অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ পাওয়ারলিফটিং চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযোগিতা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সম্প্রতি ‘শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে’ অনুষ্ঠিত হলো ৬ষ্ঠ বাংলাদেশ পাওয়ারলিফটিং চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৩। বাংলাদেশ পাওয়ারলিফটিং অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১২২ জন প্রতিযোগী বিভিন্ন ওজন, শ্রেণি, বয়স ও জেন্ডার ভেদে মোট ১৯ ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণ করে। 

এই ক্যাটাগরিগুলো হচ্ছে- প্যারালিফটিং, পুরুষ সাব-জুনিয়র (১৪-১৮ বছর), জুনিয়র (১৯-২৩ বছর), ওপেন (১৯+), মাস্টারস (৪০+ বছর), মহিলা ওপেন এবং মাস্টারস)।

আদিত্য পারভেজ সর্বমোট ৬৯৫ কেজি ওজন উত্তোলন করে আল্টিমেট চ্যাম্পিয়ন (সেরাদের সেরা বিজয়ী) এবং এশা ফাতিম ৩১৫ কেজি ওজন উত্তোলন করে ওয়ান্ডার ওমেন খেতাব জিতে নেন। সেরা সাব জুনিয়র এবং সেরা জুনিয়র পাওয়ারলিফটার হয়েছেন যথাক্রমে আল সামি এবং সুলতান নাসরুল্লাহ।

অন্যান্য ক্যাটাগরির বিজয়ীরা হলেন- মো: ইলিয়াস খান, সুলতান নাসরুল্লাহ, আবদুল্লাহ, আশরাফুল রুহান, আল সামি, শাহির শাহেদ, আতিকুর রহমান, আমিন ভূঁইয়া, মেহেদী হাসান, তাসিন মুনতাকা আলী, রতন শেখ, ইমরান আহমেদ, আদিত্য পারভেজ রাতুল, আরমান বিন মাহমুদ, মো. শাম্মী নাসরিন, তানিশা আক্তার, মাহা ইকবাল, এশা ফাতেম ও ফাতেমা নিশু।


এছাড়া এবার প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ৮ বিভাগীয় সেরা পাওয়ারলিফটারদের বিশেষ খেতাব দেয়া হয়!

২০১৮ সালে সূচনা থেকে বাংলাদেশ পাওয়ারলিফটিং অ্যাসোসিয়েশন পাওয়ারলিফটিং খেলা প্রচার, প্রশিক্ষণ, আয়োজনে কাজ করে যাচ্ছে।

২০২২ সাল থেকে আন্তর্জাতিক পাওয়ারলিফটিং ফেডারেশন (আইপিএফ) এবং এশিয়ান পাওয়ারলিফটিং ফেডারেশন (এপিএফ) এর একজন গর্বিত সদস্য হিসেবে, বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণ করছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশ পাওয়ারলিফটিং দলের অর্জন দেশের অভ্যন্তরে খেলাধুলার জনপ্রিয়তাকে আরও উন্নীত করেছে। ২০২২ এবং ২০২৩ সালে বাংলাদেশ পাওয়ারলিফটিং দলটি অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং মালয়েশিয়াতে ওয়ার্ল্ড পাওয়ারলিফটিং এবং এশিয়ান পাওয়ারলিফটিং চ্যাম্পিয়নশিপে মোট ৩ টি স্বর্ণ, ৬ টি রৌপ্য এবং ৪টি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করে, বৈশ্বিক পাওয়ারলিফটিং প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের দক্ষতা প্রদর্শন করে।

   

চলতি আইপিএলের দ্রুততম সেঞ্চুরি হেডের



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি আইপিএলের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটা নিজের করে নিলেন ট্র্যাভিস হেড। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর বিপক্ষে সেঞ্চুরি হাঁকালেন ৩৯ বলে। তার ব্যাটিং তাণ্ডবেই বড় সংগ্রহের পথে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।

সেঞ্চুরির পর অবশ্য উইকেটে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি হেড। এরপর আর মাত্র ২ বল খেলতে পেরেছেন। সাজঘরে ফেরার আগে করেছেন ৪১ বলে ১০২ রান। যেখানে ৮টি ছক্কা ও ৯টি চার ছিল।

আইপিএলের ইতিহাসে এটি চতুর্থ দ্রুততম সেঞ্চুরি। এর আগে ২০১৩ সালে ক্রিস গেইল ৩০ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন। সেটিই এখন পর্যন্ত আইপিএলের ইতিহাসে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। পরের সেঞ্চুরিটি ৩৭ বলে করা ইউসুফ পাঠানের। এরপর ডেভিড মিলারের করা ৩৮ বলের সেঞ্চুরিটি আছে তালিকার তৃতীয় নাম্বারে। এর ঠিক পড়েই অবস্থান হেডের সেঞ্চুরির।

তার সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে আছে হায়দরাবাদ। এবারের আইপিএলে এরইমধ্যে দলীয় সর্বোচ্চ ২৭৭ রানের রেকর্ড গড়েছে দলটি। সেই রানকে এবার টপকে যায় কিনা সেটিই এখন দেখার বিষয়।

 বিস্তারিত আসছে...

;

আইপিএলের জন্য ছুটি বাড়ল মুস্তাফিজের



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আসন্ন বিশ্বকাপ সামনে রেখে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। সিরিজের প্রথম ম্যাচ আগামী ৩ মে। এই সিরিজটিই বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশের সবশেষ সিরিজ। যেখানে শেষবারের মতো নিজেদের পরখ করে নেওয়ার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ। আর সেই সিরিজ পরিকল্পনায় রেখেই মুস্তাফিজুর রহমানকে দেওয়া হয়েছিল আইপিএল খেলার অনাপত্তিপত্র। যার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা আগামী ৩০ এপ্রিল। তবে এবার সেটির মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিসিবির প্রধান নির্বাহী জালাল ইউনুস।

চলতি আইপিএলটা এখন পর্যন্ত দুর্দান্ত কাটছে মুস্তাফিজের। ভিসা জটিলতা কাটাতে দেশে ফেরার কারণে মাঝে এক ম্যাচ মিস করলেও নিয়মিতই থাকছেন চেন্নাই সুপার কিংসের একাদশে। বল হাতেও দলকে সাফল্য এনে দিচ্ছেন তিনি। এখন পর্যন্ত ৫ ম্যাচ খেলে শিকার করেছেন ১০ উইকেট। তাই সামনের ম্যাচগুলোতেও মুস্তাফিজের সার্ভিস চায় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। যার জন্য বিসিবির কাছে আবেদনও জানিয়েছিল তারা।

আর সেই আবেদনেই প্রেক্ষিতেই মুস্তাফিজের ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। তবে সেটা খুব বেশি সময়ের জন্য নয়। মাত্র ১ দিনের জন্য বেড়েছে এই ছুটি। আগের হিসেব অনুযায়ী, ২৮ এপ্রিল সাইরাইজার্স হায়দরাবদের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ খেলার কথা ছিল মুস্তাফিজের। এরপর ফেরার কথা ছিল দেশে।

তবে যেহেতু জিম্বাবুয়ে সফরের আগে ১ মে রাতে মুস্তাফিজের দল মুখোমুখি হবে পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে। আর সেখানে সুযোগ আছে মুস্তাফিজের খেলার। আর সেই সুযোগটি মুস্তাফিজকে দিতে চায় বিসিবিও। আর সেই ভাবনা থেকেই মুস্তাফিজের ছুটি বাড়িয়েছে বিসিবি। ফলে পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে দেশে ফিরে জিম্বাবুয়ে সিরিজের দলে যোগ দেবেন তিনি।

;

বিফলে মুশফিকের সেঞ্চুরি, আবাহনীর দশে দশ



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে অপ্রতিরোধ্য গতিতে ছুটছে আবাহনী। তামিম-মুশফিকদের প্রাইম ব্যাংককে ৫৮ রানে হারিয়ে দশে দশ পূর্ণ হয়েছে তাদের।

মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে হয় আবাহনীকে। এনামুল হক বিজয় এবং নাঈম শেখের উদ্বোধনী জুটিতেই ১১০ রান পেয়ে যায় তারা। ৪৫ রান করে বিজয় রানআউট হলে ভাঙে সে জুটি। তবে নাঈম আপন গতিতে ব্যাট করে তুলে নেন সেঞ্চুরি।

অবশ্য সেঞ্চুরির আগেই ফিরতে পারতেন নাঈম, তবে তার বিরুদ্ধে ‘অনেকটা নিশ্চিত’ এলবিডাব্লিউর সিদ্ধান্ত দেননি আম্পায়ার আসাদুর রহমান। সে সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রাইম ব্যাংক অধিনায়ক তামিম ইকবালের সঙ্গে একচোট বচসাও হয় আম্পায়ারদের, খেলাও কিছু সময় বন্ধ থাকে।

জীবন পেয়ে ১০৫ রানের ইনিংস খেলেন নাঈম। তিনে নেমে তিন অঙ্কের দেখা পান বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও। তার ব্যাটে আসে ১১৮ রান। জোড়া সেঞ্চুরির সঙ্গে তাওহিদ হৃদয়ের ৩৫ বলে ৬৫ রানের ঝোড়ো ইনিংসে চড়ে ৫০ ওভারে ৪ উইকেটে ৩৪১ রানের পাহাড় গড়ে আবাহনী।

বোলারদের খরুচে দিনে প্রাইম ব্যাংকের পক্ষে সর্বোচ্চ দুই উইকেট পান হাসান মাহমুদ।

জবাব দিতে নেমে শুরুতেই হতাশ করেন তামিম। ৭ বলে ১ রান করে তাসকিন আহমেদের বলে নাঈম শেখের ক্যাচ হন প্রাইম ব্যাংক অধিনায়ক। অন্য ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ৫৬ রান করে প্রাইমের রানের গতি সচল রাখেন।

এদিকে চোট থেকে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে সেঞ্চুরির দেখা পান অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। প্রাইম ব্যাংকের মিডল অর্ডারের অন্য ব্যাটাররা তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে না পারলে একাই লড়াই চালিয়ে যান। ১০৫ বলে ১৪ চারে অপরাজিত থাকেন ১১১ রানে।

তবে শেষ পর্যন্ত তার সে ইনিংস প্রাইম ব্যাংকের জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি। ৪৯.৪ ওভারে ২৮৩ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা।

আবাহনীর পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি করে  উইকেট পান জাতীয় দলের দুই পেসার তাসকিন আহমেদ এবং তানজিম হাসান সাকিব। ম্যাচসেরা হয়েছেন আবাহনীর সেঞ্চুরিয়ান নাজমুল হোসেন শান্ত।

;

মাশরাফিদের সামনে দাঁড়াতেই পারল না গাজী টায়ার্স



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে গাজী টায়ার্সকে ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে মাশরাফি বিন মুর্তজার লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। ওপেনার তৌফিক খান তুষারের সেঞ্চুরিতে কোনো উইকেট না হারিয়েই লক্ষ্যে পৌঁছে আসরে নিজেদের ষষ্ঠ জয় তুলে নিয়েছে তারা।

বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে টসে জিতে গাজী টায়ার্সকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় রূপগঞ্জ। গাজী টায়ার্সের দুই ওপেনার ইফতেখার হোসেন এবং মহব্বত হোসেন মিলে ওপেনিং জুটিতে এনে দেন ৪১ রান। এরপরই ছন্দপতন হয় দলটির। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ৪৪.২ ওভারে ১৫০ রান অলআউট হয় তারা।

রূপগঞ্জের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট পান শুভাগত হোম চৌধুরী। ৮ ওভার বোলিং করে ১৮ রান খরচায় ২ উইকেট নেন মাশরাফি।

জবাব দিতে নেমে মাত্র ১৯.২ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় রূপগঞ্জ। ঝোড়ো ব্যাটিং ৬১ বলে সেঞ্চুরি করেন তুষার। ১২ চার এবং ৮ ছক্কায় ৬৬ বলে ১১৪ রানের হার না মানা ইনিংসে দলের জয় নিশ্চিত করে তবেই মাঠ ছাড়েন এই ওপেনার। ৩৫ রানে অপরাজিত থেকে তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম।

দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পুরস্কারস্বরূপ হয়েছেন তৌফিক খান তুষার। ১০ ম্যাচ থেকে ৬ জয়ে পাওয়া ১২ পয়েন্ট নিয়ে এখন লিগ টেবিলের ছয়ে রয়েছে রূপগঞ্জ। সমান সংখ্যক ম্যাচ থেকে মোটে চার পয়েন্ট পাওয়া গাজী টায়ার্স অবস্থান করছে ১০ নম্বরে।

;