ডলার খুইয়ে ক্ষতিপূরণ পেলেন কৃষ্ণা-শামসুন্নাহার-সানজিদা



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ক্ষতিপূরণ পাওয়া ফুটবলারদের মাঝে মাহফুজা আক্তার কিরণ

ক্ষতিপূরণ পাওয়া ফুটবলারদের মাঝে মাহফুজা আক্তার কিরণ

  • Font increase
  • Font Decrease

ঐতিহাসিক সাফ ট্রফি জিতে দেশে ফিরেই মন খারাপ হয়েছিল কৃষ্ণা-শামসুন্নাহার-সানজিদাদের। তাদের ব্যাগ থেকে চুরি হয়ে যায় ডলার। অবশেষে ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন ত্রয়ী এ তারকা ফুটবলার।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশেনের নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ এই তিন মেয়ে ফুটবলারকে ক্ষতিপূরণ দিয়েছেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে।

৪০০ ডলার হারিয়ে শামসুন্নাহার পেয়েছেন ১ লাখ টাকা। কৃষ্ণা রানী সরকারের ব্যাগ থেকে চুরি হয়েছিল ৯০০ ডলার ও ৫০ হাজার টাকা। এর মধ্যে ৪০০ ডলার ছিল সানজিদা খাতুনের।

কৃষ্ণা পেয়েছেন দেড় লাখ টাকা। আইফোন কেনার জন্য জমানো ৪০০ ডলারের বদলে সানজিদাকে আইফোন থার্টিন প্রো-ম্যাক্স উপহার দিয়েছেন কিরণ।

শক্তিশালী বেলজিয়ামকে হারিয়ে দিল মরক্কো

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কাতার বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট ও শক্তিশালী দল বেলজিয়ামকে ২-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছে মরক্কো। খেলার শুরুর প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য বিস্তার খেলেছে মরক্কো ।

বেলজিয়ামের এডেন হ্যাজার্ড, কেভিন ডি ব্রুইনদের নিয়ে গড়া দল বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়ে থাকলেও আক্রমণের দিক দিয়ে এগিয়ে ছিল হাকিম জিয়েচদের মরক্কো। আক্রমণের পর আক্রমণ করে গোটা ম্যাচই জমিয়ে রেখেছিল মরক্কানরা। ম্যাচের প্রথম মিনিটেই বল নিয়ে ডান দিক থেকে আক্রমণে ওঠেন হাকিম জিয়েচ। ডান দিক থেকে ডি বক্সে ক্রস করলেও সেই বল রুখে দেন থিবো কোর্তোয়া। এরপর পাল্টা আক্রমণে যায় বেলজিয়াম। ম্যাচের পাঁচ মিনিটের সময় বল পেয়ে গোলমুখে শট করেন মিসু বাতসুইয়াই। তবে তার শট রুখে দেন মরক্কোর গোলরক্ষক।

এরপর বলের পায়ে ধরে রেখে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে বেলজিয়াম। এরপর বেশ কয়েকটি আক্রমণ করে বেলজিয়াম তবে সুবিধা করতে পারেনি তারা।

প্রথমার্ধের শেষ সময়ে এসে ফ্রি কিক থেকে আসা বল মাথা ছুঁইয়ে জালে জড়ান হাকিম জিয়েচ। তবে অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। ফলে প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্যতে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই দুই দলই গোলের জন্য মরিয়া হয়ে খেলতে শুরু করে। প্রথম সুযোগ পায় মরক্কো। ৫৬তম মিনিটে ডান দিক থেকে আক্রমণে উঠে ফরোয়ার্ড সুফিয়ান বোফালে দারুণ শট নেন কিন্তু তার শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এর মিনিট আটেক পর আবারও আক্রমণে যায় মর্কো তবে এবারও ব্যর্থ হয় তারা।

তবে এরপর আর বেশি সময় গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয়নি মরক্কানদের। ম্যাচের ৭৩তম মিনিটে বেলজিয়ামের ডি বক্সের ডান দিকে ফ্রি-কিক পায় মরক্কো। সেখান থেকে ফ্রি-কিকে সরাসরি গোল করেন আব্দেলহামিদ সাবিরি। পিছিয়ে পড়ে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে বেলজিয়াম। বেশ কয়েকটি আক্রমণও করে তারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর গোলের দেখা পায়নি ইউরোপিয়ান জায়ান্টরা।

উল্টো ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষে যোগ করা অতিরিক্ত সময়ে এসে দ্বিতীয় গোল হজম করে বেলজিয়াম।

এই জয়ের পর গ্রুপ এফ-এ এখন শীর্ষে চল এল মরক্কো। ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট তাদের ঝুলিতে। দুয়ে থাকা বেলজিয়ামের ঝুলিতে ২ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট। তিনে ক্রোয়েশিয়া (১ ম্যাচে ১)। কানাডা এক ম্যাচ খেলেও খুলতে পারেনি খাতা। চলতি বিশ্বকাপে ইউরোপের দলগুলোকে কখনও এশিয়া তো কখনও আফ্রিকার দলগুলো চমকে দিচ্ছে।

;

কোস্টারিকার বিপক্ষে হারল জাপান

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
কোস্টারিকার বিপক্ষে হারল জাপান

কোস্টারিকার বিপক্ষে হারল জাপান

  • Font increase
  • Font Decrease

সাবেক চ্যাম্পিয়ন স্পেনের কাছে ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত হওয়া সেই কোস্টারিকা দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ালো দ্বিতীয় ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে। অথচ এই জাপান নিজেদের প্রথম ম্যাচে ২-১ গোলে হারিয়ে ছিল জার্মানিকে।

রোববার কাতারের আহমেদ বিন আলি স্টেডিয়ামে কোস্টারিকা ১-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছে এশিয়ার অন্যতম পরাশক্তি জাপানকে। প্রথমার্ধ গোলশূন্যভাবে শেষ হওয়া ম্যাচের একমাত্র গোলটি হয়েছে ৮১ মিনিটে। কোস্টারিকার জয়সূচক গোলটি করেছেন কেইশার ফুলার।

জার্মানিকে হারিয়ে চমক দেখানো জাপান প্রথমার্ধে একটু এলোমেলো ফুটবল খেললেও দ্বিতীয়ার্ধে কোস্টারিকাকে বেশ চেপেই ধরেছিল। বল পজেশনে এগিয়ে থাকা দলটি বেশ কয়েকবার হানা দেয় কোস্টারিকার রক্ষণে; কিন্তু উল্টো ম্যাচের ধারার বিপরীতে গোল খেয়ে বসে তারা।

ইয়ালিস্টিন তাজেদার পাস ধরে বক্সের বাইরে থেকে একটু সামনে চলে আসা জাপানি গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে শট নেন কেইশার ফুলার। প্রায় ২০ গজ দুর থেকে নেওয়া সেই শটে হাত লাগিয়েছিলেন জাপানি গোলরক্ষক; কিন্তু বলটি তিনি থামাতে পারেনি । জাপানকে হতাশ করে বল জড়িয়ে যায় তাদের জালে।

৮৮ মিনিটে সমতায় ফেরার ভাল একটা সুযোগ পেয়েছিল জাপান। গোলমুখে জটলা তৈরি হলে খুব কাছ থেকে শট নিয়েছিলেন তাকুমা আসানো। কিন্তু বল কোস্টারিকান গোলরক্ষক কেইলর নাভাসের গায়ে লেগে ফিরে এলে শেষ সুযোগটি হারায় জাপান।

দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় কিছুটা প্রাণ থাকলেও প্রথমার্ধ ছিল ম্যাড়মেড়ে। গোল দিতে না পারি খাওয়া যাবে না- জাপান ও কোস্টারিকা যেন এই মন্ত্র নিয়েই মাঠে নেমেছিল। গোল হতে পারে- প্রতিপক্ষের রক্ষণে সেভাবে তেমন কোনো হানাই দিতে পারেনি কোন দল। অর্থ্যাৎ, গোল হওয়ার মত কোনো আক্রমণই করতে পারেনি কেউ।

দুই ম্যাচে কোস্টারিকা ও জাপানের পয়েন্ট ৩ করে। জাপান শেষ ম্যাচ খেলবে স্পেনের বিপক্ষে এবং কোস্টারিকার শেষ ম্যাচ জার্মানির বিপক্ষে।

;

মেসির গোলে বিশ্বকাপে টিকে রইল বাংলাদেশও!

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



কবির য়াহমদ
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

লিওনেল মেসির চমৎকার গোল ও একটা গোলে সহায়তায় বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা প্রথম ম্যাচ জিতেছে। মেক্সিকোর বিপক্ষে দলটির এই জয় তাদেরকে টিকিয়ে রেখেছে বিশ্বকাপে।

কেবল কি আর্জেন্টিনাকে টিকিয়ে রাখল এই গোল? না, আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের পাশাপাশি বাংলাদেশের অগণন ফুটবলপ্রেমিকেও বিশ্বকাপে টিকিয়ে রেখেছে এই গোল। আর্জেন্টিনার এই জয় না এলে বাংলাদেশের প্রায় অর্ধেকের বিশ্বকাপই শেষ হয়ে যেত অঘ্রাণের এই মধ্যরাতে। বাংলাদেশের অর্ধেক কিংবা তর্কসাপেক্ষে তারচেয়ে বেশি মানুষকে বিশ্বকাপে টিকিয়ে রাখতে লিওনেল মেসি ধন্যবাদ পেতেই পারেন।

এ ম্যাচের মাধ্যমে মেসি আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার বিশ্বকাপ রেকর্ডের সঙ্গে নিজের নাম যুক্ত করেছেন। ম্যারাডোনা বিশ্বকাপে খেলেছেন দেশটির পক্ষে সর্বোচ্চ ম্যাচ, ২১টি; মেসিও একই। এই ম্যাচগুলো থেকে ম্যারাডোনা গোল করেছেন ৮টি, মেসিরও গোল সংখ্যা একই। তাকে অভিনন্দন।

আর্জেন্টিনার জয়ে বাংলাদেশের জায়গায়-জায়গায় দলটির সমর্থকেরা মিছিল করেছে। তাদের এই মিছিলে আবেগ আছে, নিবেদন আছে এবং আছে নির্মোহ ভালোবাসা। তাদের এই আবেগকে সম্মান। এই আবেগের কারণে বিশ্বকাপ এলে থমকে যায় সবকিছু। কোটি চোখের দৃষ্টি নিবদ্ধ হয় টেলিভিশনে। এই খেলাপাগল মানুষেরা কোনো প্রাপ্তির আশা করে না। হৃদয়ের ডাকে তারা একেকটা দল সমর্থন করে। হৃদয় নিংড়ানো সেই ভালোবাসার কাছে বাকি সব তুচ্ছ। আর্জেন্টিনা সমর্থকেরাই কেবল নয়, একইভাবে আবেগী ব্রাজিল সমর্থকেরাও। তারাও প্রতি জয় উদযাপন করে।

কাতার বিশ্বকাপে সৌদি আরবের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত হারে বিশ্বকাপ শুরু হয়েছিল আর্জেন্টিনার। সে হারে মনোবল ঠেকেছিল তলানিতে। মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকেই সেটা ছিল স্পষ্ট। এলোমেলো আর অনেকটাই উদ্দেশ্যহীন প্রথমার্ধ যেন বুঝিয়ে দিচ্ছিল চাপ সামলে নেওয়ার অক্ষমতার বিষয়টি। যদিও দ্বিতীয়ার্ধে ছিল অন্য ইঙ্গিত, অন্য পরিকল্পনা, এবং ফলাফল। তবু নির্বিষ প্রথমার্ধ অন্তত আর্জেন্টিনার নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেনি।

ফুটবল গোলের খেলা। শেষ পর্যন্ত গোলই সাফল্য-ব্যর্থতার নির্ণায়ক। দুই গোলে জিতেছে আর্জেন্টিনা। এটাই স্বস্তির, এটাই আনন্দের। এখানে যেখানে পরিকল্পিত এবং শৈল্পিক ফুটবলের আকাঙ্ক্ষা দর্শকের সেখানে কতটা তার বাস্তবায়ন সে হিসেব গৌণ হয়ে যায়।

বিশ্বকাপ জয়ের আকাঙ্ক্ষায় কাতারে এসে গ্রুপ পর্যায়ের ম্যাচ শেষের আগেই আর্জেন্টিনা পড়ে গেছে খাদের কিনারে। মেক্সিকোর বিপক্ষে এই জয় তাদেরকে দিয়েছে অক্সিজেন। এখন আশা আছে নকআউট পর্বে উন্নীত হওয়ার। শেষ ম্যাচটা ইউরোপের দেশ পোল্যান্ডের বিপক্ষে জিতলেই রাউন্ড অব সিক্সটিন।

ব্যক্তিগতভাবে আমি ব্রাজিল ফুটবল ভক্ত। ফুটবলে আর্জেন্টিনা আমাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। যদিও ঐতিহ্যে-অর্জনে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার অনেক তফাৎ, তবু ফুটবল-বাণিজ্য আর তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা আমাদেরকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। আমরা মুখোমুখি হই, একে অন্যের ব্যর্থতা কামনা করে নিজেদের সাফল্যের ছক কষি। এই ছক যদিও কার্যকর কিছু নয়, তবু আনন্দের জন্যে; নিজের সঙ্গে নিজের খেলার জন্যে। বিশ্বকাপ ফুটবলে বিনোদনের যে সকল উপকরণ সেগুলো থেকে কীভাবে নিজেদের বিযুক্ত রাখি; তাই এত আয়োজন!

মাঠের খেলায় যেখানে আমাদের কোন যোগ নেই, সেখানে আমরা খেলি সামাজিক মাধ্যমে। প্রতিপক্ষকে হাসিঠাট্টায় পরাস্ত করতে চাই, প্রতিপক্ষও একইভাবে। এখানে যেখানে নেই কোন রেফারি সেখানে আমরা নিজেরাই প্রতিযোগী, নিজেরাই রেফারি। এটা আনন্দের জন্যে, স্রেফ বিনোদনের জন্যে। এই বিনোদনই আমাদের প্রাপ্তি।

চার বছর অপেক্ষার পর আসে বিশ্বকাপ ফুটবল। বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে আমরা দল-উপদলে বিভক্ত হলেও প্রকৃত অর্থে দূরে যাই না। খেলার সৌন্দর্য এখানেই। জয়ে আনন্দিত হই, পরাজয়ে হই ব্যথিত। আমাদের এই আনন্দ-বেদনার কাব্য ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা পর্যন্ত পৌঁছায় না, পৌঁছাবে না জেনে আমরা নিজেদের ব্যস্ত রাখি। ফুটবলের বৈশ্বিক আসরে নানা ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্য আছে জেনেও আমরা নিজেদের যুক্ত করি। বিনোদনের জন্যে, স্রেফ বিনোদনের জন্যে।

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নাকি অন্য কেউ, কার হাতে উঠবে শিরোপা; এটা আমরা জানি না। তবে জানি এই বিশ্বকাপ আমাদের অনেককে হাসাবে, অনেককে কাঁদাবে। সচরাচর এমনই হয়। ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা আমাদের প্রতিবেশী নয়, তবে তাদের ফুটবল প্রতিবেশীর চাইতে বেশি কিছু বানিয়েছে। স্বজন বানিয়েছে, বানিয়েছে শুভাকাঙ্ক্ষী।

বিশ্বকাপের প্রতি মুহূর্তই হোক উপভোগের। আমরা ফুটবলকে উপভোগ করতে শিখেছি, উপভোগ করে যেতে চাই; আমৃত্যু।

;

বিশ্বকাপের স্বপ্ন জিইয়ে রাখলো আর্জেন্টিনা

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বিশ্বকাপের স্বপ্ন জিইয়ে রাখলো আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপের স্বপ্ন জিইয়ে রাখলো আর্জেন্টিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

বাচা-মরার লড়াইয়ে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে হারিয়ে টিকে থাকলো টুর্নামেন্টের হট ফেভারিট আর্জেন্টিনা। লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে মেক্সিকোর বিপক্ষে অগ্নিপরীক্ষায় নামে আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধ শেষে গোল করতে ব্যর্থ হয় মেসি-ডি মারিয়ারা। তবে বিরতি থেকে ফিরে জোড়া গোলের দেখা পায় আর্জেন্টিনা।

লুসাইল স্টেডিয়ামে শনিবার ‘সি’ গ্রুপের ম্যাচের ২-০ গোলে জিতেছে লিওনেল স্কালোনির দল।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্নক ফুটবল খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই অ্যাটাকে যায় তারা। তবে সেখান থেকে কোন বিপদ ঘটে না। অন্যদিকে কাউন্টার অ্যাটাক নির্ভর খেলতে থাকে মেক্সিকো।

ম্যাচের ৩১ মিনিটে কর্নার আদায় করে আর্জেন্টিনা। সেই কর্নার কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় আর্জেন্টিনা। ডান প্রান্তে ডি পলকে ফাউল করলে ফ্রি কিক পায় আর্জেন্টিনা। মেসির নেওয়া সেই ফ্রি কিক থেকে ঠেকিয়ে দেন মেক্সিকোর গোলরক্ষক গুইলের্মো ওচোয়া। ম্যাচের ৩৭ মিনিটে আক্রমণে গেলেও তার পূর্ণতা দিতে পারেনি আর্জেন্টিনা।


এরপর কিছু আক্রমণ চালালেও তা থেকে গোল বের করতে ব্যর্থ হয় দু'দল। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য থেকে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা ও মেক্সিকো।

বিরতি থেকে ফিরে গোলের আশায় মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে দু'দল। ম্যাচের ৫০ মিনিটে ডি বক্সের বাইরে মেসিকে ফাউল করার কারণে হলুদ কার্ড দেখেন গুতেরেজ। মেসির নেওয়া ফ্রি কিক চলে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে। ম্যাচের ৫০ মিনিট পেরিয়ে গেলেও গোলশূন্য থাকে দু'দল। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে ডান দিক থেকে ডি মারিয়ার বাড়ানো বলে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হয় আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকাররা।

এরপর থেকে আক্রমণে ধার বাড়ায় আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৫৯ মিনিটে ফ্রি কিক পায় মেক্সিকো। সেই ফ্রি কিক থেকে বিপদের সম্ভাবনা তৈরী হলেও তা ক্লিয়ার করে দেয় আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডাররা।


ম্যাচের ৬৪ মিনিটে গোলের দেখা পায় আর্জেন্টিনা। ডি বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ান লিওনেল মেসি। তার গোলে ম্যাচে লিড পায় আর্জেন্টিনা। পিছিয়ে পড়ে গোল শোধে মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে মেক্সিকো। অন্যদিকে সমান তালে আক্রমণ করতে থাকে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের ৮৭ মিনিটে কর্নার আদায় করে আর্জেন্টিনা। সেখান থেকে ম্যাচের ৮৭ মিনিটে আবারও গোলের দেখা পায় আর্জেন্টিনা। ডি বক্সের সামান্য ভেতর থেকে অসাধারণ শটে বল জালে জড়ান এন্দ্রো ফার্নান্দেজ। এই গোলের সুবাদে দুই গোলের লিড পায় আর্জেন্টিনা। সেইসঙ্গে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় মেক্সিকো।

এরপর বেশ কিছু আক্রমণ করলেও গোল পেতে ব্যর্থ হয় দু'দল। শেষ পর্যন্ত আর কোন গোল না হলে ২-০ গোলের ব্যবধানে জিতে বিশ্বকাপের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখলো আর্জেন্টিনা। 

;