জিম্বাবুয়েকে ঝুঁকিতে রেখে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নামিবিয়া



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ হয়নি জিম্বাবুয়ের। এবার আসন্ন ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলাও শঙ্কায় পড়ে গেছে দলটির। তবে বাজিমাত করেছে আফ্রিকার আরেক দল নামিবিয়া। ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আফ্রিকা অঞ্চল থেকে টানা পঞ্চম জয় তুলে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে দলটি।

আফ্রিকান অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে তানজানিয়ার বিপক্ষে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেট খরচায় ১৫৭ রান করে নামিবিয়া। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন স্মিত।

জবাবে নির্ধারিত ওভারে ৬ উইকেট খরচায় ৯৯ রান করতে পেরেছে তানজানিয়া। দলের হয়ে ৪৫ বলে ৪১ রানে অপরাজিত ছিলেন আমাল রাজীভান। ৫৮ রানের জয়ে টানা পঞ্চম জয় পেয়েছে নামিবিয়া। আর তাতেই নিশ্চিত হয়েছে দলটির ২০২৪ বিশ্বকাপে খেলা।

বিশ্বকাপের টিকিট কাটার পথে নামিবিয়ার পরে অবস্থান উগান্ডা ও কেনিয়ার। ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে দলটি। অন্যদিকে ৪ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে চার নাম্বারে অবস্থান জিম্বাবুয়ের। কাজেই এখান থেকে বিশ্বকাপ খেলতে হলে; শেষ দুই ম্যাচে জয়ের পাশাপাশি বাকিদের হার ও রান রেটের ওপর নির্ভর করতে হবে জিম্বাবুয়েকে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো দেখা যাবে ২০টি দলকে। এরমধ্যে গত বিশ্বকাপের টপ আট দল খেলবে সরাসরি। বাকি দু’দল যাবে সেরা দশের পয়েন্ট টেবিলের ভিত্তিতে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্র খেলবে আয়োজক হিসেবে। বাকি-দলগুলো আসবে আঞ্চলিক বাছাইপর্বের মধ্যদিয়ে।

   

কুমিল্লার দম্ভচূর্ণ করে বিপিএল শিরোপা বরিশালের



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চারবারের চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। যতবার ফাইনাল খেলেছে, শিরোপা তাদের হাতেই উঠেছে। চার শিরোপার দুটি আবার বরিশালকে হারিয়েই জেতা কুমিল্লার। এমন প্রতিপক্ষের সামনে ফরচুন বরিশালের আত্মবিশ্বাস নড়বড়ে হতে পারত। স্নায়ুচাপে খাবি খেতে পারত তারা। কিন্তু তামিম ইকবালের এই বরিশালকে দমিয়ে রাখতে পারল না কুমিল্লা। ৬ উইকেটের জয়ে প্রথমবারের মতো বিপিএল শিরোপা জয় করল বরিশাল।

মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে কুমিল্লার ব্যাটিং শুরু থেকেই ছিল এলোমেলো। প্রথম ওভারে জীবন পেয়ে এক বল পরই উইকেট ছুঁড়ে দেন সুনীল নারাইন। প্রথমবার তার ক্যাচ হাতে জমাতে না পারলেও দ্বিতীয়বাড় দুর্দান্ত এক ক্যাচ নিয়ে নারাইনকে সাজঘরের পথ চেনান ওবেড ম্যাকয়।

নারাইন তড়িঘড়ি ফিরলেও লিটন দাস এবং তাওহিদ হৃদয়ের ব্যাটে স্বপ্ন দেখছিল কুমিল্লা। কিন্তু কীসের কি! জেমস ফুলারের বলে দুজনই ক্যাচ দিয়েছেন ডিপ থার্ডে থাকা মাহমুদউল্লাহর হাতে। প্রথম কোয়ালিফায়ারে রেকর্ড জুটি গড়ে দলকে জেতানো লিটন (১৬) আর হৃদয়ের (১৫) ব্যাট থেকে কুমিল্লা ফাইনালে পেয়েছে সাকুল্যে ৩১ রান।

পাওয়ার প্লে শেষে প্রথম তিন ব্যাটারকে হারানো কুমিল্লার স্কোর দাঁড়ায় ৪৯ রান। এলোমেলো ব্যাটিংয়ের অবশ্য সেখানেই শেষ নয়। মিডল অর্ডারে ব্যাট করতে নামা দুই বিদেশি জনসন চার্লস এবং মঈন আলিও দলকে খুব একটা নির্ভরতা জোগাতে পারেননি। 

ধীরগতিতে ব্যাট চালিয়ে কুমিল্লার রানের চাকা সচল রাখার চেষ্টা করছিলেন ঘরোয়া ক্রিকেটের পরিচিত মুখ মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। দুটি করে চার-ছক্কা হাঁকিয়ে খোলসমুক্ত হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে রান তোলার তাড়ায় সাইফউদ্দিনের বল স্কুপ করতে গিয়ে উল্টো বোল্ড হতে হয় তাকে। ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৩৮ রান।

শেষদিকে আন্দ্রে রাসেলের ১৪ বলে ৪ ছক্কায় খেলা ২৭ রানের ক্যামিও দেড়শ ছাড়ায় কুমিল্লার সংগ্রহ। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫৪ রানে থামে কুমিল্লা। বরিশালের পক্ষে ৪৩ রান খরচায় সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন জেমস ফুলার।

জবাব দিতে নেমে শুরু থেকে কুমিল্লার বোলারদের উপর চড়াও হয়ে খেলতে থাকেন বরিশালের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল এবং মেহেদী হাসান মিরাজ। তাদের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ৮ ওভারে ৭৬ রান স্কোরবোর্ডে জমা করে বরিশাল। অষ্টম ওভারের শেষ বলে মঈন আলির বলে তামিম বোল্ড হলে ভাঙে এই জুটি। ফেরার আগে সমান তিনটি করে চার-ছক্কায় ২৬ বলে ৩৯ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন তামিম। যার সুবাদে ১৫ ম্যাচে ৪৯২ রান করা তামিম কুমিল্লার তাওহিদ হৃদয়কে টপকে বনে গেছেন বনে গেছেন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক।

তামিম ফেরার পর তেড়েফুঁড়ে খেলতে গিয়ে উইকেট ছুঁড়ে এসেছেন মিরাজ (২৯)। স্লটে থাকা বলে বড় শট হাঁকাতে গিয়ে টাইমিংয়ের গরমিলে ধরা পড়েন লং অনে থাকা জনসন চার্লসের হাতে।

দুই ওপেনার ফেরার পর বরিশালের ব্যাটিংয়ের হাল ধরেন মুশফিকুর রহিম এবং কাইল মায়ার্স। এর মধ্যে মায়ার্সকে দুইবার আউট করার সুযোগ পেয়েও হেলায় হারিয়েছে কুমিল্লা। মঈনের বলে কুমিল্লার ফিল্ডাররা দুইবার মায়ার্সের ক্যাচ ছেড়েছেন।

দুইবার জীবন পেয়ে বরিশালকে জয়ের হাতছোঁয়া দূরত্বে পৌঁছে দেন মায়ার্স। আন্দ্রে রাসেলের করা ১৫তম ওভারে দুটি করে চার-ছক্কার সাহায্যে তোলেন ২১ রান। মুস্তাফিজুর রহমানের বলে মঈন আলির তালুবন্দি হয়ে আউট হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৫ চার এবং ২ ছয়ে ৪৬ রান।

মুস্তাফিজের করা সেই ওভারেই ১৩ রান করে আউট হন মুশফিকও। তবে ডেভিড মিলার (৮*) এবং মাহমুদউল্লাহ (৭*) বরিশালকে জিতিয়ে তবেই মাঠ ছাড়েন।

;

ওপেনারদের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে শিরোপা দেখছে বরিশাল



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

বছর দুই আগে ২০২২ সালের আসরে এই কুমিল্লার কাছেই স্রেফ ১ রানে হেরে নিজেদের প্রথম শিরোপা জয় থেকে বঞ্চিত হয়েছিল ফরচুন বরিশাল। এবার যেন তাই প্রতিশোধের পালা। যার শুরুটা টসের জয় দিয়ে। সেখানে আগে বোলিং করে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসকে ১৫৪ রানে থামিয়ে ব্যাটিংয়েও বাজিমাত বাংলা ভেনিসের দলের। 

অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও মেহেদী হাসান মিরাজের ওপেনিং জুটি থেকেই আসে ৭৬ রান, ৪৮ বলে। এতে লক্ষ্যের প্রায় অর্ধেক রান তুলে জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছেন এই দুজন। 

তবে মঈন আলীর পরপর দুই ওভারে ফিরে ম্যাচে প্রথম ধাক্কা খায় বরিশাল। ২৬ বলে ৩৯ রান করে তামিম ফেরার বলে মিরাজ ফেরেন ২৬ রান করে। তবে পরিস্থিতি বিচারে ম্যাচ এখনো তামিমদের দখলেই।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১০ ওভার শেষে বরিশালের সংগ্রহ ২ উইকেট হারিয়ে ৮৫ রান। প্রথম শিরোপা জিততে বাকি ৬০ বলে ৭০ রান প্রয়োজন দলটির। 

;

প্রথম শিরোপা জয়ের ১৫৫ রান দূরে তামিমের বরিশাল 



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২২ আসরেও ফাইনালে উঠেছিল ফরচুন বরিশাল। সেখানে প্রতিপক্ষ ছিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। সেখানে ১৫২ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়ায় ১ রান দূরে থেকে গিয়েছিল সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বাধীন দলটি। বছর দুই পর ফের ফাইনালে বাংলার ভেনিসের দলটি, এবার তামিম ইকবালের হাত ধরে। এখানেও বিপক্ষে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে সফল দল কুমিল্লা। এবারেও আগে ব্যাটিং কুমিল্লার। সেখানে লক্ষ্যটা সেই আসর থেকে খানিকটা বেড়ে ১৫৫ রানের। 

সেই লক্ষ্য ছাপিয়ে নিজেদের প্রথম শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে এবার ব্যাট হাতে নামবে তামিম-মুশফিকরা। এদিকে বরিশালকে আরও একবার থামিয়ে টানা তৃতীয় এবং মোটে পঞ্চম শিরোপা জয়ের সামনে কুমিল্লা।

মিরপুর হোম অব ক্রিকেটে এদিন টসের জয় বরিশালের। সেখানে আগে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রান তুলেছে কুমিল্লা। 

এদিকে ব্যাট করতে নেমে ভাগ্যের কয়েনের দুই পিঠই দেখলেন সুনীল নারাইন। ইনিংসের তৃতীয় বলের নিজ দেশের ক্রিকেটার ওবেদ ম্যাককয়ের ক্যাচ মিসে সুযোগ পান এই বাঁহাতি ব্যাটার। পরে এক বল বাদেই সেই ম্যাককয়ের দারুণ এক ক্যাচেই সাজঘরে রাস্তা মাপেন নারাইন। 

সেই চাপ অনেকটাই সামলে নিয়েছিলেন আগের ম্যাচের দলের হয়ে রেকর্ড ১৪৩ রানের জুটি গড়া লিটন-হৃদয়। খেলছিলেনও দারুণ ছন্দে। তবে জেমস ফুলারের পরপর দুই ওভারে একদম কার্বন কপির আউটে সাজঘরে ফেরেন দুজনই। চতুর্থ ওভারে অফ স্ট্যাম্পের বাইরে এক বলে হৃদয়ের (১৬) নেওয়া শট ডিপ থার্ডম্যান অঞ্চলে দারুণভাবে লুফে নেন মাহমুদউল্লাহ। পরে পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে ঠিক একইভাবে আউট হন লিটনও (১৬)। 

পিচে সেট হয়ে উইকেট হারানো পরেও থাকে চলমান। তবে আশার আলো দেখাচ্ছিলেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। তবে দলীয় ১১৫ রানের মাথায় ফেরেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বলে বোল্ড হয়ে। তার ব্যাট থেকেই আসে দলীয় সর্বোচ্চ ৩৮ রান। 

শেষ দিকে এসে ১৪ বলে ২৭ রানের এক ক্যামিও খেলেন রাসেল। এতে দেড়শ পেরোনো সংগ্রহ পায় লিটন দাসের দল। বরিশালের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেত নেন জেমস ফুলার। 

;

লিটন-হৃদয়দের হারিয়ে বিপদে কুমিল্লা 



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

টসে জিতে আগে বোলিং! প্লে অফের তিন ম্যাচে এই বিষয়টি ছিল একদম ‘কমন’। সেখানে জয়ের দেখাও পেয়েছে টস জয়ের দল এবং তা রান তাড়া করেই। এবার ফাইনালে এসেও আগে টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত ফরচুন বরিশালের। তবে এমন সমীকরণ মিলিয়ে গোল বলের খেলায় নিশ্চয়তা না দেখাটাই কার্যত। তবে আত্মবিশ্বাসও তো রাখতে হবে ধরে! এতেই টস জুজু কাটাতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে লক্ষ্যটা বড় করতে রানের গতি বাড়িয়ে রেখেই এগোচ্ছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস। 

তবে সেখানে ধাক্কাও এসেছে মোটে চারবার। এতে ইনিংস মাঝেই বড় বিপদের মুখে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ইনিংস মাঝে ১০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ৬৭ রান তুলেছে কুমিল্লা। 

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই নাটকীয়তার শিকার লিটন দাসের দল। ইনিংসের তৃতীয় বলে সুনীল নারাইনের ব্যাটের কানায় লেগে বল সোজা থার্ড ম্যানের কাছে। তবে সেখানে সহজ ক্যাচ ছেড়ে দেন ওবেদ ম্যাককয়। তবে এক বল পরেই যেন করলেন পাপের প্রায়শ্চিত্ত। সেই ওভারের পঞ্চম বলে ক্যারিবীয় বোলার কাইল মায়ার্সের বলে আরেক ক্যারিবীয় ব্যাটারের ক্যাচ ডানদিকে লাফিয়ে দারুণভাবে তালুবন্দি করলেন ক্যারিবীয় ম্যাককয়। 

সেই চাপ অনেকটাই সামলে নিয়েছিলেন আগের ম্যাচের দলের হয়ে রেকর্ড ১৪৩ রানের জুটি গড়া লিটন-হৃদয়। খেলছিলেনও দারুণ ছন্দে। তবে জেমস ফুলারের পরপর দুই ওভারে একদম কার্বন কপির আউটে সাজঘরে ফেরেন দুজনই। চতুর্থ ওভারে অফ স্ট্যাম্পের বাইরে এক বলে হৃদয়ের (১৫) নেওয়া শট ডিপ থার্ডম্যান অঞ্চলে দারুণভাবে লুফে নেন মাহমুদউল্লাহ। পরে পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে ঠিক একইভাবে আউট হন লিটনও (১৬)। 

৪২ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে সেই চাপ জনসন চার্লসে ব্যাট চড়ে উতরে যাওয়ার স্বপ্ন দেখলেও সেটি ভাঙে ম্যাককয়ের বলে। দলীয় ৬১ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন চার্লস (১৫)। 

 

;