শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে এশিয়ার সেরা ভারত



বার্তা২৪ স্পোর্টস
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কাজটা হাতের মুঠোয় এনে রেখে গিয়েছিলেন ভারতীয় বোলাররা। আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে শ্রীলঙ্কাকে গুটিয়ে দিয়েছিলেন মাত্র ৫০ রানে। মামুলি লক্ষ্যে ভারতীয় শক্তিশালী ব্যাটারদের আটকানো সম্ভব ছিল না লঙ্কান বোলারদের। সম্ভব হয়ও নি। মাত্র ৬.১ ওভারেই লঙ্কানদের দেওয়া টার্গেট টপকে যায় ভারতের দুই ওপেনার ইশান কিষান ও শুভমান গিল। ১০ উইকেটে জয়ে দীর্ঘ পাঁচ বছর পর এশিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরে ভারত। উঁচিয়ে ধরে টুর্নামেন্টের অষ্টম শিরোপা।

ছোট পুঁজিতে বল হাতে খুব বেশি কিছু করার ছিল না লঙ্কানদের। এরপরও ক্রিকেটে অসম্ভব বলে তো কিছু নেই। মিরাকল তো ঘটতেই পারে। সেই মিরাকলের আশায় হয়তো মাঠে নেমেছিল লঙ্কানরা। তেমনটি অবশ্য হয়নি। রোহিত শর্মার জায়গায় শুভমান গিলের সঙ্গে ইনিংসের সূচনা করতে উইকেটে আসেন ইশান কিষান। দীর্ঘ পাঁচ বছরের ট্রফি খরা কাটাতে যেন তর সইছিল না তাদের। মাঠে নেমেই চড়াও হন লঙ্কানদের ওপর। লক্ষ্য টপকে যান মাত্র ৬.১ ওভারে। জয়ের পথে কিষাণের ব্যাট থেকে এসেছে ১৮ বলে ২৩ রান। গিলের ব্যাট থেকে আসে ১৯ বলে ২৭ রান।

এর আগে, টসে জিতে শুরুতে ব্যাট করতে নামা শ্রীলঙ্কা কি দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পেরেছিল এশিয়া কাপ ফাইনালে এমন কিছু হবে? পারলে কি অধিনায়ক দাসুন শানাকা টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্তটা নিতেন? নিশ্চিতভাবেই না! টস জিতে ব্যাট করতে নেমেই যে ভারতের পেস বোলার, বিশেষ করে মোহাম্মদ সিরাজের তোপের মুখে পড়ে গেছে তার দল। ২১ রানে ৬ উইকেট তুলে নিয়েছেন সিরাজ। আর লঙ্কানরা? ৫০ রান তুলতেই শেষ হয়ে গেছে তাদের ইনিংস।

বৃষ্টির কারণে বল সুইং হচ্ছিল বেশ, সেটা আদায় করেই যশপ্রীত বুমরাহ তুলে নিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার প্রথম উইকেট। তবে আসল খেলাটা দেখালেন মোহাম্মদ সিরাজ। ইনিংসের চতুর্থ ওভারেই তুলে নিলেন একটি নয়, দুটি নয়, চার চারটি উইকেট।

নিজেদের দ্বিতীয় আর ইনিংসের তৃতীয় ওভারে শুরু তার তাণ্ডবের। তার বলে রবীন্দ্র জাদেজার হাতে ক্যাচ তুলে ফেরেন পথুম নিসাঙ্কা। এর এক বল পরই সাদিরা সামারাবিক্রমাকেও ফেরান সিরাজ। এরপর চারিথ আসালঙ্কাকেও ফিরিয়ে জাগিয়েছিলেন হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা।

তবে হ্যাটট্রিক বলে চার হজম করেন তিনি। এরপরের বলেই অবশ্য ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা ফেরেন তার শিকার হয়ে। ১২ রানে ৫ উইকেট খুইয়ে বসে শ্রীলঙ্কা।

সিরাজের ঝড়টা সেখানে থামেনি। পরের ওভারে আবারও আক্রমণে এসে ধনাঞ্জয়াকে। ম্যাচের ষষ্ঠ ওভার আর নিজের ১৬তম বলে তিনি তুলে নেন ৫ উইকেট। গড়ে ফেলেন রেকর্ডও। তার চেয়ে দ্রুততম সময়ে কোনো ম্যাচে ৫ উইকেট নেই কোনো বোলারের।

ছয় নম্বর উইকেটটা পেতে একটু সময় নিলেন। তবে সেটা যখন পেয়েই গেলেন কুশল মেন্ডিসকে বোল্ড করে, তখন গড়ে ফেললেন রেকর্ডও এশিয়া কাপ ফাইনালে সবচেয়ে বেশি উইকেট দখলের রেকর্ড। ১৫ বছর আগে ভারতকে পুড়িয়ে যে কীর্তি গড়েছিলেন অজন্তা মেন্ডিস, সিরাজ যেন তা ছুঁয়ে সে ব্যথাটাই ফিরিয়ে দিলেন লঙ্কানদের।

৩৩ রানে ৭ উইকেট নেই। সেখান থেকে শ্রীলঙ্কানদের বড় কিছু করার কথাও নয়। বুমরাহ আর সিরাজের দেখিয়ে দেওয়া পথটা অনুসরণ করেছেন হার্দিক পান্ডিয়াও। দুনিথ ভেল্লালাগে, প্রমোদ মাদুশান আর মাতিসা পাথিরানাকে ফিরিয়ে লঙ্কানদের লেজ মুড়ে দেওয়ার কাজটা করে দেন তিনি। আর তাতেই লঙ্কানরা শেষ হয়ে যায় মোটে ৫০ রান তুলতেই!

   

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে পাকিস্তানকে হারাল আয়ারল্যান্ড



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শুক্রবার রাতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমেছিল পাকিস্তান। যেখানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিকরা।

এদিন টসে জিতে শুরুতে সফরকারীদের ব্যাটিংয়ে পাঠায় আয়ারল্যান্ড। দ্বিতীয় ওভারেই মোহাম্মদ রিজওয়ানকে হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে পাকিস্তান। তবে সেই ধাক্কা সামলে দলকে টেনে তোলেন আরেক ওপেনার সাইম আইয়ুব ও অধিনায়ক বাবর আজম।

মিডল অর্ডারের ব্যাটাররা এরপর ব্যাট হাতে শক্তভাবে দাঁড়াতে না পারলেও ইফতিখার আহমেদের ১৫ বলে ৩৭ রানের ক্যামেও ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ওভার শেষে ১৮২ রানে থামে পাকিস্তানের ইনিংস।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিকদের হয়ে দারুণ ব্যাটিং নৈপুণ্য দেখান ওপেনার অ্যান্ডি বালবার্নি। ৫৫ বলে ৭৭ রান আসে তার ব্যাট থেকে। এরপর মিডল অর্ডারের হ্যারি টেক্টর ও জর্জ ডকরেলের ব্যাটে ভর করে জয়ের বেশ নিকটে পৌঁছে যায় আয়ারল্যান্ড। শেষ ওভার পর্যন্ত গড়ায় খেলা। যেখানে পাকিস্তানের বোলারদের ব্যর্থ করে ১ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা।

ঘরের মাঠে সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল আয়ারল্যান্ড। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ আগামীকাল রবিবার ডাবলিনে একই মাঠে।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

পাকিস্তানঃ ১৮২/৬ (২০ ওভার); বাবর ৫৭, আইয়ুব ৪৫; ইয়ং ২-২৭, ডেলানি ১-১১।

আয়ারল্যান্ডঃ ১৮৩/৫ (১৯.৫ ওভার); বালবার্নে ৭৭, টেক্টর ৩৬; আব্বাস ২-৩৬, শাহিন ১-২৬।

ফলাফলঃ আয়ারল্যান্ড ৫ উইকেটে জয়ী।

প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচঃ অ্যান্ডি বালবার্নে।

;

জোড়া সেঞ্চুরিতে ভর করে চেন্নাইকে হারাল গুজরাট



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ম্যাচ হারলেই কাগজে-কলমের হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে চলতি আইপিএল থেকে ছিটকে যেতে হবে গুজরাট টাইটান্সকে, এমন সমীকরণ মাথায় নিয়েই চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল তারা। তবে নিজেদের দুই ওপেনারের দুটি সেঞ্চুরিতে ভর করে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে নিজেদের মাঠে চেন্নাইয়ের বিপক্ষে জয় তুলে নিল শুবমান গিলের দল।

আহমেদাবাদের মাঠে চেন্নাইয়ের বিপক্ষে ৩৫ রানের জয় পেয়েছে গুজরাট। এই জয়ের মাধ্যমে প্লে-অফে খেলার সম্ভাবনা এখনও টিকিয়ে রাখল তারা।

এদিন টসে হেরে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নামে স্বাগতিকরা। নিজেদের সেরা খেলাটাই যেন দেখান দুই ওপেনার শুবমান গিল ও সাই সুদর্শন। দুইজনের ব্যাট থেকেই আসে সেঞ্চুরি। ১৮তম ওভারে যেয়ে ভাঙ্গে ওপেনিং জুটি, স্কোরবোর্ডে রান তখন ২১০। নির্ধারিত ওভার শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৩১ রানে থামে তাদের ইনিংস।

জবাবে ব্যাট হাতে নেমে শুরুতেই বিশাল ধাক্কা খায় চেন্নাই। প্রথম তিন ওভারেই সাজঘরে ফেরত যান চেন্নাইয়ের টপ অর্ডারের তিন ব্যাটার। এরপর দলের হাল ধরেন ড্যারিল মিচেল ও মইন আলি। তবে তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টাও দলকে জয় এনে দিতে পারেনি। নির্ধারিত ওভার শেষে ১৯৬ রানেই থামতে হয় চেন্নাইকে।

এই জয়ের পর পয়েন্ট টেবিলের আটে অবস্থান করছে গুজরাট। ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট তাদের। অপরদিকে ১২ ম্যাচে ১২ পয়েন্টের সঙ্গে চেন্নাই আছে তিনে।

সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ

গুজরাটঃ ২৩১/৩ (২০ ওভার); গিল ১০৪, সুদর্শন ১০৩; দেশপান্ডে ২-৩৩, শার্দুল ০-২৫

চেন্নাইঃ ১৯৬/৮ (২০ ওভার); ড্যারিল ৬৩, মইন ৫৬; মোহিত ৩-৩১, রশিদ ২-৩৮

ফলাফলঃ গুজরাট ৩৫ রানে জয়ী

প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচঃ শুবমান গিল

;

টিভিতে যা দেখবেন আজ



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবলে (বিপিএল) আজ নামছে মোহামেডান ও বসুন্ধরা। এছাড়াও বিশ্ব ক্লাব ফুটবলে রয়েছে একাধিক ম্যাচ।


বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবল

মোহামেডান-বসুন্ধরা

বিকেল ৪টা, টি স্পোর্টস

আইপিএল

কলকাতা-মুম্বাই

রাত ৮টা, টি স্পোর্টস ও গাজী টিভি

বুন্দেসলিগা

কোলন-বার্লিন

সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট, সনি স্পোর্টস ২

মাইঞ্জ-ডর্টমুন্ড

রাত ১০টা ৩০ মিনিট, সনি স্পোর্টস ২

লা লিগা

মায়োর্কা-লাস পালমাস

সন্ধ্যা ৬টা, স্পোর্টস ১৮

ভিয়ারিয়াল-সেভিয়া

রাত ৮টা ১৫ মিনিট, স্পোর্টস ১৮

গ্রানাদা-রিয়াল মাদ্রিদ

রাত ১০টা ৩০ মিনিট, স্পোর্টস ১৮

বিলবাও-ওসাসুনা

রাত ১টা, স্পোর্টস ১৮

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ

ফুলহাম-ম্যান সিটি

বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১

টটেনহাম-বার্নলি

রাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১

নটিংহাম-চেলসি

রাত ১০টা ৩০ মিনিট, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১

এভারটন-শেফিল্ড

রাত ৮টা, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২

;

ব্যাটিং ধসের পর জয়ে স্বস্তি বাংলাদেশের



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নিজেদের ব্যাটিং ইনিংসে শেষ ৪২ রানে ১০ উইকেট হারিয়েও দিন শেষে হাসিমুখ বাংলাদেশের। কারণ ১৪৪ রানের মামুলি লক্ষ্য পেয়েও তালগোল পাকিয়েছে জিম্বাবুয়ে। হেরে গেছে ৫ রানে। তাতে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ।

মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে টস হেরে আগে ব্যাট করতে হয় নাজমুল হোসেন শান্তর দলকে। লিটন দাস ধারাবাহিক বাজে ফর্মের কারণে একাদশ থেকে ছিটকে গেছেন। তার জায়গা নেন সদ্য হাঁটুর চোট থেকে সেরে ওঠা সৌম্য সরকার।

তানজিদ তামিমের সঙ্গে সৌম্যর উদ্বোধনী জুটিতে ব্যাটিংয়ে সুদিন ফেরার স্বপ্ন দেখে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের বোলারদের ছাতু বানিয়ে যে ১১ ওভারে স্কোরবোর্ডে ১০০ রান জমা করেন তারা।  লুক জংওয়ের বল কাভারের উপর দিয়ে খেলতে গিয়ে পয়েন্টে জোনাথান ক্যাম্পবেলের ক্যাচ হন তানজিদ। ফেরার আগে ৩৭ বলে ৭ চার ও এক ছক্কায় ৫২ রান করেন।

একই বোলারের বল বোল্ড হয়ে ফেরা সৌম্যর রান ৩৪ বলে ৪১। বাংলাদেশ যখন বড় স্কোরের স্বপ্ন দেখছে তখনই আচমকা যেন মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। একই ওভারে দুই ওপেনারকে হারানোর পর শুরু হয় আসা যাওয়ার মিছিল।

আগের দুই ম্যাচের ম্যাচসেরা তাওহিদ হৃদয় ফেরেন ১২ রানে। ৩০০ দিন পর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ফেরা সাকিব করেন ১ রান। অধিনায়ক শান্তর ব্যাটে তো রানখরা চলছেই, ৭ বলে ২ রান করে সাজঘরের পথ ধরতে হয় তাকেও।

বিনা উইকেটে ১০১ রান করা দলটা ১৪৩ রানে যেতেই সব উইকেট হারিয়ে বসে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি হওয়ার দিনে ৩ উইকেট নেন পেসার লুক জংওয়ে।

কিন্তু ১৪৪ রানের সহজ লক্ষ্য পেয়েও জিম্বাবুয়ে চোখে সর্ষেফুল দেখেছে। কোনো রান তোলার আগেই হারিয়েছে ওপেনার ব্রায়ান বেনেটকে। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে। জোনাথান ক্যাম্পবেল বাদে দায়িত্ব নিয়ে খেলার যেন আগ্রহই ছিল না অন্য কোনো ব্যাটারের। শেষ পর্যন্ত দলীয় সর্বোচ্চ ৩১ রান করে ক্যাম্পবেল নিজেও একাকী লড়াইয়ে ক্ষান্ত দেন। শেষদিকে অবশ্য ৮ বলে ১৯* রানের ক্যামিও ইনিংসে জিম্বাবুয়েকে জয়ের খুব কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন ওয়েলিংটন মাসাকাদজা। তবে রোমাঞ্চকর শেষ ওভারে সাকিব দুই উইকেট তুলে নিলে ১৩৮ রানে জিম্বাবুয়ে।

বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট পান এই ম্যাচ দিয়ে একাদশে ফেরা সাকিব আল হাসান, তিন উইকেট ঝুলিতে পোরেন মুস্তাফিজ।

আগামী ১২ মে একই মাঠে সকাল ১০টায় পাঁচ ম্যাচ সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে।

;