়ের ৩৫ বলে ৬৫ রানের ঝোড়ো ইনিংসে চড়ে ৫০ ওভারে ৪ উইকেটে ৩৪১ রানের পাহাড় গড়ে আবাহনী।

বোলারদের খরুচে দিনে প্রাইম ব্যাংকের পক্ষে সর্বোচ্চ দুই উইকেট পান হাসান মাহমুদ।

জবাব দিতে নেমে শুরুতেই হতাশ করেন তামিম। ৭ বলে ১ রান করে তাসকিন আহমেদের বলে নাঈম শেখের ক্যাচ হন প্রাইম ব্যাংক অধিনায়ক। অন্য ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ৫৬ রান করে প্রাইমের রানের গতি সচল রাখেন।

এদিকে চোট থেকে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে সেঞ্চুরির দেখা পান অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। প্রাইম ব্যাংকের মিডল অর্ডারের অন্য ব্যাটাররা তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে না পারলে একাই লড়াই চালিয়ে যান। ১০৫ বলে ১৪ চারে অপরাজিত থাকেন ১১১ রানে।

তবে শেষ পর্যন্ত তার সে ইনিংস প্রাইম ব্যাংকের জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি। ৪৯.৪ ওভারে ২৮৩ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা।

আবাহনীর পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি করে  উইকেট পান জাতীয় দলের দুই পেসার তাসকিন আহমেদ এবং তানজিম হাসান সাকিব। ম্যাচসেরা হয়েছেন আবাহনীর সেঞ্চুরিয়ান নাজমুল হোসেন শান্ত।

;

মাশরাফিদের সামনে দাঁড়াতেই পারল না গাজী টায়ার্স



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে গাজী টায়ার্সকে ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে মাশরাফি বিন মুর্তজার লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। ওপেনার তৌফিক খান তুষারের সেঞ্চুরিতে কোনো উইকেট না হারিয়েই লক্ষ্যে পৌঁছে আসরে নিজেদের ষষ্ঠ জয় তুলে নিয়েছে তারা।

বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে টসে জিতে গাজী টায়ার্সকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় রূপগঞ্জ। গাজী টায়ার্সের দুই ওপেনার ইফতেখার হোসেন এবং মহব্বত হোসেন মিলে ওপেনিং জুটিতে এনে দেন ৪১ রান। এরপরই ছন্দপতন হয় দলটির। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ৪৪.২ ওভারে ১৫০ রান অলআউট হয় তারা।

রূপগঞ্জের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট পান শুভাগত হোম চৌধুরী। ৮ ওভার বোলিং করে ১৮ রান খরচায় ২ উইকেট নেন মাশরাফি।

জবাব দিতে নেমে মাত্র ১৯.২ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় রূপগঞ্জ। ঝোড়ো ব্যাটিং ৬১ বলে সেঞ্চুরি করেন তুষার। ১২ চার এবং ৮ ছক্কায় ৬৬ বলে ১১৪ রানের হার না মানা ইনিংসে দলের জয় নিশ্চিত করে তবেই মাঠ ছাড়েন এই ওপেনার। ৩৫ রানে অপরাজিত থেকে তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম।

দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পুরস্কারস্বরূপ হয়েছেন তৌফিক খান তুষার। ১০ ম্যাচ থেকে ৬ জয়ে পাওয়া ১২ পয়েন্ট নিয়ে এখন লিগ টেবিলের ছয়ে রয়েছে রূপগঞ্জ। সমান সংখ্যক ম্যাচ থেকে মোটে চার পয়েন্ট পাওয়া গাজী টায়ার্স অবস্থান করছে ১০ নম্বরে।

;

শূন্য থেকে শিখরে



হোসাইন মাহমুদ আব্দুল্লাহ
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আপনি তাদের ‘আউটসাইডার্স’ বলতে পারেন। শিরোপার হিসাব-নিকাশে তারা শূদ্র। তাদের জন্য বাজি ধরার মতো থাকে না কেউ। কিন্তু কে জানে কোন মন্ত্রবলে পাদপ্রদীপের আড়াল থেকে হঠাৎ সামনে চলে আসে তারা। চমকের পর চমক দেখায়। গুটি গুটি পায়ে পাড়ি দেয় রূপকথার জগতে। জন্ম হয় কিংবদন্তির। 

একবিংশ শতকে ইউরোপীয় লিগ ফুটবলে এমন পাঁচটি ক্লাবের অবিশ্বাস্য, সংখ্যাতত্ত্বকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো শূন্য থেকে শিখরে আরোহণের গল্প জানাতেই এই লেখা।

আতলেতিকো মাদ্রিদ

লা লিগা ২০১৩-১৪

লা লিগার শিরোপা তখন রিয়াল মাদ্রিদ আর বার্সেলোনার হাতে ঘুরপাক খাচ্ছে। নয় বছরে এই শিরোপা তৃতীয় কোনো দলকে ধরা দেয়নি। রিয়াল-বার্সা বাদে বাকি ১৮ দলের জন্য সর্বোচ্চ সাফল্য হয়ে দাঁড়ায় তৃতীয় স্থান। কিন্তু দিয়েগো সিমিওনের আতলেতিকো মাদ্রিদ ২০১৩-১৪ মৌসুমে বার্সা-রিয়ালের রাজত্বে হানা দেয়। বার্সেলোনাকে পুরো মৌসুম টক্কর দিয়ে ১৯৯৫-৯৬ মৌসুমের পর প্রথমবার লিগ শিরোপা জিতে নেয় আতলেতিকো।

২৭ গোল করে আতলেতিকোর লিগ জয়ের অন্যতম নায়ক বনে যান দিয়েগো কস্তা। এই শিরোপা দিয়েই আতলেতিকোর ডাগআউটে নিজের জায়গা পাকাপোক্ত করে নেন আর্জেন্টাইন ম্যানেজার সিমিওনে। এক দশক পর এখনো আতলেতিকোর ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

ভিএফবি স্টুটগার্ট 

বুন্দেসলিগা ২০০৬-০৭

মৌসুমের প্রথম ম্যাচেই ৩-০ গোলের হার। প্রথম পাঁচ ম্যাচে মোটে দুই জয়। তরুণ স্টুটগার্ট দলটির লিগ জয়ের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিতে শুরুর ওই ফর্মহীনতা যথেষ্ট ছিল। কিন্তু খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে দারুণ প্রত্যাবর্তনের গল্প লেখে তারা। ১৯৯১-৯২ মৌসুমের পর প্রথমবার ছুঁয়ে দেখে বুন্দেসলিগা শিরোপা। সে মৌসুমে স্টুটগার্টের হয়ে ১৪ গোল করে জার্মান ফুটবলে নিজের জানান দেন স্ট্রাইকার মারিও গোমেজ।

মঁপেলিয়ে 

লিগ আঁ ২০১১-১২

কাতারি মালিকানায় পিএসজির প্রথম মৌসুম। ডাগআউটে কার্লো আনচেলত্তির মতো ফুটবল ট্যাকটিশিয়ান। তাদের হাতেই মৌসুম শেষে শোভা পাবে শিরোপা, বেশিরভাগ বোদ্ধারা তেমনটাই ভাবছিলেন। কিন্তু সে মৌসুমে অনেকটা যেন ‘সিলেবাসের বাইরে’ থেকে এসে লিগ শিরোপা জয় করে মঁপেলিয়ে। এখন পর্যন্ত সেটাই তাদের একমাত্র লিগ শিরোপা জয়। তরুণ অলিভিয়ের জিরুরা পিএসজিকে চমকে দিয়ে লিগ জিতে নেন।

লেস্টার সিটি

প্রিমিয়ার লিগ ২০১৫-১৬

সম্ভবত ক্রীড়া ইতিহাসেই এমন ঘটনা আর ঘটেনি। তর্কসাপেক্ষে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক প্রতিযোগিতা প্রিমিয়ার লিগে বাঘা বাঘা সব দলগুলোকে চমকে দিয়ে লিগ জিতে নেয় ‘পুঁচকে’ লেস্টার সিটি। লিগ জেতার মোটে এক মৌসুম আগে যারা কিনা প্রথমবার দেখা পেয়েছিল প্রিমিয়ার লিগের।

জেমি ভার্ডি, রিয়াদ মাহরেজ, এনগোলো কান্তের মতো একঝাঁক প্রতিভাবান ফুটবলারকে নিয়ে অসম্ভবকে সম্ভব করেন ইতালিয়ান ম্যানেজার ক্লদিও রানিয়েরি।

বায়ার লেভারকুজেন

বুন্দেসলিগা ২০২৩-২৪

বুন্দেসলিগায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল বায়ার্ন মিউনিখের। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল, মৌসুম শুরুর আগেই বলে দেয়া যেত বায়ার্নের শিরোপা জয়ের কথা। শক্তিমত্তায় তাদের ধারেকাছেই যে নেই জার্মানির আর কোনো ক্লাব। কিন্তু নিজের পেশাদার কোচিং ক্যারিয়ারের প্রথম মৌসুমেই সব হিসাব-নিকাশ বদলে দিয়েছেন জাবি আলোনসো। 

সাবেক বায়ার্ন ফুটবলার আলোনসোর হাতেই শেষ হয়েছে বুন্দেসলিগায় বায়ার্নের রাজত্ব। শেষ হয়েছে তাদের টানা ১১ লিগ শিরোপা জয়রথ। তার কোচিংয়ে ক্লাবের ১১৯ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার লিগ শিরোপার দেখা পায় বায়ার লেভারকুজেন। মৌসুম শুরুর আগে অপটা’র ভবিষ্যৎবাণী অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ মৌসুমে লেভারকুজেনের লিগ জয়ের সম্ভাবনা ছিল ০.৯ শতাংশ। কিন্তু দৃষ্টিনন্দন ফুটবলে সূক্ষ্ম সে সম্ভাবনাকে সাফল্যের মহীরুহে রূপ দিয়েছে আলোনসোর দল।

;