নির্বাচনে অনড় থাকায় বিএনপি থেকে মনির মৃধাকে বহিষ্কার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, পটুয়াখালী
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে অংশগ্রহণ করার অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনির রহমান মৃধাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রোববার (২১ এপ্রিল) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কেন্দ্রীয় সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে পটুয়াখালী জেলাধীন সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনির রহমানকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি'র প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সদ্য বহিষ্কৃত নেতা মনির রহমান মৃধা পটুয়াখালী সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি বর্তমানে একই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির বড় একটি কর্মী সমর্থনরা তার পক্ষে নির্বাচনী মাঠে নেমেছিলেন। দলীয় সিদ্ধান্তে গতকাল রাতেই নড়েচড়ে বসেছে তারা।

এ বিষয়ে মনির রহমান মৃধা বলেন, রিটায়ার্ড এর বয়স হইছে তাই আমাকে রিটায়ার্ডে পাঠাইছে। বহিষ্কারের কোনো প্রভাব নির্বাচনী মাঠে পড়বে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিএনপির কোনো প্রভাব কমলাপুরে পড়বে না। এখানে বিএনপি না করলে তারা জিতে বেশি। বিএনপি করলে আরও ঠকে, বিএনপি না করলে আজীবন চেয়ারম্যান থাকতাম।

জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য এড. মুজিবুর রহমান টোটন বলেন, মনির রহমান মৃধা দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছে। এজন্য কেন্দ্রীয় কমিটি তাকে বহিষ্কার করেছে। সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী যিনি আছে তিনি ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন।

উল্লেখ, আগামী (২৮ এপ্রিল) পটুয়াখালী সদর উপজেলার ৫ নং কমলাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনির রহমান মৃধা আনারস মার্কা প্রতীক নিয়ে লড়বেন।

   

ধর্মের নামে ব্যবসা চলবে না: ওলামা লীগকে কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ধর্মের নামে ব্যবসা চলবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (২০ মে) দুপুরে গুলিস্তান ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ওলামা লীগের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ওলামা লীগে চাঁদাবাজের স্থান নেই। ধর্মের নামে ব্যবসা চলবে না। আওয়ামী লীগের সাথে কাজ করতে হলে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা জাতির পিতার আদর্শ মেনে চলতে হবে। শেখ হাসিনার সৎ রাজনীতিকে অনুসরণ করতে হবে। ফ্রি স্টাইলে যা খুশি বলবেন এই রকম লোকের আমাদের দরকার নেই।

কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা আমাদের পবিত্র ধর্ম ইসলামের জন্য এবং এর বিকাশে যে অবদান রেখেছেন, যে সব প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন বাংলাদেশে অন্য কোন শাসক কিছুই করেননি সে তুলনায়।

ওলামা লীগের ইতিহাস আমাদের জন্য খুব সুখকর নয় বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, অতীতে যা দেখেছি কার সঙ্গে কারো মিল নাই। নেতায় নেতায় বিবেদ। দলের আদর্শ পরিপন্থী সাম্প্রদায়িক বক্তব্য দিতে দেখছি অনেককে। আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কেউ উচ্চারণ করবে সেটা আমি আশা করি না। নেতায় নেতায় বিবেদ আর চাই না। সত্যিকারের ওলামা দিয়ে সংগঠন করতে হবে। কোন টাউট বাটপার যেনো অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি বলেন, যেখানে সম্মেলন সেখানেই কমিটি করতে হবে। দেরি হলে কলহ বাড়ে, মতবেদ বাড়ে। শেষ পর্যন্ত সে কমিটি অনিশ্চয়তায় পড়ে যায়। আমাদের দলের শৃঙ্খলা মেনে ওলামা লীগ করতে হবে। দল বিরোধী কোন কাজ করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা থেকে কেউ রেহায় পাবে না।

দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী ওলামা লীগের সভাপতি মাওলানা কে এম আব্দুল মমিন সিরাজী ও সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল হক। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল মোস্তফা প্রমুখ।

;

বিএনপির হাত থেকে ইসলামকে রক্ষা করতে হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির হাত থেকে ইসলামকে রক্ষা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

সোমবার (২০ মে) দুপুরে গুলিস্তান ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ওলামা লীগের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

বিএনপির সমালোচনা করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ইসলামের কথা বলে অথচ গাজায় ইসরাইলের হামলার বিরুদ্ধে কথা বলে না। তারা ইসরাইলের দোসরে পরিণত হয়েছে। বিএনপির হাত থেকে ইসলামকে রক্ষা করতে হবে। ওলামা লীগকে বলবো ইসলামের জন্য কাজ করতে হবে।

আলেমদের শতবর্ষের দাবি ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, ইজতেমার মাঠ আওয়ামী লীগ দিয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, বিএনপি আলেমদের জন্য কিছু করে নাই, শুধু ব্যবহার করেছে। শেখ হাসিনা সরকার আলেমদের ব্যবহার করে না বরং তাদের জন্য কাজ করে।

তিনি বলেন, এই দেশে আলেমদের জন্য শেখ হাসিনা যা করেছেন বঙ্গবন্ধুর পরে আর কোন সরকার তা করে নাই। বায়তুল মোকাররম মসজিদের কোন মিনার ছিলো না, প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগ গ্রহণ করে কাজ শুরু করেন।

কোন আলেম-ওলামা দাবি না করা সত্ত্বেও এক লাখ বিশ হাজার মসজিদভিত্তিক মক্তব প্রতিষ্ঠা করেছে আওয়ামী লীগ সরকার জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি উপজেলায় মসজিদভিত্তিক মাদরাসা স্থাপন করেছেন যেখানে শিক্ষকরা সাড়ে ১২ হাজার করে ভাতা পান। প্রতিটি উপজেলা, জেলায় দৃষ্টি নন্দন মসজিদ বাইরে তাকালে চোখ জুড়িয়ে যায়, ভিতরে গেলেও চোখ জুড়ে যায়।

ওলামা লীগের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী ওলামা লীগের সভাপতি মাওলানা কে এম আব্দুল মমিন সিরাজী ও সঞ্চালনা করে সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল হক। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল মোস্তফা প্রমুখ।

;

দেশটা এখন মগের মুল্লুক : মির্জা ফখরুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলটির আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক কমিটির সদস্য ইশরাক হোসেনকে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘দেশটা এখন মগের মুল্লুকে পরিণত হয়েছে।’

রবিবার (১৯ মে) বিএনপির পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

পল্টন থানায় করা মামলায় ইশরাক হোসেনকে রবিবার কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। ইশরাককে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন মির্জা ফখরুল।

তিনি অভিযোগ করেন, ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকারী আওয়ামী লীগ ক্ষমতা ধরে রাখতে প্রতিদিনই বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতা–কর্মীদের ওপর নানা কায়দায় নির্যাতন–নিপীড়ন শুরু করেছে। মিথ্যা মামলায় বিএনপি নেতা–কর্মীদের জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানো যেন আওয়ামী সরকারের প্রধান কর্মসূচি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইশরাক হোসেনও সে কর্মসূচির অংশ।

বিবৃতিতে ইশরাক হোসেনের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারসহ তার নিঃশর্ত মুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব।

;

অক্টোবরে চট্টগ্রাম মহানগর আ.লীগের সম্মেলন: হানিফ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামী অক্টোবর মাসে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ।

রোববার (১৯ মে) নগরীর কাজীর দেউড়ি একটি কনভেনশন সেন্টারে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সভায় তিনি এ কথা জানান।

মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ ও তার আওতাধীন থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিট আওয়ামী লীগের সম্মেলন ও কমিটি আগামী জুলাই মাসের মধ্যেই এগুলোর সম্মেলন ও কমিটি গঠন অবশ্যই করে ফেলতে হবে। আগস্ট মাস যেহেতু শোকের মাস, এসময় আওয়ামী লীগের কোনো স্তরের সম্মেলন ও কমিটি গঠনের অবকাশ নেই। সেপ্টেম্বর মাসকে মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি পর্ব হিসেবে ধরে নিয়ে দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী অক্টোবর মাসে নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে আড়ম্বরপূর্ণভাবে মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ক্ষমতার উৎস যেমন জনগণ। আওয়ামী লীগের ভিত্তি ও অস্তিত্ব নির্ভরশীল শক্তিশালী সাংগঠনিক ভিত্তির উপরই। নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে সম্মেলনের মধ্যদিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কাঠামোর ভিত্তিকে সুদৃঢ় ও বিস্তৃত করার প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু করে দিতে হবে। নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে ব্যক্তির সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, যোগ্যতা ও দক্ষতাকে প্রাধান্য দিতে হবে। তাই ব্যক্তির পছন্দ ও অপছন্দের বিষয়টি কখনো মুখ্য হতে পারে না। নেতৃত্ব নির্বাচনে প্রতিযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকতেই পারে। এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা সাংগঠনিক শৃঙ্খলার মধ্যেই হওয়া উচিত। সবচেয়ে বড় কথা- সংগঠনের বিভিন্ন ধাপ ও স্তরগুলোতে নেতৃত্ব যদি সমঝোতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে দলীয় ঐক্য, শৃঙ্খলা ও শক্তির পরিমাপ ও ঘনত্ব ভারি হয়। নেতৃত্ব নির্বাচনে ভোটের বিষয়টি থাকলে কেনা-বেচা হওয়ার সুযোগ থাকে এবং পারস্পরিক বিভক্তি সৃষ্টিরও আশঙ্কা দেখা দেয়।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, আওয়ামী লীগ টানা চারবার ক্ষমতায় আছে- এ নিয়ে আত্মতুষ্টির কোনো কারণ নেই। ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ধস নামানোর বিজয় অর্জিত হয়েছিল প্রবল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এই প্রতিপক্ষ ছিল নেতৃত্বহীন বিএনপি নামক একটি প্লাটফর্ম এবং স্বাধীনতা ও দেশ বিরোধী রেজিমেন্টাল জামায়াতে ইসলামী ও প্রতিক্রিয়াশীল ডান ও অতিবাম শক্তির মোর্চা। কিন্তু পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনগুলোতে আমাদের কোনো প্রবল প্রতিপক্ষ না থাকলেও দলীয় সাংগঠনিক ভিত্তি খুব একটা শক্তিশালী হয়নি। বরং নিজেদের মধ্যে কলহ, বিবাদ ও বিভক্তি বেড়েছে। আরও বেড়েছে দলের মধ্যে হাইব্রীডের প্রবল স্রোত। প্রধানমন্ত্রী বার বার বলেছেন, নিজস্ব গ্রুপ ও প্রভাব বলয় বৃদ্ধির জন্য বাইরে থেকে ভিন্ন মতের মানুষ দলে ঢুকানোর কোনো প্রয়োজন নেই।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটির আওতাধীন ২৭টি ইউনিট ও ২৯টি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়নি এবং ১৫টি থানার মধ্যে একটি থানা আওয়ামী লীগ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখনো পর্যন্ত ইউনিট, ওয়ার্ড ও থানা আওয়ামী লীগের যে সকল কমিটির সম্মেলন হয়নি, সেগুলো মূলত পরিস্থিতিগত কারণে নয়, স্থানীয় নেতৃত্বের অনীহা ও আন্তরিকতার অভাবের কারণে। আমরা মহানগর আওয়ামী লীগ কমিটি থেকে এ সকল ইউনিট, ওয়ার্ড ও থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠানের জন্য যাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, সম্মেলন কেন হয়নি এ ব্যাপারে তারা অবগত আছেন। তবে এটাও ঠিক সম্মেলন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে স্থানীয় নেতৃত্ব যদি ঐকমত্যে না পৌঁছে সেখানে কিছুতেই জোর করে সম্মেলন করতে হবে এমন মনোভাব চাপিয়ে দেয়া যায় না।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন- মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট সুনীল কুমার সরকার, অ্যাডভোকেট মো. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, খোরশেদ আলম সুজন, এম. জহিরুল আলম দোভাষ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম, উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য একেএম বেলায়েত হোসেন, শফর আলী, শেখ মাহমুদ ইছহাক, কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম এমপি, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সাবেক এমপি নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান ও মো. মহিউদ্দিন বাচ্চু এমপি প্রমুখ।

;