টি-টোয়েন্টিতে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখার লক্ষ্য টাইগারদের



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আরও একবার সাফল্যে রঙিন হতে ‘কৌশলগত আক্রমাণত্মক’ ক্রিকেট অব্যাহত রাখার লক্ষ্য নিয়ে আজ (সোমবার) থেকে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করছে বাংলাদেশ।

দুপুর ২টায় শুরু হওয়া ম্যাচটি টি স্পোর্টস চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

সম্প্রতি প্রথম দুই ম্যাচ হেরে ২০১৬ সালের পর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ হারের পর টানা ছয় ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ। এসময় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে সিরিজ হোয়াইটওয়াশ এড়ায় টাইগাররা। এরপর তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ইংলিশদের হোয়াইটওয়াশ করে বাংলাদেশ। সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেথে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতে নেয় স্বাগতিকরা। সিরিজ জয়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রতি ম্যাচেই নতুন-নতুন রেকর্ডের জন্ম দিয়েছে টাইগাররা।

বাংলাদেশ ক্রিকেটে একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে, বিশেষভাবে সাম্প্রতিক সময়ে তারা যেভাবে খেলছে তা নতুন সূচনার ইঙ্গিত দেয়। কিন্তু প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের মতে, এ সবকিছুই সম্ভব হয়েছে ‘কৌশলগত আক্রমণাত্মক’ ক্রিকেটের জন্য। যা ক্রিকেটারদের সাফল্যের জন্য ক্ষুধার্ত করে তুলেছিল ও যা তাদের পারফরমেন্স প্রদর্শনে বড় ভূমিকা রাখে।

হাথুরুসিংহে বলেন, আমার কাছে এটিকে নতুন যুগ বলে মনে হয় না। আমরা মূলত জয়ের লক্ষ্যে এভাবেই খেলতে চেয়েছি। আমরা আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলি না। আক্রমণাত্মক বলতে এমন নয় যে আমরা খেলতে নামবো আর যতটা সম্ভব জোড়ে মারবো।

তিনি আরও বলেন, আক্রমণাত্মক বলতে সার্বিকভাবে বিষয়টিকে বোঝানো হয়েছে। আমাদের ফিল্ড প্লেসিং, আমাদের শারীরিক ভাষা, আমাদের ফিল্ডিং, ব্যাটিং নির্বাচন আক্রমণাত্মক হওয়া উচিত। কৌশলগতভাবে আমরা আক্রমণাত্মক হচ্ছি। আমরা আমাদের নিজেদের সেরাটা উজার করে খেলতে চাই। আমি মনে করি, আক্রমণাত্মক এবং স্বাধীনতার সাথে খেললে এই দলটি সবসময়ই ভাল করবে।

হাথুরুসিংহে স্পষ্ট করে বলেছেন, খেলোয়াড়দের মানসিক নিরাপত্তা তাদের সাফল্যের জন্য ক্ষুধার্ত করে তোলে।

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে অতীত ও সাম্প্রতিক সাফল্যের বিচারে টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রতিপক্ষকে বাংলাদেশ হোয়াইটওয়াশ করবে বলেই ধারনা করা হচ্ছে। এই ফরম্যাটে এখন পর্যন্ত পাঁচটি ম্যাচ খেলেছে দু’দল। সর্বশেষ ২০১৬ সালে দেখা হয়। ২০০৯ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম দেখায় জিতেছিলো আয়ারল্যান্ড। পরবর্তীতে ২০১২ সালে আয়ারল্যান্ডের মাটিতে তিন ম্যাচের সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জিতেছিলো বাংলাদেশ। ২০১৬ সালে ধর্মশালায় বিশ্বকাপে মঞ্চে বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ডের ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেস্তে যায়।

বাংলাদেশ দল

সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), লিটন দাস, রনি তালুকদার, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, শামীম হোসেন, মেহেদি হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, হাসান মাহমুদ, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, রিশাদ হোসেন ও জাকের আলী অনিক।

আয়ারল্যান্ড দল

অ্যান্ড্রু বলবির্নি (অধিনায়ক), মার্ক অ্যাডায়ার, রস অ্যাডায়ার, কার্টিস ক্যাম্পার, গ্যারেথ ডেলানি, জর্জ ডকরেল, গ্রাহাম হুম, ম্যাথিউ হামফ্রেস, ব্যারি ম্যাকার্থি, কনর অলফার্ট, পল স্টার্লিং, হ্যারি টেক্টর, লরকান টাকার, বেন হোয়াইট ও ক্রেইগ ইয়ং।

   

ব্যাটিং ব্যর্থতায় বাংলাদেশ শেষ ১০৬ রানে

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ম্যাচটা বাংলাদেশের জন্য ডু অর ডাই। নেপালের জন্যও ঠিক তাও। এই ম্যাচের দিকে তাকিয়ে আছে ওদিকে নেদারল্যান্ডসও। সেই ম্যাচে জিতে ঈদের খুশিটা দ্বিগুণ করতে চান, আগের ম্যাচ জিতিয়ে সাকিব আল হাসান বলেছিলেন এ কথা। কিন্তু বাংলাদেশ আর তা পারছে কই?

সেন্ট ভিনসেন্টের আর্নস ভেল স্টেডিয়ামে নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশ ব্যাটিং ব্যর্থতার কবলে পড়েছে আজ। অল আউট হয়েছে ১০৬ রান তুলে। 

নেপালের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করতে নেমেছিল বাংলাদেশ। পাওয়ারপ্লেতেই নেই হয়ে গিয়েছিল ৪ উইকেট। তার ওপর স্কোরবোর্ডে জমা পড়েছিল স্রেফ ৩০ রান। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে দিয়ে শুরু, এরপর তানজিদ হাসান তামিম, লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়রাও ব্যাট হাতে দলকে ভরসা দিতে পারেননি। 

পাওয়ারপ্লের পর মাহমুদউল্লাহর রানআউট আর সাকিব আল হাসান এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরলে বাংলাদেশ পড়ে ঘোর বিপদে। এরপর তানজিম সাকিব আর জাকের আলীও বিদায় নিলে তিন অঙ্কে যাওয়া নিয়েও জাগে শঙ্কা। সেখান থেকে তাসকিন আহমেদ আর রিশাদ হোসেনের ৭ বলে ১৫ রানের দুটো ক্যামিওতে ভর করে বাংলাদেশ ইনিংস শেষ করে ১০৬ রান তুলে।  

;

টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠাল নেপাল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নেপালের বিপক্ষে আজ ঈদ উল আজহার দিনে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে টসে জিততে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। টস ভাগ্যটা গেছে নেপাল অধিনায়ক রোহিত পোড়েলের সঙ্গে। তিনি নিয়েছেন টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত।
নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের ডু অর ডাই ম্যাচ আজ। জিতলেই সুপার এইট নিশ্চিত। হারলে নিজেদের ভাগ্য ঝুলে যাবে আরও এক ঘণ্টার জন্য।
নিজেদের আগের ম্যাচে বাংলাদেশ যে একাদশ নিয়ে নেমেছিল মাঠে, তাদের ওপরই ভরসা রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। কোনো পরিবর্তন আসেনি একাদশে। ফলে টানা তিন ম্যাচে একই একাদশ নিয়ে খেলছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ একাদশ–
তানজিদ হাসান তামিম, লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), তাওহিদ হৃদয়, সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ, জাকের আলী অনিক, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও তানজিম হাসান সাকিব।

;

জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শেষ পাকিস্তানের

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বকাপে নিজেদের সবশেষ ম্যাচে জয় পাক, সেটা হয়তো চেয়েছিলেন পাকিস্তানের সবাই। কিন্তু এভাবে হোক, তা নিশ্চয়ই কেউ চাননি! দুই গ্রুপের বৈতরণী পার হয়ে গেলে জয় দিয়ে শেষ করার সুযোগ তো একমাত্র চ্যাম্পিয়ন দলেরই থাকে! কিন্তু বাবর আজমের দল হলো তার ঠিক উল্টোটা। বনে গেল গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়া ১২ দলের একটা। শেষ ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের ৩ উইকেটের জয়টাকে তাই সান্ত্বনার জয় ছাড়া আর কিছুই বলা যাচ্ছে না।
পাকিস্তানের শুরুটা অবশ্য দুর্দান্ত হয়েছিল। দ্বিতীয় ওভারেই পাকিস্তান তুলে নিয়েছিল আইরিশদের ৩ উইকেট, দলের রান ছিল তখন মোটে ৪। এরপর শীর্ষ পাঁচ ব্যাটারের কেউই ২ অঙ্কে যেতে পারেননি। তবু আয়ারল্যান্ড ১০৬ পর্যন্ত গেছে গ্যারেথ ডেলানির ১৯ বলে ৩১ আর জশ লিটলের ২২ রানে ভর করে।
জবাবে পাকিস্তান শুরু করেছিল ভালোই। তবে পঞ্চাশ পেরোনোর পরই দশ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট খুইয়ে কাঁপতে থাকে বাবর আজমের দল। সেখান থেকে দলকে রক্ষা করলেন বাবর নিজেই। ৩২ রানের অপরাজিত ইনিংসটা হয়তো তার সেরা নয়, কিন্তু পরিস্থিতি বিচারে তিনি একে মনে রাখবেন অনেক দিন। শেষ দিকে পরিস্থিতিটা আরও কঠিন হতে দেননি শাহিন আফ্রিদি। দুই ছক্কায় ম্যাচটা শেষ করেন ৭ বল বাকি থাকতেই।
আইরিশদেরও বিশ্বকাপ বহু আগে শেষ হয়ে গিয়েছিল। পাকিস্তান নিজেদের অন্তত এই বলে সান্ত্বনা দিতে পারে যে, তারা তো শেষ ম্যাচে জয় পেয়েছে, আইরিশরা যে এই সান্ত্বনাটাও নিজেদের দিতে পারছে না!

;

সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ম্যাথিউস

  ক্রিকেট কার্নিভাল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে শ্রীলঙ্কার। গ্রুপপর্ব থেকে বাদ পড়ায় বেশ হতাশ হয়েছেন দলের খেলোয়াড়, ম্যানেজমেন্ট এবং সমর্থকরাও। এমন পরিস্থিতিতে দেশবাসি ও লঙ্কান ক্রিকেট দলের ভক্তদের কাছে ক্ষমা চাইলেন দলের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস।

ম্যাথিউস বলেন, ‘আমরা পুরো দেশকে হতাশ করেছি। আমরা সত্যিই দুঃখিত কারণ আমরা নিজেদেরকেও হতাশ করেছি। আমরা কখনও এমনটা আশা করিনি। আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে সেগুলো দুর্ভাবনার কিছু নয়। এটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে আমরা দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে পারিনি।’

সোমবার সকাল সাড়ে ৬টায় নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে গ্রুপপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলতে মাঠে নামবে শ্রীলঙ্কা। ডাচরা যথেষ্ট শক্তিশালী দল কারণ তারা দক্ষিণ আফ্রিকা ও বাংলাদেশের বিপক্ষে ভালো পারফর্ম করেছে। তাই তাদেরকে গুরুত্বের সঙ্গেই দেখছেন ম্যাথিউস।

লঙ্কান এই অলরাউন্ডার বলেছেন, ‘আমরা কোনো দলকে হালকাভাবে নিতে পারি না। নেপাল কীভাবে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে দিচ্ছিল আমরা দেখেছি। এটি দুর্ভাগ্যজনক যে নেপালের বিপক্ষে আমাদের ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেসে গেছে। তবে যা হওয়ার হয়ে গেছে। টুর্নামেন্টে আমাদের আর একটি ম্যাচ বাকি। আমরা নিজেদের সম্মানের জন্য খেলব।’

বেশ দুঃখ নিয়েই ম্যাথিউস শেষে বলেন, ‘নিজেদের প্রতি সুবিচার করতে পারিনি আমরা। বিশেষ করে প্রথম দুই ম্যাচ যেভাবে খেলেছি, খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা হতাশ। নিজেদের মধ্যে আমরা অনেক কষ্ট পাচ্ছি। আগামীকাল নতুন দিন এবং নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে আমাদের খেলতে হবে। তারা খুব, খুব বিপজ্জনক দল। তাই আমরা ভালো খেলে তাদের হারাতে চাই।’

;